ঢাকা ০৪:০১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট বনশ্রীতে স্কুলছাত্রী খুন,পুলিশের সন্দেহের তালিকায় পলাতক রেস্তোরাঁ কর্মী স্বৈরাচারের লোকেরা নির্বাচন ভণ্ডুলের চেষ্টা করবে: ড. মুহাম্মদ ইউনূস গাজীপুরে নবজাতকের লাশ নিয়ে কুকুরের টানাহ্যাঁচড়া, উদ্ধার করল পুলিশ ধর্মকে পুঁজি করে মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে, ধোঁকা দেওয়া হচ্ছে : খায়রুল কবির খোকন দলে বড় নাম থাকলেও জেতার জন্য সবাইকে আরও দায়িত্ব নিতে হবে: সোহান ২৫ জন বাংলাদেশিকে ক্ষমা করল আমিরাত দেশের ভবিষ্যত গড়ার জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয় নিশ্চিত করতে হবে : চরমোনাই পীর ব্যালটবাক্স ভরে কোনো নির্দিষ্ট প্রতীকের জয়ের সুযোগ নেই: রুমিন ফারহানা এইচএসসি পাসে নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ , রোগী দেখেন দুই জেলায়

মনে হলো নিজের ঘরে ফিরে এলাম : শর্মিলা ঠাকুর

অাকাশ বিনোদন ডেস্ক:

শুক্রবার ঢাকায় এলেও খুব ক্লান্ত থাকার কারণে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত হতে পারেননি শর্মিলা ঠাকুর। তবে শনিবার ঠিকই দেখা মিললো বলিউডের কিংবদন্তি এই তারকার। ওইদিন রাত তখন ৮টা ৫০ মিনিট। রাজধানীর বসুন্ধরা কনভেনশন সেন্টারের গুলনিকেতন হলের আলোকিত মঞ্চ। আর হলভর্তি দর্শক। কিছুক্ষণ আগে শর্মিলা ঠাকুর অভিনীত বিভিন্ন চলচ্চিত্রের গানের সঙ্গে পারফর্ম করে গেছেন বাংলাদেশের শিল্পী নাদিয়া, ইভান সোহাগ, তারিন ও চাঁদনী। খানিক বাদেই হাজির হলেন শর্মিলা ঠাকুর। অনুষ্ঠান শুরুতে দেরি হয়েছে দুই ঘন্টা। তাতে কি এসে যায়। শর্মিলাকে পেয়ে সবার মুখে স্বস্তির ছাপ।

অভিনেত্রী শর্মিলা ঠাকুর হাসিমুখে মাইক্রোফোন হাতে নিয়ে বললেন, ঢাকা আমার খুব প্রিয় শহর। অনেকদিন পর আবার এখানে এলাম। মনে হলো নিজের ঘরে ফিরে এলাম। বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের পরিবারের নাড়ির টান। ইতিহাস-রাজনীতি আমাদের ভাগ করে দিলেও মনের টান কমেনি। আমাদের ভাষা, শিল্প এক ও অভিন্ন। তাই এ দেশে এলেই নাড়ির টান অনুভব করি।

তিনি আরও বলেন, দু-দেশের সংস্কৃতির আদান-প্রদানের সবচেয়ে বড় মাধ্যম হচ্ছে সিনেমা। তাই একজন শিল্পী হিসেবে আমি চাইবো যৌথ প্রযোজনায় আরো বেশি সিনেমা নির্মিত হোক। কাঁটাতারের বাধা যেন আদান প্রদানের প্রতিবন্ধকতা না হয়। এ দেশের শিল্পী আমাদের ওখানে (ভারত) যান। আমাদের ওখানকার শিল্পীরা এখানে আসুক। এরপর শর্মিলা ঠাকুর আয়োজক প্রতিষ্ঠান চ্যানেল লাইভ এন্টারটেইনমেন্টের কাছে কৃতজ্ঞাতা প্রকাশ করেন।

সে সময় এ প্রতিষ্ঠানের সিইও অনন্যা রুমা ও বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল এটিএন বাংলার চেয়ারম্যান ড. মাহফুজুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট অন্যরা মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন। তারপর মঞ্চে আসেন ভারতীয় সংগীত পরিচালক ও গায়ক জিৎ গাঙ্গুলী। তিনি একে একে গেয়ে শোনান ‘ওলালা’, ‘কি করে তোকে বলবো’, ‘খুঁজেছি তোমায় রাত বিরাতে’, ‘তুহি হে চ্যাম্প’, ‘হান্ডেড পার্সেন্ট লাভ’, ‘জিয়া জায়ে না’সহ বেশকিছু জনপ্রিয় গান।

এটিএন বাংলার ২০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে চ্যানেল লাইভ এন্টারটেইনমেন্ট আয়োজিত ‘শর্মিলা ঠাকুর-জিৎ গাঙ্গুলী লাইভ ইন ঢাকা’ পাওয়ার্ড বাই ভিশন কনসার্টে অংশ নিতে এসে গানের মাঝে জিৎ গাঙ্গুলী বলেন, এটিএন বাংলার ২০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী এবং ঢাকায় প্রথমবার গান করতে পেরে খুব ভালো লাগছে। এই সুযোগ করে দেবার জন্য ড. মাহফুজুর রহমানকে ধন্যবাদ। এখানে এসে মন ভরে গেল আমার। এটা আমার জীবনে এটা একটা হিস্ট্রিরি হয়ে থাকবে।

এদিকে জিৎ গাঙ্গুলীর পাশাপাশি কয়েকটি গান পরিবেশন করেন ভারতের কণ্ঠশিল্পী দোয়েল গোস্বামী। উল্লেখ্য, শর্মিলা ঠাকুর তৃতীয়বারের মতো এলেও জিৎ গাঙ্গুলীর জন্য বাংলাদেশে এটি ছিল প্রথম কনসার্ট। অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনায় ছিলেন দেবাশীষ বিশ্বাস ও সিঁথী সাহা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট

মনে হলো নিজের ঘরে ফিরে এলাম : শর্মিলা ঠাকুর

আপডেট সময় ০৬:২৭:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ জুলাই ২০১৭

অাকাশ বিনোদন ডেস্ক:

শুক্রবার ঢাকায় এলেও খুব ক্লান্ত থাকার কারণে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত হতে পারেননি শর্মিলা ঠাকুর। তবে শনিবার ঠিকই দেখা মিললো বলিউডের কিংবদন্তি এই তারকার। ওইদিন রাত তখন ৮টা ৫০ মিনিট। রাজধানীর বসুন্ধরা কনভেনশন সেন্টারের গুলনিকেতন হলের আলোকিত মঞ্চ। আর হলভর্তি দর্শক। কিছুক্ষণ আগে শর্মিলা ঠাকুর অভিনীত বিভিন্ন চলচ্চিত্রের গানের সঙ্গে পারফর্ম করে গেছেন বাংলাদেশের শিল্পী নাদিয়া, ইভান সোহাগ, তারিন ও চাঁদনী। খানিক বাদেই হাজির হলেন শর্মিলা ঠাকুর। অনুষ্ঠান শুরুতে দেরি হয়েছে দুই ঘন্টা। তাতে কি এসে যায়। শর্মিলাকে পেয়ে সবার মুখে স্বস্তির ছাপ।

অভিনেত্রী শর্মিলা ঠাকুর হাসিমুখে মাইক্রোফোন হাতে নিয়ে বললেন, ঢাকা আমার খুব প্রিয় শহর। অনেকদিন পর আবার এখানে এলাম। মনে হলো নিজের ঘরে ফিরে এলাম। বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের পরিবারের নাড়ির টান। ইতিহাস-রাজনীতি আমাদের ভাগ করে দিলেও মনের টান কমেনি। আমাদের ভাষা, শিল্প এক ও অভিন্ন। তাই এ দেশে এলেই নাড়ির টান অনুভব করি।

তিনি আরও বলেন, দু-দেশের সংস্কৃতির আদান-প্রদানের সবচেয়ে বড় মাধ্যম হচ্ছে সিনেমা। তাই একজন শিল্পী হিসেবে আমি চাইবো যৌথ প্রযোজনায় আরো বেশি সিনেমা নির্মিত হোক। কাঁটাতারের বাধা যেন আদান প্রদানের প্রতিবন্ধকতা না হয়। এ দেশের শিল্পী আমাদের ওখানে (ভারত) যান। আমাদের ওখানকার শিল্পীরা এখানে আসুক। এরপর শর্মিলা ঠাকুর আয়োজক প্রতিষ্ঠান চ্যানেল লাইভ এন্টারটেইনমেন্টের কাছে কৃতজ্ঞাতা প্রকাশ করেন।

সে সময় এ প্রতিষ্ঠানের সিইও অনন্যা রুমা ও বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল এটিএন বাংলার চেয়ারম্যান ড. মাহফুজুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট অন্যরা মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন। তারপর মঞ্চে আসেন ভারতীয় সংগীত পরিচালক ও গায়ক জিৎ গাঙ্গুলী। তিনি একে একে গেয়ে শোনান ‘ওলালা’, ‘কি করে তোকে বলবো’, ‘খুঁজেছি তোমায় রাত বিরাতে’, ‘তুহি হে চ্যাম্প’, ‘হান্ডেড পার্সেন্ট লাভ’, ‘জিয়া জায়ে না’সহ বেশকিছু জনপ্রিয় গান।

এটিএন বাংলার ২০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে চ্যানেল লাইভ এন্টারটেইনমেন্ট আয়োজিত ‘শর্মিলা ঠাকুর-জিৎ গাঙ্গুলী লাইভ ইন ঢাকা’ পাওয়ার্ড বাই ভিশন কনসার্টে অংশ নিতে এসে গানের মাঝে জিৎ গাঙ্গুলী বলেন, এটিএন বাংলার ২০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী এবং ঢাকায় প্রথমবার গান করতে পেরে খুব ভালো লাগছে। এই সুযোগ করে দেবার জন্য ড. মাহফুজুর রহমানকে ধন্যবাদ। এখানে এসে মন ভরে গেল আমার। এটা আমার জীবনে এটা একটা হিস্ট্রিরি হয়ে থাকবে।

এদিকে জিৎ গাঙ্গুলীর পাশাপাশি কয়েকটি গান পরিবেশন করেন ভারতের কণ্ঠশিল্পী দোয়েল গোস্বামী। উল্লেখ্য, শর্মিলা ঠাকুর তৃতীয়বারের মতো এলেও জিৎ গাঙ্গুলীর জন্য বাংলাদেশে এটি ছিল প্রথম কনসার্ট। অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনায় ছিলেন দেবাশীষ বিশ্বাস ও সিঁথী সাহা।