ঢাকা ০১:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬, ১৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সন্ত্রাসবাদ, চরমপন্থী ও মৌলবাদিতা দুই দেশেরই চ্যালেঞ্জ: সুষমা স্বরাজ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ঢাকায় সফররত ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ বলেছেন, বাংলাদেশ-ভারতের চ্যালেঞ্জগুলো একই। সন্ত্রাসবাদ, চরমপন্থী ও মৌলবাদিতা দুই দেশের চ্যালেঞ্জ। রবিবার যৌথ পরামর্শ কমিশনের (জেসিসি) বৈঠক শেষে যৌথ ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান তিনি।

তিনি বষেন, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের নেওয়া জিরো টলারেন্স নীতির সঙ্গে আমরাও একমত হয়েছি। এছাড়া রোহিঙ্গা সঙ্কট নিরসনে কফি আনান কমিশনের সুপারিশের বাস্তবায়ন দেখতে চায় ভারত।

এ সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এএইচ মাহমুদ আলী বলেন, বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের ফেরত নেওয়ার বিষয়ে ভারত যেনো মিয়ানমারের প্রতি চাপ সৃষ্টি করে সেজন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের মাটি ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না। প্রতিবেশী দুই দেশই পরস্পরের বিশ্বস্ত বন্ধু। এছাড়া বৈঠকে সুষমা স্বরাজকে এএইচ মাহমুদ আলী স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, বাংলাদেশ সফরকালে নরেন্দ্র মোদি বলেছিলেন, তার আমলেই তিস্তা চুক্তি হবে।

এর আগে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে হোটেল সোনারগাঁওয়ে জেসিসি বৈঠক হয়। সেখানে বাংলাদেশের পক্ষে নেতৃত্ব দেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী। আর ভারতের পক্ষে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ নেতৃত্ব দেন।

বৈঠকে অংশ নিতে রবিবার দুপুরে দুইদিনের সফরে ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ ঢাকায় আসেন। দুইদিনের সফরে রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করবেন তিনি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বড় নিয়োগ দিচ্ছে রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্র

সন্ত্রাসবাদ, চরমপন্থী ও মৌলবাদিতা দুই দেশেরই চ্যালেঞ্জ: সুষমা স্বরাজ

আপডেট সময় ১০:১২:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ঢাকায় সফররত ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ বলেছেন, বাংলাদেশ-ভারতের চ্যালেঞ্জগুলো একই। সন্ত্রাসবাদ, চরমপন্থী ও মৌলবাদিতা দুই দেশের চ্যালেঞ্জ। রবিবার যৌথ পরামর্শ কমিশনের (জেসিসি) বৈঠক শেষে যৌথ ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান তিনি।

তিনি বষেন, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের নেওয়া জিরো টলারেন্স নীতির সঙ্গে আমরাও একমত হয়েছি। এছাড়া রোহিঙ্গা সঙ্কট নিরসনে কফি আনান কমিশনের সুপারিশের বাস্তবায়ন দেখতে চায় ভারত।

এ সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এএইচ মাহমুদ আলী বলেন, বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের ফেরত নেওয়ার বিষয়ে ভারত যেনো মিয়ানমারের প্রতি চাপ সৃষ্টি করে সেজন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের মাটি ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না। প্রতিবেশী দুই দেশই পরস্পরের বিশ্বস্ত বন্ধু। এছাড়া বৈঠকে সুষমা স্বরাজকে এএইচ মাহমুদ আলী স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, বাংলাদেশ সফরকালে নরেন্দ্র মোদি বলেছিলেন, তার আমলেই তিস্তা চুক্তি হবে।

এর আগে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে হোটেল সোনারগাঁওয়ে জেসিসি বৈঠক হয়। সেখানে বাংলাদেশের পক্ষে নেতৃত্ব দেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী। আর ভারতের পক্ষে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ নেতৃত্ব দেন।

বৈঠকে অংশ নিতে রবিবার দুপুরে দুইদিনের সফরে ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ ঢাকায় আসেন। দুইদিনের সফরে রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করবেন তিনি।