ঢাকা ০১:০০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

হামের টিকা অনিয়ম তদন্তে সাবেক বিচারপতির নেতৃত্বে কমিশন

হামের টিকা কেনা ও বিতরণে দীর্ঘসূত্রতা, অনিয়ম এবং প্রশাসনিক ব্যর্থতার কারণে জনস্বাস্থ্যের ওপর যে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে, তা তদন্তের জন্য তিন সদস্যের একটি কমিশন গঠন করা হয়েছে। বুধবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। কমিশনটি ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট থেকে ২০২৬ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দায়িত্ব পালনকারী অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কর্মকাণ্ড ও দায়-দায়িত্ব পর্যালোচনা করবে। বুধবার (৪ নভেম্বর) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

তদন্ত কমিশনের নেতৃত্বে রয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের সাবেক বিচারপতি মামনুন রহমান। কমিশনের অন্য দুই সদস্য হলেন বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সার্জনসের (বিসিপিএস) প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ডা. মওদুদ হোসেন আলমগীর এবং স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব এ এন এম মঈনুল ইসলাম। এছাড়া কমিশনের ব্যয় নির্বাহ এবং তদন্তকাজে সহায়তার জন্য স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ বা এর অধীনস্থ প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয়সংখ্যক কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হবে।

প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, এই কমিশন হামের টিকা ক্রয় ও বিতরণে ঘটে যাওয়া অনিয়ম ও প্রশাসনিক ব্যর্থতার কারণ চিহ্নিত করবে। পাশাপাশি, ভবিষ্যতে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা রোধে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানের দায়িত্ব পালন করবে তারা। এছাড়াও কমিশনের বিবেচনায় গুরুত্বপূর্ণ অন্য কোনো বিষয়েও তারা সুপারিশ পেশ করতে পারবে।

তদন্তের সুবিধার্থে কমিশন দেশের যেকোনো স্থান পরিদর্শন করার পাশাপাশি প্রয়োজনে যেকোনো ব্যক্তিকে তলব বা জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে। আগামী ৬০ কার্যদিবসের মধ্যে কমিশনকে তদন্ত প্রতিবেদন সরকারের কাছে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্ত কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ কমিশনকে প্রয়োজনীয় সাচিবিক সহায়তা ও প্রয়োজনীয় জনবল সরবরাহ করবে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কুয়েতে বন্ধুকে ছুরিকাঘাতে হত্যার দায়ে বাংলাদেশি প্রবাসীর মৃত্যুদণ্ড

হামের টিকা অনিয়ম তদন্তে সাবেক বিচারপতির নেতৃত্বে কমিশন

আপডেট সময় ১২:১৫:৪২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬

হামের টিকা কেনা ও বিতরণে দীর্ঘসূত্রতা, অনিয়ম এবং প্রশাসনিক ব্যর্থতার কারণে জনস্বাস্থ্যের ওপর যে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে, তা তদন্তের জন্য তিন সদস্যের একটি কমিশন গঠন করা হয়েছে। বুধবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। কমিশনটি ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট থেকে ২০২৬ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দায়িত্ব পালনকারী অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কর্মকাণ্ড ও দায়-দায়িত্ব পর্যালোচনা করবে। বুধবার (৪ নভেম্বর) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

তদন্ত কমিশনের নেতৃত্বে রয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের সাবেক বিচারপতি মামনুন রহমান। কমিশনের অন্য দুই সদস্য হলেন বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সার্জনসের (বিসিপিএস) প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ডা. মওদুদ হোসেন আলমগীর এবং স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব এ এন এম মঈনুল ইসলাম। এছাড়া কমিশনের ব্যয় নির্বাহ এবং তদন্তকাজে সহায়তার জন্য স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ বা এর অধীনস্থ প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয়সংখ্যক কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হবে।

প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, এই কমিশন হামের টিকা ক্রয় ও বিতরণে ঘটে যাওয়া অনিয়ম ও প্রশাসনিক ব্যর্থতার কারণ চিহ্নিত করবে। পাশাপাশি, ভবিষ্যতে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা রোধে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানের দায়িত্ব পালন করবে তারা। এছাড়াও কমিশনের বিবেচনায় গুরুত্বপূর্ণ অন্য কোনো বিষয়েও তারা সুপারিশ পেশ করতে পারবে।

তদন্তের সুবিধার্থে কমিশন দেশের যেকোনো স্থান পরিদর্শন করার পাশাপাশি প্রয়োজনে যেকোনো ব্যক্তিকে তলব বা জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে। আগামী ৬০ কার্যদিবসের মধ্যে কমিশনকে তদন্ত প্রতিবেদন সরকারের কাছে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্ত কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ কমিশনকে প্রয়োজনীয় সাচিবিক সহায়তা ও প্রয়োজনীয় জনবল সরবরাহ করবে।