ঢাকা ০২:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আছিয়া-রামিসা হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুনানি চাইলেন অ্যাটর্নি জেনারেল দুর্ভিক্ষপীড়িত রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন জিয়াউর রহমান: মির্জা ফখরুল মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত সোহেল-স্বপ্নার জেল আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ খুলনায় নামাজের সময় মসজিদে ঢুকে গুলি, দুই মুসল্লি গুলিবিদ্ধ শিক্ষা ব্যয় তলানিতে, দারিদ্র্যে নতুন রেকর্ড পাকিস্তানের বাড়িতে মিলল মা-মেয়ের লাশ, আহত ৫ বছরের শিশু আজই চুক্তি স্বাক্ষরের ঘোষণা ট্রাম্পের, ভিন্ন সুর ইরানের ভারতে একই পরিবারের ৪ সদস্যের আত্মহত্যা শিক্ষকদের অবসর সুবিধা দিতে শিক্ষামন্ত্রীর নতুন উদ্যোগ ড্র দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু ব্রাজিল-মরক্কোর

বন্ধুকে দিয়ে বন্ধু হত্যার পরিকল্পনা, আদালতে স্বীকারোক্তি

file photo

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে দোকান কর্মচারী যুবক শাকিল হত্যার ঘটনা গ্রেফতারকৃত আসামি রাকিব হোসেন হত্যার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দী দিয়েছেন। সোমবার (১৬ অক্টোবর) টাঙ্গাইল সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ১৬৪ ধারায় রাকিব হোসেন হত্যার স্বীকারোক্তি দেন।

আদালতের বিচারক রোকন কুমার তার জবানবন্দী রেকর্ড করেন বলে মির্জাপুর থানার অফিসার্স ইনচার্জ এ কে এম মিজানুল হক বুধবার সন্ধায় জানিয়েছেন।

জবানবন্দীতে রাকিব বলেন, গোড়াই ইউনিয়নের ধেরুয়া গ্রামের নয়া ড্রাইভারের মেয়ে সুবর্ণার সঙ্গে শাকিলের প্রেমে চলছিল। ওই প্রেম তাদের এক সময় দৈহিক সম্পর্কে মিলিত করে। শাকিল তার প্রেমিকার সঙ্গে দৈহিক সম্পর্ক মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করে। পরে রাকিব সুবর্ণাকে ভিডিও কথা বলে জিম্মি করে তার নিয়ন্ত্রনে রাখে।

এই খবর সুবর্ণার ভাই শুভ জানতে পেরে ক্ষিপ্ত হয়। শুভ এলাকার মাদক সেবনকারী শাকিলের বন্ধু রাকিবের স্মরণাপন্ন হয় এবং গত ১১ অক্টোবর রাতে শুভ রাকিবকে দিয়ে শাকিলের মুঠোফোনে কল দিয়ে বাড়ির পাশে রেল লাইনে ডেকে আনে।

শুভ, রাকিব ও শাকিল রেল লাইন ধরে কথা বলতে বলতে হাঁটতে থাকে। দৈহিক সম্পর্ক ধারণ করা মুঠোফোনটি ছিনিয়ে নেয়ার উদ্দেশ্যে তারা দ’জনে আচমকা শাকিলকে ধাক্কা দিয়ে রেল লাইনের পাশে ক্ষেতের মধ্যে পানিতে ফেলে চেপে ধরে।

ধস্তাধস্তির এক পর্যায় শাকিল নিস্তেজ হয়ে পড়লে কচুরিপানা দিয়ে তার দেহ ঢেকে তারা বাড়ি চলে যায়। বৃহস্পতিবার (১২ অক্টোবর) বিকেলে মির্জাপুর থানা পুলিশ শাকিলের লাশ বাইমাইল এলাকার ওই ক্ষেত থেকে শকিলের মৃতদেহ উদ্ধার করে। ওই দিনই পুলিশ রাসেল নামে এক যুবককে আটক করে। তার দেয়া তথ্য মতে পুলিশ ঘটনার মূল নায়ক রাকিবকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠায়।

সোমবার পুলিশ রাকিবকে টাঙ্গাইল সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রোকন কুমারের আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দেয়। মির্জাপুর থানার অফিসার্স ইনচার্জ এ কে এম মিজানুল হক বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িত আরেক আসামি শুভকে গ্রেফতারের জন্য পুলিশ অভিযান অব্যাহত রেখেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আছিয়া-রামিসা হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুনানি চাইলেন অ্যাটর্নি জেনারেল

বন্ধুকে দিয়ে বন্ধু হত্যার পরিকল্পনা, আদালতে স্বীকারোক্তি

আপডেট সময় ০৯:১১:০৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে দোকান কর্মচারী যুবক শাকিল হত্যার ঘটনা গ্রেফতারকৃত আসামি রাকিব হোসেন হত্যার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দী দিয়েছেন। সোমবার (১৬ অক্টোবর) টাঙ্গাইল সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ১৬৪ ধারায় রাকিব হোসেন হত্যার স্বীকারোক্তি দেন।

আদালতের বিচারক রোকন কুমার তার জবানবন্দী রেকর্ড করেন বলে মির্জাপুর থানার অফিসার্স ইনচার্জ এ কে এম মিজানুল হক বুধবার সন্ধায় জানিয়েছেন।

জবানবন্দীতে রাকিব বলেন, গোড়াই ইউনিয়নের ধেরুয়া গ্রামের নয়া ড্রাইভারের মেয়ে সুবর্ণার সঙ্গে শাকিলের প্রেমে চলছিল। ওই প্রেম তাদের এক সময় দৈহিক সম্পর্কে মিলিত করে। শাকিল তার প্রেমিকার সঙ্গে দৈহিক সম্পর্ক মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করে। পরে রাকিব সুবর্ণাকে ভিডিও কথা বলে জিম্মি করে তার নিয়ন্ত্রনে রাখে।

এই খবর সুবর্ণার ভাই শুভ জানতে পেরে ক্ষিপ্ত হয়। শুভ এলাকার মাদক সেবনকারী শাকিলের বন্ধু রাকিবের স্মরণাপন্ন হয় এবং গত ১১ অক্টোবর রাতে শুভ রাকিবকে দিয়ে শাকিলের মুঠোফোনে কল দিয়ে বাড়ির পাশে রেল লাইনে ডেকে আনে।

শুভ, রাকিব ও শাকিল রেল লাইন ধরে কথা বলতে বলতে হাঁটতে থাকে। দৈহিক সম্পর্ক ধারণ করা মুঠোফোনটি ছিনিয়ে নেয়ার উদ্দেশ্যে তারা দ’জনে আচমকা শাকিলকে ধাক্কা দিয়ে রেল লাইনের পাশে ক্ষেতের মধ্যে পানিতে ফেলে চেপে ধরে।

ধস্তাধস্তির এক পর্যায় শাকিল নিস্তেজ হয়ে পড়লে কচুরিপানা দিয়ে তার দেহ ঢেকে তারা বাড়ি চলে যায়। বৃহস্পতিবার (১২ অক্টোবর) বিকেলে মির্জাপুর থানা পুলিশ শাকিলের লাশ বাইমাইল এলাকার ওই ক্ষেত থেকে শকিলের মৃতদেহ উদ্ধার করে। ওই দিনই পুলিশ রাসেল নামে এক যুবককে আটক করে। তার দেয়া তথ্য মতে পুলিশ ঘটনার মূল নায়ক রাকিবকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠায়।

সোমবার পুলিশ রাকিবকে টাঙ্গাইল সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রোকন কুমারের আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দেয়। মির্জাপুর থানার অফিসার্স ইনচার্জ এ কে এম মিজানুল হক বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িত আরেক আসামি শুভকে গ্রেফতারের জন্য পুলিশ অভিযান অব্যাহত রেখেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।