ঢাকা ১১:৪২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

‘বাংলাদেশ আমাদের দুম্বার মতো মেরেছে’:পাকিস্তানি সাবেক পেসার আমির

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক :

ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশের কাছে বড় ব্যবধানে হারের পর কঠোর সমালোচনা করেছেন পাকিস্তানের সাবেক পেসার মোহাম্মদ আমির। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশ এমন এক উইকেট তৈরি করে পাকিস্তানকে চমকে দিয়েছে যা ছিল “সিলেবাসের বাইরের প্রশ্নের” মতো।

মিরপুরে অনুষ্ঠিত ম্যাচে বাংলাদেশ মাত্র ১১৪ রানে গুটিয়ে দেয় পাকিস্তান। পরে ২ উইকেট হারিয়ে মাত্র ১৫.১ ওভারে লক্ষ্য ছুঁয়ে ফেলে বাংলাদেশ। এই জয়ের পেছনে বড় ভূমিকা রাখেন তরুণ পেসার নাহিদ রানা ও অলরাউন্ডার মেহেদি মিরাজ।

নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া বিশ্লেষণে আমির বলেন, পাকিস্তান ভেবেছিল মিরপুরে স্পিন সহায়ক উইকেট হবে। কিন্তু বাংলাদেশ ঘাসে ঢাকা বাউন্সি পিচ তৈরি করে পরিকল্পনাই বদলে দেয়।

তার ভাষায়, ‘আমরা টার্নিং উইকেটের কথা ভেবেছিলাম, কিন্তু তারা বানিয়ে দিল পেস সহায়ক উইকেট। ঠিক যেন পরীক্ষায় ‘আউট অব সিলেবাস’ প্রশ্ন এসে গেছে। আমাদের ব্যাটসম্যানরা ১৪০ কিলোমিটার গতির বল দেখলেই সমস্যায় পড়ে যায়।’

পাকিস্তানের ব্যাটিং বিপর্যয়ের জন্য অনুশীলনের ঘাটতি ও দল নির্বাচনের ভুলকেও দায়ী করেছেন আমির। তিনি বলেন, ‘তরুণ ব্যাটারদের টেকনিকে বড় দুর্বলতা রয়েছে এবং তারা অফ স্টাম্পের বল সামলাতে পারে না।’

একই সঙ্গে পাকিস্তান দলের বর্তমান অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে আমির বলেন, ‘আমরা এখন বাংলাদেশের কাছেও হারছি। ভয় হচ্ছে শেষ পর্যন্ত আমরা অ্যাসোসিয়েট দলের মতো অবস্থায় নেমে যাই কি না। শুধু তরুণদের দিয়ে দল হয় না সিনিয়র ও জুনিয়রের ভারসাম্য দরকার।’

বাংলাদেশের বোলিং শক্তির প্রশংসা করে তিনি আরও বলেন, সিরিজ জিততে স্বাগতিকরা একই ধরনের পেস সহায়ক উইকেটই ব্যবহার করতে পারে। তার মতে, বাংলাদেশের তিন ফাস্ট বোলারই ১৩৫–১৪০ কিলোমিটার গতিতে বল করতে পারে এবং সেই সুবিধাটিই কাজে লাগাতে চাইবে তারা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

‘বাংলাদেশ আমাদের দুম্বার মতো মেরেছে’:পাকিস্তানি সাবেক পেসার আমির

আপডেট সময় ০৪:১৫:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক :

ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশের কাছে বড় ব্যবধানে হারের পর কঠোর সমালোচনা করেছেন পাকিস্তানের সাবেক পেসার মোহাম্মদ আমির। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশ এমন এক উইকেট তৈরি করে পাকিস্তানকে চমকে দিয়েছে যা ছিল “সিলেবাসের বাইরের প্রশ্নের” মতো।

মিরপুরে অনুষ্ঠিত ম্যাচে বাংলাদেশ মাত্র ১১৪ রানে গুটিয়ে দেয় পাকিস্তান। পরে ২ উইকেট হারিয়ে মাত্র ১৫.১ ওভারে লক্ষ্য ছুঁয়ে ফেলে বাংলাদেশ। এই জয়ের পেছনে বড় ভূমিকা রাখেন তরুণ পেসার নাহিদ রানা ও অলরাউন্ডার মেহেদি মিরাজ।

নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া বিশ্লেষণে আমির বলেন, পাকিস্তান ভেবেছিল মিরপুরে স্পিন সহায়ক উইকেট হবে। কিন্তু বাংলাদেশ ঘাসে ঢাকা বাউন্সি পিচ তৈরি করে পরিকল্পনাই বদলে দেয়।

তার ভাষায়, ‘আমরা টার্নিং উইকেটের কথা ভেবেছিলাম, কিন্তু তারা বানিয়ে দিল পেস সহায়ক উইকেট। ঠিক যেন পরীক্ষায় ‘আউট অব সিলেবাস’ প্রশ্ন এসে গেছে। আমাদের ব্যাটসম্যানরা ১৪০ কিলোমিটার গতির বল দেখলেই সমস্যায় পড়ে যায়।’

পাকিস্তানের ব্যাটিং বিপর্যয়ের জন্য অনুশীলনের ঘাটতি ও দল নির্বাচনের ভুলকেও দায়ী করেছেন আমির। তিনি বলেন, ‘তরুণ ব্যাটারদের টেকনিকে বড় দুর্বলতা রয়েছে এবং তারা অফ স্টাম্পের বল সামলাতে পারে না।’

একই সঙ্গে পাকিস্তান দলের বর্তমান অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে আমির বলেন, ‘আমরা এখন বাংলাদেশের কাছেও হারছি। ভয় হচ্ছে শেষ পর্যন্ত আমরা অ্যাসোসিয়েট দলের মতো অবস্থায় নেমে যাই কি না। শুধু তরুণদের দিয়ে দল হয় না সিনিয়র ও জুনিয়রের ভারসাম্য দরকার।’

বাংলাদেশের বোলিং শক্তির প্রশংসা করে তিনি আরও বলেন, সিরিজ জিততে স্বাগতিকরা একই ধরনের পেস সহায়ক উইকেটই ব্যবহার করতে পারে। তার মতে, বাংলাদেশের তিন ফাস্ট বোলারই ১৩৫–১৪০ কিলোমিটার গতিতে বল করতে পারে এবং সেই সুবিধাটিই কাজে লাগাতে চাইবে তারা।