ঢাকা ০৮:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২

‘বাংলাদেশ আমাদের দুম্বার মতো মেরেছে’:পাকিস্তানি সাবেক পেসার আমির

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক :

ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশের কাছে বড় ব্যবধানে হারের পর কঠোর সমালোচনা করেছেন পাকিস্তানের সাবেক পেসার মোহাম্মদ আমির। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশ এমন এক উইকেট তৈরি করে পাকিস্তানকে চমকে দিয়েছে যা ছিল “সিলেবাসের বাইরের প্রশ্নের” মতো।

মিরপুরে অনুষ্ঠিত ম্যাচে বাংলাদেশ মাত্র ১১৪ রানে গুটিয়ে দেয় পাকিস্তান। পরে ২ উইকেট হারিয়ে মাত্র ১৫.১ ওভারে লক্ষ্য ছুঁয়ে ফেলে বাংলাদেশ। এই জয়ের পেছনে বড় ভূমিকা রাখেন তরুণ পেসার নাহিদ রানা ও অলরাউন্ডার মেহেদি মিরাজ।

নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া বিশ্লেষণে আমির বলেন, পাকিস্তান ভেবেছিল মিরপুরে স্পিন সহায়ক উইকেট হবে। কিন্তু বাংলাদেশ ঘাসে ঢাকা বাউন্সি পিচ তৈরি করে পরিকল্পনাই বদলে দেয়।

তার ভাষায়, ‘আমরা টার্নিং উইকেটের কথা ভেবেছিলাম, কিন্তু তারা বানিয়ে দিল পেস সহায়ক উইকেট। ঠিক যেন পরীক্ষায় ‘আউট অব সিলেবাস’ প্রশ্ন এসে গেছে। আমাদের ব্যাটসম্যানরা ১৪০ কিলোমিটার গতির বল দেখলেই সমস্যায় পড়ে যায়।’

পাকিস্তানের ব্যাটিং বিপর্যয়ের জন্য অনুশীলনের ঘাটতি ও দল নির্বাচনের ভুলকেও দায়ী করেছেন আমির। তিনি বলেন, ‘তরুণ ব্যাটারদের টেকনিকে বড় দুর্বলতা রয়েছে এবং তারা অফ স্টাম্পের বল সামলাতে পারে না।’

একই সঙ্গে পাকিস্তান দলের বর্তমান অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে আমির বলেন, ‘আমরা এখন বাংলাদেশের কাছেও হারছি। ভয় হচ্ছে শেষ পর্যন্ত আমরা অ্যাসোসিয়েট দলের মতো অবস্থায় নেমে যাই কি না। শুধু তরুণদের দিয়ে দল হয় না সিনিয়র ও জুনিয়রের ভারসাম্য দরকার।’

বাংলাদেশের বোলিং শক্তির প্রশংসা করে তিনি আরও বলেন, সিরিজ জিততে স্বাগতিকরা একই ধরনের পেস সহায়ক উইকেটই ব্যবহার করতে পারে। তার মতে, বাংলাদেশের তিন ফাস্ট বোলারই ১৩৫–১৪০ কিলোমিটার গতিতে বল করতে পারে এবং সেই সুবিধাটিই কাজে লাগাতে চাইবে তারা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

১৪ বছরের দাম্পত্য জীবনের ইতি টানলেন অভিনেতা বিজয়েন্দ্র

‘বাংলাদেশ আমাদের দুম্বার মতো মেরেছে’:পাকিস্তানি সাবেক পেসার আমির

আপডেট সময় ০৪:১৫:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক :

ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশের কাছে বড় ব্যবধানে হারের পর কঠোর সমালোচনা করেছেন পাকিস্তানের সাবেক পেসার মোহাম্মদ আমির। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশ এমন এক উইকেট তৈরি করে পাকিস্তানকে চমকে দিয়েছে যা ছিল “সিলেবাসের বাইরের প্রশ্নের” মতো।

মিরপুরে অনুষ্ঠিত ম্যাচে বাংলাদেশ মাত্র ১১৪ রানে গুটিয়ে দেয় পাকিস্তান। পরে ২ উইকেট হারিয়ে মাত্র ১৫.১ ওভারে লক্ষ্য ছুঁয়ে ফেলে বাংলাদেশ। এই জয়ের পেছনে বড় ভূমিকা রাখেন তরুণ পেসার নাহিদ রানা ও অলরাউন্ডার মেহেদি মিরাজ।

নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া বিশ্লেষণে আমির বলেন, পাকিস্তান ভেবেছিল মিরপুরে স্পিন সহায়ক উইকেট হবে। কিন্তু বাংলাদেশ ঘাসে ঢাকা বাউন্সি পিচ তৈরি করে পরিকল্পনাই বদলে দেয়।

তার ভাষায়, ‘আমরা টার্নিং উইকেটের কথা ভেবেছিলাম, কিন্তু তারা বানিয়ে দিল পেস সহায়ক উইকেট। ঠিক যেন পরীক্ষায় ‘আউট অব সিলেবাস’ প্রশ্ন এসে গেছে। আমাদের ব্যাটসম্যানরা ১৪০ কিলোমিটার গতির বল দেখলেই সমস্যায় পড়ে যায়।’

পাকিস্তানের ব্যাটিং বিপর্যয়ের জন্য অনুশীলনের ঘাটতি ও দল নির্বাচনের ভুলকেও দায়ী করেছেন আমির। তিনি বলেন, ‘তরুণ ব্যাটারদের টেকনিকে বড় দুর্বলতা রয়েছে এবং তারা অফ স্টাম্পের বল সামলাতে পারে না।’

একই সঙ্গে পাকিস্তান দলের বর্তমান অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে আমির বলেন, ‘আমরা এখন বাংলাদেশের কাছেও হারছি। ভয় হচ্ছে শেষ পর্যন্ত আমরা অ্যাসোসিয়েট দলের মতো অবস্থায় নেমে যাই কি না। শুধু তরুণদের দিয়ে দল হয় না সিনিয়র ও জুনিয়রের ভারসাম্য দরকার।’

বাংলাদেশের বোলিং শক্তির প্রশংসা করে তিনি আরও বলেন, সিরিজ জিততে স্বাগতিকরা একই ধরনের পেস সহায়ক উইকেটই ব্যবহার করতে পারে। তার মতে, বাংলাদেশের তিন ফাস্ট বোলারই ১৩৫–১৪০ কিলোমিটার গতিতে বল করতে পারে এবং সেই সুবিধাটিই কাজে লাগাতে চাইবে তারা।