ঢাকা ০৪:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টেকনাফে রোহিঙ্গাবাহী নৌকাডুবি, নিখোঁজ ১৩ নতুন দায়িত্ব পেলেন ফজলুর রহমান জুলাই সনদের আলোকে সংস্কারগুলো এগিয়ে নেব: আইনমন্ত্রী গণভোটের রায় অস্বীকার করা মানে জনগণকে অপমান করা: জামায়াত আমির কেশম দ্বীপে হামলার ‘মূল্য দিতে হবে’ যুক্তরাষ্ট্রকে:গালিবাফের হুঁশিয়ারি ভারতে বসে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালাতে পারবেন না শেখ হাসিনা: সংসদীয় কমিটিকে মোদি সরকার নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী-সারজিসের বিরুদ্ধে মামলার আবেদনে আইফোন চুরির অভিযোগ শিল্প বাঁচাতে চাই সুষ্ঠু জ্বালানি ব্যবস্থাপনা নতুন দায়িত্বে ৫ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী-এমপি নেপালে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ও কারফিউ জারি, প্রধানমন্ত্রী বালেন শাহের শান্তির বার্তা

গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে এবার আমাদের ঘুরে দাঁড়ানোর পালা: প্রধানমন্ত্রী

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময়ে ফ্যাসিবাদী শাসন, শোষণ শুধু দেশের জনগণের গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক অধিকারী কেড়ে নেয়নি বরং অন্যান্য প্রতিষ্ঠানগুলোর মতন শিক্ষা ব্যবস্থাকেও প্রায় ধ্বংসপ্রাপ্ত করে দিয়েছিল। গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে এবার অবশ্যই আমাদের ঘুরে দাঁড়ানোর পালা। গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে আমরা ইনশাআল্লাহ অবশ্যই ঘুরে দাঁড়াব।

রবিবার সকালে বাংলাদেশ চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিতব্য ‘কর্মমুখী ও টেকনিক্যাল শিক্ষা বিষয়ে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ’ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত ইতিহাসের প্রতিটি মাঠে যেসব সাহসী মানুষ দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং দেশ ও জনগণের স্বাধীনতা রক্ষায় আত্মত্যাগ করেছেন, তাদের অবদানকে সম্মান জানাতে হবে। আর সেজন্য আমাদের একটি জ্ঞানভিত্তিক রাষ্ট্র ও সমাজ গড়ে তুলতে হবে। শিক্ষায়-দীক্ষায়, জ্ঞান-বিজ্ঞানে ও প্রযুক্তিতে নিজেদের প্রস্তুত রাখতে না পারলে আগামী দিনে বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জে টিকে থাকা কষ্টকর হয়ে পড়বে।

তারেক রহমান বলেন, দেশের আধুনিক এবং প্রযুক্তি নির্ভর উচ্চশিক্ষা বিস্তারে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। কারণ সারা দেশে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজের সংখ্যা ২ হাজারেরও বেশি। এইসব প্রতিষ্ঠানে বর্তমানে কমবেশি ৪০ লাখের মতন শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। ইতোমধ্যে এক কোটিরও বেশি শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেছেন পর্যায়ক্রমিকভাবে। উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থাপনার সমস্যা সংকট এবং প্রতিবন্ধকতা নিরশন এবং শহর কিংবা গ্রামের যারা উচ্চশিক্ষা গ্রহণে আগ্রহী তাদের জন্য সুযোগ নিশ্চিত করতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া ১৯৯২ সালে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।

তিনি বলেন, বিশ্ব এখন চতুর্থ বিপ্লবের যুগে প্রবেশ করছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের অবাধ প্রসার ও ব্যবহার বর্তমানে মানুষের জন্য নানামুখী চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। অটোমেশন এবং এআই চালিত প্রযুক্তির কারণে হয়ত অনেক পুরোনো পেশায় কর্মসংস্থান যেমন ঝুঁকিতে পড়েছেন কিংবা অবলুপ্ত হয়েছেন। একই সঙ্গে প্রচুর পরিমাণ নতুন নতুন ক্ষেত্রে কর্মসংস্থানের সুযোগও হয়ত সৃষ্টি হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে এবার আমাদের ঘুরে দাঁড়ানোর পালা: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ১২:৩০:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময়ে ফ্যাসিবাদী শাসন, শোষণ শুধু দেশের জনগণের গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক অধিকারী কেড়ে নেয়নি বরং অন্যান্য প্রতিষ্ঠানগুলোর মতন শিক্ষা ব্যবস্থাকেও প্রায় ধ্বংসপ্রাপ্ত করে দিয়েছিল। গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে এবার অবশ্যই আমাদের ঘুরে দাঁড়ানোর পালা। গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে আমরা ইনশাআল্লাহ অবশ্যই ঘুরে দাঁড়াব।

রবিবার সকালে বাংলাদেশ চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিতব্য ‘কর্মমুখী ও টেকনিক্যাল শিক্ষা বিষয়ে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ’ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত ইতিহাসের প্রতিটি মাঠে যেসব সাহসী মানুষ দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং দেশ ও জনগণের স্বাধীনতা রক্ষায় আত্মত্যাগ করেছেন, তাদের অবদানকে সম্মান জানাতে হবে। আর সেজন্য আমাদের একটি জ্ঞানভিত্তিক রাষ্ট্র ও সমাজ গড়ে তুলতে হবে। শিক্ষায়-দীক্ষায়, জ্ঞান-বিজ্ঞানে ও প্রযুক্তিতে নিজেদের প্রস্তুত রাখতে না পারলে আগামী দিনে বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জে টিকে থাকা কষ্টকর হয়ে পড়বে।

তারেক রহমান বলেন, দেশের আধুনিক এবং প্রযুক্তি নির্ভর উচ্চশিক্ষা বিস্তারে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। কারণ সারা দেশে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজের সংখ্যা ২ হাজারেরও বেশি। এইসব প্রতিষ্ঠানে বর্তমানে কমবেশি ৪০ লাখের মতন শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। ইতোমধ্যে এক কোটিরও বেশি শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেছেন পর্যায়ক্রমিকভাবে। উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থাপনার সমস্যা সংকট এবং প্রতিবন্ধকতা নিরশন এবং শহর কিংবা গ্রামের যারা উচ্চশিক্ষা গ্রহণে আগ্রহী তাদের জন্য সুযোগ নিশ্চিত করতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া ১৯৯২ সালে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।

তিনি বলেন, বিশ্ব এখন চতুর্থ বিপ্লবের যুগে প্রবেশ করছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের অবাধ প্রসার ও ব্যবহার বর্তমানে মানুষের জন্য নানামুখী চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। অটোমেশন এবং এআই চালিত প্রযুক্তির কারণে হয়ত অনেক পুরোনো পেশায় কর্মসংস্থান যেমন ঝুঁকিতে পড়েছেন কিংবা অবলুপ্ত হয়েছেন। একই সঙ্গে প্রচুর পরিমাণ নতুন নতুন ক্ষেত্রে কর্মসংস্থানের সুযোগও হয়ত সৃষ্টি হয়েছে।