ঢাকা ১০:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

সংসদ হুটহাট কথা বলার জায়গা নয়, নিয়ম মেনে চলতে হবে : স্পিকার

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালী বিধি ও নিয়ম অনুসরণ করে বক্তব্য দেওয়ার জন্য সংসদ সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

তিনি বলেছেন, সংসদ হুটহাট করে কথা বলার জায়গা নয়। এখানে কথা বলতে হলে নির্দিষ্ট নিয়ম ও সময় মেনে চলতে হবে।

মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনের শুরুতে রাজশাহী-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. মুজবিুর রহমান এবং রংপুর-৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. নুরুল আমীন পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে কথা বলার পর স্পিকার সংসদ সদস্যদের উদ্দেশে এসব কথা বলেন।

স্পিকার বলেন, সংসদ চলে রুলস অব প্রসিডিউর ও সংবিধানের ওপর ভিত্তি করে। এখানে ৩৫০ জন সদস্যই সমান পারদর্শী এবং সবারই বক্তব্য দেওয়ার অধিকার আছে। তবে সমস্যা অন্তহীন হলেও সংসদ চলে নির্দিষ্ট আইন-কানুনের মধ্যে।

পয়েন্ট অব অর্ডার তোলার সঠিক সময় সম্পর্কে স্পিকার বলেন, ‘পয়েন্ট অব অর্ডার রেইজ করার নির্দিষ্ট সময় হলো প্রশ্নকাল শেষ হওয়ার ঠিক পরপরই। বাজেট অধিবেশন চলাকালে সাধারণত পয়েন্ট অব অর্ডার দেওয়া হয় না। কারণ এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ অধিবেশন এবং এখানে দীর্ঘ সময় বক্তব্য রাখতে হয়। যখন ইচ্ছা দাঁড়িয়ে বক্তব্য দিয়ে দেওয়া সংসদে চলে না।’

সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমানের তোলা একটি প্রসঙ্গের জবাবে স্পিকার বলেন, ‘উনি (মুজিবুর রহমান) দেখেছেন আমি মাথা ঝুঁকিয়ে সম্মান প্রদর্শন করেছি, যা উনার কাছে সংসদীয় রীতির পরিপন্থী মনে হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তিনি পয়েন্ট অব অর্ডার তুলেছেন। আমি আপনার সেন্টিমেন্টের প্রশংসা করি। আপনি শিক্ষক এবং বেতন না পাওয়া পৌর কর্মচারীদের দুঃখ-দুর্দশার কথা বলেছেন। কিন্তু সবকিছুর একটি নির্দিষ্ট সময় আছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘সংসদ মুখোমুখি চালানো যায় না। কোনো বিষয়ে আলোচনা করতে হলে আগে নোটিশ দিতে হয়। আপনি যদি নিয়ম অনুযায়ী নোটিশ দিতেন, তবে আমরা হয়তো বিধি অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা করতে পারতাম। সুতরাং, ভবিষ্যতে সংসদের কার্যপ্রণালী বিধি অনুসরণ করে দাঁড়ানোর জন্য আপনাদের কাছে সবিনয় নিবেদন রইলো।’

স্পিকার আরও বলেন, পয়েন্ট অব অর্ডার কেবল চলমান বিষয়ের ওপর ভিত্তি করেই হওয়া উচিত এবং সংসদীয় রীতিনীতি বজায় রাখা প্রত্যেকের দায়িত্ব।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

সংসদ হুটহাট কথা বলার জায়গা নয়, নিয়ম মেনে চলতে হবে : স্পিকার

আপডেট সময় ০৭:১৫:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালী বিধি ও নিয়ম অনুসরণ করে বক্তব্য দেওয়ার জন্য সংসদ সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

তিনি বলেছেন, সংসদ হুটহাট করে কথা বলার জায়গা নয়। এখানে কথা বলতে হলে নির্দিষ্ট নিয়ম ও সময় মেনে চলতে হবে।

মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনের শুরুতে রাজশাহী-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. মুজবিুর রহমান এবং রংপুর-৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. নুরুল আমীন পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে কথা বলার পর স্পিকার সংসদ সদস্যদের উদ্দেশে এসব কথা বলেন।

স্পিকার বলেন, সংসদ চলে রুলস অব প্রসিডিউর ও সংবিধানের ওপর ভিত্তি করে। এখানে ৩৫০ জন সদস্যই সমান পারদর্শী এবং সবারই বক্তব্য দেওয়ার অধিকার আছে। তবে সমস্যা অন্তহীন হলেও সংসদ চলে নির্দিষ্ট আইন-কানুনের মধ্যে।

পয়েন্ট অব অর্ডার তোলার সঠিক সময় সম্পর্কে স্পিকার বলেন, ‘পয়েন্ট অব অর্ডার রেইজ করার নির্দিষ্ট সময় হলো প্রশ্নকাল শেষ হওয়ার ঠিক পরপরই। বাজেট অধিবেশন চলাকালে সাধারণত পয়েন্ট অব অর্ডার দেওয়া হয় না। কারণ এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ অধিবেশন এবং এখানে দীর্ঘ সময় বক্তব্য রাখতে হয়। যখন ইচ্ছা দাঁড়িয়ে বক্তব্য দিয়ে দেওয়া সংসদে চলে না।’

সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমানের তোলা একটি প্রসঙ্গের জবাবে স্পিকার বলেন, ‘উনি (মুজিবুর রহমান) দেখেছেন আমি মাথা ঝুঁকিয়ে সম্মান প্রদর্শন করেছি, যা উনার কাছে সংসদীয় রীতির পরিপন্থী মনে হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তিনি পয়েন্ট অব অর্ডার তুলেছেন। আমি আপনার সেন্টিমেন্টের প্রশংসা করি। আপনি শিক্ষক এবং বেতন না পাওয়া পৌর কর্মচারীদের দুঃখ-দুর্দশার কথা বলেছেন। কিন্তু সবকিছুর একটি নির্দিষ্ট সময় আছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘সংসদ মুখোমুখি চালানো যায় না। কোনো বিষয়ে আলোচনা করতে হলে আগে নোটিশ দিতে হয়। আপনি যদি নিয়ম অনুযায়ী নোটিশ দিতেন, তবে আমরা হয়তো বিধি অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা করতে পারতাম। সুতরাং, ভবিষ্যতে সংসদের কার্যপ্রণালী বিধি অনুসরণ করে দাঁড়ানোর জন্য আপনাদের কাছে সবিনয় নিবেদন রইলো।’

স্পিকার আরও বলেন, পয়েন্ট অব অর্ডার কেবল চলমান বিষয়ের ওপর ভিত্তি করেই হওয়া উচিত এবং সংসদীয় রীতিনীতি বজায় রাখা প্রত্যেকের দায়িত্ব।