অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
রাতে পুলিশেকে ফাঁকি দিতে তারা সিলেট সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মীর পোশাক পরে নগরের বিভিন্ন রাস্তায় ঘোরাফেরা করতেন। পুলিশ দেখামাত্রই রাস্তা ঝাড়ু দেয়ার কাজে লেগে যেতেন। পুলিশ চলে যাওয়ার পরই অন্য পোশাক পরে রাস্তায় ওঁৎপেতে থাকতেন ছিনতাই করতে।
এমনভাবে গত ১২ এপ্রিল সিলেট নগরের বন্দরবাজারে নীলফামারির আসাদুজ্জামান রিপনকে খুন করে তিন ছিনতাইকারী। সিসিকের বসানো ক্যামেরার ফুটেজ দেখে এবং প্রযুক্তি ব্যবহার করে এই তিন ঘাতক ছিনতাইকারীকে শনাক্ত করে পুলিশ।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন, এয়ারপোর্ট থানাধীন খাসদবিরের মসজিদ গলির নুরুল হকের ছেলে সুমন মিয়া ওরফে মানিক (২১), হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ থানাধীন দত্তগ্রামের আমির উদ্দিনের ছেলে জমির উদ্দিন (১৯) এবং সুনামগঞ্জের হাছন নগরের মাহমুদ আলীর ছেলে হাসান আলী (২০)। যে ছোরা দিয়ে খুন করা হয়, তাও উদ্ধার করা হয় সুমন মিয়া ওরফে মানিকের কাছ থেকে।
সোমবার সন্ধ্যায় গণমাধ্যমে পাঠানো প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ১২ এপ্রিল রাতে কুয়েত যাওয়ার উদ্দেশ্যে মেডিকেল চেকআপের জন্য স্ত্রী হাছনা বেগমকে নিয়ে দক্ষিণ সুরমা কদমতলি বাস টার্মিমালে আসেন নীলফামারির আসাদুজ্জামান। শাহজালাল মাজারে বিশ্রাম নেয়ার উদ্দেশ্যে তারা একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় ওঠেন।
বন্দরবাজারে পৌঁছামাত্র পরিচ্ছন্নতাকর্মীর বেশে চাকু হাতে ওই তিন ছিনতাইকারী তাদের আটকে রিপনের কাছ থেকে টাকা নেয়ার পর তার স্ত্রীর ব্যাগ ধরে টানাহেঁচড়া করে তারা। রিপন বাধা দিলে তার বুকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যান ছিনতাইকারীরা।
সিলেট কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গৌছুল হোসেন বলেন, ওরা কৌশলী ছিনতাইকারী। এ ঘটনায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। পরে পুলিশ সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে ঘটনার তথ্য সংগ্রহ করে তাদের গ্রেফতার করে। বিকেলে আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 
























