ঢাকা ০৭:০১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

আদালতের নির্দেশে ছেলেদের সঙ্গে কথা বললেন ইমরান খান, দ্রুত চিকিৎসার দাবি পরিবারের

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খান সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে তার দুই ছেলের সঙ্গে ফোনে কথা বলার সুযোগ পেয়েছেন। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন তার বোন আলিমা খান। খবর জিও নিউজের।

কারা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ৩০ মিনিটেরও বেশি সময় ধরে তার ছেলেদের সঙ্গে কথা বলেন।

তবে আলিমা খান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া পোস্টে বলেন, ইমরান প্রায় ২০ মিনিট কথা বলতে পেরেছেন তার দুই ছেলে কাসিম খান ও সুলায়মান খানের সঙ্গে।

তিনি জানান, ‘দীর্ঘ সময় পর বাবার কণ্ঠ শুনে তার ছেলেরা জানায়, তিনি ভীষণ আনন্দিত ছিলেন।

গত বৃহস্পতিবার ( ১২ ফেব্রুয়ারি) দেশটির সুপ্রিম কোর্ট কারা কর্তৃপক্ষকে ইমরান খানকে তার ছেলেদের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার নির্দেশ দেন।

পিটিআইয়ের আইনজীবী সালমান সাফদার ইমরান খানের চিকিৎসা-সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন আদালতে জমা দেওয়ার পর সর্বোচ্চ আদালত এ নির্দেশ দেন।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ইমরানের ডান চোখে রক্ত জমাট বাঁধার কারণে মারাত্মক ক্ষতি হয়েছে। চিকিৎসা (ইনজেকশনসহ) নেওয়া সত্ত্বেও বর্তমানে তার ডান চোখে মাত্র ১৫ শতাংশ দৃষ্টি রয়েছে।

সাত পৃষ্ঠার ওই প্রতিবেদনে আদিয়ালা কারাগারে তার সঙ্গে সাক্ষাতের বিবরণ তুলে ধরা হয়। আদালত সালমান সাফদারকে অ্যামিকাস কিউরি (আদালতের সহায়ক) হিসেবে নিয়োগ দিয়ে ১১ ফেব্রুয়ারির মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দিয়েছিল।

এদিকে আলিমা খান বলেন, পরিবারের সদস্যরা ইসলামাবাদের শিফা ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতালে ইমরান খানের জরুরি চিকিৎসার অপেক্ষায় আছেন, যাতে তার দৃষ্টিশক্তি পুনরুদ্ধার করা যায়।

চোখের চিকিৎসায় ‘ইচ্ছাকৃত বিলম্ব’ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করে তিনি বলেন, স্থায়ীভাবে দৃষ্টিশক্তি হারানোর ঝুঁকি এড়াতে পরিবার ও দল আর কোনো দেরি মেনে নেবে না।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লক্ষ্মীপুর জেলা জামায়াতের আমির হলেন এ আর হাফিজ উল্লাহ

আদালতের নির্দেশে ছেলেদের সঙ্গে কথা বললেন ইমরান খান, দ্রুত চিকিৎসার দাবি পরিবারের

আপডেট সময় ১১:১৫:৪০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খান সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে তার দুই ছেলের সঙ্গে ফোনে কথা বলার সুযোগ পেয়েছেন। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন তার বোন আলিমা খান। খবর জিও নিউজের।

কারা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ৩০ মিনিটেরও বেশি সময় ধরে তার ছেলেদের সঙ্গে কথা বলেন।

তবে আলিমা খান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া পোস্টে বলেন, ইমরান প্রায় ২০ মিনিট কথা বলতে পেরেছেন তার দুই ছেলে কাসিম খান ও সুলায়মান খানের সঙ্গে।

তিনি জানান, ‘দীর্ঘ সময় পর বাবার কণ্ঠ শুনে তার ছেলেরা জানায়, তিনি ভীষণ আনন্দিত ছিলেন।

গত বৃহস্পতিবার ( ১২ ফেব্রুয়ারি) দেশটির সুপ্রিম কোর্ট কারা কর্তৃপক্ষকে ইমরান খানকে তার ছেলেদের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার নির্দেশ দেন।

পিটিআইয়ের আইনজীবী সালমান সাফদার ইমরান খানের চিকিৎসা-সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন আদালতে জমা দেওয়ার পর সর্বোচ্চ আদালত এ নির্দেশ দেন।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ইমরানের ডান চোখে রক্ত জমাট বাঁধার কারণে মারাত্মক ক্ষতি হয়েছে। চিকিৎসা (ইনজেকশনসহ) নেওয়া সত্ত্বেও বর্তমানে তার ডান চোখে মাত্র ১৫ শতাংশ দৃষ্টি রয়েছে।

সাত পৃষ্ঠার ওই প্রতিবেদনে আদিয়ালা কারাগারে তার সঙ্গে সাক্ষাতের বিবরণ তুলে ধরা হয়। আদালত সালমান সাফদারকে অ্যামিকাস কিউরি (আদালতের সহায়ক) হিসেবে নিয়োগ দিয়ে ১১ ফেব্রুয়ারির মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দিয়েছিল।

এদিকে আলিমা খান বলেন, পরিবারের সদস্যরা ইসলামাবাদের শিফা ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতালে ইমরান খানের জরুরি চিকিৎসার অপেক্ষায় আছেন, যাতে তার দৃষ্টিশক্তি পুনরুদ্ধার করা যায়।

চোখের চিকিৎসায় ‘ইচ্ছাকৃত বিলম্ব’ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করে তিনি বলেন, স্থায়ীভাবে দৃষ্টিশক্তি হারানোর ঝুঁকি এড়াতে পরিবার ও দল আর কোনো দেরি মেনে নেবে না।