অাকাশ নিউজ ডেস্ক:
“ভালোবেসে সখি নিভৃত যতনে আমার নামটি লিখো৷” লিখেছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর৷ আর পংক্তি দুটি আক্ষরিক অর্থে সফল করেছে ব্যাংককের এক যুগল৷ ভালোবাসার দৌড়ে একেবারে এক নম্বরে নাম তুলে ফেলেছে তারা৷ নাম লিখিয়েছে গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে৷
ভালোবাসা মনে হয় একেই বলে৷ “ভালোবাসি তোমায়” কথাটি তো মুখে মুখে অনেকে বলেছে৷ আজও বলে৷ কিন্তু ভালোবাসার কোনও ভাষা নেই৷ “কথা কিছু কিছু বুঝে নিতে হয়৷” তারা বুঝেছিল৷ তাই প্রেমের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে তারা “ঠোঁটে ঠোঁট রেখে ব্যারিকেড ভেঙে” দেয়৷ টানা ৫৮ ঘণ্টা ৩৫ মিনিট ৫৮ সেকেন্ড লিক লক করে চুমু খেয়েছিল তারা৷ ২০১৩ সালের ভ্যালেন্টাইনস ডে-তে এটাই ছিল তাদের একে অপরকে দেওয়া সেরা উপহার৷সামাজিকতার ব্যারিকেড সেদিন তাদের সামনে পাত্তা পায়নি৷তাঁদের নাম একাচাই ও লক্ষ্মণা তিরানারত৷
আরও পড়ুন: আপনি জানেন কি বিয়ের পর বাঙালি মহিলাদের ভালোবাসা কেমন হয়?
তবে কোনও পথই কুসুম পরিপূর্ণ হয় না৷ ভালোবাসার ক্ষেত্রে তো নয়ই৷ চুমু নিয়েও তাই হয়েছিল প্রতিযোগিতা৷ এই প্রতিযোগিতায় তাদের সঙ্গে ছিল প্রায় ১৪ জন প্রেমিক-প্রেমিকা৷ সকাল ৬ টা থেকে শুরু হয়েছিল প্রতিযোগিতা৷ প্রেমিক-প্রেমিকাকে উত্সাহ দিতে বাজানো হয়েছিল রোম্যান্টিক গান৷
দিনটা ছিল রবিবার৷ ক্রমে সোমবার গড়িয়ে গেল৷ কিন্তু সাদা মার্বেলে ঢাকা ‘প্রেমকক্ষে’ তখনও ঠোঁটে ঠোঁট৷ নেশায় বুঁদ কপোত-কপোতীরা৷ প্রতিযোগিতাটি হয়েছিল পাটায়ার একটি শপিং মলে৷ ফলে লোকে লোকারণ্য ছিল চারদিক৷ আশপাশ দিয়ে যাওয়া আসা করছিল অনেকে৷ কেউ কেউ কৌতূহলী হয়ে এগিয়ে এসে জিজ্ঞাসাও করে “এটা কি হচ্ছে?” কেউ আবার মোবাইলে বন্দি করে নেয় সুখকর, ক্ষণিকের সেই মুহূর্তগুলি৷
আকাশ নিউজ ডেস্ক 

























