আকাশ বিনোদন ডেস্ক :
প্রথম দিন থেকেই বক্স অফিসে কার্যত ঝড় তুলেছিল আদিত্য ধর পরিচালিত ও রণবীর সিং অভিনীত সিনেমা ‘ধুরন্ধর’। অল্প সময়ের মধ্যেই বিশ্বব্যাপী ছবিটির আয় ছুঁয়েছে প্রায় ১ হাজার ১০০ কোটি রুপি, যা ভেঙে দিয়েছে খান-কাপুর যুগের একাধিক রেকর্ড। তবে ব্যবসায়িক সাফল্যের পাশাপাশি সিনেমাটি সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছে এর সংগীতের জন্য।
বিশেষ করে অক্ষয় খান্নার বালোচিস্তান এন্ট্রি সিকোয়েন্সে ব্যবহৃত ‘এফএনাইনএলএ’ বা ‘ফাসলা’ র্যাপ গানটি গত কয়েক মাস ধরে আট থেকে আশি বয়সী দর্শকের মুখে মুখে। সেই জনপ্রিয়তারই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি মিলল এবার।
এই গানের সুবাদেই গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে জায়গা করে নিলেন বাহারাইনের র্যাপার হুসাম অসীম, যিনি পরিচিত ফ্লিপারাচি নামে।
আরব বিলবোর্ড ও গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস আরাবিয়া যৌথভাবে প্রকাশিত এক ভিডিওতে রেকর্ডের খবর জানানো হয়। একটি ফটোশুটের মাঝেই বিশ্বরেকর্ডের খবর পান ফ্লিপারাচি। সেখান থেকেই সামাজিক মাধ্যমে উচ্ছ্বাসের মুহূর্ত ভাগ করে নেন ভক্তদের সঙ্গে।
খবর অনুযায়ী, ‘ধুরন্ধর’-এ ব্যবহৃত গানটি একসঙ্গে সর্বোচ্চ সংখ্যক বিলবোর্ড চার্টে স্থান পেয়ে আরাবিয়া চার্টের শীর্ষে উঠে আসে। এই অসাধারণ সাফল্যের ভিত্তিতেই গিনেস রেকর্ডসে নাম ওঠে ফ্লিপারাচির। ফলে ভারতসহ গোটা উপমহাদেশে তাঁর জনপ্রিয়তা যে নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে, তা বলাই বাহুল্য।
ফ্লিপারাচি বলেন, “প্রথমবার যখন দেখলাম গানটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হচ্ছে, আমি সত্যিই অবাক হয়ে যাই। হঠাৎ করেই ‘ধুরন্ধর’ টিম আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে। তারা জানায়, গানটি সিনেমার একটি দৃশ্যে একেবারে পারফেক্ট হবে। দীর্ঘদিন পর পর্দায় ফেরা এক অভিনেতা সেই গানে নাচলেন-ব্যাস, সবকিছু বদলে গেল।”
গিনেস রেকর্ডের খবর পেয়ে আবেগে ভাসছেন শিল্পী নিজেও। ফ্লিপারাচির কথায়, “গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস- অবিশ্বাস্য লাগছে। যে ভাষায় গানটি গাওয়া হয়নি, সেই হিন্দি ভাষাতেই এত জনপ্রিয়তা—এটা আমার কল্পনার বাইরে ছিল। গত দুই মাসে যেন একেবারে বিস্ফোরণ ঘটেছে। একটি মাত্র গানের জন্য চারটি চার্টে শীর্ষস্থানে পৌঁছানো আমার কাছে গর্বের।”
আদিত্য ধর পরিচালিত ‘ধুরন্ধর’ ছবিতে ‘এফএনাইনএলএ’ র্যাপটির আবেদন আরও বহুগুণ বেড়েছে অক্ষয় খান্নার শক্তিশালী নৃত্যশৈলী ও পর্দা উপস্থিতির কারণে।
আরবি ভাষার সঙ্গে আধুনিক র্যাপের মিশেলে তৈরি এই গান আন্তর্জাতিক মঞ্চে এনে দিয়েছে ঐতিহাসিক স্বীকৃতি। ফ্লিপারাচির এই সাফল্যে খুশির হাওয়া বইছে ‘ধুরন্ধর’ টিমেও।
প্রসঙ্গত, গানটির প্রথম প্রকাশ হয় ২০২৪ সালের মে মাসে। তবে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে মুক্তি পাওয়া ‘ধুরন্ধর’ সিনেমায় ব্যবহারের পরই এটি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পায়।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 






















