ঢাকা ০৪:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

রাজধানীসহ ৪৮৯টি উপজেলায় বিজিবি মোতায়েনের সিদ্ধান্ত

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :  

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখরভাবে আয়োজন নিশ্চিত করতে রাজধানীসহ দেশের ৪৮৯টি উপজেলায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক পরিপত্রে জানানো হয়, দেশের মোট ৪৯৫টি উপজেলার মধ্যে ৪৮৯টিতেই বিজিবি মোতায়েন করা হবে। তবে সন্দ্বীপ, হাতিয়া, কুতুবদিয়া, দাকোপ, মনপুরা ও রাঙ্গাবালি- এই ছয়টি উপজেলা মোতায়েনের আওতার বাইরে থাকবে।

এর আগে বিজিবি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, নির্বাচনকালীন শান্তি ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে ইতোমধ্যে মোট ১ হাজার ১৫১ প্লাটুন মোতায়েন করা হয়েছে।

‘ইন এইড টু দ্য সিভিল পাওয়ার’ বিধানের আওতায় বিজিবি মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে।

এদিকে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্যে নির্বাচনপূর্ব ও নির্বাচন পরবর্তী মিলিয়ে সাত দিনের জন্য সারাদেশে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন থাকবে।

পরিপত্রে আরও বলা হয়, ভোটগ্রহণের চার দিন আগে ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে বিজিবি মোতায়েন শুরু হবে এবং তা চলবে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে পুলিশ, বিজিবি, আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী (ভিডিপি) এবং কোস্ট গার্ড আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় দায়িত্ব পালন করবে। পাশাপাশি সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’ বিধানের আওতায় স্থানীয় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা করবেন।

এই নির্বাচনে প্রায় ১২ কোটি ৭৫ লাখ ভোটার অংশ নেবেন। ৩০০টি সংসদীয় আসনের প্রায় ৪৩ হাজার ভোটকেন্দ্রে মোট প্রায় ২ লাখ ৬০ হাজার ভোটকক্ষে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে বিভিন্ন বাহিনীর মোট ৮ লক্ষাধিক সদস্য মোতায়েন থাকবেন। এর মধ্যে আনসার ও ভিডিপির প্রায় ৫ লাখ ৫০ হাজার সদস্য ভোটকেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার পুলিশ সদস্য, ১ লাখ সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য এবং ৩৫ হাজার বিজিবি সদস্য সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন।

নির্বাচনকালে নিরাপদ পরিবেশ বজায় রাখতে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) ও কোস্টগার্ডও সহায়তা প্রদান করবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

রাজধানীসহ ৪৮৯টি উপজেলায় বিজিবি মোতায়েনের সিদ্ধান্ত

আপডেট সময় ০৯:৩৫:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :  

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখরভাবে আয়োজন নিশ্চিত করতে রাজধানীসহ দেশের ৪৮৯টি উপজেলায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক পরিপত্রে জানানো হয়, দেশের মোট ৪৯৫টি উপজেলার মধ্যে ৪৮৯টিতেই বিজিবি মোতায়েন করা হবে। তবে সন্দ্বীপ, হাতিয়া, কুতুবদিয়া, দাকোপ, মনপুরা ও রাঙ্গাবালি- এই ছয়টি উপজেলা মোতায়েনের আওতার বাইরে থাকবে।

এর আগে বিজিবি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, নির্বাচনকালীন শান্তি ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে ইতোমধ্যে মোট ১ হাজার ১৫১ প্লাটুন মোতায়েন করা হয়েছে।

‘ইন এইড টু দ্য সিভিল পাওয়ার’ বিধানের আওতায় বিজিবি মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে।

এদিকে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্যে নির্বাচনপূর্ব ও নির্বাচন পরবর্তী মিলিয়ে সাত দিনের জন্য সারাদেশে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন থাকবে।

পরিপত্রে আরও বলা হয়, ভোটগ্রহণের চার দিন আগে ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে বিজিবি মোতায়েন শুরু হবে এবং তা চলবে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে পুলিশ, বিজিবি, আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী (ভিডিপি) এবং কোস্ট গার্ড আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় দায়িত্ব পালন করবে। পাশাপাশি সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’ বিধানের আওতায় স্থানীয় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা করবেন।

এই নির্বাচনে প্রায় ১২ কোটি ৭৫ লাখ ভোটার অংশ নেবেন। ৩০০টি সংসদীয় আসনের প্রায় ৪৩ হাজার ভোটকেন্দ্রে মোট প্রায় ২ লাখ ৬০ হাজার ভোটকক্ষে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে বিভিন্ন বাহিনীর মোট ৮ লক্ষাধিক সদস্য মোতায়েন থাকবেন। এর মধ্যে আনসার ও ভিডিপির প্রায় ৫ লাখ ৫০ হাজার সদস্য ভোটকেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার পুলিশ সদস্য, ১ লাখ সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য এবং ৩৫ হাজার বিজিবি সদস্য সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন।

নির্বাচনকালে নিরাপদ পরিবেশ বজায় রাখতে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) ও কোস্টগার্ডও সহায়তা প্রদান করবে।