ঢাকা ০৮:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
একটি রাজনৈতিক দল বিভিন্ন এলাকা থেকে ভোটারদের ঢাকায় স্থানান্তর করে আনছে: ফখরুলের অভিযোগ নরসিংদীতে দুই ব্যবসায়ীর ঝগড়ায় একজনের মৃত্যু, অভিযুক্তর বাড়িতে ভাঙচুর-আগুন ৭ কলেজ নিয়ে ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’ অধ্যাদেশ চূড়ান্ত আমি এসেছি শুধু শুনতে, শিখতে এবং একসঙ্গে কাজ করার মনোভাব নিয়ে এগিয়ে যেতে: জাইমা রহমান চাকরির ক্ষেত্রে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি হয়েছে কিনা তা দেখা উচিত : আমীর খসরু ওসমানী হাসপাতাল ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার যুক্তরাষ্ট্রেকেও খেসারত দিতে হবে, ফরাসি কৃষিমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি ভুয়া জরিপ ও মিথ্যা প্রচারণা দিয়ে রাজনৈতিক ইতিহাস বদলানো যাবে না : দুদু গণ-অভ্যুত্থানের নিষ্ঠুরতম খুনিদের বিচার নিশ্চিত করা হবে : তাজুল ইসলাম এক্সপেকটেশন যদি ১০ থাকে, অন্তত চার তো অর্জন করতে পেরেছি : আসিফ নজরুল

যে ৫ কারণে আপনাকে ছবিতে ভালো দেখায় না

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

সোশাল মিডিয়া বা প্রযুক্তিপণ্যের সহজলভ্যতার কারণে ছবি তোলার কাজটি হরহামেশাই ঘটে। আর সেলফি তো আছেই।
আসলে জীবনের বিভিন্ন মুহূর্তকে স্মৃতির ফ্রেমে বাঁধতে ছবি তোলার চেয়ে ভালো উপায় আর আছে কিনা বলা মুশকিল। ছবি তুলতে আমাদের কতোই না প্রস্তুতি। সাজগোজ বা বিভিন্ন পোজে ছবি তোলার উদ্দেশ্য একটাই- নিজেকে যেন একটু ভালো দেখা যায়। কোনভাবে ছবিটি যদি ভালো না হয়, তাহলেই মনটা খারাপ হয়ে থাকে। আসলে বেশ কিছু কারণে ছবিতে আপনাকে ভালো নাও দেখাতে পারে। কারণগুলো তুলে ধরছেন বিশেষজ্ঞরা।

১. আপনি ‘স্মাইজ’ করছেন না
স্মাইজ শব্দটা দিয়ে সুপারমডেল টায়রা ব্যাঙ্কস বুঝিয়েছেন সেই অবস্থাকে, যখন আপনার মুখ আর চোখ একযোগে হাসে। তারমানে এই নয় যে, দাঁত বের করে হাসতে হবে। আপনি হয়তো মুখ খুলে হাসছেন না, কিন্তু হাসি হাসি ভাবটা ঠিকই প্রকাশ পাচ্ছে।
আর তার সঙ্গে হাসছে আপনার দুই চোখ। মানুষের মুখায়ব তখনই অতি সুশ্রী হয়ে ওঠে যখন তার মুখ আর চোখ একসঙ্গে হাসতে থাকে। কেবল এই পদ্ধতি অনুসরণ করেই ছবিতে আপনার উপস্থিতিকে অসাধারণ করে তুলতে পারেন। আসলে আপনি যেদিন প্রথম ‘স্মাইজ’ করতে শিখেছেন, সেদিনই নিজের সবচেয়ে আকর্ষণীয় মুখায়ব দেখেছেন।

২. এদিক-সেদিক থেকে চেষ্টা করছেন না
এমন অনেক সময় ঘটে, যখন সামান্য অ্যাঙ্গেল থেকে অদ্ভুত সুন্দর ছবি ওঠে আপনার। তাই বিভিন্ন কোণ থেকে ছবি তুলে দেখতে হয়, কীভাবে আপনাকে ভালো লাগে? রেড কার্পেটে বা সেলিব্রিটিদের আনাগোনায় দেখা যায়, ক্যামেরার সামনে তারা নানাভাবে পোজ দিচ্ছেন। আসলে তারা আগেই বুঝে নিয়েছেন, তাদের এসব পোজে অনেক ভালো দেখায়। সাধারণত এমনই হয়। তাই ক্যামেরা এদিক ওদিক থেকে ধরে দেখুন, আপনাকে কোনভাবে বেশি ভালো দেখায়। মুখ ছাড়া গোটা দেহের ছবি তোলার ক্ষেত্রেও একই তত্ত্ব কাজ করতে পারে।

৩. দৃষ্টিকটু পোজ
আপনি হয়তো পোজ দিয়ে ছবি তুলতে ভালোবাসেন। কিন্তু অনেক সময়ই তা অতিরঞ্জিত বা দৃষ্টিকটু হয়ে যায়। পোজের ওপর ভালো ছবির অনেক কিছুই নির্ভর করে। যেমন অতিরঞ্জিত পোজ দেওয়া উচিত নয়, তেমনই একেবারে জড়পদার্থের মতোও দাঁড়িয়ে বা বসে থাকবেন না। এতে ছবি খুবই বাজে দেখাতে পারে। আপনার মেজাজটা ফুটে ওঠে পোজের মধ্যে। তাই পোজ দেওয়ার ক্ষেত্রে আপনার সহজ ও স্বাবলীল থাকতে হবে।

৪. আলোটা ভালো ছিল না
এটা দুর্ভাগ্যজনক বিষয়। হয়তো সবই ঠিক ছিল, কিন্তু পর্যাপ্ত আলো ছিল না। কিংবা এমন আলো ছিল যা ছবিটাকে বাজে করে দিয়েছে। আলোর তারতম্য ছবিতে দিন-রাত্রির পার্থক্য এনে দিতে পারে। প্রকৃতির আলো ছবি তোলার জন্য সবচেয়ে ভালো। তাই কৃত্রিম আলোতে সমস্যা হয়েও যেতে পারে। ফোন বা ক্যামেরার ফ্ল্যাশ এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। অনেক বড় বড় ফটোগ্রাফারের মতে, ছবির জন্য চমৎকার চেহারা ও পোজ থাকলেও আলোর কারণে তা নিমিষেই বাজে হতে পারে।

৫. আত্মবিশ্বাসী নন
আপনি যেমন তেমনটাই থাকতে হবে ছবিতে। আত্মবিশ্বাসী ভাব ফুটে উঠবে ছবিতে। যদি এমন হয় যে, আপনি মোটেও আত্মবিশ্বাসী নন, তাহলে ছবি ভালো আশা করা যায় না। আপনি যে ছবি তুলতে গিয়ে অস্বস্তিবোধ করছেন না বা স্বাবলীল আছে যে ভাবটুকু অন্তত থাকতে হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

উত্তরায় নিরাপত্তাকর্মীকে পিটিয়ে অস্ত্র ছিনতাই-অপহরণ

যে ৫ কারণে আপনাকে ছবিতে ভালো দেখায় না

আপডেট সময় ১১:১৯:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

সোশাল মিডিয়া বা প্রযুক্তিপণ্যের সহজলভ্যতার কারণে ছবি তোলার কাজটি হরহামেশাই ঘটে। আর সেলফি তো আছেই।
আসলে জীবনের বিভিন্ন মুহূর্তকে স্মৃতির ফ্রেমে বাঁধতে ছবি তোলার চেয়ে ভালো উপায় আর আছে কিনা বলা মুশকিল। ছবি তুলতে আমাদের কতোই না প্রস্তুতি। সাজগোজ বা বিভিন্ন পোজে ছবি তোলার উদ্দেশ্য একটাই- নিজেকে যেন একটু ভালো দেখা যায়। কোনভাবে ছবিটি যদি ভালো না হয়, তাহলেই মনটা খারাপ হয়ে থাকে। আসলে বেশ কিছু কারণে ছবিতে আপনাকে ভালো নাও দেখাতে পারে। কারণগুলো তুলে ধরছেন বিশেষজ্ঞরা।

১. আপনি ‘স্মাইজ’ করছেন না
স্মাইজ শব্দটা দিয়ে সুপারমডেল টায়রা ব্যাঙ্কস বুঝিয়েছেন সেই অবস্থাকে, যখন আপনার মুখ আর চোখ একযোগে হাসে। তারমানে এই নয় যে, দাঁত বের করে হাসতে হবে। আপনি হয়তো মুখ খুলে হাসছেন না, কিন্তু হাসি হাসি ভাবটা ঠিকই প্রকাশ পাচ্ছে।
আর তার সঙ্গে হাসছে আপনার দুই চোখ। মানুষের মুখায়ব তখনই অতি সুশ্রী হয়ে ওঠে যখন তার মুখ আর চোখ একসঙ্গে হাসতে থাকে। কেবল এই পদ্ধতি অনুসরণ করেই ছবিতে আপনার উপস্থিতিকে অসাধারণ করে তুলতে পারেন। আসলে আপনি যেদিন প্রথম ‘স্মাইজ’ করতে শিখেছেন, সেদিনই নিজের সবচেয়ে আকর্ষণীয় মুখায়ব দেখেছেন।

২. এদিক-সেদিক থেকে চেষ্টা করছেন না
এমন অনেক সময় ঘটে, যখন সামান্য অ্যাঙ্গেল থেকে অদ্ভুত সুন্দর ছবি ওঠে আপনার। তাই বিভিন্ন কোণ থেকে ছবি তুলে দেখতে হয়, কীভাবে আপনাকে ভালো লাগে? রেড কার্পেটে বা সেলিব্রিটিদের আনাগোনায় দেখা যায়, ক্যামেরার সামনে তারা নানাভাবে পোজ দিচ্ছেন। আসলে তারা আগেই বুঝে নিয়েছেন, তাদের এসব পোজে অনেক ভালো দেখায়। সাধারণত এমনই হয়। তাই ক্যামেরা এদিক ওদিক থেকে ধরে দেখুন, আপনাকে কোনভাবে বেশি ভালো দেখায়। মুখ ছাড়া গোটা দেহের ছবি তোলার ক্ষেত্রেও একই তত্ত্ব কাজ করতে পারে।

৩. দৃষ্টিকটু পোজ
আপনি হয়তো পোজ দিয়ে ছবি তুলতে ভালোবাসেন। কিন্তু অনেক সময়ই তা অতিরঞ্জিত বা দৃষ্টিকটু হয়ে যায়। পোজের ওপর ভালো ছবির অনেক কিছুই নির্ভর করে। যেমন অতিরঞ্জিত পোজ দেওয়া উচিত নয়, তেমনই একেবারে জড়পদার্থের মতোও দাঁড়িয়ে বা বসে থাকবেন না। এতে ছবি খুবই বাজে দেখাতে পারে। আপনার মেজাজটা ফুটে ওঠে পোজের মধ্যে। তাই পোজ দেওয়ার ক্ষেত্রে আপনার সহজ ও স্বাবলীল থাকতে হবে।

৪. আলোটা ভালো ছিল না
এটা দুর্ভাগ্যজনক বিষয়। হয়তো সবই ঠিক ছিল, কিন্তু পর্যাপ্ত আলো ছিল না। কিংবা এমন আলো ছিল যা ছবিটাকে বাজে করে দিয়েছে। আলোর তারতম্য ছবিতে দিন-রাত্রির পার্থক্য এনে দিতে পারে। প্রকৃতির আলো ছবি তোলার জন্য সবচেয়ে ভালো। তাই কৃত্রিম আলোতে সমস্যা হয়েও যেতে পারে। ফোন বা ক্যামেরার ফ্ল্যাশ এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। অনেক বড় বড় ফটোগ্রাফারের মতে, ছবির জন্য চমৎকার চেহারা ও পোজ থাকলেও আলোর কারণে তা নিমিষেই বাজে হতে পারে।

৫. আত্মবিশ্বাসী নন
আপনি যেমন তেমনটাই থাকতে হবে ছবিতে। আত্মবিশ্বাসী ভাব ফুটে উঠবে ছবিতে। যদি এমন হয় যে, আপনি মোটেও আত্মবিশ্বাসী নন, তাহলে ছবি ভালো আশা করা যায় না। আপনি যে ছবি তুলতে গিয়ে অস্বস্তিবোধ করছেন না বা স্বাবলীল আছে যে ভাবটুকু অন্তত থাকতে হবে।