ঢাকা ০৩:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

টিকটক করতে এসে দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার গৃহবধূ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় টিকটক করতে এসে দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন এক নারী। এ ঘটনায় শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ৬ যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাদের রোববার দুপুরে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। এর আগে ভাঙ্গা থানায় দুটি ধর্ষণের ও একটি পর্নোগ্রাফি মামলা করেন ভুক্তভোগীর মা। এদিকে ভৈরবে এক গৃহবুধূকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর।

ভাঙ্গা (ফরিদপুর) : ভাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মোকছেদুর রহমান জানান, শুক্রবার রাতে টিকটকার এক নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে মৌখিক অভিযোগ দিয়েছেন। পরদিন রাতে তিনটি মামলা করেন তার মা। এর মধ্যে দুটি ধর্ষণের, অপরটি পর্নোগ্রাফির। এরপর ৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তারা হলো, ধর্ষক দুই যুবক ভাঙ্গার চুমুরদী গ্রামের আমজাদ খানের ছেলে আকরাম খান ও মধুখালির কাঁঠালবাড়ি গ্রামের সাগর মোল্লার ছেলে জুয়েল মোল্লা। পর্নোগ্রাফি আইনে মামলার আসামি, সাইদুল মোল্লা, মামুন শরীফ, বাবু মোল্লা ও মো. জুয়েল মোল্লা।

তিনি আরও জানান, অন্য এলাকা থেকে টিকটক করতে পূর্বপরিচিত আকরাম খানের কাছে এসেছিলেন ওই নারী। পরে আকরাম খান ও জুয়েল মোল্লা তাকে চুমুরদীর একটি ভাড়া বাসায় নিয়ে ধর্ষণ করে। পরে এলাকার ৪ যুবক টের পেয়ে তাদের আটকে রেখে ওই নারীর অশ্লীল ভিডিও ধারণ করে এবং ভয় দেখিয়ে ৬টি মোবাইল, ১০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে দুজন ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে।

ভৈরব (কিশোরগঞ্জ) : মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গৃহবধূর স্বামীর সঙ্গে প্রতিবেশী অভিযুক্তদের শত্রুতা ছিল। বৃহস্পতিবার রাতে তার স্বামী ঢাকায় ছিলেন। গৃহবধূ বাসায় একা আছেন জেনে অভিযুক্তরা রাত ২টায় তার ঘরে ঢোকে। তারা গৃহবধূর মুখ চেপে ধরে ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়। ঘটনার পর গৃহবধূ অজ্ঞান হয়ে পড়েন। জ্ঞান ফিরলে রাতে স্বামীকে ফোনে ধর্ষণের ঘটনাটি অবহিত করেন। শুক্রবার সকালে স্বামী ভৈরবে এসে থানায় তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। অভিযুক্তরা হলো, গ্রামের শওকত মিয়ার ছেলে মোশারফ মিয়া, জাহির উল্লাহর ছেলে শাহ আলম ও মানিক মিয়ার ছেলে আনোয়ার মিয়া। আনোয়ার মিয়াকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। অপর দুই আসামি পলাতক।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

টিকটক করতে এসে দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার গৃহবধূ

আপডেট সময় ১০:২৭:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৫

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় টিকটক করতে এসে দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন এক নারী। এ ঘটনায় শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ৬ যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাদের রোববার দুপুরে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। এর আগে ভাঙ্গা থানায় দুটি ধর্ষণের ও একটি পর্নোগ্রাফি মামলা করেন ভুক্তভোগীর মা। এদিকে ভৈরবে এক গৃহবুধূকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর।

ভাঙ্গা (ফরিদপুর) : ভাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মোকছেদুর রহমান জানান, শুক্রবার রাতে টিকটকার এক নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে মৌখিক অভিযোগ দিয়েছেন। পরদিন রাতে তিনটি মামলা করেন তার মা। এর মধ্যে দুটি ধর্ষণের, অপরটি পর্নোগ্রাফির। এরপর ৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তারা হলো, ধর্ষক দুই যুবক ভাঙ্গার চুমুরদী গ্রামের আমজাদ খানের ছেলে আকরাম খান ও মধুখালির কাঁঠালবাড়ি গ্রামের সাগর মোল্লার ছেলে জুয়েল মোল্লা। পর্নোগ্রাফি আইনে মামলার আসামি, সাইদুল মোল্লা, মামুন শরীফ, বাবু মোল্লা ও মো. জুয়েল মোল্লা।

তিনি আরও জানান, অন্য এলাকা থেকে টিকটক করতে পূর্বপরিচিত আকরাম খানের কাছে এসেছিলেন ওই নারী। পরে আকরাম খান ও জুয়েল মোল্লা তাকে চুমুরদীর একটি ভাড়া বাসায় নিয়ে ধর্ষণ করে। পরে এলাকার ৪ যুবক টের পেয়ে তাদের আটকে রেখে ওই নারীর অশ্লীল ভিডিও ধারণ করে এবং ভয় দেখিয়ে ৬টি মোবাইল, ১০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে দুজন ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে।

ভৈরব (কিশোরগঞ্জ) : মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গৃহবধূর স্বামীর সঙ্গে প্রতিবেশী অভিযুক্তদের শত্রুতা ছিল। বৃহস্পতিবার রাতে তার স্বামী ঢাকায় ছিলেন। গৃহবধূ বাসায় একা আছেন জেনে অভিযুক্তরা রাত ২টায় তার ঘরে ঢোকে। তারা গৃহবধূর মুখ চেপে ধরে ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়। ঘটনার পর গৃহবধূ অজ্ঞান হয়ে পড়েন। জ্ঞান ফিরলে রাতে স্বামীকে ফোনে ধর্ষণের ঘটনাটি অবহিত করেন। শুক্রবার সকালে স্বামী ভৈরবে এসে থানায় তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। অভিযুক্তরা হলো, গ্রামের শওকত মিয়ার ছেলে মোশারফ মিয়া, জাহির উল্লাহর ছেলে শাহ আলম ও মানিক মিয়ার ছেলে আনোয়ার মিয়া। আনোয়ার মিয়াকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। অপর দুই আসামি পলাতক।