ঢাকা ০৭:১২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

বড় মনের পরিচয়’ দিয়ে প্রশংসায় ভাসছেন মিরাজ

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক :

বছরের শেষ দিনে বিপিএল একগাদা নাটকই দেখেছে। চিটাগং কিংস ও খুলনা টাইগার্সের ওই ম্যাচের আলোচিত ঘটনাগুলোর একটা ছিল মেহেদি হাসান মিরাজের টম ও’কনেলকে ‘টাইম আউট’ না করার ঘটনাটি। সে কাজটি করে মিরাজ বড় মনের পরিচয় দিয়েছেন, অভিমত দিয়েছেন চিটাগং কিংস অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুন।

গতকাল খুলনার ছুঁড়ে দেওয়া ২০৪ রানের লক্ষ্যে চিটাগং বেশ ব্যাকফুটে। মোহাম্মদ নাওয়াজের করা সপ্তম ওভারের প্রথম বলে মাত্রই আউট হয়েছেন হায়দার আলী। এর তিন মিনিট পর ব্যাট করতে নামেন ও’কনেল।

মিরাজ সতীর্থদের সঙ্গে কথা বলে নিশ্চিত হয়ে আম্পায়ারের কাছে টাইম আউটের আবেদন করেন। যাতে আম্পায়ার রবীন্দ্র ভিমালাসিরি ও তানভির আহমেদ মিলে সাড়া দেন। ও’কনেল তাতে ফিরতে শুরু করেন সাজঘরে।

তবে এরপরই সিদ্ধান্ত বদলে ফেলেন মিরাজ। ডাগ আউটে ফেরার আগেই ও’কনেলকে ফেরান ক্রিজে। অস্ট্রেলিয়ান এই লেগস্পিনার এরপর তাকে ‘থাম্বস আপ’ দেখিয়ে ধন্যবাদও জানান।

এমন কাজ করে প্রতিপক্ষ অধিনায়কের প্রশংসা কুড়িয়েছেন মিরাজ। মোহাম্মদ মিঠুন জানান, ওই সিদ্ধান্তটা যৌক্তিকই ছিল মিরাজের। কেন এমন হয়েছিল, তার জবাবে তিনি জানান, ও’কনেল দ্রুত উইকেট পড়ে যাওয়াতে হকচকিয়ে গিয়েছিলেন, যার ফলে ৭ নম্বরে ব্যাট করার জন্য প্রস্তুত ছিলেন না তিনি। যার ফলে ৩ মিনিট দেরি হয়।

তবে এরপরও মিরাজ তাকে টাইম আউট করাননি, তাতে মিঠুন তার বুকভরা প্রশংসা করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয় মিরাজ বেশ ভালো কাজ করেছে। সে দেখিয়েছে যে তার বড় একটা মন আছে। ফিল্ডিং দল চাইলে আবেদন করতে পারে, এটা নিয়মের মধ্যেই আছে। মিরাজ দারুণ কাজ করেছে। প্রশংসা অবশ্যই ওর প্রাপ্য।’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘টি-টোয়েন্টি ম্যাচে এমন হওয়া উচিত নয়। একজন ব্যাটারের সব সময় প্রস্তুত থাকা উচিত। ও (ও’কনেল) প্রস্তুত হতে দেরি করেছে। হয়তো বুঝতে পারেনি এত দ্রুত উইকেট পড়বে। এ জন্য ধীরেসুস্থে প্রস্তুত হচ্ছিল।’

তবে ওই যাত্রায় বেঁচে গেলেও ও’কনেল এক বলই টিকতে পেরেছেন আর। প্রথম বলেই শর্ট মিড উইকেটে ক্যাচ দিয়েছেন। ক্যাচটা নিয়েছেন ওই মিরাজই। এরপর শামীম পাটোয়ারীর ৩৮ বলে ৭৮ রানের ইনিংস চট্টগ্রামকে ১৮তম ওভার পর্যন্ত ম্যাচে রেখেছিল। তবে শেষমেশ মিরাজের দল খুলনাই শেষ হাসি হেসেছে ৩৭ রানে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

বড় মনের পরিচয়’ দিয়ে প্রশংসায় ভাসছেন মিরাজ

আপডেট সময় ০৩:২৫:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জানুয়ারী ২০২৫

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক :

বছরের শেষ দিনে বিপিএল একগাদা নাটকই দেখেছে। চিটাগং কিংস ও খুলনা টাইগার্সের ওই ম্যাচের আলোচিত ঘটনাগুলোর একটা ছিল মেহেদি হাসান মিরাজের টম ও’কনেলকে ‘টাইম আউট’ না করার ঘটনাটি। সে কাজটি করে মিরাজ বড় মনের পরিচয় দিয়েছেন, অভিমত দিয়েছেন চিটাগং কিংস অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুন।

গতকাল খুলনার ছুঁড়ে দেওয়া ২০৪ রানের লক্ষ্যে চিটাগং বেশ ব্যাকফুটে। মোহাম্মদ নাওয়াজের করা সপ্তম ওভারের প্রথম বলে মাত্রই আউট হয়েছেন হায়দার আলী। এর তিন মিনিট পর ব্যাট করতে নামেন ও’কনেল।

মিরাজ সতীর্থদের সঙ্গে কথা বলে নিশ্চিত হয়ে আম্পায়ারের কাছে টাইম আউটের আবেদন করেন। যাতে আম্পায়ার রবীন্দ্র ভিমালাসিরি ও তানভির আহমেদ মিলে সাড়া দেন। ও’কনেল তাতে ফিরতে শুরু করেন সাজঘরে।

তবে এরপরই সিদ্ধান্ত বদলে ফেলেন মিরাজ। ডাগ আউটে ফেরার আগেই ও’কনেলকে ফেরান ক্রিজে। অস্ট্রেলিয়ান এই লেগস্পিনার এরপর তাকে ‘থাম্বস আপ’ দেখিয়ে ধন্যবাদও জানান।

এমন কাজ করে প্রতিপক্ষ অধিনায়কের প্রশংসা কুড়িয়েছেন মিরাজ। মোহাম্মদ মিঠুন জানান, ওই সিদ্ধান্তটা যৌক্তিকই ছিল মিরাজের। কেন এমন হয়েছিল, তার জবাবে তিনি জানান, ও’কনেল দ্রুত উইকেট পড়ে যাওয়াতে হকচকিয়ে গিয়েছিলেন, যার ফলে ৭ নম্বরে ব্যাট করার জন্য প্রস্তুত ছিলেন না তিনি। যার ফলে ৩ মিনিট দেরি হয়।

তবে এরপরও মিরাজ তাকে টাইম আউট করাননি, তাতে মিঠুন তার বুকভরা প্রশংসা করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয় মিরাজ বেশ ভালো কাজ করেছে। সে দেখিয়েছে যে তার বড় একটা মন আছে। ফিল্ডিং দল চাইলে আবেদন করতে পারে, এটা নিয়মের মধ্যেই আছে। মিরাজ দারুণ কাজ করেছে। প্রশংসা অবশ্যই ওর প্রাপ্য।’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘টি-টোয়েন্টি ম্যাচে এমন হওয়া উচিত নয়। একজন ব্যাটারের সব সময় প্রস্তুত থাকা উচিত। ও (ও’কনেল) প্রস্তুত হতে দেরি করেছে। হয়তো বুঝতে পারেনি এত দ্রুত উইকেট পড়বে। এ জন্য ধীরেসুস্থে প্রস্তুত হচ্ছিল।’

তবে ওই যাত্রায় বেঁচে গেলেও ও’কনেল এক বলই টিকতে পেরেছেন আর। প্রথম বলেই শর্ট মিড উইকেটে ক্যাচ দিয়েছেন। ক্যাচটা নিয়েছেন ওই মিরাজই। এরপর শামীম পাটোয়ারীর ৩৮ বলে ৭৮ রানের ইনিংস চট্টগ্রামকে ১৮তম ওভার পর্যন্ত ম্যাচে রেখেছিল। তবে শেষমেশ মিরাজের দল খুলনাই শেষ হাসি হেসেছে ৩৭ রানে।