ঢাকা ০৩:০৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এলডিসি থেকে উত্তরণে বাড়তি তিন বছর সময় নেওয়া বিলাসিতা নয়: তিতুমীর চাঁদা না পেয়ে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা, ৩৫ লাখ টাকা লুট দোষারোপের সময় নয়, দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে: প্রতিমন্ত্রী অমিত জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সংসদে না হলে রাজপথে আন্দোলন: গোলাম পরওয়ার অনলাইনে মাদক কেনাবেচার সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড, সংসদে বিল পাস জাপা নেতার বাসায় নাহিদ ও হাসনাতের ডিনার-রাতযাপন জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে সমুন্নত রাখতে জাতীয় ঐক্য গঠনে কাজ করবে এবি পার্টি বিরোধী দলের ওয়াকআউট হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নেবে যুক্তরাষ্ট্র, দাবি ট্রাম্পের রাতারাতি বড় কোন পরিবর্তন করা সম্ভব নয়: আইএমএফকে অর্থমন্ত্রী

গুরুতর অসুস্থ দিলীপ কুমারপত্নী সায়রা বানু

আকাশ বিনোদন ডেস্ক :

গুরুতর অসুস্থ বলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেত্রী সায়রা বানু। তার শারীরিক অবস্থা বেশ সংকটাপন্ন। তিনি নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন বলে জানা গেছে। সায়রা বানুর হাঁটুতে দুটি ব্লাড ক্লট ধরা পড়েছে।

সংবাদ প্রতিদিন সূত্র থেকে জানা গেছে, বেশ কিছু দিন ধরে অভিনেত্রী সায়রা বানুর শারীরিক অবস্থা ভালো নেই। বাড়িতে তিনি ঠিকমতো চলাফেরাও করতে পারছেন না। আপাতত বাড়িতেই চিকিৎসকদের কড়া নজরে রয়েছেন অভিনেত্রী।তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হবে কিনা, তা এখনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

দিলীপ কুমারের থেকে বয়সে ২২ বছরের ছোট ছিলেন অভিনেত্রী। বয়সকে এক পাশে সরিয়ে দিলীপ কুমারকে চুপি চুপি মনও দিয়ে ফেলেছিলেন সায়রা বানু। তবে দিলীপ কুমার একেবারেই সেটি টের পাননি প্রথমে। ততদিনে শাম্মি কাপুরের বিপরীতে বলিউডে পা দিয়ে ফেলেছেন সায়রা। তার মিষ্টি চেহারা নিয়ে বলিউডে সেই সময় নানা কথা ওঠে। দিলীপ কুমারেরও চোখ এড়িয়ে যায়নি। সায়রার মিষ্টি স্বভাবে অল্প হলেও মন মজেছিল দিলীপ কুমারের।

জানা গেছে, প্রথম দেখাতে নাকি সায়রার ভূয়সী প্রশংসা করেছিলেন দিলীপ কুমার। আর তা শুনে সায়রা একেবারেই লজ্জায় লাল। সেই প্রথম আলাপের পরেই প্রেমের সূত্রপাত।

উল্লেখ্য, ১৯৬৬ সালের ১১ অক্টোবর সায়রা বানুর সঙ্গে বিয়ে হয় দিলীপ কুমারের। তখন সায়রার বয়স ছিল ২২, আর দিলীপ কুমারের ৪৪। দিলীপ কুমার তার বায়োগ্রাফিতে লিখেছিলেন— সায়রার গর্ভে এসেছিল সন্তান। তবে সন্তান ধারনের পর সায়রা অসুস্থ হয়ে পড়েন। চিকিৎসক বাঁচাতে পারেনি দিলীপ-সায়রার সন্তানকে। ঠিক এ ঘটনার পরেই দিলীপ কুমার ১৯৮১ সালে ফের বিয়ে করেন, যা কিনা টিকে ছিল মাত্র দুই বছর। প্রেমের টানে ফের সায়রার কাছেই ফিরে আসেন অভিনেতা। বায়োগ্রাফিতে দিলীপ কুমার জানিয়েছেন, দ্বিতীয় বিয়ের সিদ্ধান্ত আমার জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল ছিল।

অন্যদিকে দিলীপের সংসারে মন দিতেই নিজের ক্যারিয়ারকে ছেড়ে দিয়েছিলেন সায়রা বানু। দিলীপ কুমারকেই জীবনের মূলমন্ত্র করেছিলেন অভিনেত্রী। হঠাৎ করে স্বামী ছেড়ে যাওয়ায় ভেঙেও পড়েছিলেন সায়রা বানু। তবে দিলীপের প্রতি ভালোবাসা একটুও কমেনি। বরং দিলীপ কুমারের কথা উঠলেই সায়রা বলতেন— দিলীপ কুমার আমার কাছে কোহিনুর। যার প্রেমে সারাজীবন আবদ্ধ থাকব! ২০২১ সালের জুলাই মাসে প্রয়াত হন দিলীপ কুমার।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এলডিসি থেকে উত্তরণে বাড়তি তিন বছর সময় নেওয়া বিলাসিতা নয়: তিতুমীর

গুরুতর অসুস্থ দিলীপ কুমারপত্নী সায়রা বানু

আপডেট সময় ০৯:০৬:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৪

আকাশ বিনোদন ডেস্ক :

গুরুতর অসুস্থ বলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেত্রী সায়রা বানু। তার শারীরিক অবস্থা বেশ সংকটাপন্ন। তিনি নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন বলে জানা গেছে। সায়রা বানুর হাঁটুতে দুটি ব্লাড ক্লট ধরা পড়েছে।

সংবাদ প্রতিদিন সূত্র থেকে জানা গেছে, বেশ কিছু দিন ধরে অভিনেত্রী সায়রা বানুর শারীরিক অবস্থা ভালো নেই। বাড়িতে তিনি ঠিকমতো চলাফেরাও করতে পারছেন না। আপাতত বাড়িতেই চিকিৎসকদের কড়া নজরে রয়েছেন অভিনেত্রী।তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হবে কিনা, তা এখনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

দিলীপ কুমারের থেকে বয়সে ২২ বছরের ছোট ছিলেন অভিনেত্রী। বয়সকে এক পাশে সরিয়ে দিলীপ কুমারকে চুপি চুপি মনও দিয়ে ফেলেছিলেন সায়রা বানু। তবে দিলীপ কুমার একেবারেই সেটি টের পাননি প্রথমে। ততদিনে শাম্মি কাপুরের বিপরীতে বলিউডে পা দিয়ে ফেলেছেন সায়রা। তার মিষ্টি চেহারা নিয়ে বলিউডে সেই সময় নানা কথা ওঠে। দিলীপ কুমারেরও চোখ এড়িয়ে যায়নি। সায়রার মিষ্টি স্বভাবে অল্প হলেও মন মজেছিল দিলীপ কুমারের।

জানা গেছে, প্রথম দেখাতে নাকি সায়রার ভূয়সী প্রশংসা করেছিলেন দিলীপ কুমার। আর তা শুনে সায়রা একেবারেই লজ্জায় লাল। সেই প্রথম আলাপের পরেই প্রেমের সূত্রপাত।

উল্লেখ্য, ১৯৬৬ সালের ১১ অক্টোবর সায়রা বানুর সঙ্গে বিয়ে হয় দিলীপ কুমারের। তখন সায়রার বয়স ছিল ২২, আর দিলীপ কুমারের ৪৪। দিলীপ কুমার তার বায়োগ্রাফিতে লিখেছিলেন— সায়রার গর্ভে এসেছিল সন্তান। তবে সন্তান ধারনের পর সায়রা অসুস্থ হয়ে পড়েন। চিকিৎসক বাঁচাতে পারেনি দিলীপ-সায়রার সন্তানকে। ঠিক এ ঘটনার পরেই দিলীপ কুমার ১৯৮১ সালে ফের বিয়ে করেন, যা কিনা টিকে ছিল মাত্র দুই বছর। প্রেমের টানে ফের সায়রার কাছেই ফিরে আসেন অভিনেতা। বায়োগ্রাফিতে দিলীপ কুমার জানিয়েছেন, দ্বিতীয় বিয়ের সিদ্ধান্ত আমার জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল ছিল।

অন্যদিকে দিলীপের সংসারে মন দিতেই নিজের ক্যারিয়ারকে ছেড়ে দিয়েছিলেন সায়রা বানু। দিলীপ কুমারকেই জীবনের মূলমন্ত্র করেছিলেন অভিনেত্রী। হঠাৎ করে স্বামী ছেড়ে যাওয়ায় ভেঙেও পড়েছিলেন সায়রা বানু। তবে দিলীপের প্রতি ভালোবাসা একটুও কমেনি। বরং দিলীপ কুমারের কথা উঠলেই সায়রা বলতেন— দিলীপ কুমার আমার কাছে কোহিনুর। যার প্রেমে সারাজীবন আবদ্ধ থাকব! ২০২১ সালের জুলাই মাসে প্রয়াত হন দিলীপ কুমার।