ঢাকা ০৪:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
স্বাস্থ্যসেবায় প্রযুক্তির বিকাশে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী সরকারের ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের নির্ভুল অগ্রগতি প্রতিবেদন তৈরির নির্দেশনা ফ্যামিলি কার্ডে অনিয়মের অভিযোগ প্রমাণিত হলে কঠোর ব্যবস্থা: তথ্যমন্ত্রী আম্মারসহ শিবির নেতাদের হামলায় আহত ২ শিক্ষার্থী কারাগারে বাংলাদেশের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক যুক্ত হচ্ছে না: ডা. জাহেদ দক্ষিণ আফ্রিকায় আগুনে পুড়ে ৬ বাংলাদেশির মৃত্যু নির্দোষ হয়েও আমি অপরাধী: আইভী বিনিয়োগ সেবা সহজ করতে ৬৬১.৫ কোটি টাকার ‘বাংলাবিজ’ প্রকল্প সরকারের শুধু আইন করে মাদক নির্মূল সম্ভব নয়: মির্জা ফখরুল মিরসরাই শিল্পাঞ্চলে ৩০০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগে আগ্রহী তুরস্কের সানকো

ইউক্রেন যুদ্ধ থামাতে ট্রাম্পকে কঠিন শর্ত দিলেন পুতিন

আকাশ আন্তর্জাতিক ইস্ক :

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন, ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনার জন্য প্রস্তুত মস্কো। তবে যুদ্ধ থামাতে কঠিন শর্ত জুড়ে দিয়েছেন তিনি।

ক্রেমলিনের পাঁচজন কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, ইউক্রেনের দখল করা ভূখণ্ড জমি ছাড়বে না রাশিয়া এবং কিয়েভকে ন্যাটো জোটে যোগ দেওয়ার উচ্চাকাঙ্ক্ষা পরিত্যাগ করতে হবে।

২০২২ সালে ইউক্রেনে আগ্রাসনের পর থেকে দোনেৎস্ক, লুহানস্ক, জাপোরিজিয়া এবং খেরসনের বহু জায়গা দখল করে রেখেছে রুশ বাহিনী। এছাড়া কুরস্ক অঞ্চলেও সংঘাত চলছে।

ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবের ক্ষেত্রে পুতিন এসব জায়গা ছাড়তে অস্বীকৃতি জানাতে পারেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অন্তত তিন রুশ কর্মকর্তা এমন তথ্য দিয়েছেন রয়টার্সকে।

ইউক্রেনকে ন্যাটোতে অন্তর্ভুক্তি করার কথা উঠলে সব সময়ই লক্ষ করা যায়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা বলে থাকে—‘এটা সময়ের ব্যাপার মাত্র।’ কিন্তু পুতিনের হুমকি থাকায় বাস্তবে তা কিন্তু হচ্ছে না।

রাশিয়ার সঙ্গে ইউক্রেনের যুদ্ধ চলছে। এমন একটি মুহূর্তে ইউক্রেনকে সদস্য করা হলে অবধারিতভাবে এই যুদ্ধে জড়িয়ে পড়বে ন্যাটো। সেক্ষেত্রে ইউক্রেন-রাশিয়া সংঘাত সর্বাত্মক রূপ ধারণ করবে।

এমন পরিস্থিতিতে এখন যা অবস্থা, রাশিয়ার শর্ত মেনে নিয়েই ইউক্রেনে যুদ্ধবিরতির আলোচনা করতে হবে। আর সেটা হলে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সর্বস্ব হারানোর মতো অবস্থা তৈরি হবে।

কারণ জেলেনস্কি রুশ আক্রমনের শুরু থেকে ন্যাটো জোটে যোগ দিতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষমান। আর এখন পুতিনের কথায় ট্রাম্প যদি এসব শর্ত মেনে নেয়, তাহলে রাশিয়ার বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় পরাজয় ঘটবে কিয়েভের।

এদিকে জানুয়ারিতে হোয়াইট হাউস ছাড়ার আগে ইউক্রেনকে আরো সহায়তা পাঠাচ্ছে বিদায়ী জো বাইডেন প্রশাসন। এরইমধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি ট্যাংকবিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের অনুমতি পেয়েছে কিয়েভ। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি মনুষ্যবিহীন মাইন সরবরাহও করেছে ওয়াশিংটন। এতে রুশ-মার্কিন উত্তেজনা বেড়েছে আগের যে কোনো সময়ের চেয়ে বেশি।

দ্য কিয়েভ ইনডিপেন্ডেন্টের মতে, বর্তমানে ইউক্রেনের ১৮ ভাগ জায়গা দখল করে আছে রাশিয়া। সব মিলিয়ে রাশিয়া ইউক্রেনের ভূখণ্ডের ১ লাখ ১০ হাজার বর্গকিলোমিটারের বেশি দখল করেছে এখন পর্যন্ত।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

স্বাস্থ্যসেবায় প্রযুক্তির বিকাশে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

ইউক্রেন যুদ্ধ থামাতে ট্রাম্পকে কঠিন শর্ত দিলেন পুতিন

আপডেট সময় ০১:২৮:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ নভেম্বর ২০২৪

আকাশ আন্তর্জাতিক ইস্ক :

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন, ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনার জন্য প্রস্তুত মস্কো। তবে যুদ্ধ থামাতে কঠিন শর্ত জুড়ে দিয়েছেন তিনি।

ক্রেমলিনের পাঁচজন কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, ইউক্রেনের দখল করা ভূখণ্ড জমি ছাড়বে না রাশিয়া এবং কিয়েভকে ন্যাটো জোটে যোগ দেওয়ার উচ্চাকাঙ্ক্ষা পরিত্যাগ করতে হবে।

২০২২ সালে ইউক্রেনে আগ্রাসনের পর থেকে দোনেৎস্ক, লুহানস্ক, জাপোরিজিয়া এবং খেরসনের বহু জায়গা দখল করে রেখেছে রুশ বাহিনী। এছাড়া কুরস্ক অঞ্চলেও সংঘাত চলছে।

ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবের ক্ষেত্রে পুতিন এসব জায়গা ছাড়তে অস্বীকৃতি জানাতে পারেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অন্তত তিন রুশ কর্মকর্তা এমন তথ্য দিয়েছেন রয়টার্সকে।

ইউক্রেনকে ন্যাটোতে অন্তর্ভুক্তি করার কথা উঠলে সব সময়ই লক্ষ করা যায়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা বলে থাকে—‘এটা সময়ের ব্যাপার মাত্র।’ কিন্তু পুতিনের হুমকি থাকায় বাস্তবে তা কিন্তু হচ্ছে না।

রাশিয়ার সঙ্গে ইউক্রেনের যুদ্ধ চলছে। এমন একটি মুহূর্তে ইউক্রেনকে সদস্য করা হলে অবধারিতভাবে এই যুদ্ধে জড়িয়ে পড়বে ন্যাটো। সেক্ষেত্রে ইউক্রেন-রাশিয়া সংঘাত সর্বাত্মক রূপ ধারণ করবে।

এমন পরিস্থিতিতে এখন যা অবস্থা, রাশিয়ার শর্ত মেনে নিয়েই ইউক্রেনে যুদ্ধবিরতির আলোচনা করতে হবে। আর সেটা হলে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সর্বস্ব হারানোর মতো অবস্থা তৈরি হবে।

কারণ জেলেনস্কি রুশ আক্রমনের শুরু থেকে ন্যাটো জোটে যোগ দিতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষমান। আর এখন পুতিনের কথায় ট্রাম্প যদি এসব শর্ত মেনে নেয়, তাহলে রাশিয়ার বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় পরাজয় ঘটবে কিয়েভের।

এদিকে জানুয়ারিতে হোয়াইট হাউস ছাড়ার আগে ইউক্রেনকে আরো সহায়তা পাঠাচ্ছে বিদায়ী জো বাইডেন প্রশাসন। এরইমধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি ট্যাংকবিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের অনুমতি পেয়েছে কিয়েভ। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি মনুষ্যবিহীন মাইন সরবরাহও করেছে ওয়াশিংটন। এতে রুশ-মার্কিন উত্তেজনা বেড়েছে আগের যে কোনো সময়ের চেয়ে বেশি।

দ্য কিয়েভ ইনডিপেন্ডেন্টের মতে, বর্তমানে ইউক্রেনের ১৮ ভাগ জায়গা দখল করে আছে রাশিয়া। সব মিলিয়ে রাশিয়া ইউক্রেনের ভূখণ্ডের ১ লাখ ১০ হাজার বর্গকিলোমিটারের বেশি দখল করেছে এখন পর্যন্ত।