ঢাকা ০৫:৫৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

১৬০০ ফুট সুড়ঙ্গ খুঁড়ে ব্যাংক ডাকাতির চেষ্টা

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

সফল হলে এটাই নাকি বিশ্বের সবচেয়ে বড় ডাকাতি হতে পারত। গ্রামবাংলায় ছোটখাটো সিঁধ কেটে ঘটি-বাটি চুরি হয় হামেশাই।

বাড়ির ছাগল, মুরগি বড় জোর পুঁটলিতে বাঁধা কন্যাদায়গ্রস্ত গয়নাগাটি চুরি হতে দেখা যায়। সাধারণত এসব কাণ্ড ছিঁচকে চোররাই ঘটিয়ে থাকে। কিন্তু ইট-কাঠ-পাথরের শহরে সিঁধ কাটা সম্ভব নয়। তা বলে কী ঢেঁকি ধান ভাঙবে না!
বাস্তবে হলও তাই, কংক্রিটে কেরামতি দেখিয়ে ব্রাজিলের সাও পাওলোর একদল ডাকাত বিশাল সুড়ঙ্গ বানিয়ে ব্যাঙ্ক ডাকাতির পরিকল্পনা করে ফেলল। কিন্তু তীরে এসে ডুবল তরী। ডাকাতি করতে পারল না তারা। বরং ধরা পড়ে গেল ডাকাতেরা।

মাথার ঘাম পায়ে ফেলে ওই চোরদেরকে ধরে পুলিশ যত না উচ্ছ্বসিত, তার থেকে বেশি অবাক হয়েছে তাদের কর্মযজ্ঞ দেখে। কারণ, এই মেগা ডাকাতি সফল হলে ব্যাঙ্ক থেকে প্রায় ২৪ কোটি ইউরো হাতাতে পারত ওই ডাকাত দল। কিন্তু শেষ অবধি বিধি বাম।

দক্ষিণ সাও পাওলো ব্রাজিলের অর্থনৈতিক রাজধানী হিসাবে পরিচিত। এখানেই রয়েছে দেশের সব বড় বড় ব্যাঙ্কের প্রধান অফিস। ব্রাজিলের সবচেয়ে বড় ব্যাংক বস্কো দ্য ব্রাজিল (ব্যাংক অব ব্রাজিল)-এর অফিসও এখানেই। আর সেই ব্যাংকের ভাণ্ডার লুঠ করার পরিকল্পনা করে ১৬ জনের একটি ডাকাত গ্যাং।

একটি ভাড়া বাড়ি থেকে সুড়ঙ্গ তৈরির কাজ শুরু করে ডাকাতেরা। ব্যাংক পর্যন্ত ১৬৪০ ফুট লম্বা সুড়ঙ্গ তৈরিও করে ফেলে তারা। কাঁচা হাতের কাজ ভাবলে ভুল হবে! কারণ, লোহার রড, কাঠ দিয়ে বেশ পোক্তভাবেই তৈরি হয়েছে পাতালপথ। শুধু যে পোক্ত নির্মাণ তাই নয়, এই গুপ্ত পথে রয়েছে পাখার হাওয়ার সুবন্দোবস্ত।

ব্রাজিলের একটি স্থানীয় সংবাদমাধ্যম গ্লোবো ডট কম জানাচ্ছে, সুড়ঙ্গের ভিতর পূর্ণবয়স্ক একটি মানুষ অনায়াসে দাঁড়াতে পারবে। সাও পাওলোর পুলিস তদন্ত করে জানতে পেরেছে, এই সুড়ঙ্গ তৈরি করতে খরচ হয়েছে ৯,৫৮,৮০৮ ইউরো। গ্যাংয়ের প্রত্যেক সদস্য ৪৭,৯৪০ ইউরো বিনিয়োগ করেছে। ১৬ জনকেই গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পাশাপাশি হাঁফ ছেড়ে তাঁরা জানিয়েছেন, ধরা না পড়লে এটাই বিশ্বের সবচেয়ে বড় ডাকাতি হতে পারত!

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

১৬০০ ফুট সুড়ঙ্গ খুঁড়ে ব্যাংক ডাকাতির চেষ্টা

আপডেট সময় ১১:৩৩:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

সফল হলে এটাই নাকি বিশ্বের সবচেয়ে বড় ডাকাতি হতে পারত। গ্রামবাংলায় ছোটখাটো সিঁধ কেটে ঘটি-বাটি চুরি হয় হামেশাই।

বাড়ির ছাগল, মুরগি বড় জোর পুঁটলিতে বাঁধা কন্যাদায়গ্রস্ত গয়নাগাটি চুরি হতে দেখা যায়। সাধারণত এসব কাণ্ড ছিঁচকে চোররাই ঘটিয়ে থাকে। কিন্তু ইট-কাঠ-পাথরের শহরে সিঁধ কাটা সম্ভব নয়। তা বলে কী ঢেঁকি ধান ভাঙবে না!
বাস্তবে হলও তাই, কংক্রিটে কেরামতি দেখিয়ে ব্রাজিলের সাও পাওলোর একদল ডাকাত বিশাল সুড়ঙ্গ বানিয়ে ব্যাঙ্ক ডাকাতির পরিকল্পনা করে ফেলল। কিন্তু তীরে এসে ডুবল তরী। ডাকাতি করতে পারল না তারা। বরং ধরা পড়ে গেল ডাকাতেরা।

মাথার ঘাম পায়ে ফেলে ওই চোরদেরকে ধরে পুলিশ যত না উচ্ছ্বসিত, তার থেকে বেশি অবাক হয়েছে তাদের কর্মযজ্ঞ দেখে। কারণ, এই মেগা ডাকাতি সফল হলে ব্যাঙ্ক থেকে প্রায় ২৪ কোটি ইউরো হাতাতে পারত ওই ডাকাত দল। কিন্তু শেষ অবধি বিধি বাম।

দক্ষিণ সাও পাওলো ব্রাজিলের অর্থনৈতিক রাজধানী হিসাবে পরিচিত। এখানেই রয়েছে দেশের সব বড় বড় ব্যাঙ্কের প্রধান অফিস। ব্রাজিলের সবচেয়ে বড় ব্যাংক বস্কো দ্য ব্রাজিল (ব্যাংক অব ব্রাজিল)-এর অফিসও এখানেই। আর সেই ব্যাংকের ভাণ্ডার লুঠ করার পরিকল্পনা করে ১৬ জনের একটি ডাকাত গ্যাং।

একটি ভাড়া বাড়ি থেকে সুড়ঙ্গ তৈরির কাজ শুরু করে ডাকাতেরা। ব্যাংক পর্যন্ত ১৬৪০ ফুট লম্বা সুড়ঙ্গ তৈরিও করে ফেলে তারা। কাঁচা হাতের কাজ ভাবলে ভুল হবে! কারণ, লোহার রড, কাঠ দিয়ে বেশ পোক্তভাবেই তৈরি হয়েছে পাতালপথ। শুধু যে পোক্ত নির্মাণ তাই নয়, এই গুপ্ত পথে রয়েছে পাখার হাওয়ার সুবন্দোবস্ত।

ব্রাজিলের একটি স্থানীয় সংবাদমাধ্যম গ্লোবো ডট কম জানাচ্ছে, সুড়ঙ্গের ভিতর পূর্ণবয়স্ক একটি মানুষ অনায়াসে দাঁড়াতে পারবে। সাও পাওলোর পুলিস তদন্ত করে জানতে পেরেছে, এই সুড়ঙ্গ তৈরি করতে খরচ হয়েছে ৯,৫৮,৮০৮ ইউরো। গ্যাংয়ের প্রত্যেক সদস্য ৪৭,৯৪০ ইউরো বিনিয়োগ করেছে। ১৬ জনকেই গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পাশাপাশি হাঁফ ছেড়ে তাঁরা জানিয়েছেন, ধরা না পড়লে এটাই বিশ্বের সবচেয়ে বড় ডাকাতি হতে পারত!