ঢাকা ০৭:৪২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি করলে ইরান খুব ভালো থাকবে: ট্রাম্প উপজেলা পরিষদে কক্ষ বরাদ্দ পাচ্ছেন সংসদ সদস্যরা, সংসদে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম মা হারা কন্যার বিয়েতে গাজীপুরের ডিসি, আবেগাপ্লুত হরিজন সম্প্রদায়ের মানুষ ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধে মৌলভীবাজারের যুবক নিহত স্বামীর বিশেষ অঙ্গ কর্তন করে হাসপাতালে স্ত্রী সংসদে গাড়ি চাইলেন হাসনাত, জামায়াত আমির বললেন, ছোটদের ‘না’ বলতে নেই অনলাইন ভ্যাট রিটার্নে অনিয়ম পেলেই ব্যবস্থা : এনবিআর চেয়ারম্যান ৪ ঘণ্টা পর জামিন পেলেন বাচ্চাসহ কারাগারে পাঠানো সেই মহিলা লীগ নেত্রী সংবাদপত্রের স্বাধীনতার প্রতি সরকারের দৃঢ় অবস্থান ব্যক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ বৃদ্ধির আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

তাঁতীবাজার মোড়ে তিন দফা দাবিতে অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছে জবি শিক্ষার্থীরা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ সেনাবাহিনীর হাতে হস্তান্তরসহ তিন দফা দাবিতে পুরান ঢাকার তাঁতীবাজার মোড় অবরোধ করে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

আজ সোমবার দুপুর ১২টায় তাঁতীবাজার মোড়ে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করেন তারা। এ সময় নয়াবাজার, গুলিস্তান, বংশাল, সদরঘাটসহ আশপাশের সব রুটের যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা ‌‘দ্বিতীয় ক্যাম্পাস আবাসন, কবে দিবা প্রশাসন?’, ‘প্রয়োজনে রক্ত নাও, তবুও মোদের হল দাও’, ‘প্রশাসনিক মুলা চাষ, আর্মি চাইলে সর্বনাশ’, ‘আর্মির হাতে দাও কাজ, যদি থাকে হায়া-লাজ’ লেগেছে রে লেগেছে,’ রক্ত আগুন লেগেছে,’ ‘জগন্নাথ আসছে, রাজপথ কাঁপছে’, সব সালারা বাটপার, আর্মি হবে ঠিকাদার’, প্রশাসন ভুয়া, ভুয়াসহ বিভিন্ন প্রতিবাদী স্লোগান দেন।

এদিকে, শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধে তাঁতীবাজার মোড়ে গাড়িতে আটকে থাকেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. রেজাউল করিম। এরপর বেশ কিছুক্ষণ পরে উপাচার্য গাড়ি থেকে বের হয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে দাবি মেনে নেওয়ার আশ্বাস দিয়ে বিক্ষোভ মিছিলটি বন্ধ করে হেঁটে ক্যাম্পাসে যান।

এর আগে বেলা সাড়ে ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের গুচ্ছ ভাস্কর্য চত্বরের সামনে জড়ো হয়ে পুরো ক্যাম্পাস ঘুরে বিক্ষোভ মিছিলটি প্রধান ফটক থেকে শুরু করে শাঁখারীবাজার, রায়সাহেব বাজার মোড় হয়ে তাঁতীবাজার মোড়ে অবস্থান নেয়।

শিক্ষার্থীদের তিন দফা দাবি হলো—

১. স্বৈরাচার আমলে নিয়োগপ্রাপ্ত প্রজেক্ট ডিরেক্টরকে আইনের আওতায় আনতে হবে এবং সাত দিনের মধ্যে সেনাবাহিনীর দক্ষ অফিসারদের হাতে এই দ্বায়িত্ব অর্পণ করতে হবে।

২. শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে সুস্পষ্ট ঘোষণা আসতে হবে যে দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ সেনাবাহিনীর হাতে দেওয়া হয়েছে এবং হস্তান্তর প্রক্রিয়ার রূপরেখা স্পষ্ট করতে হবে।

৩. অবিলম্বে বাকি ১১ একর জমি অধিগ্রহণের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে এবং পুরাতন ক্যাম্পাস নিয়ে স্বৈরাচার সরকারের আমলের সকল চুক্তি বাতিল করতে হবে।

আপলোডকারীর তথ্য

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি করলে ইরান খুব ভালো থাকবে: ট্রাম্প

তাঁতীবাজার মোড়ে তিন দফা দাবিতে অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছে জবি শিক্ষার্থীরা

আপডেট সময় ০২:২৯:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ নভেম্বর ২০২৪

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ সেনাবাহিনীর হাতে হস্তান্তরসহ তিন দফা দাবিতে পুরান ঢাকার তাঁতীবাজার মোড় অবরোধ করে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

আজ সোমবার দুপুর ১২টায় তাঁতীবাজার মোড়ে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করেন তারা। এ সময় নয়াবাজার, গুলিস্তান, বংশাল, সদরঘাটসহ আশপাশের সব রুটের যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা ‌‘দ্বিতীয় ক্যাম্পাস আবাসন, কবে দিবা প্রশাসন?’, ‘প্রয়োজনে রক্ত নাও, তবুও মোদের হল দাও’, ‘প্রশাসনিক মুলা চাষ, আর্মি চাইলে সর্বনাশ’, ‘আর্মির হাতে দাও কাজ, যদি থাকে হায়া-লাজ’ লেগেছে রে লেগেছে,’ রক্ত আগুন লেগেছে,’ ‘জগন্নাথ আসছে, রাজপথ কাঁপছে’, সব সালারা বাটপার, আর্মি হবে ঠিকাদার’, প্রশাসন ভুয়া, ভুয়াসহ বিভিন্ন প্রতিবাদী স্লোগান দেন।

এদিকে, শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধে তাঁতীবাজার মোড়ে গাড়িতে আটকে থাকেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. রেজাউল করিম। এরপর বেশ কিছুক্ষণ পরে উপাচার্য গাড়ি থেকে বের হয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে দাবি মেনে নেওয়ার আশ্বাস দিয়ে বিক্ষোভ মিছিলটি বন্ধ করে হেঁটে ক্যাম্পাসে যান।

এর আগে বেলা সাড়ে ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের গুচ্ছ ভাস্কর্য চত্বরের সামনে জড়ো হয়ে পুরো ক্যাম্পাস ঘুরে বিক্ষোভ মিছিলটি প্রধান ফটক থেকে শুরু করে শাঁখারীবাজার, রায়সাহেব বাজার মোড় হয়ে তাঁতীবাজার মোড়ে অবস্থান নেয়।

শিক্ষার্থীদের তিন দফা দাবি হলো—

১. স্বৈরাচার আমলে নিয়োগপ্রাপ্ত প্রজেক্ট ডিরেক্টরকে আইনের আওতায় আনতে হবে এবং সাত দিনের মধ্যে সেনাবাহিনীর দক্ষ অফিসারদের হাতে এই দ্বায়িত্ব অর্পণ করতে হবে।

২. শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে সুস্পষ্ট ঘোষণা আসতে হবে যে দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ সেনাবাহিনীর হাতে দেওয়া হয়েছে এবং হস্তান্তর প্রক্রিয়ার রূপরেখা স্পষ্ট করতে হবে।

৩. অবিলম্বে বাকি ১১ একর জমি অধিগ্রহণের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে এবং পুরাতন ক্যাম্পাস নিয়ে স্বৈরাচার সরকারের আমলের সকল চুক্তি বাতিল করতে হবে।