ঢাকা ০৬:২৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জামায়াত-এনসিপির বক্তব্যে দেশপ্রেম নিয়ে আশাবাদী হওয়া যাচ্ছে না:পানিসম্পদ মন্ত্রী জঙ্গল সলিমপুরে পানিতে বিষ মিশিয়ে যৌথবাহিনী সদস্যদের হত্যাচেষ্টা! দেশে ১ কোটি লোকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে: পরিবেশমন্ত্রী তুরাবদের রক্তের বিনিময়েই দেশ ফ্যাসিবাদ মুক্ত হয়েছে: ডা. শফিকুর রহমান জনগণের স্বার্থের বিপরীতে কিছু করলে দায়ভার সরকারের ওপরই পড়বে: মান্না অস্ত্র প্রস্তুত, তবে ইরানকে ‘কিছুটা সময়’ দিচ্ছেন ট্রাম্প : মার্কিন রাষ্ট্রদূত বিএনপি মো. সাহাবুদ্দিনকে ‘সেফ এক্সিট’ দিতে চায়: আখতার প্রতিমন্ত্রী ইশরাককে ঘিরে উত্তেজনা-ধস্তাধস্তি, বিভ্রান্তি না ছড়ানোর আহ্বান গণতন্ত্র যতবারই হোঁচট খেয়েছে, ততবারই মানুষ বিএনপির ওপর আস্থা রেখেছে: ডা. জাহিদ বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ঢুকে পড়লো কুর্মিটোলা হাসপাতাল প্রাঙ্গণে, নিহত ১

যুক্তরাষ্ট্র থেকে ৩১টি অত্যাধুনিক ড্রোন কিনছে ভারত

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

আমেরিকার কাছ থেকে ৩১টি অত্যাধুনিক ড্রোন কিনছে ভারত। এই ড্রোন গুলো উঁচু পাহাড়ি এলাকায় কাজ করতে সক্ষম।

২০১৮ সাল থেকে এই ড্রোন কেনার জন্য কথাবার্তা চলছিল। মঙ্গলবার দিল্লিতে ড্রোন ক্রয়ে এই চুক্তি হয়। এই ক্ষেত্রে দুই দেশেরই স্বার্থ জড়িত ছিল। ভারত অনেকদিন ধরেই এই ড্রোনের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছিল। বিশেষ করে এই ড্রোন হাতে পেলে ভারতের উঁচু জায়গায় নজরদারি ও আক্রমণের ক্ষমতা অনেকটা বাড়বে। আর যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ ছিল, অস্ত্র কেনার ক্ষেত্রে ভারতকে রাশিয়ার কাছ থেকে সরিয়ে আনা এবং চীনের প্রভাবের মোকাবিলার ব্যবস্থা করা।

তাছাড়া বিপুল অর্থের বিনিময়ে ভারত এই ড্রোন কিনছে। ৩১টি ড্রোন কিনতে ভারতের খরচ হবে প্রায় ৩.২ বিলিয়ন ডলার।
এই ড্রোনগুলো ভারতীয় স্থল ও বিমান বাহিনীর পাশাপাশি নৌবাহিনীও ব্যবহার করতে পারবে। কারণ, দুই ধরনের ড্রোনই কিনছে ভারত। নৌবাহিনী এই ড্রোনগুলো ভারত মহাসাগরে ব্যবহার করতে চায়। নৌবাহিনীর জন্য ১৫টি এবং স্থল ও বিমান বাহিনীর জন্য ১৬টি ড্রোন কেনা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে ক্যাবিনেট কমিটি অন সিকিউরিটি বা সিসিএস গত সপ্তাহে এই সশস্ত্র ড্রোন কেনার বিষয়ে চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়। গত বছর জুন মাসে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এই ড্রোন কেনার অনুমোদন দিয়েছে।

গত মে মাসে প্রকাশিত রিপোর্টে বলা হয়েছিল, উত্তরপ্রদেশের গোরক্ষপুর ও সরসাওনে দুইটি বিমান ঘাঁটিতে বিমান বাহিনীর ড্রোন মোতায়েন করা হতে পারে।

ভারতীয় বিমান বাহিনী ও স্থলবাহিনী আটটি করে ড্রোন পাবে। এর ফলে লাদাখ থেকে অরুণাচল প্রদেশ পর্যন্ত চীনের সঙ্গে সীমান্তের পুরোটা এই ড্রোনের আওতায় এসে যাবে। এই ড্রোনগুলি ৩৬ ঘণ্টা উড়তে পারবে, ৪০ হাজার ফিট উচ্চতায় উঠতে পারবে। এই ড্রোন থেকে ক্ষেপণাস্ত্র ও স্মার্ট বোমা ছোড়া যাবে। এছাড়া নজরদারির কাজেও এই ড্রোন ব্যবহার করা যাবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জামায়াত-এনসিপির বক্তব্যে দেশপ্রেম নিয়ে আশাবাদী হওয়া যাচ্ছে না:পানিসম্পদ মন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্র থেকে ৩১টি অত্যাধুনিক ড্রোন কিনছে ভারত

আপডেট সময় ০৭:০৫:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৪

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

আমেরিকার কাছ থেকে ৩১টি অত্যাধুনিক ড্রোন কিনছে ভারত। এই ড্রোন গুলো উঁচু পাহাড়ি এলাকায় কাজ করতে সক্ষম।

২০১৮ সাল থেকে এই ড্রোন কেনার জন্য কথাবার্তা চলছিল। মঙ্গলবার দিল্লিতে ড্রোন ক্রয়ে এই চুক্তি হয়। এই ক্ষেত্রে দুই দেশেরই স্বার্থ জড়িত ছিল। ভারত অনেকদিন ধরেই এই ড্রোনের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছিল। বিশেষ করে এই ড্রোন হাতে পেলে ভারতের উঁচু জায়গায় নজরদারি ও আক্রমণের ক্ষমতা অনেকটা বাড়বে। আর যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ ছিল, অস্ত্র কেনার ক্ষেত্রে ভারতকে রাশিয়ার কাছ থেকে সরিয়ে আনা এবং চীনের প্রভাবের মোকাবিলার ব্যবস্থা করা।

তাছাড়া বিপুল অর্থের বিনিময়ে ভারত এই ড্রোন কিনছে। ৩১টি ড্রোন কিনতে ভারতের খরচ হবে প্রায় ৩.২ বিলিয়ন ডলার।
এই ড্রোনগুলো ভারতীয় স্থল ও বিমান বাহিনীর পাশাপাশি নৌবাহিনীও ব্যবহার করতে পারবে। কারণ, দুই ধরনের ড্রোনই কিনছে ভারত। নৌবাহিনী এই ড্রোনগুলো ভারত মহাসাগরে ব্যবহার করতে চায়। নৌবাহিনীর জন্য ১৫টি এবং স্থল ও বিমান বাহিনীর জন্য ১৬টি ড্রোন কেনা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে ক্যাবিনেট কমিটি অন সিকিউরিটি বা সিসিএস গত সপ্তাহে এই সশস্ত্র ড্রোন কেনার বিষয়ে চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়। গত বছর জুন মাসে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এই ড্রোন কেনার অনুমোদন দিয়েছে।

গত মে মাসে প্রকাশিত রিপোর্টে বলা হয়েছিল, উত্তরপ্রদেশের গোরক্ষপুর ও সরসাওনে দুইটি বিমান ঘাঁটিতে বিমান বাহিনীর ড্রোন মোতায়েন করা হতে পারে।

ভারতীয় বিমান বাহিনী ও স্থলবাহিনী আটটি করে ড্রোন পাবে। এর ফলে লাদাখ থেকে অরুণাচল প্রদেশ পর্যন্ত চীনের সঙ্গে সীমান্তের পুরোটা এই ড্রোনের আওতায় এসে যাবে। এই ড্রোনগুলি ৩৬ ঘণ্টা উড়তে পারবে, ৪০ হাজার ফিট উচ্চতায় উঠতে পারবে। এই ড্রোন থেকে ক্ষেপণাস্ত্র ও স্মার্ট বোমা ছোড়া যাবে। এছাড়া নজরদারির কাজেও এই ড্রোন ব্যবহার করা যাবে।