ঢাকা ০৯:০৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট বনশ্রীতে স্কুলছাত্রী খুন,পুলিশের সন্দেহের তালিকায় পলাতক রেস্তোরাঁ কর্মী স্বৈরাচারের লোকেরা নির্বাচন ভণ্ডুলের চেষ্টা করবে: ড. মুহাম্মদ ইউনূস গাজীপুরে নবজাতকের লাশ নিয়ে কুকুরের টানাহ্যাঁচড়া, উদ্ধার করল পুলিশ ধর্মকে পুঁজি করে মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে, ধোঁকা দেওয়া হচ্ছে : খায়রুল কবির খোকন দলে বড় নাম থাকলেও জেতার জন্য সবাইকে আরও দায়িত্ব নিতে হবে: সোহান ২৫ জন বাংলাদেশিকে ক্ষমা করল আমিরাত দেশের ভবিষ্যত গড়ার জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয় নিশ্চিত করতে হবে : চরমোনাই পীর ব্যালটবাক্স ভরে কোনো নির্দিষ্ট প্রতীকের জয়ের সুযোগ নেই: রুমিন ফারহানা এইচএসসি পাসে নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ , রোগী দেখেন দুই জেলায়

যুক্তরাষ্ট্র থেকে ৩১টি অত্যাধুনিক ড্রোন কিনছে ভারত

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

আমেরিকার কাছ থেকে ৩১টি অত্যাধুনিক ড্রোন কিনছে ভারত। এই ড্রোন গুলো উঁচু পাহাড়ি এলাকায় কাজ করতে সক্ষম।

২০১৮ সাল থেকে এই ড্রোন কেনার জন্য কথাবার্তা চলছিল। মঙ্গলবার দিল্লিতে ড্রোন ক্রয়ে এই চুক্তি হয়। এই ক্ষেত্রে দুই দেশেরই স্বার্থ জড়িত ছিল। ভারত অনেকদিন ধরেই এই ড্রোনের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছিল। বিশেষ করে এই ড্রোন হাতে পেলে ভারতের উঁচু জায়গায় নজরদারি ও আক্রমণের ক্ষমতা অনেকটা বাড়বে। আর যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ ছিল, অস্ত্র কেনার ক্ষেত্রে ভারতকে রাশিয়ার কাছ থেকে সরিয়ে আনা এবং চীনের প্রভাবের মোকাবিলার ব্যবস্থা করা।

তাছাড়া বিপুল অর্থের বিনিময়ে ভারত এই ড্রোন কিনছে। ৩১টি ড্রোন কিনতে ভারতের খরচ হবে প্রায় ৩.২ বিলিয়ন ডলার।
এই ড্রোনগুলো ভারতীয় স্থল ও বিমান বাহিনীর পাশাপাশি নৌবাহিনীও ব্যবহার করতে পারবে। কারণ, দুই ধরনের ড্রোনই কিনছে ভারত। নৌবাহিনী এই ড্রোনগুলো ভারত মহাসাগরে ব্যবহার করতে চায়। নৌবাহিনীর জন্য ১৫টি এবং স্থল ও বিমান বাহিনীর জন্য ১৬টি ড্রোন কেনা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে ক্যাবিনেট কমিটি অন সিকিউরিটি বা সিসিএস গত সপ্তাহে এই সশস্ত্র ড্রোন কেনার বিষয়ে চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়। গত বছর জুন মাসে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এই ড্রোন কেনার অনুমোদন দিয়েছে।

গত মে মাসে প্রকাশিত রিপোর্টে বলা হয়েছিল, উত্তরপ্রদেশের গোরক্ষপুর ও সরসাওনে দুইটি বিমান ঘাঁটিতে বিমান বাহিনীর ড্রোন মোতায়েন করা হতে পারে।

ভারতীয় বিমান বাহিনী ও স্থলবাহিনী আটটি করে ড্রোন পাবে। এর ফলে লাদাখ থেকে অরুণাচল প্রদেশ পর্যন্ত চীনের সঙ্গে সীমান্তের পুরোটা এই ড্রোনের আওতায় এসে যাবে। এই ড্রোনগুলি ৩৬ ঘণ্টা উড়তে পারবে, ৪০ হাজার ফিট উচ্চতায় উঠতে পারবে। এই ড্রোন থেকে ক্ষেপণাস্ত্র ও স্মার্ট বোমা ছোড়া যাবে। এছাড়া নজরদারির কাজেও এই ড্রোন ব্যবহার করা যাবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট

যুক্তরাষ্ট্র থেকে ৩১টি অত্যাধুনিক ড্রোন কিনছে ভারত

আপডেট সময় ০৭:০৫:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৪

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

আমেরিকার কাছ থেকে ৩১টি অত্যাধুনিক ড্রোন কিনছে ভারত। এই ড্রোন গুলো উঁচু পাহাড়ি এলাকায় কাজ করতে সক্ষম।

২০১৮ সাল থেকে এই ড্রোন কেনার জন্য কথাবার্তা চলছিল। মঙ্গলবার দিল্লিতে ড্রোন ক্রয়ে এই চুক্তি হয়। এই ক্ষেত্রে দুই দেশেরই স্বার্থ জড়িত ছিল। ভারত অনেকদিন ধরেই এই ড্রোনের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছিল। বিশেষ করে এই ড্রোন হাতে পেলে ভারতের উঁচু জায়গায় নজরদারি ও আক্রমণের ক্ষমতা অনেকটা বাড়বে। আর যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ ছিল, অস্ত্র কেনার ক্ষেত্রে ভারতকে রাশিয়ার কাছ থেকে সরিয়ে আনা এবং চীনের প্রভাবের মোকাবিলার ব্যবস্থা করা।

তাছাড়া বিপুল অর্থের বিনিময়ে ভারত এই ড্রোন কিনছে। ৩১টি ড্রোন কিনতে ভারতের খরচ হবে প্রায় ৩.২ বিলিয়ন ডলার।
এই ড্রোনগুলো ভারতীয় স্থল ও বিমান বাহিনীর পাশাপাশি নৌবাহিনীও ব্যবহার করতে পারবে। কারণ, দুই ধরনের ড্রোনই কিনছে ভারত। নৌবাহিনী এই ড্রোনগুলো ভারত মহাসাগরে ব্যবহার করতে চায়। নৌবাহিনীর জন্য ১৫টি এবং স্থল ও বিমান বাহিনীর জন্য ১৬টি ড্রোন কেনা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে ক্যাবিনেট কমিটি অন সিকিউরিটি বা সিসিএস গত সপ্তাহে এই সশস্ত্র ড্রোন কেনার বিষয়ে চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়। গত বছর জুন মাসে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এই ড্রোন কেনার অনুমোদন দিয়েছে।

গত মে মাসে প্রকাশিত রিপোর্টে বলা হয়েছিল, উত্তরপ্রদেশের গোরক্ষপুর ও সরসাওনে দুইটি বিমান ঘাঁটিতে বিমান বাহিনীর ড্রোন মোতায়েন করা হতে পারে।

ভারতীয় বিমান বাহিনী ও স্থলবাহিনী আটটি করে ড্রোন পাবে। এর ফলে লাদাখ থেকে অরুণাচল প্রদেশ পর্যন্ত চীনের সঙ্গে সীমান্তের পুরোটা এই ড্রোনের আওতায় এসে যাবে। এই ড্রোনগুলি ৩৬ ঘণ্টা উড়তে পারবে, ৪০ হাজার ফিট উচ্চতায় উঠতে পারবে। এই ড্রোন থেকে ক্ষেপণাস্ত্র ও স্মার্ট বোমা ছোড়া যাবে। এছাড়া নজরদারির কাজেও এই ড্রোন ব্যবহার করা যাবে।