ঢাকা ০২:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হাদি হত্যার কেবল চার আসামি নয়, সম্পূর্ণ নেটওয়ার্কের বিচার চাই: ইনকিলাব মঞ্চ অচেতন অবস্থায় রংপুরে উদ্ধার গাইবান্ধা-৩ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী কোনো বিশেষ ক্ষেত্রে ভোট দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া সরকারের উচিত নয়: আমির খসরু আওয়ামী লীগকে নির্বাচনে আনতে আন্তর্জাতিক মহলের কোনো চাপ নেই: শফিকুল আলম আমরা এখন আর আইসিইউতে নেই, কেবিনে উঠে এসেছি: অর্থ উপদেষ্টা ‘বন্দি থাকাকালে বেগম জিয়ার পক্ষে কথা বলার কেউই ছিলেন না’:আসিফ নজরুল নোয়াখালীকে হারিয়ে টেবিলের শীর্ষে চট্টগ্রাম রয়্যালস খালেদা জিয়ার স্মরণে নাগরিক শোকসভা জোট নয়, এককভাবেই নির্বাচনে লড়বে ইসলামী আন্দোলন ওসমান হাদির ভাইকে যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশ মিশনে নিয়োগ

মুসলমান হওয়ায় বঞ্চিত হচ্ছি: রোহিঙ্গা ব্লগার

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের উপর নির্যাতন, নিপীড়নের ছবি দেখলে চোখের পানি আটকে রাখতে পারেন না নেয় স্যান লুইন৷ জার্মানিতে নির্বাসিত এই ব্লগার স্বজাতির দুর্ভোগের কথা গোটা বিশ্বকে জানানোর চেষ্টা করেন৷ তবে প্রবাসে থাকলেও জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত তিনি৷

স্নিকার, জিনস, শার্ট এবং জ্যাকেটের সঙ্গে ফ্যাশনেবল চশমাও পরেন তিনি৷ ফ্রাঙ্কফুর্টের ট্রেন স্টেশনে আরো হাজারো মানুষ থেকে তাঁকে আলাদা করা মুশকিল৷ জার্মানির অন্যতম ব্যস্ত এই শহরে বসবাসরত অসংখ্য চাকুরিজীবীর ভিড়ে তিনিও হারিয়ে যেতে পারেন অনায়াসে৷ রোহিঙ্গা ব্লগার নেয় স্যান লুইনকে সাদা চোখে দেখলে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সঙ্গে তাঁর কোন মিল খুঁজে পাবেন না৷ কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে তিনি তাদেরই একজন৷

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে ১৯৭৮ সালে জন্ম নেয়া লুইন’এর ছোটবেলা কেটেছে ইয়াঙ্গুনে৷ যে সময় তাঁর জন্ম, তখন মিয়ানমার সরকার অনেক রোহিঙ্গাকে নিজের দেশের মানুষ মনে করতো ৷ লুইন সেই দলের একজন৷ মিয়ানমারের নাগরিক হিসেবে সেদেশের পাসপোর্ট ছিল তার৷ সুযোগ পেয়েছেন উচ্চশিক্ষা গ্রহণের৷ তবে ১৯৮২ সালের পর থেকে তাঁর স্বজাতির প্রতি যে বৈষম্য করা হচ্ছে সেটাও উপলব্ধি করেছেন তিনি৷

মিয়ানমারে সংখ্যালঘু রোহিঙ্গাদের বসবাস কয়েক শতক ধরে, যদিও সেদেশের সরকার সেটা মানতে রাজি নয়৷ বৌদ্ধপ্রধান দেশটিতে তাই রোহিঙ্গারা রাষ্ট্রহীন, বাঙালি অভিবাসী হিসেবে বিবেচিত৷ অথচ ১৯৮২ সালের আগ পর্যন্ত পরিস্থিতি এখনকার মতো ছিল না৷ লুইন এই প্রসঙ্গে বলেন, ‘১৯৮২ সালে মিয়ানমার যে নাগরিকত্ব আইন অনুমোদন করে সেখানে নয়টি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অস্তিত্ব অস্বীকার করা হয়৷ সেই সম্প্রদায়গুলোর একটি রোহিঙ্গা৷’

১৬ বছর ধরে নির্বাসনে
ইয়াঙ্গুন বিশ্ববিদ্যালয়ে তথ্যপ্রযুক্তি পড়ার সময় থেকেই রোহিঙ্গাদের অধিকার আদায়ে সচেষ্ট হন লুইন৷ লেখাপড়া শেষে ২০০১ সালে সেদেশের পাসপোর্ট নিয়েই চাকুরি করতে চলে যান সৌদি আরবে৷ সেখানে একটি নির্মাণ সংস্থায় ম্যানেজার হিসেবে চাকুরি নেন৷ পাশাপাশি মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্বের দাবিতে ইন্টারনেটে লেখালেখিও চালিয়ে যান৷ এক্ষেত্রে তাঁকে সহায়তা করেছেন তার বাবা ৷

২০০৫ সালে তিনি চালু করেন রোহিঙ্গাব্লগার ডটকম নামের একটি ব্লগসাইট৷ রোহিঙ্গাদের উপর মিয়ানমার সরকারের দমন-পীড়ন এবং সিস্টেমেটিক নির্যাতনের কথা প্রকাশ করা হয় এই ব্লগসাইটে৷ এটি এখন বছরে ১ কোটিবারের মতো পড়া হয়৷

নেয় স্যান লুইনের ব্লগার জীবন মিয়ানমারের সরকারের চোখে পড়তে বেশি সময় লাগেনি৷ ২০০৯ সালে নিজের পাসপোর্ট নবায়ন করতে গিয়ে টের পান, সেদেশের সরকার তাঁর পাসপোর্ট বাজেয়াপ্ত করেছে৷ ফলে অন্যান্য রোহিঙ্গাদের মতো লুইনও পরিণত হন রাষ্ট্রহীন এক মানুষে৷ এমন অবস্থায় সৌদি আরবে বসবাস দুরূহ হয়ে পড়ে তাঁর জন্য৷ ফলে ২০১১ সালে রাজনৈতিক আশ্রয় নেন জার্মানিতে৷

একটি ব্লগ, একটি দায়িত্ব
‘‘একশো’র বেশি ব্লগারের একটি নেটওয়ার্ক পরিচালনা করি আমি৷ তারা মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের উপর হামলার খবর পেলে তা সঙ্গে সঙ্গে যাচাই করেন এবং ছবি, ভিডিও সংগ্রহ করে আমার কাছে পাঠান৷ এরপর আমি তা ইন্টারেনেটে প্রকাশ করি, ‘ডয়চে ভেলেকে বলেন লুইন৷ তার এই নেটওয়ার্কের অনেক সদস্যই বাস করেন মিয়ানমারে। বিশেষ করে রাখাইনে, যেখানে রোহিঙ্গাদের উপর সে দেশের সেনাবাহিনীর সর্বশেষ অভিযান চলছে৷ এই অভিযান থেকে বাঁচতে প্রায় ৫ লাখের মতো রোহিঙ্গা গত কয়েক সপ্তাহে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন ৷

বাংলাদেশগামী শরণার্থীদের ছবি দেখলে চোখের জল আটকে রাখতে পারেন না লুইন৷ তিনি বলেন, ‘রাখাইনে ছোট ছোট শিশুদের জীবন্ত পুড়িয়ে মারা হয়েছে বা জবাই করা হয়েছে, এমন রিপোর্টও প্রকাশ হয়েছে৷ এমন পরিস্থিতি থেকে বাঁচতে এক কাপড়েই বাংলাদেশের দিকে ছুটছেন আমার স্বজাতিরা৷ তারা আশা করেন, সেদেশে বেঁচে থাকতে পারবেন৷ কিন্তু তাদের ভবিষ্যত কেউ জানে না৷’

রোহিঙ্গাদের এই করুণ দশা সত্ত্বেও মিয়ানমারের শান্তির প্রতীক অং সান সু চি’র নীরবতা লুইনকে কষ্ট দেয়৷ সু চি’র ক্ষমতার সীমাবদ্ধতা সম্পর্কেও তিনি সচেতন৷ তা সত্ত্বেও একটি দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে যেটুকু ক্ষমতা সু চি’র প্রয়োগের সুযোগ রয়েছে তাও তিনি রোহিঙ্গাদের বাঁচাতে করছেন না বলে মনে করেন লুইন৷

রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর অভিযান আন্তর্জাতিক সমাজের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে৷ জার্মানিসহ নানা দেশে এই ঘটনার প্রতিবাদ হচ্ছে দেখে সন্তুষ্ট লুইন৷ তিনি মনে করেন, শুধুমাত্র আন্তর্জাতিক স্তর থেকে চাপ দেয়ার মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে পুনর্বাসন সম্ভব হতে পারে৷ তাদের মিয়ানমারের নাগরিকত্ব না দেয়া পর্যন্ত এই সংকটের সমাধান হবে না বলে মনে করেন নির্বাসিত এই ব্লগার৷ প্রশ্ন হচ্ছে, মিয়ানমার সরকার আদৌ কি তা করবে?

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হাদি হত্যার কেবল চার আসামি নয়, সম্পূর্ণ নেটওয়ার্কের বিচার চাই: ইনকিলাব মঞ্চ

মুসলমান হওয়ায় বঞ্চিত হচ্ছি: রোহিঙ্গা ব্লগার

আপডেট সময় ১১:৫৬:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের উপর নির্যাতন, নিপীড়নের ছবি দেখলে চোখের পানি আটকে রাখতে পারেন না নেয় স্যান লুইন৷ জার্মানিতে নির্বাসিত এই ব্লগার স্বজাতির দুর্ভোগের কথা গোটা বিশ্বকে জানানোর চেষ্টা করেন৷ তবে প্রবাসে থাকলেও জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত তিনি৷

স্নিকার, জিনস, শার্ট এবং জ্যাকেটের সঙ্গে ফ্যাশনেবল চশমাও পরেন তিনি৷ ফ্রাঙ্কফুর্টের ট্রেন স্টেশনে আরো হাজারো মানুষ থেকে তাঁকে আলাদা করা মুশকিল৷ জার্মানির অন্যতম ব্যস্ত এই শহরে বসবাসরত অসংখ্য চাকুরিজীবীর ভিড়ে তিনিও হারিয়ে যেতে পারেন অনায়াসে৷ রোহিঙ্গা ব্লগার নেয় স্যান লুইনকে সাদা চোখে দেখলে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সঙ্গে তাঁর কোন মিল খুঁজে পাবেন না৷ কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে তিনি তাদেরই একজন৷

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে ১৯৭৮ সালে জন্ম নেয়া লুইন’এর ছোটবেলা কেটেছে ইয়াঙ্গুনে৷ যে সময় তাঁর জন্ম, তখন মিয়ানমার সরকার অনেক রোহিঙ্গাকে নিজের দেশের মানুষ মনে করতো ৷ লুইন সেই দলের একজন৷ মিয়ানমারের নাগরিক হিসেবে সেদেশের পাসপোর্ট ছিল তার৷ সুযোগ পেয়েছেন উচ্চশিক্ষা গ্রহণের৷ তবে ১৯৮২ সালের পর থেকে তাঁর স্বজাতির প্রতি যে বৈষম্য করা হচ্ছে সেটাও উপলব্ধি করেছেন তিনি৷

মিয়ানমারে সংখ্যালঘু রোহিঙ্গাদের বসবাস কয়েক শতক ধরে, যদিও সেদেশের সরকার সেটা মানতে রাজি নয়৷ বৌদ্ধপ্রধান দেশটিতে তাই রোহিঙ্গারা রাষ্ট্রহীন, বাঙালি অভিবাসী হিসেবে বিবেচিত৷ অথচ ১৯৮২ সালের আগ পর্যন্ত পরিস্থিতি এখনকার মতো ছিল না৷ লুইন এই প্রসঙ্গে বলেন, ‘১৯৮২ সালে মিয়ানমার যে নাগরিকত্ব আইন অনুমোদন করে সেখানে নয়টি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অস্তিত্ব অস্বীকার করা হয়৷ সেই সম্প্রদায়গুলোর একটি রোহিঙ্গা৷’

১৬ বছর ধরে নির্বাসনে
ইয়াঙ্গুন বিশ্ববিদ্যালয়ে তথ্যপ্রযুক্তি পড়ার সময় থেকেই রোহিঙ্গাদের অধিকার আদায়ে সচেষ্ট হন লুইন৷ লেখাপড়া শেষে ২০০১ সালে সেদেশের পাসপোর্ট নিয়েই চাকুরি করতে চলে যান সৌদি আরবে৷ সেখানে একটি নির্মাণ সংস্থায় ম্যানেজার হিসেবে চাকুরি নেন৷ পাশাপাশি মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্বের দাবিতে ইন্টারনেটে লেখালেখিও চালিয়ে যান৷ এক্ষেত্রে তাঁকে সহায়তা করেছেন তার বাবা ৷

২০০৫ সালে তিনি চালু করেন রোহিঙ্গাব্লগার ডটকম নামের একটি ব্লগসাইট৷ রোহিঙ্গাদের উপর মিয়ানমার সরকারের দমন-পীড়ন এবং সিস্টেমেটিক নির্যাতনের কথা প্রকাশ করা হয় এই ব্লগসাইটে৷ এটি এখন বছরে ১ কোটিবারের মতো পড়া হয়৷

নেয় স্যান লুইনের ব্লগার জীবন মিয়ানমারের সরকারের চোখে পড়তে বেশি সময় লাগেনি৷ ২০০৯ সালে নিজের পাসপোর্ট নবায়ন করতে গিয়ে টের পান, সেদেশের সরকার তাঁর পাসপোর্ট বাজেয়াপ্ত করেছে৷ ফলে অন্যান্য রোহিঙ্গাদের মতো লুইনও পরিণত হন রাষ্ট্রহীন এক মানুষে৷ এমন অবস্থায় সৌদি আরবে বসবাস দুরূহ হয়ে পড়ে তাঁর জন্য৷ ফলে ২০১১ সালে রাজনৈতিক আশ্রয় নেন জার্মানিতে৷

একটি ব্লগ, একটি দায়িত্ব
‘‘একশো’র বেশি ব্লগারের একটি নেটওয়ার্ক পরিচালনা করি আমি৷ তারা মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের উপর হামলার খবর পেলে তা সঙ্গে সঙ্গে যাচাই করেন এবং ছবি, ভিডিও সংগ্রহ করে আমার কাছে পাঠান৷ এরপর আমি তা ইন্টারেনেটে প্রকাশ করি, ‘ডয়চে ভেলেকে বলেন লুইন৷ তার এই নেটওয়ার্কের অনেক সদস্যই বাস করেন মিয়ানমারে। বিশেষ করে রাখাইনে, যেখানে রোহিঙ্গাদের উপর সে দেশের সেনাবাহিনীর সর্বশেষ অভিযান চলছে৷ এই অভিযান থেকে বাঁচতে প্রায় ৫ লাখের মতো রোহিঙ্গা গত কয়েক সপ্তাহে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন ৷

বাংলাদেশগামী শরণার্থীদের ছবি দেখলে চোখের জল আটকে রাখতে পারেন না লুইন৷ তিনি বলেন, ‘রাখাইনে ছোট ছোট শিশুদের জীবন্ত পুড়িয়ে মারা হয়েছে বা জবাই করা হয়েছে, এমন রিপোর্টও প্রকাশ হয়েছে৷ এমন পরিস্থিতি থেকে বাঁচতে এক কাপড়েই বাংলাদেশের দিকে ছুটছেন আমার স্বজাতিরা৷ তারা আশা করেন, সেদেশে বেঁচে থাকতে পারবেন৷ কিন্তু তাদের ভবিষ্যত কেউ জানে না৷’

রোহিঙ্গাদের এই করুণ দশা সত্ত্বেও মিয়ানমারের শান্তির প্রতীক অং সান সু চি’র নীরবতা লুইনকে কষ্ট দেয়৷ সু চি’র ক্ষমতার সীমাবদ্ধতা সম্পর্কেও তিনি সচেতন৷ তা সত্ত্বেও একটি দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে যেটুকু ক্ষমতা সু চি’র প্রয়োগের সুযোগ রয়েছে তাও তিনি রোহিঙ্গাদের বাঁচাতে করছেন না বলে মনে করেন লুইন৷

রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর অভিযান আন্তর্জাতিক সমাজের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে৷ জার্মানিসহ নানা দেশে এই ঘটনার প্রতিবাদ হচ্ছে দেখে সন্তুষ্ট লুইন৷ তিনি মনে করেন, শুধুমাত্র আন্তর্জাতিক স্তর থেকে চাপ দেয়ার মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে পুনর্বাসন সম্ভব হতে পারে৷ তাদের মিয়ানমারের নাগরিকত্ব না দেয়া পর্যন্ত এই সংকটের সমাধান হবে না বলে মনে করেন নির্বাসিত এই ব্লগার৷ প্রশ্ন হচ্ছে, মিয়ানমার সরকার আদৌ কি তা করবে?