ঢাকা ০৭:৫১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ৩১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এসএসসি জানুয়ারিতে এইচএসসি এপ্রিলে করার পক্ষে মত গুলি করে ১৯ লাখ টাকা ছিনতাই: ‎জামায়াত এমপির ভাগ্নে কারাগারে এক মাস বয়সি শিশুকে টিকার পরিবর্তে দেওয়া হলো জলাতঙ্কের ভ্যাকসিন এক চোখের দৃষ্টি হারিয়েছেন ইমরান খান পারমাণবিক সুরক্ষা শুধু প্রযুক্তিগত বিষয় নয়, এটি রাষ্ট্রীয় দায়িত্বের সঙ্গে সম্পৃক্ত: প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা সংকট কাটলে টিকার বিষয়ে তদন্তের সিদ্ধান্ত নেবে মন্ত্রণালয়: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ফিলিপাইনের সিনেটে গোলাগুলি, সিনেটরকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা প্রতিবন্ধীদের অধিকার সুরক্ষা ও সেবা নিশ্চিতের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তিতে চীনকে গ্যারান্টর হিসেবে চায় ইরান চীনে পৌঁছেছেন ট্রাম্প, স্বাগত জানালেন ভাইস প্রেসিডেন্ট

রাতের আঁধারে বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে বিকৃতি

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

একুশ শতকের বাংলাদেশকে ডিজিটাল বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তুলতে ও ডিজিটাল শিক্ষাব্যবস্থার দিকে জোর দিতে ২০১৬ সালের ২৬ জুলাই জাতীয় সংসদে গাজীপুরের কালিয়াকৈরে বঙ্গবন্ধু হাইটেক পার্ক সংলগ্ন এলাকায় ৫০ একর জায়গাজুড়ে একটি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের লক্ষ্যে আইন প্রণয়ন করা হয়। পুরোদমে যার কার্যক্রম শুরু হয় ১২ জুন ২০১৮ সাল থেকে। দেশে সব রেকর্ড ভেঙে গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলায় ৫০ একর জমির ওপর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটি স্থাপন প্রকল্প চালু হয়। যার নির্মাণ ব্যয় প্রায় ১০ হাজার ১০০ কোটি টাকা। তবে ১০ হাজার কোটির এই বিশ্ববিদ্যালয়ের নামেই ঘটছে বিকৃতি।

সরেজমিনে দেখা যায়, পুরাতন ঢাকা-টাঙ্গাইল সড়কের কালিয়াকৈর উপজেলার মাকিসবাথান এলাকায় ২০১৮ সাল থেকে একটি বেসরকারি ভবনে প্রশাসনিক কার্যক্রম চালু করে বিডিইউ। যেখানে ভবনের মূল ফটকে আলোকসজ্জায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামকরণ করা হয়েছে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয়’। তবে সন্ধ্যার পর প্রশাসনিক ভবনের মূল ফটকে তাকালেই চোখে পড়ছে ‘বঙ্গবন্ধু ন ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয়’ নামে এই গোলযোগ লক্ষ্য করা যাচ্ছে দীর্ঘদিন ধরে। ফলে বঙ্গবন্ধুর নামে তৈরি ১০ হাজার কোটি টাকার বিশ্ববিদ্যালয়ের নামটিতে একদিকে যেমন বিকৃতি ঘটছে। অন্যদিকে অনেকটাই দৃষ্টিকুটু। সচেতন মহলের দাবি, সংশ্লিষ্টদের উদাসীনতায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে এমন বিকৃতি ঘটছে।

এ ব্যাপারে বিডিইউর প্রশাসনিক কর্মকর্তা রুমানুর ইসলামের সাথে মুঠোফোনে আলাপকালে তিনি জানান, এ বিষয়টি আমি দেখি না। তবে এটি দুঃখজনক। আমি সংশ্লিষ্টদের জানাচ্ছি যাতে দ্রুত সমাধান করা হয়।

তবে বিডিইউ’র ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার কাজী আব্দুল্লাহ আল ফরহাদ জানান, দিনের বেলায় লেখাটি দেখা গেলেও রাতে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে লেখাটি অন্ধকার হয়ে থাকে। বাংলাদেশে এমন অনেক প্রতিষ্ঠানেই এরকম আছে। তবে বঙ্গবন্ধুর নামটি আসলেই একটি আবেগের জায়গা। বিষয়টি দ্রুত সমাধান করা হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এসএসসি জানুয়ারিতে এইচএসসি এপ্রিলে করার পক্ষে মত

রাতের আঁধারে বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে বিকৃতি

আপডেট সময় ১১:৪৫:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

একুশ শতকের বাংলাদেশকে ডিজিটাল বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তুলতে ও ডিজিটাল শিক্ষাব্যবস্থার দিকে জোর দিতে ২০১৬ সালের ২৬ জুলাই জাতীয় সংসদে গাজীপুরের কালিয়াকৈরে বঙ্গবন্ধু হাইটেক পার্ক সংলগ্ন এলাকায় ৫০ একর জায়গাজুড়ে একটি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের লক্ষ্যে আইন প্রণয়ন করা হয়। পুরোদমে যার কার্যক্রম শুরু হয় ১২ জুন ২০১৮ সাল থেকে। দেশে সব রেকর্ড ভেঙে গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলায় ৫০ একর জমির ওপর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটি স্থাপন প্রকল্প চালু হয়। যার নির্মাণ ব্যয় প্রায় ১০ হাজার ১০০ কোটি টাকা। তবে ১০ হাজার কোটির এই বিশ্ববিদ্যালয়ের নামেই ঘটছে বিকৃতি।

সরেজমিনে দেখা যায়, পুরাতন ঢাকা-টাঙ্গাইল সড়কের কালিয়াকৈর উপজেলার মাকিসবাথান এলাকায় ২০১৮ সাল থেকে একটি বেসরকারি ভবনে প্রশাসনিক কার্যক্রম চালু করে বিডিইউ। যেখানে ভবনের মূল ফটকে আলোকসজ্জায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামকরণ করা হয়েছে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয়’। তবে সন্ধ্যার পর প্রশাসনিক ভবনের মূল ফটকে তাকালেই চোখে পড়ছে ‘বঙ্গবন্ধু ন ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয়’ নামে এই গোলযোগ লক্ষ্য করা যাচ্ছে দীর্ঘদিন ধরে। ফলে বঙ্গবন্ধুর নামে তৈরি ১০ হাজার কোটি টাকার বিশ্ববিদ্যালয়ের নামটিতে একদিকে যেমন বিকৃতি ঘটছে। অন্যদিকে অনেকটাই দৃষ্টিকুটু। সচেতন মহলের দাবি, সংশ্লিষ্টদের উদাসীনতায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে এমন বিকৃতি ঘটছে।

এ ব্যাপারে বিডিইউর প্রশাসনিক কর্মকর্তা রুমানুর ইসলামের সাথে মুঠোফোনে আলাপকালে তিনি জানান, এ বিষয়টি আমি দেখি না। তবে এটি দুঃখজনক। আমি সংশ্লিষ্টদের জানাচ্ছি যাতে দ্রুত সমাধান করা হয়।

তবে বিডিইউ’র ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার কাজী আব্দুল্লাহ আল ফরহাদ জানান, দিনের বেলায় লেখাটি দেখা গেলেও রাতে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে লেখাটি অন্ধকার হয়ে থাকে। বাংলাদেশে এমন অনেক প্রতিষ্ঠানেই এরকম আছে। তবে বঙ্গবন্ধুর নামটি আসলেই একটি আবেগের জায়গা। বিষয়টি দ্রুত সমাধান করা হবে।