ঢাকা ১২:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সম্প্রীতি বজায় রেখে নেতাদের রাজনীতি করার আহ্বান ডেপুটি স্পিকারের টাকা ছাপিয়ে ঋণ নয়, প্রাইভেট সেক্টরকে রক্ষা করাই নীতি: অর্থমন্ত্রী ২-৩ বছরের মধ্যে শিক্ষার নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়ন সম্ভব : গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী হকারদের পুনর্বাসনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ‘ফেলুদা’খ্যাত অভিনেতা বিপ্লব মারা গেছেন আচরণবিধি লঙ্ঘনে শাস্তি পেলেন নাহিদা-শারমিন পৃষ্ঠপোষকতার অর্থনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে কাজ করছে সরকার : অর্থমন্ত্রী কুমিল্লায় মহাসড়কের পাশে মিলল কাস্টমস কর্মকর্তার রক্তাক্ত মরদেহ অর্থনীতি মজবুত করতে প্রাণিসম্পদ খাত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ : প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী হাজার চেষ্টা করলেও আ.লীগ হতে পারবেন না: বিএনপিকে জামায়াত আমির

রোহিঙ্গা ইস্যুতে টেকনাফ স্থলবন্দরে মাসিক লক্ষ্যমাত্রায় ধস

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মিয়ানমারে সহিংসতার পর থেকে টেকনাফ স্থলবন্দরে রাজস্ব আয়ে সেপ্টেম্বর মাসে লক্ষ্যমাত্রায় ধস নেমেছে। গত সেপ্টেম্বর মাসে ৮৮৬ কোটি ৮২ লাখ টাকা রাজস্বের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও ১ কোটি ১৫ লাখ টাকা রাজস্ব কম আদায় হয়েছে। তবে মিয়ানমার থেকে পণ্য আমদানি কম হওয়ায় রাজস্ব আদায়ও কম হয়েছে বলে জানা গেছে।

কাষ্টসম সূত্রে জানা যায়, ২০১৭-২০১৮ অর্থ বছরের সেপ্টেম্বর মাসে ১৪১টি বিল অব এন্ট্রির মাধ্যমে ৫ কোটি ৬৭ লাখ ১৬১ টাকার রাজস্ব আদায় হয়েছে। ফলে মিয়ানমার থেকে ২৮ কোটি ৪৭ লাখ ২২ হাজার ৬৬২ টাকার পন্য আমদানি হয়েছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) কর্তৃক এই বন্দরে ৬ কোটি ৮২ লাখ টাকা মাসিক লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়।

মাসিক লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১ কোটি ১৪ লাখ ৯৯ হাজার ৮৩৯ টাকা কম আদায় হয়েছে। অপরদিকে ১৬টি বিল অব এক্সপোর্টের মাধ্যমে মিয়ানমারে ৩৭ লাখ ৯১ হাজার ৮৯২ টাকার পন্য রপ্তানি করা হয়েছে। গত ২৫ আগষ্ট মিয়ানমারে সহিংসতার কারণে বাংলাদেশ-মিয়ানমারের সীমান্ত বাণিজ্যের আমদানি-রপ্তানিতে ধস দেখা দেয়। এর ফলে সীমান্ত বাণিজ্যে মন্দা বিরাজ করে।

দু’দেশের সীমান্ত বাণিজ্য টেকনাফ-মংডু এলাকা দিয়ে পরিচালিত হয়। সেদেশে সমস্যার কারণে বাণিজ্য অনেকটা বন্ধ থাকে। এই সহিংসতায় মংডু থেকে বাণিজ্যিক পণ্য নিয়ে ট্রলারে আসা ৪৪ মিয়ানমার নাগরিক এখনও যেতে না পেরে আটকা রয়েছে। এদিকে চলতি অর্থবছরের গত জুলাই মাসে ৮ কোটি ৮৪ লাখ ৪৮ হাজার টাকা এবং একইভাবে আগস্ট মাসে ১০ কোটি ৭ লাখ ৬২ হাজার টাকা রাজস্ব আদায় হয়েছে। এই দুইমাসে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২ কোটি ৭৯ লাখ টাকা বেশি রাজস্ব আদায় হয়।

কিন্তু রাখাইন রাজ্যে সহিংসতার পর থেকেই সীমান্ত বাণিজ্যের আমদানি রপ্তানিতে ধস নামে। পরে কিছুদিন পর অল্প কিছু চাল, আচার ও আদা আমদানি হয়েছে। তবে সেপ্টেম্বর মাসের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করা দুরহ ব্যাপার হয়ে দাড়ায়। টেকনাফ স্থল বন্দর শুল্ক কর্মকর্তা এ এস এম মোশাররফ হোসেন বলেন, মিয়ানমারে সমস্যার কারণে বাণিজ্যে ধস নেমে আসে। যার ফলে রাজস্ব আদায়ে লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করা সম্ভব হয়নি। সেদেশে অবস্থা ভাল হলে রাজস্ব আগের অবস্থায় ফিরে আসবে বলে তিনি জানান।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

রোহিঙ্গা ইস্যুতে টেকনাফ স্থলবন্দরে মাসিক লক্ষ্যমাত্রায় ধস

আপডেট সময় ১১:৪৭:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মিয়ানমারে সহিংসতার পর থেকে টেকনাফ স্থলবন্দরে রাজস্ব আয়ে সেপ্টেম্বর মাসে লক্ষ্যমাত্রায় ধস নেমেছে। গত সেপ্টেম্বর মাসে ৮৮৬ কোটি ৮২ লাখ টাকা রাজস্বের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও ১ কোটি ১৫ লাখ টাকা রাজস্ব কম আদায় হয়েছে। তবে মিয়ানমার থেকে পণ্য আমদানি কম হওয়ায় রাজস্ব আদায়ও কম হয়েছে বলে জানা গেছে।

কাষ্টসম সূত্রে জানা যায়, ২০১৭-২০১৮ অর্থ বছরের সেপ্টেম্বর মাসে ১৪১টি বিল অব এন্ট্রির মাধ্যমে ৫ কোটি ৬৭ লাখ ১৬১ টাকার রাজস্ব আদায় হয়েছে। ফলে মিয়ানমার থেকে ২৮ কোটি ৪৭ লাখ ২২ হাজার ৬৬২ টাকার পন্য আমদানি হয়েছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) কর্তৃক এই বন্দরে ৬ কোটি ৮২ লাখ টাকা মাসিক লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়।

মাসিক লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১ কোটি ১৪ লাখ ৯৯ হাজার ৮৩৯ টাকা কম আদায় হয়েছে। অপরদিকে ১৬টি বিল অব এক্সপোর্টের মাধ্যমে মিয়ানমারে ৩৭ লাখ ৯১ হাজার ৮৯২ টাকার পন্য রপ্তানি করা হয়েছে। গত ২৫ আগষ্ট মিয়ানমারে সহিংসতার কারণে বাংলাদেশ-মিয়ানমারের সীমান্ত বাণিজ্যের আমদানি-রপ্তানিতে ধস দেখা দেয়। এর ফলে সীমান্ত বাণিজ্যে মন্দা বিরাজ করে।

দু’দেশের সীমান্ত বাণিজ্য টেকনাফ-মংডু এলাকা দিয়ে পরিচালিত হয়। সেদেশে সমস্যার কারণে বাণিজ্য অনেকটা বন্ধ থাকে। এই সহিংসতায় মংডু থেকে বাণিজ্যিক পণ্য নিয়ে ট্রলারে আসা ৪৪ মিয়ানমার নাগরিক এখনও যেতে না পেরে আটকা রয়েছে। এদিকে চলতি অর্থবছরের গত জুলাই মাসে ৮ কোটি ৮৪ লাখ ৪৮ হাজার টাকা এবং একইভাবে আগস্ট মাসে ১০ কোটি ৭ লাখ ৬২ হাজার টাকা রাজস্ব আদায় হয়েছে। এই দুইমাসে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২ কোটি ৭৯ লাখ টাকা বেশি রাজস্ব আদায় হয়।

কিন্তু রাখাইন রাজ্যে সহিংসতার পর থেকেই সীমান্ত বাণিজ্যের আমদানি রপ্তানিতে ধস নামে। পরে কিছুদিন পর অল্প কিছু চাল, আচার ও আদা আমদানি হয়েছে। তবে সেপ্টেম্বর মাসের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করা দুরহ ব্যাপার হয়ে দাড়ায়। টেকনাফ স্থল বন্দর শুল্ক কর্মকর্তা এ এস এম মোশাররফ হোসেন বলেন, মিয়ানমারে সমস্যার কারণে বাণিজ্যে ধস নেমে আসে। যার ফলে রাজস্ব আদায়ে লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করা সম্ভব হয়নি। সেদেশে অবস্থা ভাল হলে রাজস্ব আগের অবস্থায় ফিরে আসবে বলে তিনি জানান।