ঢাকা ১০:১০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

রোহিঙ্গা ইস্যুতে টেকনাফ স্থলবন্দরে মাসিক লক্ষ্যমাত্রায় ধস

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মিয়ানমারে সহিংসতার পর থেকে টেকনাফ স্থলবন্দরে রাজস্ব আয়ে সেপ্টেম্বর মাসে লক্ষ্যমাত্রায় ধস নেমেছে। গত সেপ্টেম্বর মাসে ৮৮৬ কোটি ৮২ লাখ টাকা রাজস্বের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও ১ কোটি ১৫ লাখ টাকা রাজস্ব কম আদায় হয়েছে। তবে মিয়ানমার থেকে পণ্য আমদানি কম হওয়ায় রাজস্ব আদায়ও কম হয়েছে বলে জানা গেছে।

কাষ্টসম সূত্রে জানা যায়, ২০১৭-২০১৮ অর্থ বছরের সেপ্টেম্বর মাসে ১৪১টি বিল অব এন্ট্রির মাধ্যমে ৫ কোটি ৬৭ লাখ ১৬১ টাকার রাজস্ব আদায় হয়েছে। ফলে মিয়ানমার থেকে ২৮ কোটি ৪৭ লাখ ২২ হাজার ৬৬২ টাকার পন্য আমদানি হয়েছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) কর্তৃক এই বন্দরে ৬ কোটি ৮২ লাখ টাকা মাসিক লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়।

মাসিক লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১ কোটি ১৪ লাখ ৯৯ হাজার ৮৩৯ টাকা কম আদায় হয়েছে। অপরদিকে ১৬টি বিল অব এক্সপোর্টের মাধ্যমে মিয়ানমারে ৩৭ লাখ ৯১ হাজার ৮৯২ টাকার পন্য রপ্তানি করা হয়েছে। গত ২৫ আগষ্ট মিয়ানমারে সহিংসতার কারণে বাংলাদেশ-মিয়ানমারের সীমান্ত বাণিজ্যের আমদানি-রপ্তানিতে ধস দেখা দেয়। এর ফলে সীমান্ত বাণিজ্যে মন্দা বিরাজ করে।

দু’দেশের সীমান্ত বাণিজ্য টেকনাফ-মংডু এলাকা দিয়ে পরিচালিত হয়। সেদেশে সমস্যার কারণে বাণিজ্য অনেকটা বন্ধ থাকে। এই সহিংসতায় মংডু থেকে বাণিজ্যিক পণ্য নিয়ে ট্রলারে আসা ৪৪ মিয়ানমার নাগরিক এখনও যেতে না পেরে আটকা রয়েছে। এদিকে চলতি অর্থবছরের গত জুলাই মাসে ৮ কোটি ৮৪ লাখ ৪৮ হাজার টাকা এবং একইভাবে আগস্ট মাসে ১০ কোটি ৭ লাখ ৬২ হাজার টাকা রাজস্ব আদায় হয়েছে। এই দুইমাসে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২ কোটি ৭৯ লাখ টাকা বেশি রাজস্ব আদায় হয়।

কিন্তু রাখাইন রাজ্যে সহিংসতার পর থেকেই সীমান্ত বাণিজ্যের আমদানি রপ্তানিতে ধস নামে। পরে কিছুদিন পর অল্প কিছু চাল, আচার ও আদা আমদানি হয়েছে। তবে সেপ্টেম্বর মাসের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করা দুরহ ব্যাপার হয়ে দাড়ায়। টেকনাফ স্থল বন্দর শুল্ক কর্মকর্তা এ এস এম মোশাররফ হোসেন বলেন, মিয়ানমারে সমস্যার কারণে বাণিজ্যে ধস নেমে আসে। যার ফলে রাজস্ব আদায়ে লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করা সম্ভব হয়নি। সেদেশে অবস্থা ভাল হলে রাজস্ব আগের অবস্থায় ফিরে আসবে বলে তিনি জানান।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রোহিঙ্গা ইস্যুতে টেকনাফ স্থলবন্দরে মাসিক লক্ষ্যমাত্রায় ধস

আপডেট সময় ১১:৪৭:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মিয়ানমারে সহিংসতার পর থেকে টেকনাফ স্থলবন্দরে রাজস্ব আয়ে সেপ্টেম্বর মাসে লক্ষ্যমাত্রায় ধস নেমেছে। গত সেপ্টেম্বর মাসে ৮৮৬ কোটি ৮২ লাখ টাকা রাজস্বের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও ১ কোটি ১৫ লাখ টাকা রাজস্ব কম আদায় হয়েছে। তবে মিয়ানমার থেকে পণ্য আমদানি কম হওয়ায় রাজস্ব আদায়ও কম হয়েছে বলে জানা গেছে।

কাষ্টসম সূত্রে জানা যায়, ২০১৭-২০১৮ অর্থ বছরের সেপ্টেম্বর মাসে ১৪১টি বিল অব এন্ট্রির মাধ্যমে ৫ কোটি ৬৭ লাখ ১৬১ টাকার রাজস্ব আদায় হয়েছে। ফলে মিয়ানমার থেকে ২৮ কোটি ৪৭ লাখ ২২ হাজার ৬৬২ টাকার পন্য আমদানি হয়েছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) কর্তৃক এই বন্দরে ৬ কোটি ৮২ লাখ টাকা মাসিক লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়।

মাসিক লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১ কোটি ১৪ লাখ ৯৯ হাজার ৮৩৯ টাকা কম আদায় হয়েছে। অপরদিকে ১৬টি বিল অব এক্সপোর্টের মাধ্যমে মিয়ানমারে ৩৭ লাখ ৯১ হাজার ৮৯২ টাকার পন্য রপ্তানি করা হয়েছে। গত ২৫ আগষ্ট মিয়ানমারে সহিংসতার কারণে বাংলাদেশ-মিয়ানমারের সীমান্ত বাণিজ্যের আমদানি-রপ্তানিতে ধস দেখা দেয়। এর ফলে সীমান্ত বাণিজ্যে মন্দা বিরাজ করে।

দু’দেশের সীমান্ত বাণিজ্য টেকনাফ-মংডু এলাকা দিয়ে পরিচালিত হয়। সেদেশে সমস্যার কারণে বাণিজ্য অনেকটা বন্ধ থাকে। এই সহিংসতায় মংডু থেকে বাণিজ্যিক পণ্য নিয়ে ট্রলারে আসা ৪৪ মিয়ানমার নাগরিক এখনও যেতে না পেরে আটকা রয়েছে। এদিকে চলতি অর্থবছরের গত জুলাই মাসে ৮ কোটি ৮৪ লাখ ৪৮ হাজার টাকা এবং একইভাবে আগস্ট মাসে ১০ কোটি ৭ লাখ ৬২ হাজার টাকা রাজস্ব আদায় হয়েছে। এই দুইমাসে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২ কোটি ৭৯ লাখ টাকা বেশি রাজস্ব আদায় হয়।

কিন্তু রাখাইন রাজ্যে সহিংসতার পর থেকেই সীমান্ত বাণিজ্যের আমদানি রপ্তানিতে ধস নামে। পরে কিছুদিন পর অল্প কিছু চাল, আচার ও আদা আমদানি হয়েছে। তবে সেপ্টেম্বর মাসের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করা দুরহ ব্যাপার হয়ে দাড়ায়। টেকনাফ স্থল বন্দর শুল্ক কর্মকর্তা এ এস এম মোশাররফ হোসেন বলেন, মিয়ানমারে সমস্যার কারণে বাণিজ্যে ধস নেমে আসে। যার ফলে রাজস্ব আদায়ে লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করা সম্ভব হয়নি। সেদেশে অবস্থা ভাল হলে রাজস্ব আগের অবস্থায় ফিরে আসবে বলে তিনি জানান।