ঢাকা ০৪:০৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

রোহিঙ্গা ইস্যুতে টেকনাফ স্থলবন্দরে মাসিক লক্ষ্যমাত্রায় ধস

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মিয়ানমারে সহিংসতার পর থেকে টেকনাফ স্থলবন্দরে রাজস্ব আয়ে সেপ্টেম্বর মাসে লক্ষ্যমাত্রায় ধস নেমেছে। গত সেপ্টেম্বর মাসে ৮৮৬ কোটি ৮২ লাখ টাকা রাজস্বের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও ১ কোটি ১৫ লাখ টাকা রাজস্ব কম আদায় হয়েছে। তবে মিয়ানমার থেকে পণ্য আমদানি কম হওয়ায় রাজস্ব আদায়ও কম হয়েছে বলে জানা গেছে।

কাষ্টসম সূত্রে জানা যায়, ২০১৭-২০১৮ অর্থ বছরের সেপ্টেম্বর মাসে ১৪১টি বিল অব এন্ট্রির মাধ্যমে ৫ কোটি ৬৭ লাখ ১৬১ টাকার রাজস্ব আদায় হয়েছে। ফলে মিয়ানমার থেকে ২৮ কোটি ৪৭ লাখ ২২ হাজার ৬৬২ টাকার পন্য আমদানি হয়েছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) কর্তৃক এই বন্দরে ৬ কোটি ৮২ লাখ টাকা মাসিক লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়।

মাসিক লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১ কোটি ১৪ লাখ ৯৯ হাজার ৮৩৯ টাকা কম আদায় হয়েছে। অপরদিকে ১৬টি বিল অব এক্সপোর্টের মাধ্যমে মিয়ানমারে ৩৭ লাখ ৯১ হাজার ৮৯২ টাকার পন্য রপ্তানি করা হয়েছে। গত ২৫ আগষ্ট মিয়ানমারে সহিংসতার কারণে বাংলাদেশ-মিয়ানমারের সীমান্ত বাণিজ্যের আমদানি-রপ্তানিতে ধস দেখা দেয়। এর ফলে সীমান্ত বাণিজ্যে মন্দা বিরাজ করে।

দু’দেশের সীমান্ত বাণিজ্য টেকনাফ-মংডু এলাকা দিয়ে পরিচালিত হয়। সেদেশে সমস্যার কারণে বাণিজ্য অনেকটা বন্ধ থাকে। এই সহিংসতায় মংডু থেকে বাণিজ্যিক পণ্য নিয়ে ট্রলারে আসা ৪৪ মিয়ানমার নাগরিক এখনও যেতে না পেরে আটকা রয়েছে। এদিকে চলতি অর্থবছরের গত জুলাই মাসে ৮ কোটি ৮৪ লাখ ৪৮ হাজার টাকা এবং একইভাবে আগস্ট মাসে ১০ কোটি ৭ লাখ ৬২ হাজার টাকা রাজস্ব আদায় হয়েছে। এই দুইমাসে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২ কোটি ৭৯ লাখ টাকা বেশি রাজস্ব আদায় হয়।

কিন্তু রাখাইন রাজ্যে সহিংসতার পর থেকেই সীমান্ত বাণিজ্যের আমদানি রপ্তানিতে ধস নামে। পরে কিছুদিন পর অল্প কিছু চাল, আচার ও আদা আমদানি হয়েছে। তবে সেপ্টেম্বর মাসের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করা দুরহ ব্যাপার হয়ে দাড়ায়। টেকনাফ স্থল বন্দর শুল্ক কর্মকর্তা এ এস এম মোশাররফ হোসেন বলেন, মিয়ানমারে সমস্যার কারণে বাণিজ্যে ধস নেমে আসে। যার ফলে রাজস্ব আদায়ে লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করা সম্ভব হয়নি। সেদেশে অবস্থা ভাল হলে রাজস্ব আগের অবস্থায় ফিরে আসবে বলে তিনি জানান।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

রোহিঙ্গা ইস্যুতে টেকনাফ স্থলবন্দরে মাসিক লক্ষ্যমাত্রায় ধস

আপডেট সময় ১১:৪৭:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মিয়ানমারে সহিংসতার পর থেকে টেকনাফ স্থলবন্দরে রাজস্ব আয়ে সেপ্টেম্বর মাসে লক্ষ্যমাত্রায় ধস নেমেছে। গত সেপ্টেম্বর মাসে ৮৮৬ কোটি ৮২ লাখ টাকা রাজস্বের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও ১ কোটি ১৫ লাখ টাকা রাজস্ব কম আদায় হয়েছে। তবে মিয়ানমার থেকে পণ্য আমদানি কম হওয়ায় রাজস্ব আদায়ও কম হয়েছে বলে জানা গেছে।

কাষ্টসম সূত্রে জানা যায়, ২০১৭-২০১৮ অর্থ বছরের সেপ্টেম্বর মাসে ১৪১টি বিল অব এন্ট্রির মাধ্যমে ৫ কোটি ৬৭ লাখ ১৬১ টাকার রাজস্ব আদায় হয়েছে। ফলে মিয়ানমার থেকে ২৮ কোটি ৪৭ লাখ ২২ হাজার ৬৬২ টাকার পন্য আমদানি হয়েছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) কর্তৃক এই বন্দরে ৬ কোটি ৮২ লাখ টাকা মাসিক লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়।

মাসিক লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১ কোটি ১৪ লাখ ৯৯ হাজার ৮৩৯ টাকা কম আদায় হয়েছে। অপরদিকে ১৬টি বিল অব এক্সপোর্টের মাধ্যমে মিয়ানমারে ৩৭ লাখ ৯১ হাজার ৮৯২ টাকার পন্য রপ্তানি করা হয়েছে। গত ২৫ আগষ্ট মিয়ানমারে সহিংসতার কারণে বাংলাদেশ-মিয়ানমারের সীমান্ত বাণিজ্যের আমদানি-রপ্তানিতে ধস দেখা দেয়। এর ফলে সীমান্ত বাণিজ্যে মন্দা বিরাজ করে।

দু’দেশের সীমান্ত বাণিজ্য টেকনাফ-মংডু এলাকা দিয়ে পরিচালিত হয়। সেদেশে সমস্যার কারণে বাণিজ্য অনেকটা বন্ধ থাকে। এই সহিংসতায় মংডু থেকে বাণিজ্যিক পণ্য নিয়ে ট্রলারে আসা ৪৪ মিয়ানমার নাগরিক এখনও যেতে না পেরে আটকা রয়েছে। এদিকে চলতি অর্থবছরের গত জুলাই মাসে ৮ কোটি ৮৪ লাখ ৪৮ হাজার টাকা এবং একইভাবে আগস্ট মাসে ১০ কোটি ৭ লাখ ৬২ হাজার টাকা রাজস্ব আদায় হয়েছে। এই দুইমাসে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২ কোটি ৭৯ লাখ টাকা বেশি রাজস্ব আদায় হয়।

কিন্তু রাখাইন রাজ্যে সহিংসতার পর থেকেই সীমান্ত বাণিজ্যের আমদানি রপ্তানিতে ধস নামে। পরে কিছুদিন পর অল্প কিছু চাল, আচার ও আদা আমদানি হয়েছে। তবে সেপ্টেম্বর মাসের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করা দুরহ ব্যাপার হয়ে দাড়ায়। টেকনাফ স্থল বন্দর শুল্ক কর্মকর্তা এ এস এম মোশাররফ হোসেন বলেন, মিয়ানমারে সমস্যার কারণে বাণিজ্যে ধস নেমে আসে। যার ফলে রাজস্ব আদায়ে লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করা সম্ভব হয়নি। সেদেশে অবস্থা ভাল হলে রাজস্ব আগের অবস্থায় ফিরে আসবে বলে তিনি জানান।