ঢাকা ০৮:৪৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ছুটি না নিয়ে ৬ মাস অনুপস্থিত প্রধান শিক্ষিকা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

মাদারীপুরের ডাসারে ছুটি না নিয়ে ৬ মাস ধরে বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকার অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষিকার বিরুদ্ধে।

অভিযোগ রয়েছে, উপজেলার ১৪৫নং পশ্চিম শশিকর ওয়াপদারপাড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা তমা রায় প্রায় অর্ধবছর ধরে বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত রয়েছেন।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ওই শিক্ষিকা বিদ্যালয়ে যোগ দেন ২০২০ সালের ১৬ মার্চ। কিন্তু এ বছরের ২৩ মার্চ থেকে তিনি অনুপস্থিত রয়েছেন। এতে করে একদিকে বিদ্যালয়টি শিক্ষক সংকটে ভুগছে অন্যদিকে ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষা কার্যক্রম।

বিদ্যালয় সূত্রে আরও জানা গেছে, বিদ্যালয়টিতে মোট পাঁচজন শিক্ষকের পদ রয়েছে। প্রধান শিক্ষিকা অনুপস্থিত, সহকারী এক শিক্ষিকা চিকিৎসা জনিত কারণে ছুটিতে রয়েছেন। বর্তমানে বিদ্যালয়ে তিনজন শিক্ষক কর্মরত রয়েছেন। শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় শতাধিক।

ওই শিক্ষিকার এলাকায় খোঁজ নিয়ে তার পরিবার ও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয়রা বলছে, তিনি ও তার পরিবার সবাই বসবাসের জন্য বাংলাদেশ থেকে ভারতে পাড়ি জমিয়েছেন।

বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সঞ্জয় সরকার বলেন, গত ২৩ মার্চ চিকিৎসার কথা বলে চলে যাওয়ার পর থেকে আমাদের প্রধান শিক্ষক আর স্কুলে আসেননি। তিনি কোনো ছুটির দরখাস্তও করেননি। আমরা তার সঙ্গে যোগাযোগের অনেক চেষ্টা করেছি, কিন্তু তার কোনো খোঁজ পাইনি। তাকে অনেকবার ফোন করাও হয়েছে। কিন্তু তার মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। তিনিও আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন না। এ বিষয়ে ইতিমধ্যে আমরা শিক্ষা অফিসকে জানিয়েছি। তারা আমাদেরকে চিঠি পাঠিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, আমাদের বিদ্যালয় শিক্ষক সংকটে ভুগছে। বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকটের কারণে শিক্ষার্থীর পাঠদান ও অফিসিয়াল কার্যক্রম যথাযথভাবে পালন করতে পারছি না। এ বিষয়ে কতৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, আমরা বিদ্যালয়টিতে বেশ কয়েকবার পরিদর্শন করেছি এবং এ পর্যন্ত তিনটি শোকজ পাঠিয়েছি। এখন আমরা মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছি, যা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে পাঠানো হবে।

এ বিষয়ে ডাসার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শারমীন ইয়াছমীন বলেন, প্রধান শিক্ষিকার অনুপস্থিতির বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

ছুটি না নিয়ে ৬ মাস অনুপস্থিত প্রধান শিক্ষিকা

আপডেট সময় ০১:২৬:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২২

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

মাদারীপুরের ডাসারে ছুটি না নিয়ে ৬ মাস ধরে বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকার অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষিকার বিরুদ্ধে।

অভিযোগ রয়েছে, উপজেলার ১৪৫নং পশ্চিম শশিকর ওয়াপদারপাড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা তমা রায় প্রায় অর্ধবছর ধরে বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত রয়েছেন।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ওই শিক্ষিকা বিদ্যালয়ে যোগ দেন ২০২০ সালের ১৬ মার্চ। কিন্তু এ বছরের ২৩ মার্চ থেকে তিনি অনুপস্থিত রয়েছেন। এতে করে একদিকে বিদ্যালয়টি শিক্ষক সংকটে ভুগছে অন্যদিকে ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষা কার্যক্রম।

বিদ্যালয় সূত্রে আরও জানা গেছে, বিদ্যালয়টিতে মোট পাঁচজন শিক্ষকের পদ রয়েছে। প্রধান শিক্ষিকা অনুপস্থিত, সহকারী এক শিক্ষিকা চিকিৎসা জনিত কারণে ছুটিতে রয়েছেন। বর্তমানে বিদ্যালয়ে তিনজন শিক্ষক কর্মরত রয়েছেন। শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় শতাধিক।

ওই শিক্ষিকার এলাকায় খোঁজ নিয়ে তার পরিবার ও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয়রা বলছে, তিনি ও তার পরিবার সবাই বসবাসের জন্য বাংলাদেশ থেকে ভারতে পাড়ি জমিয়েছেন।

বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সঞ্জয় সরকার বলেন, গত ২৩ মার্চ চিকিৎসার কথা বলে চলে যাওয়ার পর থেকে আমাদের প্রধান শিক্ষক আর স্কুলে আসেননি। তিনি কোনো ছুটির দরখাস্তও করেননি। আমরা তার সঙ্গে যোগাযোগের অনেক চেষ্টা করেছি, কিন্তু তার কোনো খোঁজ পাইনি। তাকে অনেকবার ফোন করাও হয়েছে। কিন্তু তার মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। তিনিও আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন না। এ বিষয়ে ইতিমধ্যে আমরা শিক্ষা অফিসকে জানিয়েছি। তারা আমাদেরকে চিঠি পাঠিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, আমাদের বিদ্যালয় শিক্ষক সংকটে ভুগছে। বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকটের কারণে শিক্ষার্থীর পাঠদান ও অফিসিয়াল কার্যক্রম যথাযথভাবে পালন করতে পারছি না। এ বিষয়ে কতৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, আমরা বিদ্যালয়টিতে বেশ কয়েকবার পরিদর্শন করেছি এবং এ পর্যন্ত তিনটি শোকজ পাঠিয়েছি। এখন আমরা মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছি, যা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে পাঠানো হবে।

এ বিষয়ে ডাসার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শারমীন ইয়াছমীন বলেন, প্রধান শিক্ষিকার অনুপস্থিতির বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।