ঢাকা ০৩:৩০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন আর নেই

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সাবেক উপ প্রধানমন্ত্রী শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন আর নেই। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাই রজিউন।

বুধবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৯টায় গুলশানের নিজ বাসায় তিনি মারা যান। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর।

বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান গণমাধ্যমকে তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন।

শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন ছাত্র জীবন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তিনি ৬ দফা আন্দোলন, ভাষা আন্দোলন ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণসহ তৎকালীন সব রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। ১৯৭৩ সালের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে তৎকালীন ঢাকা-৫ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সরকারের হুইপের দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি খন্দকার মোশতাক আহমেদের মন্ত্রিসভার একজন মন্ত্রী ছিলেন। এরপর তিনি হুসেইন মুহাম্মাদ এরশাদের নেতৃত্বে জাতীয় পার্টিতে যোগদান করেন। কিন্তু তাকে ১৯৯২ সালে দল থেকে বহিষ্কার করে দেওয়া হয়। তারপর তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলে যোগ দেন। তিনি বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছিলেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন আর নেই

আপডেট সময় ১০:৫৫:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২২

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সাবেক উপ প্রধানমন্ত্রী শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন আর নেই। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাই রজিউন।

বুধবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৯টায় গুলশানের নিজ বাসায় তিনি মারা যান। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর।

বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান গণমাধ্যমকে তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন।

শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন ছাত্র জীবন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তিনি ৬ দফা আন্দোলন, ভাষা আন্দোলন ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণসহ তৎকালীন সব রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। ১৯৭৩ সালের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে তৎকালীন ঢাকা-৫ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সরকারের হুইপের দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি খন্দকার মোশতাক আহমেদের মন্ত্রিসভার একজন মন্ত্রী ছিলেন। এরপর তিনি হুসেইন মুহাম্মাদ এরশাদের নেতৃত্বে জাতীয় পার্টিতে যোগদান করেন। কিন্তু তাকে ১৯৯২ সালে দল থেকে বহিষ্কার করে দেওয়া হয়। তারপর তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলে যোগ দেন। তিনি বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছিলেন।