ঢাকা ০৬:১৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট বনশ্রীতে স্কুলছাত্রী খুন,পুলিশের সন্দেহের তালিকায় পলাতক রেস্তোরাঁ কর্মী স্বৈরাচারের লোকেরা নির্বাচন ভণ্ডুলের চেষ্টা করবে: ড. মুহাম্মদ ইউনূস গাজীপুরে নবজাতকের লাশ নিয়ে কুকুরের টানাহ্যাঁচড়া, উদ্ধার করল পুলিশ ধর্মকে পুঁজি করে মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে, ধোঁকা দেওয়া হচ্ছে : খায়রুল কবির খোকন দলে বড় নাম থাকলেও জেতার জন্য সবাইকে আরও দায়িত্ব নিতে হবে: সোহান ২৫ জন বাংলাদেশিকে ক্ষমা করল আমিরাত দেশের ভবিষ্যত গড়ার জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয় নিশ্চিত করতে হবে : চরমোনাই পীর ব্যালটবাক্স ভরে কোনো নির্দিষ্ট প্রতীকের জয়ের সুযোগ নেই: রুমিন ফারহানা এইচএসসি পাসে নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ , রোগী দেখেন দুই জেলায়

ভিক্ষা করে পেট চালাতেন, মৃত্যুর পর জানা গেল অ্যাকাউন্টে আছে ৮৩ লাখ টাকা!

আকাশ নিউজ ডেস্ক: 

সরকারি হাসপাতালে পরিচ্ছন্নকর্মীর কাজ করতেন প্রয়াগরাজের ধীরাজ। কিন্তু গোটা কর্মজীবনে কখনও ব্যাংক থেকে বেতনের কোনও টাকাই তোলেননি তিনি। সম্প্রতি তার মৃত্যুর পর সেই ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে পাওয়া গেল ৭০ লাখ রূপি যা টাকায় প্রায় ৮৩ লাখের বেশি।

ভারতীয় গণমাধ্যম আনন্দবাজারের এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ভিক্ষা করে বেড়াতেন ধীরাজ, সেই অর্থ দিয়েই পেট চালাতেন তিনি।

ধীরাজ তার বাবার মতোই পথেঘাটে ঘুরে বেড়াতেন এবং পথচলতি মানুষজনের কাছে ভিক্ষা চাইতেন। তা দিয়েই নিজের পেট চালিয়ে নিতেন। ধীরাজের বাড়িতে রয়েছেন তার মাও। ৮০ বছরের বৃদ্ধা পেনশন পেতেন নিয়মিত। সেই টাকা দিয়ে সংসার চলত তাদের।

ধীরাজের মৃত্যুর পর তার এক বন্ধুর বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘ধীরাজ কখনও ব্যাংক থেকে টাকা তোলেননি। মায়ের পেনশনের টাকাতেই তাদের সংসার চলত। যদি কখনও ধীরাজের টাকার প্রয়োজন হত, তিনি বন্ধু-বান্ধব কিংবা অপরিচিত লোকজনের কাছ থেকেও টাকা চাইতেন। টাকার জন্যেই ধীরাজ বিয়েও করেননি। তিনি ভাবতেন বিয়ে করলে বৌ এসে সব টাকা শেষ করে দেবেন। এমনকি প্রতি বছর আয়করও দিতেন ধীরাজ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট

ভিক্ষা করে পেট চালাতেন, মৃত্যুর পর জানা গেল অ্যাকাউন্টে আছে ৮৩ লাখ টাকা!

আপডেট সময় ১১:০৯:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২২

আকাশ নিউজ ডেস্ক: 

সরকারি হাসপাতালে পরিচ্ছন্নকর্মীর কাজ করতেন প্রয়াগরাজের ধীরাজ। কিন্তু গোটা কর্মজীবনে কখনও ব্যাংক থেকে বেতনের কোনও টাকাই তোলেননি তিনি। সম্প্রতি তার মৃত্যুর পর সেই ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে পাওয়া গেল ৭০ লাখ রূপি যা টাকায় প্রায় ৮৩ লাখের বেশি।

ভারতীয় গণমাধ্যম আনন্দবাজারের এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ভিক্ষা করে বেড়াতেন ধীরাজ, সেই অর্থ দিয়েই পেট চালাতেন তিনি।

ধীরাজ তার বাবার মতোই পথেঘাটে ঘুরে বেড়াতেন এবং পথচলতি মানুষজনের কাছে ভিক্ষা চাইতেন। তা দিয়েই নিজের পেট চালিয়ে নিতেন। ধীরাজের বাড়িতে রয়েছেন তার মাও। ৮০ বছরের বৃদ্ধা পেনশন পেতেন নিয়মিত। সেই টাকা দিয়ে সংসার চলত তাদের।

ধীরাজের মৃত্যুর পর তার এক বন্ধুর বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘ধীরাজ কখনও ব্যাংক থেকে টাকা তোলেননি। মায়ের পেনশনের টাকাতেই তাদের সংসার চলত। যদি কখনও ধীরাজের টাকার প্রয়োজন হত, তিনি বন্ধু-বান্ধব কিংবা অপরিচিত লোকজনের কাছ থেকেও টাকা চাইতেন। টাকার জন্যেই ধীরাজ বিয়েও করেননি। তিনি ভাবতেন বিয়ে করলে বৌ এসে সব টাকা শেষ করে দেবেন। এমনকি প্রতি বছর আয়করও দিতেন ধীরাজ।