ঢাকা ০৫:০২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৪ মাসেই অন্তর্বর্তী সরকারের ১১৭ অধ্যাদেশ আইনে পরিণত করেছে সরকার: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী বাহাত্তরের সংবিধান থেকেই ফ্যাসিবাদের ভিত্তি তৈরি হয়েছিল: ড. দিলারা চৌধুরী দলীয় পদধারীদের নিয়োগ দিলে গণতন্ত্র অবশিষ্ট থাকে না: আখতার হোসেন তিন সীমান্তে ২২ জনকে পুশইন চেষ্টা নস্যাৎ বিজিবির ভালো কাজ না করলে সমর্থনের প্রয়োজন নেই: সারজিস দেশের প্রথম কমিউনিটিভিত্তিক এগ্রো ট্যুরিজম প্রকল্পে ১০০০ ফাউন্ডারের হাতে জমির দলিল শাহজালাল বিমানবন্দর কার্গো ভিলেজের পাশে আগুন জুলাই সনদে ফাঁকফোকর ছিল: মান্না ১১ দলীয় জোটের সমাবেশ থেকে কর্নেল অলির ‘হুংকার’ তৃণমূল সংগঠনের খোঁজ-খবর ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ভিক্ষা করে পেট চালাতেন, মৃত্যুর পর জানা গেল অ্যাকাউন্টে আছে ৮৩ লাখ টাকা!

আকাশ নিউজ ডেস্ক: 

সরকারি হাসপাতালে পরিচ্ছন্নকর্মীর কাজ করতেন প্রয়াগরাজের ধীরাজ। কিন্তু গোটা কর্মজীবনে কখনও ব্যাংক থেকে বেতনের কোনও টাকাই তোলেননি তিনি। সম্প্রতি তার মৃত্যুর পর সেই ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে পাওয়া গেল ৭০ লাখ রূপি যা টাকায় প্রায় ৮৩ লাখের বেশি।

ভারতীয় গণমাধ্যম আনন্দবাজারের এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ভিক্ষা করে বেড়াতেন ধীরাজ, সেই অর্থ দিয়েই পেট চালাতেন তিনি।

ধীরাজ তার বাবার মতোই পথেঘাটে ঘুরে বেড়াতেন এবং পথচলতি মানুষজনের কাছে ভিক্ষা চাইতেন। তা দিয়েই নিজের পেট চালিয়ে নিতেন। ধীরাজের বাড়িতে রয়েছেন তার মাও। ৮০ বছরের বৃদ্ধা পেনশন পেতেন নিয়মিত। সেই টাকা দিয়ে সংসার চলত তাদের।

ধীরাজের মৃত্যুর পর তার এক বন্ধুর বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘ধীরাজ কখনও ব্যাংক থেকে টাকা তোলেননি। মায়ের পেনশনের টাকাতেই তাদের সংসার চলত। যদি কখনও ধীরাজের টাকার প্রয়োজন হত, তিনি বন্ধু-বান্ধব কিংবা অপরিচিত লোকজনের কাছ থেকেও টাকা চাইতেন। টাকার জন্যেই ধীরাজ বিয়েও করেননি। তিনি ভাবতেন বিয়ে করলে বৌ এসে সব টাকা শেষ করে দেবেন। এমনকি প্রতি বছর আয়করও দিতেন ধীরাজ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৪ মাসেই অন্তর্বর্তী সরকারের ১১৭ অধ্যাদেশ আইনে পরিণত করেছে সরকার: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

ভিক্ষা করে পেট চালাতেন, মৃত্যুর পর জানা গেল অ্যাকাউন্টে আছে ৮৩ লাখ টাকা!

আপডেট সময় ১১:০৯:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২২

আকাশ নিউজ ডেস্ক: 

সরকারি হাসপাতালে পরিচ্ছন্নকর্মীর কাজ করতেন প্রয়াগরাজের ধীরাজ। কিন্তু গোটা কর্মজীবনে কখনও ব্যাংক থেকে বেতনের কোনও টাকাই তোলেননি তিনি। সম্প্রতি তার মৃত্যুর পর সেই ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে পাওয়া গেল ৭০ লাখ রূপি যা টাকায় প্রায় ৮৩ লাখের বেশি।

ভারতীয় গণমাধ্যম আনন্দবাজারের এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ভিক্ষা করে বেড়াতেন ধীরাজ, সেই অর্থ দিয়েই পেট চালাতেন তিনি।

ধীরাজ তার বাবার মতোই পথেঘাটে ঘুরে বেড়াতেন এবং পথচলতি মানুষজনের কাছে ভিক্ষা চাইতেন। তা দিয়েই নিজের পেট চালিয়ে নিতেন। ধীরাজের বাড়িতে রয়েছেন তার মাও। ৮০ বছরের বৃদ্ধা পেনশন পেতেন নিয়মিত। সেই টাকা দিয়ে সংসার চলত তাদের।

ধীরাজের মৃত্যুর পর তার এক বন্ধুর বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘ধীরাজ কখনও ব্যাংক থেকে টাকা তোলেননি। মায়ের পেনশনের টাকাতেই তাদের সংসার চলত। যদি কখনও ধীরাজের টাকার প্রয়োজন হত, তিনি বন্ধু-বান্ধব কিংবা অপরিচিত লোকজনের কাছ থেকেও টাকা চাইতেন। টাকার জন্যেই ধীরাজ বিয়েও করেননি। তিনি ভাবতেন বিয়ে করলে বৌ এসে সব টাকা শেষ করে দেবেন। এমনকি প্রতি বছর আয়করও দিতেন ধীরাজ।