ঢাকা ০৬:০৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সম্প্রীতি বজায় রেখে নেতাদের রাজনীতি করার আহ্বান ডেপুটি স্পিকারের টাকা ছাপিয়ে ঋণ নয়, প্রাইভেট সেক্টরকে রক্ষা করাই নীতি: অর্থমন্ত্রী ২-৩ বছরের মধ্যে শিক্ষার নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়ন সম্ভব : গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী হকারদের পুনর্বাসনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ‘ফেলুদা’খ্যাত অভিনেতা বিপ্লব মারা গেছেন আচরণবিধি লঙ্ঘনে শাস্তি পেলেন নাহিদা-শারমিন পৃষ্ঠপোষকতার অর্থনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে কাজ করছে সরকার : অর্থমন্ত্রী কুমিল্লায় মহাসড়কের পাশে মিলল কাস্টমস কর্মকর্তার রক্তাক্ত মরদেহ অর্থনীতি মজবুত করতে প্রাণিসম্পদ খাত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ : প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী হাজার চেষ্টা করলেও আ.লীগ হতে পারবেন না: বিএনপিকে জামায়াত আমির

ভিক্ষা করে পেট চালাতেন, মৃত্যুর পর জানা গেল অ্যাকাউন্টে আছে ৮৩ লাখ টাকা!

আকাশ নিউজ ডেস্ক: 

সরকারি হাসপাতালে পরিচ্ছন্নকর্মীর কাজ করতেন প্রয়াগরাজের ধীরাজ। কিন্তু গোটা কর্মজীবনে কখনও ব্যাংক থেকে বেতনের কোনও টাকাই তোলেননি তিনি। সম্প্রতি তার মৃত্যুর পর সেই ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে পাওয়া গেল ৭০ লাখ রূপি যা টাকায় প্রায় ৮৩ লাখের বেশি।

ভারতীয় গণমাধ্যম আনন্দবাজারের এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ভিক্ষা করে বেড়াতেন ধীরাজ, সেই অর্থ দিয়েই পেট চালাতেন তিনি।

ধীরাজ তার বাবার মতোই পথেঘাটে ঘুরে বেড়াতেন এবং পথচলতি মানুষজনের কাছে ভিক্ষা চাইতেন। তা দিয়েই নিজের পেট চালিয়ে নিতেন। ধীরাজের বাড়িতে রয়েছেন তার মাও। ৮০ বছরের বৃদ্ধা পেনশন পেতেন নিয়মিত। সেই টাকা দিয়ে সংসার চলত তাদের।

ধীরাজের মৃত্যুর পর তার এক বন্ধুর বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘ধীরাজ কখনও ব্যাংক থেকে টাকা তোলেননি। মায়ের পেনশনের টাকাতেই তাদের সংসার চলত। যদি কখনও ধীরাজের টাকার প্রয়োজন হত, তিনি বন্ধু-বান্ধব কিংবা অপরিচিত লোকজনের কাছ থেকেও টাকা চাইতেন। টাকার জন্যেই ধীরাজ বিয়েও করেননি। তিনি ভাবতেন বিয়ে করলে বৌ এসে সব টাকা শেষ করে দেবেন। এমনকি প্রতি বছর আয়করও দিতেন ধীরাজ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

ভিক্ষা করে পেট চালাতেন, মৃত্যুর পর জানা গেল অ্যাকাউন্টে আছে ৮৩ লাখ টাকা!

আপডেট সময় ১১:০৯:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২২

আকাশ নিউজ ডেস্ক: 

সরকারি হাসপাতালে পরিচ্ছন্নকর্মীর কাজ করতেন প্রয়াগরাজের ধীরাজ। কিন্তু গোটা কর্মজীবনে কখনও ব্যাংক থেকে বেতনের কোনও টাকাই তোলেননি তিনি। সম্প্রতি তার মৃত্যুর পর সেই ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে পাওয়া গেল ৭০ লাখ রূপি যা টাকায় প্রায় ৮৩ লাখের বেশি।

ভারতীয় গণমাধ্যম আনন্দবাজারের এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ভিক্ষা করে বেড়াতেন ধীরাজ, সেই অর্থ দিয়েই পেট চালাতেন তিনি।

ধীরাজ তার বাবার মতোই পথেঘাটে ঘুরে বেড়াতেন এবং পথচলতি মানুষজনের কাছে ভিক্ষা চাইতেন। তা দিয়েই নিজের পেট চালিয়ে নিতেন। ধীরাজের বাড়িতে রয়েছেন তার মাও। ৮০ বছরের বৃদ্ধা পেনশন পেতেন নিয়মিত। সেই টাকা দিয়ে সংসার চলত তাদের।

ধীরাজের মৃত্যুর পর তার এক বন্ধুর বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘ধীরাজ কখনও ব্যাংক থেকে টাকা তোলেননি। মায়ের পেনশনের টাকাতেই তাদের সংসার চলত। যদি কখনও ধীরাজের টাকার প্রয়োজন হত, তিনি বন্ধু-বান্ধব কিংবা অপরিচিত লোকজনের কাছ থেকেও টাকা চাইতেন। টাকার জন্যেই ধীরাজ বিয়েও করেননি। তিনি ভাবতেন বিয়ে করলে বৌ এসে সব টাকা শেষ করে দেবেন। এমনকি প্রতি বছর আয়করও দিতেন ধীরাজ।