ঢাকা ০৭:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিএফটিআই হবে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য গবেষণার জাতীয় থিংক ট্যাংক : বাণিজ্যমন্ত্রী ইতালির স্বপ্ন দেখিয়ে লিবিয়ায় নির্যাতন, মাদারীপুরে প্রতারণার শিকার অর্ধশতাধিক যুবক আবাসিক হোটেলে স্ত্রী হত্যা: স্বামীর যাবজ্জীবন দলের দুঃসময়ের ত্যাগীদের মূল্যায়নের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার শিখিয়ে শিশু-কিশোরদের ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত করতে হবে : ববি হাজ্জাজ প্রবাসী কার্ডধারীদের জন্য বিমান টিকিট ও লাউঞ্জসহ বিশেষ সুবিধা অন্তর্ভুক্ত করা হবে আরও ৪ শিশুর প্রাণ গেল, হাম ও উপসর্গে মোট মৃত্যু ৮০০ ছুঁই ছুঁই মোদি-শাহ’র পদত্যাগ দাবি রাহুল গান্ধীর শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না: সরোয়ার তুষার বিএনপি সরকার হাওয়ায় ভেসে আসেনি: আযম খান

৩ বছরে যুক্তরাষ্ট্রে ১০ বিজ্ঞানী নিহত-নিখোঁজ, রহস্য

আকাশ নিউজ ডেস্ক: 

২০২৩ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্রের পরমাণু, মহাকাশ ও উন্নত গবেষণার সঙ্গে যুক্ত অন্তত ১০ ব্যক্তির নিহত ও নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় দেশটিতে উদ্বেগ বাড়ছে। বিষয়টি হোয়াইট হাউস পর্যন্ত পৌঁছেছে।

এ প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিব ক্যারোলিন লেভিট বলেন, ঘটনাগুলোর মধ্যে কোনো যোগসূত্র আছে কি না, তা এখনো যাচাই করা হয়নি। তিনি জানান, প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট সংস্থার সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি নিয়ে উত্থাপিত প্রশ্নের জবাব নেওয়া হবে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, এসব ঘটনা ঘটেছে ২০২৩ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে। সংশ্লিষ্টরা কাজ করতেন নাসা জেট প্রপালশন ল্যাবরেটরি, লস আলামোস ন্যাশনাল ল্যাবরেটরি এবং বিভিন্ন বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠানে।

উল্লেখযোগ্য ঘটনাগুলোর মধ্যে রয়েছে জেপিএলের (জেট প্রপালশন ল্যাবরেটরি) দীর্ঘদিনের কর্মী মাইকেল ডেভিড হিকসের মৃত্যু। ২০২৩ সালের জুলাইয়ে ৫৯ বছর বয়সে তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুর পরিস্থিতি ছিল অস্পষ্ট।

২০২৫ সালের জুনে মনিকা রেজা পাহাড়ে হাইকিং করতে গিয়ে নিখোঁজ হন। ২০২৪ সালে মারা যান ফ্রাঙ্ক মাইওয়াল্ড। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে নিজের বাসায় খুন অবস্থায় পাওয়া যায় জ্যোতির্পদার্থবিদ কার্ল গ্রিলমেয়ারকে।

সবচেয়ে সাম্প্রতিক ঘটনা অবসরপ্রাপ্ত মার্কিন বিমান বাহিনীর জেনারেল উইলিয়াম নিল ম্যাকক্যাসল্যান্ডকে ঘিরে। ২৭ ফেব্রুয়ারি তাকে নিউ মেক্সিকোর আলবুকার্কের বাসার কাছে শেষবার দেখা যায়। তিনি মোবাইল বা ব্যক্তিগত জিনিসপত্র ছাড়াই বের হয়েছিলেন বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

ঘটনাগুলো নিয়ে সাবেক ও বর্তমান কর্মকর্তারা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। সাবেক কর্মকর্তা ক্রিস সুইকার বলেন, এসব ঘটনাই সন্দেহজনক। কংগ্রেসম্যান টিম বারচেট বলেন, এখানে কাকতালীয় কিছু নেই।

নিহত ও নিখোঁজদের অনেকেই এয়ার ফোর্স রিসার্চ ল্যাবরেটরির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তারা উন্নত প্রযুক্তি ও সংবেদনশীল প্রকল্পে কাজ করতেন। তাদের এমন পরিণতিতে জাতীয় নিরাপত্তা ঝুঁকি বা পরিকল্পিত টার্গেটের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

তবে এখনো পরিষ্কার কোনো সরকারি ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। কংগ্রেস ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো তদন্ত চালাচ্ছে। স্পষ্ট উত্তর না থাকায় রহস্য আরও ঘনীভূত হচ্ছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অবসরের ইঙ্গিত দিলেন মার্তিনেজ?

৩ বছরে যুক্তরাষ্ট্রে ১০ বিজ্ঞানী নিহত-নিখোঁজ, রহস্য

আপডেট সময় ০৭:৫০:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

আকাশ নিউজ ডেস্ক: 

২০২৩ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্রের পরমাণু, মহাকাশ ও উন্নত গবেষণার সঙ্গে যুক্ত অন্তত ১০ ব্যক্তির নিহত ও নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় দেশটিতে উদ্বেগ বাড়ছে। বিষয়টি হোয়াইট হাউস পর্যন্ত পৌঁছেছে।

এ প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিব ক্যারোলিন লেভিট বলেন, ঘটনাগুলোর মধ্যে কোনো যোগসূত্র আছে কি না, তা এখনো যাচাই করা হয়নি। তিনি জানান, প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট সংস্থার সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি নিয়ে উত্থাপিত প্রশ্নের জবাব নেওয়া হবে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, এসব ঘটনা ঘটেছে ২০২৩ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে। সংশ্লিষ্টরা কাজ করতেন নাসা জেট প্রপালশন ল্যাবরেটরি, লস আলামোস ন্যাশনাল ল্যাবরেটরি এবং বিভিন্ন বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠানে।

উল্লেখযোগ্য ঘটনাগুলোর মধ্যে রয়েছে জেপিএলের (জেট প্রপালশন ল্যাবরেটরি) দীর্ঘদিনের কর্মী মাইকেল ডেভিড হিকসের মৃত্যু। ২০২৩ সালের জুলাইয়ে ৫৯ বছর বয়সে তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুর পরিস্থিতি ছিল অস্পষ্ট।

২০২৫ সালের জুনে মনিকা রেজা পাহাড়ে হাইকিং করতে গিয়ে নিখোঁজ হন। ২০২৪ সালে মারা যান ফ্রাঙ্ক মাইওয়াল্ড। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে নিজের বাসায় খুন অবস্থায় পাওয়া যায় জ্যোতির্পদার্থবিদ কার্ল গ্রিলমেয়ারকে।

সবচেয়ে সাম্প্রতিক ঘটনা অবসরপ্রাপ্ত মার্কিন বিমান বাহিনীর জেনারেল উইলিয়াম নিল ম্যাকক্যাসল্যান্ডকে ঘিরে। ২৭ ফেব্রুয়ারি তাকে নিউ মেক্সিকোর আলবুকার্কের বাসার কাছে শেষবার দেখা যায়। তিনি মোবাইল বা ব্যক্তিগত জিনিসপত্র ছাড়াই বের হয়েছিলেন বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

ঘটনাগুলো নিয়ে সাবেক ও বর্তমান কর্মকর্তারা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। সাবেক কর্মকর্তা ক্রিস সুইকার বলেন, এসব ঘটনাই সন্দেহজনক। কংগ্রেসম্যান টিম বারচেট বলেন, এখানে কাকতালীয় কিছু নেই।

নিহত ও নিখোঁজদের অনেকেই এয়ার ফোর্স রিসার্চ ল্যাবরেটরির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তারা উন্নত প্রযুক্তি ও সংবেদনশীল প্রকল্পে কাজ করতেন। তাদের এমন পরিণতিতে জাতীয় নিরাপত্তা ঝুঁকি বা পরিকল্পিত টার্গেটের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

তবে এখনো পরিষ্কার কোনো সরকারি ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। কংগ্রেস ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো তদন্ত চালাচ্ছে। স্পষ্ট উত্তর না থাকায় রহস্য আরও ঘনীভূত হচ্ছে।