ঢাকা ১১:৪৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

‘দৃশ্যটি এতটাই গুরুত্বপূর্ণ ছিল যে আমি বাদ দিতে পারিনি’:কাজল

আকাশ বিনোদন ডেস্ক :

বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী কাজল মানেই একরাশ সজীবতা আর সুপারহিট সব ব্লকবাস্টার সিনেমা। ‘সিমরান’ হোক কিংবা ‘অঞ্জলি’ দশকের পর দশক ধরে পর্দায় তার উপস্থিতি মানেই দর্শকদের উন্মাদনা। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে ‘দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে জায়েঙ্গে’, ‘কুছ কুছ হোতা হ্যায়’ কিংবা ‘কাভি খুশি কাভি গম’ সিনেমার মতো কালজয়ী সিনেমা উপহার দিলেও একটি বিষয়ে অভিনেত্রী ছিলেন আপসহীন। তা হলো— পর্দায় চুম্বন দৃশ্য।

‘দ্য ট্রায়াল: লাভ, কানুন, ধোঁকা’ সিরিজ একটি কোর্টরুম ড্রামা, যেখানে স্বামীর স্ক্যান্ডালের পর একজন নারীর পুনরায় আইনি পেশায় ফিরে আসার সংগ্রাম ফুটে উঠেছে। এ সিরিজটিতে কাজলের স্বামীর চরিত্রে অভিনয় করেন টালিউডের আরেক জনপ্রিয় অভিনেতা যিশু সেনগুপ্ত।

এর দ্বিতীয় সিজনটি ২০২৫ সালে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম জিও হটস্টারে মুক্তি পেয়েছে। তবে ২০২৩ সালে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে পা রাখতেই সেই দীর্ঘদিনের নিয়মের ব্যত্যয় ঘটে। ‘দ্য ট্রায়াল’ সিরিজে সহ-অভিনেতা যিশু সেনগুপ্তের সঙ্গে তার চুম্বন দৃশ্য শোরগোল ফেলে দিয়েছে সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে।

ভক্ত-অনুরাগীদের মনে প্রশ্ন— ক্যারিয়ারের এত বছর পর কেন নিজের নীতি ভাঙলেন এ অভিনেত্রী? সম্প্রতি এক পডকাস্টে কাজল বলেছেন, সত্যি বলতে— এটা চরিত্রের দাবিতেই করা। সিরিজে আমার অভিনীত ‘নয়নিকা সেনগুপ্ত’ যা হতে চায়, যা ভাবে কিংবা যা পায় না, সেই লড়াইয়ের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল ওই মুহূর্তটি। তিনি বলেন, এটা কেবল একটি চুমুর দৃশ্য ছিল না; বরং সে কাকে বিশ্বাস করত আর কাকে বিশ্বাস করতে পারত না— এটি ছিল তার প্রতিফলন।’

চিত্রনাট্যের দাবি উল্লেখ করে অভিনেত্রী বলেন, দৃশ্যটি চিত্রনাট্যের জন্য এতটাই গুরুত্বপূর্ণ ছিল যে, আমি বাদ দিতে পারিনি। ওটা বাদ দিলে চরিত্রটির একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় অপূর্ণ থেকে যেত।

কাজল বলেন, আমার একটু অস্বস্তি হচ্ছিল। সেটে দাঁড়ানোর আগ পর্যন্ত ধারণাটা আমার কাছে অদ্ভুত লাগছিল। নিশ্চিত ছিলাম না যে, আদৌ কাজটা করতে পারব কিনা, নাকি ‘কাট’ বলে বেরিয়ে আসব। তবে শেষ পর্যন্ত সব স্বাভাবিক হয়ে যায়। এটি ছিল সম্পূর্ণ একটি পেশাগত সিদ্ধান্ত বলে জানান এ অভিনেত্রী।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

‘দৃশ্যটি এতটাই গুরুত্বপূর্ণ ছিল যে আমি বাদ দিতে পারিনি’:কাজল

আপডেট সময় ০৫:৫৩:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

আকাশ বিনোদন ডেস্ক :

বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী কাজল মানেই একরাশ সজীবতা আর সুপারহিট সব ব্লকবাস্টার সিনেমা। ‘সিমরান’ হোক কিংবা ‘অঞ্জলি’ দশকের পর দশক ধরে পর্দায় তার উপস্থিতি মানেই দর্শকদের উন্মাদনা। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে ‘দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে জায়েঙ্গে’, ‘কুছ কুছ হোতা হ্যায়’ কিংবা ‘কাভি খুশি কাভি গম’ সিনেমার মতো কালজয়ী সিনেমা উপহার দিলেও একটি বিষয়ে অভিনেত্রী ছিলেন আপসহীন। তা হলো— পর্দায় চুম্বন দৃশ্য।

‘দ্য ট্রায়াল: লাভ, কানুন, ধোঁকা’ সিরিজ একটি কোর্টরুম ড্রামা, যেখানে স্বামীর স্ক্যান্ডালের পর একজন নারীর পুনরায় আইনি পেশায় ফিরে আসার সংগ্রাম ফুটে উঠেছে। এ সিরিজটিতে কাজলের স্বামীর চরিত্রে অভিনয় করেন টালিউডের আরেক জনপ্রিয় অভিনেতা যিশু সেনগুপ্ত।

এর দ্বিতীয় সিজনটি ২০২৫ সালে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম জিও হটস্টারে মুক্তি পেয়েছে। তবে ২০২৩ সালে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে পা রাখতেই সেই দীর্ঘদিনের নিয়মের ব্যত্যয় ঘটে। ‘দ্য ট্রায়াল’ সিরিজে সহ-অভিনেতা যিশু সেনগুপ্তের সঙ্গে তার চুম্বন দৃশ্য শোরগোল ফেলে দিয়েছে সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে।

ভক্ত-অনুরাগীদের মনে প্রশ্ন— ক্যারিয়ারের এত বছর পর কেন নিজের নীতি ভাঙলেন এ অভিনেত্রী? সম্প্রতি এক পডকাস্টে কাজল বলেছেন, সত্যি বলতে— এটা চরিত্রের দাবিতেই করা। সিরিজে আমার অভিনীত ‘নয়নিকা সেনগুপ্ত’ যা হতে চায়, যা ভাবে কিংবা যা পায় না, সেই লড়াইয়ের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল ওই মুহূর্তটি। তিনি বলেন, এটা কেবল একটি চুমুর দৃশ্য ছিল না; বরং সে কাকে বিশ্বাস করত আর কাকে বিশ্বাস করতে পারত না— এটি ছিল তার প্রতিফলন।’

চিত্রনাট্যের দাবি উল্লেখ করে অভিনেত্রী বলেন, দৃশ্যটি চিত্রনাট্যের জন্য এতটাই গুরুত্বপূর্ণ ছিল যে, আমি বাদ দিতে পারিনি। ওটা বাদ দিলে চরিত্রটির একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় অপূর্ণ থেকে যেত।

কাজল বলেন, আমার একটু অস্বস্তি হচ্ছিল। সেটে দাঁড়ানোর আগ পর্যন্ত ধারণাটা আমার কাছে অদ্ভুত লাগছিল। নিশ্চিত ছিলাম না যে, আদৌ কাজটা করতে পারব কিনা, নাকি ‘কাট’ বলে বেরিয়ে আসব। তবে শেষ পর্যন্ত সব স্বাভাবিক হয়ে যায়। এটি ছিল সম্পূর্ণ একটি পেশাগত সিদ্ধান্ত বলে জানান এ অভিনেত্রী।