ঢাকা ০৬:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

বৃদ্ধা মাকে রাস্তার ধারে ফেলে পালিয়েছে ছেলে

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আশি বছর বয়সী মা টুনি বেওয়াকে রাস্তার ধারে ফেলে রেখে পালিয়ে গেছে সন্তান। বর্তমানে তিনি তার ছোট মেয়ের কাছে আশ্রয় পেয়েছেন। ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকার চক্ষু হাসপাতাল সংলগ্ন বালিগ্রাম এলাকায়।

জানা গেছে, বৃদ্ধার নাম টুনি বেওয়ার বাড়ি জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার চৈতন্যপুর গ্রামে। তিনি দুই ছেলে ও তিন মেয়ের জননী। টুনি বেওয়া কিছুদিন আগে তার মেয়ে নাজমার চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের বালিগ্রামের ভাড়া বাড়িতে থাকত। কিন্তু দুই মাস আগে নাজমার হাত-পা ভেঙে গেলে সে তার মাকে সদর উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা গ্রামে ভাই মানিরুলের কাছে রেখে আসেন। এদিকে ভরণপোষণ চালাতে না পারার অজুহাতে গতকাল শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ছেলে মানিরুল তার মাকে তার মেয়ে নাজমার বাড়ির কাছে রাস্তায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।

পরে জেলা পরিষদের সাবেক প্যানেল চেয়ারম্যান আব্দুল হাকিম জানতে পেরে বৃদ্ধা টুনি বেওয়ার ভরণ পোষণের দায়িত্ব নিয়ে চক্ষু হাসপাতালের পাশেই থাকা টুনি বেওয়ার ছোট মেয়ে নাসিমার কাছে রেখে আসেন। বর্তমানে তিনি সেখানেই রয়েছেন। এ বিষয়ে জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য আব্দুল হাকিম জানান, শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে হাসপাতাল সংলগ্ন বালিগ্রাম এলাকায় রাস্তার পাশে দড়ির খাটে বৃদ্ধা মহিলা টুনি বেওয়াকে শুইয়ে রেখে পালিয়ে যায় তার ছেলে। যেখানে রেখে যায় তার পাশেই টুনি বেওয়ার স্বামী পরিত্যক্তা মেজো মেয়ে নাজমা ভাড়া বাসায় থাকে। সে অন্যের বাড়িতে কাজ করে জীবনযাপন করে।

তিনি আরও জানান, টুনি বেওয়া কিছুদিন আগে মেয়ে নাজমার বাড়িতেই থাকত। কিন্তু দুই মাস আগে নাজমার হাত-পা ভেঙে গেলে সে তার মাকে সদর উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা গ্রামে ভাই মানিরুলের কাছে রেখে আসেন। কিন্তু ভরণপোষণ চালাতে না পারার অজুহাতে শুক্রবার সকালে ছেলে মানিরুল তার মাকে রাস্তায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। প্রতিবেশীরা জানতে পেরে তার মেয়ে নাজমাকে জানালে সেও তার মায়ের দায়িত্ব নিতে অসম্মতি জানায়। পরে তিনি বৃদ্ধ টুনি বেওয়ার ভরণ পোষণের দায়িত্ব নিয়ে চক্ষু হাসপাতালের পাশেই থাকা টুনি বেওয়ার ছোট মেয়ে নাসিমার কাছে রেখে আসেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

বৃদ্ধা মাকে রাস্তার ধারে ফেলে পালিয়েছে ছেলে

আপডেট সময় ০৫:০৭:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২২

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আশি বছর বয়সী মা টুনি বেওয়াকে রাস্তার ধারে ফেলে রেখে পালিয়ে গেছে সন্তান। বর্তমানে তিনি তার ছোট মেয়ের কাছে আশ্রয় পেয়েছেন। ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকার চক্ষু হাসপাতাল সংলগ্ন বালিগ্রাম এলাকায়।

জানা গেছে, বৃদ্ধার নাম টুনি বেওয়ার বাড়ি জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার চৈতন্যপুর গ্রামে। তিনি দুই ছেলে ও তিন মেয়ের জননী। টুনি বেওয়া কিছুদিন আগে তার মেয়ে নাজমার চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের বালিগ্রামের ভাড়া বাড়িতে থাকত। কিন্তু দুই মাস আগে নাজমার হাত-পা ভেঙে গেলে সে তার মাকে সদর উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা গ্রামে ভাই মানিরুলের কাছে রেখে আসেন। এদিকে ভরণপোষণ চালাতে না পারার অজুহাতে গতকাল শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ছেলে মানিরুল তার মাকে তার মেয়ে নাজমার বাড়ির কাছে রাস্তায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।

পরে জেলা পরিষদের সাবেক প্যানেল চেয়ারম্যান আব্দুল হাকিম জানতে পেরে বৃদ্ধা টুনি বেওয়ার ভরণ পোষণের দায়িত্ব নিয়ে চক্ষু হাসপাতালের পাশেই থাকা টুনি বেওয়ার ছোট মেয়ে নাসিমার কাছে রেখে আসেন। বর্তমানে তিনি সেখানেই রয়েছেন। এ বিষয়ে জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য আব্দুল হাকিম জানান, শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে হাসপাতাল সংলগ্ন বালিগ্রাম এলাকায় রাস্তার পাশে দড়ির খাটে বৃদ্ধা মহিলা টুনি বেওয়াকে শুইয়ে রেখে পালিয়ে যায় তার ছেলে। যেখানে রেখে যায় তার পাশেই টুনি বেওয়ার স্বামী পরিত্যক্তা মেজো মেয়ে নাজমা ভাড়া বাসায় থাকে। সে অন্যের বাড়িতে কাজ করে জীবনযাপন করে।

তিনি আরও জানান, টুনি বেওয়া কিছুদিন আগে মেয়ে নাজমার বাড়িতেই থাকত। কিন্তু দুই মাস আগে নাজমার হাত-পা ভেঙে গেলে সে তার মাকে সদর উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা গ্রামে ভাই মানিরুলের কাছে রেখে আসেন। কিন্তু ভরণপোষণ চালাতে না পারার অজুহাতে শুক্রবার সকালে ছেলে মানিরুল তার মাকে রাস্তায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। প্রতিবেশীরা জানতে পেরে তার মেয়ে নাজমাকে জানালে সেও তার মায়ের দায়িত্ব নিতে অসম্মতি জানায়। পরে তিনি বৃদ্ধ টুনি বেওয়ার ভরণ পোষণের দায়িত্ব নিয়ে চক্ষু হাসপাতালের পাশেই থাকা টুনি বেওয়ার ছোট মেয়ে নাসিমার কাছে রেখে আসেন।