ঢাকা ০৬:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ছেলে হত্যায় বাবাসহ ৪ জনের যাবজ্জীবন

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির সদর ইউনিয়নে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে শাহ আলম হত্যা মামলায় একই পরিবারের চারজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

সোমবার দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ মো. ফজলে এলাহী ভূঁইয়া এ রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- নিহতের বাবা মোজাফ্ফর আহাম্মদ (৬৫), ভাই আরিফ উল্লাহ (৩৫), ভাইয়ের স্ত্রী আছমা ছিদ্দিকা (২৮) ও বোন শাহনাজ বেগম (৫০)।

তারা সবাই নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের মন্ডল্যাঘোনা এলাকার বাসিন্দা। বোন শাহনাজ বেগমের শ্বশুরবাড়ি কক্সবাজারের রামুর কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের তুলাতলী এলাকায়। তার স্বামীর নাম মো. হোসেন প্রকাশ কালু।

রায় ঘোষণাকালে আসামি আরিফ উল্লাহ ও শাহনাজ বেগম আদালতে উপস্থিত ছিলেন। মোজাফ্ফর আহাম্মদ ও আছমা ছিদ্দিকা পলাতক।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট মো. ইকবাল করিম। আসামিপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মো. শামসুল আলম।

জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পেশকার নুরুল আবছার এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, ২০১৬ সালের ৯ ডিসেম্বর বসতভিটা নিয়ে পূর্ববিরোধের জেরে আসামিরা দা, হাতুড়ি, লোহার রড ও লাঠি নিয়ে শাহ্ আলমের বসতঘরে প্রবেশ করেন। তারা শাহ্ আলমের মাথায় দা দিয়ে কোপ দেন এবং রড ও লাঠি দিয়ে মাথায় ও শরীরে আঘাত করেন। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১৮ ডিসেম্বর শাহ্ আলম মারা যান।

এ ঘটনায় শাহ্ আলমের স্ত্রী আরফাতুন্নেছা থানায় মামলা করেন। পুলিশ ২০১৭ সালের ৮ নভেম্বর এ ঘটনায় আরিফ উল্লাহ, আছমা সিদ্দিকা, মোজাফ্ফর আহাম্মদ ও শাহনাজ বেগমকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র দাখিল করে।

জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট মো. ইকবাল করিম বলেন, মামলায় সাক্ষ্য-প্রমাণে বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ায় আদালত এ রায় দেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

ছেলে হত্যায় বাবাসহ ৪ জনের যাবজ্জীবন

আপডেট সময় ০৯:৩০:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ অগাস্ট ২০২২

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির সদর ইউনিয়নে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে শাহ আলম হত্যা মামলায় একই পরিবারের চারজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

সোমবার দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ মো. ফজলে এলাহী ভূঁইয়া এ রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- নিহতের বাবা মোজাফ্ফর আহাম্মদ (৬৫), ভাই আরিফ উল্লাহ (৩৫), ভাইয়ের স্ত্রী আছমা ছিদ্দিকা (২৮) ও বোন শাহনাজ বেগম (৫০)।

তারা সবাই নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের মন্ডল্যাঘোনা এলাকার বাসিন্দা। বোন শাহনাজ বেগমের শ্বশুরবাড়ি কক্সবাজারের রামুর কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের তুলাতলী এলাকায়। তার স্বামীর নাম মো. হোসেন প্রকাশ কালু।

রায় ঘোষণাকালে আসামি আরিফ উল্লাহ ও শাহনাজ বেগম আদালতে উপস্থিত ছিলেন। মোজাফ্ফর আহাম্মদ ও আছমা ছিদ্দিকা পলাতক।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট মো. ইকবাল করিম। আসামিপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মো. শামসুল আলম।

জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পেশকার নুরুল আবছার এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, ২০১৬ সালের ৯ ডিসেম্বর বসতভিটা নিয়ে পূর্ববিরোধের জেরে আসামিরা দা, হাতুড়ি, লোহার রড ও লাঠি নিয়ে শাহ্ আলমের বসতঘরে প্রবেশ করেন। তারা শাহ্ আলমের মাথায় দা দিয়ে কোপ দেন এবং রড ও লাঠি দিয়ে মাথায় ও শরীরে আঘাত করেন। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১৮ ডিসেম্বর শাহ্ আলম মারা যান।

এ ঘটনায় শাহ্ আলমের স্ত্রী আরফাতুন্নেছা থানায় মামলা করেন। পুলিশ ২০১৭ সালের ৮ নভেম্বর এ ঘটনায় আরিফ উল্লাহ, আছমা সিদ্দিকা, মোজাফ্ফর আহাম্মদ ও শাহনাজ বেগমকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র দাখিল করে।

জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট মো. ইকবাল করিম বলেন, মামলায় সাক্ষ্য-প্রমাণে বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ায় আদালত এ রায় দেন।