ঢাকা ০৯:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬, ২৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেশের ভবিষ্যত গড়ার জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয় নিশ্চিত করতে হবে : চরমোনাই পীর ব্যালটবাক্স ভরে কোনো নির্দিষ্ট প্রতীকের জয়ের সুযোগ নেই: রুমিন ফারহানা এইচএসসি পাসে নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ , রোগী দেখেন দুই জেলায় পটুয়াখালীতে দুই বান্ধবীকে ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেফতার ধর্ষকের মা সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে জরুরি নির্দেশনা শিশু পানিতে পড়লেই বাজবে সাইরেন, কল যাবে ফোনে,দাবি ভোলার তরুণ উদ্ভাবকএর আমেরিকার উস্কানিতে ইরানে বিক্ষোভ : মাসুদ পেজেশকিয়ান আমার মনোনয়ন বাতিল করার কোনো কারণ ছিল না: মাহমুদুর রহমান মান্না ব্রিটিশ সরকারকে ‘ফ্যাসিস্ট’ আখ্যা দিলেন ইলন মাস্ক ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েনে বাণিজ্যে প্রভাব পড়বে না : শেখ বশিরউদ্দীন

ছেলে হত্যায় বাবাসহ ৪ জনের যাবজ্জীবন

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির সদর ইউনিয়নে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে শাহ আলম হত্যা মামলায় একই পরিবারের চারজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

সোমবার দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ মো. ফজলে এলাহী ভূঁইয়া এ রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- নিহতের বাবা মোজাফ্ফর আহাম্মদ (৬৫), ভাই আরিফ উল্লাহ (৩৫), ভাইয়ের স্ত্রী আছমা ছিদ্দিকা (২৮) ও বোন শাহনাজ বেগম (৫০)।

তারা সবাই নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের মন্ডল্যাঘোনা এলাকার বাসিন্দা। বোন শাহনাজ বেগমের শ্বশুরবাড়ি কক্সবাজারের রামুর কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের তুলাতলী এলাকায়। তার স্বামীর নাম মো. হোসেন প্রকাশ কালু।

রায় ঘোষণাকালে আসামি আরিফ উল্লাহ ও শাহনাজ বেগম আদালতে উপস্থিত ছিলেন। মোজাফ্ফর আহাম্মদ ও আছমা ছিদ্দিকা পলাতক।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট মো. ইকবাল করিম। আসামিপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মো. শামসুল আলম।

জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পেশকার নুরুল আবছার এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, ২০১৬ সালের ৯ ডিসেম্বর বসতভিটা নিয়ে পূর্ববিরোধের জেরে আসামিরা দা, হাতুড়ি, লোহার রড ও লাঠি নিয়ে শাহ্ আলমের বসতঘরে প্রবেশ করেন। তারা শাহ্ আলমের মাথায় দা দিয়ে কোপ দেন এবং রড ও লাঠি দিয়ে মাথায় ও শরীরে আঘাত করেন। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১৮ ডিসেম্বর শাহ্ আলম মারা যান।

এ ঘটনায় শাহ্ আলমের স্ত্রী আরফাতুন্নেছা থানায় মামলা করেন। পুলিশ ২০১৭ সালের ৮ নভেম্বর এ ঘটনায় আরিফ উল্লাহ, আছমা সিদ্দিকা, মোজাফ্ফর আহাম্মদ ও শাহনাজ বেগমকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র দাখিল করে।

জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট মো. ইকবাল করিম বলেন, মামলায় সাক্ষ্য-প্রমাণে বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ায় আদালত এ রায় দেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কলম্বিয়ায় বিমান বিধ্বস্তে জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী নিহত

ছেলে হত্যায় বাবাসহ ৪ জনের যাবজ্জীবন

আপডেট সময় ০৯:৩০:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ অগাস্ট ২০২২

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির সদর ইউনিয়নে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে শাহ আলম হত্যা মামলায় একই পরিবারের চারজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

সোমবার দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ মো. ফজলে এলাহী ভূঁইয়া এ রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- নিহতের বাবা মোজাফ্ফর আহাম্মদ (৬৫), ভাই আরিফ উল্লাহ (৩৫), ভাইয়ের স্ত্রী আছমা ছিদ্দিকা (২৮) ও বোন শাহনাজ বেগম (৫০)।

তারা সবাই নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের মন্ডল্যাঘোনা এলাকার বাসিন্দা। বোন শাহনাজ বেগমের শ্বশুরবাড়ি কক্সবাজারের রামুর কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের তুলাতলী এলাকায়। তার স্বামীর নাম মো. হোসেন প্রকাশ কালু।

রায় ঘোষণাকালে আসামি আরিফ উল্লাহ ও শাহনাজ বেগম আদালতে উপস্থিত ছিলেন। মোজাফ্ফর আহাম্মদ ও আছমা ছিদ্দিকা পলাতক।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট মো. ইকবাল করিম। আসামিপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মো. শামসুল আলম।

জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পেশকার নুরুল আবছার এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, ২০১৬ সালের ৯ ডিসেম্বর বসতভিটা নিয়ে পূর্ববিরোধের জেরে আসামিরা দা, হাতুড়ি, লোহার রড ও লাঠি নিয়ে শাহ্ আলমের বসতঘরে প্রবেশ করেন। তারা শাহ্ আলমের মাথায় দা দিয়ে কোপ দেন এবং রড ও লাঠি দিয়ে মাথায় ও শরীরে আঘাত করেন। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১৮ ডিসেম্বর শাহ্ আলম মারা যান।

এ ঘটনায় শাহ্ আলমের স্ত্রী আরফাতুন্নেছা থানায় মামলা করেন। পুলিশ ২০১৭ সালের ৮ নভেম্বর এ ঘটনায় আরিফ উল্লাহ, আছমা সিদ্দিকা, মোজাফ্ফর আহাম্মদ ও শাহনাজ বেগমকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র দাখিল করে।

জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট মো. ইকবাল করিম বলেন, মামলায় সাক্ষ্য-প্রমাণে বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ায় আদালত এ রায় দেন।