ঢাকা ০৬:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২

যক্ষ্মায় বছরে ৪০ হাজার মানুষ মারা যায়: জাহিদ মালেক

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

দেশে প্রতি বছর প্রায় ৪০ হাজার মানুষ যক্ষ্মায় মারা যায় বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক।

বৃহস্পতিবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে ‘লাউনচিং ওয়ার্কশপ অন দা কমিউনিটি রাইট অ্যান্ড জেন্ডার একশান প্লান ২০২১-২৩ ফর টিবি’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

জাহিদ মালেক বলেন, বিশ্বে যক্ষ্মা আক্রান্ত হয়ে বহু মানুষ মৃত্যুবরণ করেন। পৃথিবীতে যক্ষ্মা ১৩তম মৃত্যুর কারণ। সংক্রামক ব্যাধি হিসেবে দ্বিতীয় মৃত্যুর কারণ যক্ষ্মা। বিশ্বে এক কোটি মানুষ যক্ষ্মা রোগে আক্রান্ত। যক্ষ্মায় বছরে ১৫ লাখ লোক মৃত্যুবরণ করছেন। বাংলাদেশেও যক্ষ্মায় প্রতি বছর ৪০ হাজার লোক মৃত্যুবরণ করেন এবং প্রতিবছর নতুন করে তিন লাখ লোক যক্ষ্মায় আক্রান্ত হয়।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, যক্ষ্মা বিষয়ে ভালো দিক হচ্ছে, আমরা এখন জানি বছরে কত লোক আক্রান্ত হচ্ছে, তাদের শনাক্ত করে খুঁজে বের করতে পারছি। কারণ আমরা যদি যক্ষা রোগী শনাক্ত করতে পারি তাহলে চিকিৎসা দিতে পারব। চিকিৎসার কারণে প্রায় ৯৫ থেকে ৯৭ শতাংশ লোক সুস্থ হয়ে যাচ্ছে।

যক্ষ্মায় মৃত্যুর প্রসঙ্গ উল্লেখ কর তিনি বলেন, যক্ষায় দেশে ৪০ হাজার লোক মৃত্যুবরণ করেন। অর্থাৎ প্রতিদিন প্রায় ১০০ এর বেশি লোক মারা যায় অথচ আমরা এ বিষয়ে খোঁজও রাখিনা। যক্ষ্মার ভালো বিষয় হচ্ছে দিনে দিনে রোগী কমে যাচ্ছে। বৈশ্বিকভাবে দুই শতাংশ করে রোগী কমছে। যদিও আমাদের লক্ষ চার থেকে পাচ শতাংশ রোগী কমানো।

তিনি আরও বলেন, দক্ষিণ এশিয়ায় যতগুলো দেশ আছে, সেগুলোতে সারাবিশ্বের ৮৬ শতাংশ যক্ষ্মা রোগী রয়েছে। এরমধ্যে বাংলাদেশ ৭ নম্বরে আছে। সুতরাং যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণে আমদের অনেক কাজ করতে হবে।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব ডা. মো. আনোয়ার হোসেন হাওলাদার, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক ডা ইকবাল আর্সেনাল। অতিথি হিসেবে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে বক্তব্য দেন- স্টপ টিবি পার্টনারশিপের নির্বাহী পরিচালক লুসিকা ডিটিউ, দা গ্লোবাল ফান্ডের সিনিয়র ফান্ড পোর্টফলিও ম্যানেজার জিওনজিওভার জাকাব।

সভায় সভাপতিত্ব করেন- স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার খুরশিদ আলম।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এয়ারবাস এ৩৮০ দিয়ে বিলাসবহুল সেবায় জোর তিন এয়ারলাইনসের

যক্ষ্মায় বছরে ৪০ হাজার মানুষ মারা যায়: জাহিদ মালেক

আপডেট সময় ০৬:৩৩:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ অগাস্ট ২০২২

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

দেশে প্রতি বছর প্রায় ৪০ হাজার মানুষ যক্ষ্মায় মারা যায় বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক।

বৃহস্পতিবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে ‘লাউনচিং ওয়ার্কশপ অন দা কমিউনিটি রাইট অ্যান্ড জেন্ডার একশান প্লান ২০২১-২৩ ফর টিবি’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

জাহিদ মালেক বলেন, বিশ্বে যক্ষ্মা আক্রান্ত হয়ে বহু মানুষ মৃত্যুবরণ করেন। পৃথিবীতে যক্ষ্মা ১৩তম মৃত্যুর কারণ। সংক্রামক ব্যাধি হিসেবে দ্বিতীয় মৃত্যুর কারণ যক্ষ্মা। বিশ্বে এক কোটি মানুষ যক্ষ্মা রোগে আক্রান্ত। যক্ষ্মায় বছরে ১৫ লাখ লোক মৃত্যুবরণ করছেন। বাংলাদেশেও যক্ষ্মায় প্রতি বছর ৪০ হাজার লোক মৃত্যুবরণ করেন এবং প্রতিবছর নতুন করে তিন লাখ লোক যক্ষ্মায় আক্রান্ত হয়।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, যক্ষ্মা বিষয়ে ভালো দিক হচ্ছে, আমরা এখন জানি বছরে কত লোক আক্রান্ত হচ্ছে, তাদের শনাক্ত করে খুঁজে বের করতে পারছি। কারণ আমরা যদি যক্ষা রোগী শনাক্ত করতে পারি তাহলে চিকিৎসা দিতে পারব। চিকিৎসার কারণে প্রায় ৯৫ থেকে ৯৭ শতাংশ লোক সুস্থ হয়ে যাচ্ছে।

যক্ষ্মায় মৃত্যুর প্রসঙ্গ উল্লেখ কর তিনি বলেন, যক্ষায় দেশে ৪০ হাজার লোক মৃত্যুবরণ করেন। অর্থাৎ প্রতিদিন প্রায় ১০০ এর বেশি লোক মারা যায় অথচ আমরা এ বিষয়ে খোঁজও রাখিনা। যক্ষ্মার ভালো বিষয় হচ্ছে দিনে দিনে রোগী কমে যাচ্ছে। বৈশ্বিকভাবে দুই শতাংশ করে রোগী কমছে। যদিও আমাদের লক্ষ চার থেকে পাচ শতাংশ রোগী কমানো।

তিনি আরও বলেন, দক্ষিণ এশিয়ায় যতগুলো দেশ আছে, সেগুলোতে সারাবিশ্বের ৮৬ শতাংশ যক্ষ্মা রোগী রয়েছে। এরমধ্যে বাংলাদেশ ৭ নম্বরে আছে। সুতরাং যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণে আমদের অনেক কাজ করতে হবে।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব ডা. মো. আনোয়ার হোসেন হাওলাদার, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক ডা ইকবাল আর্সেনাল। অতিথি হিসেবে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে বক্তব্য দেন- স্টপ টিবি পার্টনারশিপের নির্বাহী পরিচালক লুসিকা ডিটিউ, দা গ্লোবাল ফান্ডের সিনিয়র ফান্ড পোর্টফলিও ম্যানেজার জিওনজিওভার জাকাব।

সভায় সভাপতিত্ব করেন- স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার খুরশিদ আলম।