আকাশ জাতীয় ডেস্ক:
চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার পাঁচআনি গ্রামের আতিকুর রহমানের পরিবার ভালো নেই। তিনি পরিবারে প্রধান ছিলেন। ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় নিহত হন তিনি। চার সন্তান নিয়ে দুঃখে-কষ্টে সংসার চালাচ্ছেন আতিকের স্ত্রী লাইলী বেগম। বড় মেয়ে তানিয়া আক্তারের এইচএসসি পাশের পর চার বছর আগে বিয়ে হয়ে যায়।
বড় ছেলে মিথুন সরকারি তোলারাম কলেজে এইচএসসি পাশের পর প্রাইভেট কোম্পানিতে চাকরি করে সংসার চালাচ্ছেন। মেজো ছেলে মিন্টু ও ছোট ছেলে শাকিব লেখাপড়া করছেন। শনিবার আতিকের স্ত্রী লাইলী বেগম জানান, ২১ আগস্ট এলেই সাংবাদিকরা খোঁজখবর নেন। এছাড়া আর কেউ এই পরিবারের খোঁজখবর রাখেন না। আমার স্বামীর হত্যাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসির দাবি জানাই। আর যেন কোনো স্ত্রীকে অল্প বয়সে তার স্বামী হারাতে না হয়।
নিহত আতিকুর রহমানের বড় ছেলে মিথুন জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রথমে এক লাখ, তারপর সঞ্চয়পত্র ১০ লাখ, এফডিআর-এর জন্য ২০ লাখ এবং নগদ ৫ লাখ টাকা দিয়েছিলেন। আমাদের একটি চাকরির প্রয়োজন। প্রধানমন্ত্রী যদি আমাদের চাকরির ব্যবস্থা করতেন তাহলে আমরা সচ্ছলভাবে জীবনযাপন করতে পারতাম।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 



















