ঢাকা ০২:৪০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘বাংলাদেশে একটা বড় খুন হয়েছিল, কাকে দিয়ে করিয়েছিলেন সবটাই জানি’:মমতা ব্যানার্জি রামিসা হত্যা মামলার বিচার দ্রুত সম্পন্ন হবে আশা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ছাত্রশিবিরকে তরুণ সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখতে হবে: ডা. শফিকুর রহমান সন্তানেরা যুগ্মসচিব-বুয়েট শিক্ষক, তবুও একা ঘরে মরতে হলো বৃদ্ধ মাকে ‘ইরান সরকারের ভিত্তি নড়ে গেছে, এটি ভেঙে পড়তে বাধ্য’ খলিলুর রহমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত ঈদের দিন স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ, স্বামী আটক হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ৮৭৭ বর্তমান সরকার সব মানুষের ধর্মের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী: মঈন খান জাতীয় ঐক্য ও দেশ গড়ার প্রত্যয়ে কাজ করছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

দুছেলের সরকারি চাকরি চান নিহত আতিকের স্ত্রী

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার পাঁচআনি গ্রামের আতিকুর রহমানের পরিবার ভালো নেই। তিনি পরিবারে প্রধান ছিলেন। ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় নিহত হন তিনি। চার সন্তান নিয়ে দুঃখে-কষ্টে সংসার চালাচ্ছেন আতিকের স্ত্রী লাইলী বেগম। বড় মেয়ে তানিয়া আক্তারের এইচএসসি পাশের পর চার বছর আগে বিয়ে হয়ে যায়।

বড় ছেলে মিথুন সরকারি তোলারাম কলেজে এইচএসসি পাশের পর প্রাইভেট কোম্পানিতে চাকরি করে সংসার চালাচ্ছেন। মেজো ছেলে মিন্টু ও ছোট ছেলে শাকিব লেখাপড়া করছেন। শনিবার আতিকের স্ত্রী লাইলী বেগম জানান, ২১ আগস্ট এলেই সাংবাদিকরা খোঁজখবর নেন। এছাড়া আর কেউ এই পরিবারের খোঁজখবর রাখেন না। আমার স্বামীর হত্যাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসির দাবি জানাই। আর যেন কোনো স্ত্রীকে অল্প বয়সে তার স্বামী হারাতে না হয়।

নিহত আতিকুর রহমানের বড় ছেলে মিথুন জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রথমে এক লাখ, তারপর সঞ্চয়পত্র ১০ লাখ, এফডিআর-এর জন্য ২০ লাখ এবং নগদ ৫ লাখ টাকা দিয়েছিলেন। আমাদের একটি চাকরির প্রয়োজন। প্রধানমন্ত্রী যদি আমাদের চাকরির ব্যবস্থা করতেন তাহলে আমরা সচ্ছলভাবে জীবনযাপন করতে পারতাম।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

‘বাংলাদেশে একটা বড় খুন হয়েছিল, কাকে দিয়ে করিয়েছিলেন সবটাই জানি’:মমতা ব্যানার্জি

দুছেলের সরকারি চাকরি চান নিহত আতিকের স্ত্রী

আপডেট সময় ১২:৩২:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ অগাস্ট ২০২২

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার পাঁচআনি গ্রামের আতিকুর রহমানের পরিবার ভালো নেই। তিনি পরিবারে প্রধান ছিলেন। ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় নিহত হন তিনি। চার সন্তান নিয়ে দুঃখে-কষ্টে সংসার চালাচ্ছেন আতিকের স্ত্রী লাইলী বেগম। বড় মেয়ে তানিয়া আক্তারের এইচএসসি পাশের পর চার বছর আগে বিয়ে হয়ে যায়।

বড় ছেলে মিথুন সরকারি তোলারাম কলেজে এইচএসসি পাশের পর প্রাইভেট কোম্পানিতে চাকরি করে সংসার চালাচ্ছেন। মেজো ছেলে মিন্টু ও ছোট ছেলে শাকিব লেখাপড়া করছেন। শনিবার আতিকের স্ত্রী লাইলী বেগম জানান, ২১ আগস্ট এলেই সাংবাদিকরা খোঁজখবর নেন। এছাড়া আর কেউ এই পরিবারের খোঁজখবর রাখেন না। আমার স্বামীর হত্যাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসির দাবি জানাই। আর যেন কোনো স্ত্রীকে অল্প বয়সে তার স্বামী হারাতে না হয়।

নিহত আতিকুর রহমানের বড় ছেলে মিথুন জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রথমে এক লাখ, তারপর সঞ্চয়পত্র ১০ লাখ, এফডিআর-এর জন্য ২০ লাখ এবং নগদ ৫ লাখ টাকা দিয়েছিলেন। আমাদের একটি চাকরির প্রয়োজন। প্রধানমন্ত্রী যদি আমাদের চাকরির ব্যবস্থা করতেন তাহলে আমরা সচ্ছলভাবে জীবনযাপন করতে পারতাম।