ঢাকা ০২:৫০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তারেক রহমান সবসময় গ্রামীণ জনপদ ও কৃষকের উন্নয়ন নিয়ে ভাবেন : রিজভী ইসরায়েলের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি স্থগিত করল ইতালি ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণে রাজনৈতিক বিবেচনা বা অনিয়মের সুযোগ নেই: আইনমন্ত্রী ‘খেলাধুলার মাধ্যমে দেশপ্রেম ও ভ্রাতৃত্ববোধ জাগ্রত করতে হবে’ সিকেডি হাসপাতালে চাঁদা দাবি: প্রধান আসামি মঈনসহ ৩ জন তিনদিনের রিমান্ডে স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নে বাজেটে বরাদ্দ বাড়ানো হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী মাদক নির্মূলে শিগগিরই বিশেষ অভিযান শুরু হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইরানের বন্দর অবরোধ বিপজ্জনক পদক্ষেপ: চীন কৃষি ও কৃষকই অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি: তথ্যমন্ত্রী ২ কোটি ৭৫ লাখ কৃষককে দেওয়া হবে ‘কৃষক কার্ড’: প্রধানমন্ত্রী

দুছেলের সরকারি চাকরি চান নিহত আতিকের স্ত্রী

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার পাঁচআনি গ্রামের আতিকুর রহমানের পরিবার ভালো নেই। তিনি পরিবারে প্রধান ছিলেন। ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় নিহত হন তিনি। চার সন্তান নিয়ে দুঃখে-কষ্টে সংসার চালাচ্ছেন আতিকের স্ত্রী লাইলী বেগম। বড় মেয়ে তানিয়া আক্তারের এইচএসসি পাশের পর চার বছর আগে বিয়ে হয়ে যায়।

বড় ছেলে মিথুন সরকারি তোলারাম কলেজে এইচএসসি পাশের পর প্রাইভেট কোম্পানিতে চাকরি করে সংসার চালাচ্ছেন। মেজো ছেলে মিন্টু ও ছোট ছেলে শাকিব লেখাপড়া করছেন। শনিবার আতিকের স্ত্রী লাইলী বেগম জানান, ২১ আগস্ট এলেই সাংবাদিকরা খোঁজখবর নেন। এছাড়া আর কেউ এই পরিবারের খোঁজখবর রাখেন না। আমার স্বামীর হত্যাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসির দাবি জানাই। আর যেন কোনো স্ত্রীকে অল্প বয়সে তার স্বামী হারাতে না হয়।

নিহত আতিকুর রহমানের বড় ছেলে মিথুন জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রথমে এক লাখ, তারপর সঞ্চয়পত্র ১০ লাখ, এফডিআর-এর জন্য ২০ লাখ এবং নগদ ৫ লাখ টাকা দিয়েছিলেন। আমাদের একটি চাকরির প্রয়োজন। প্রধানমন্ত্রী যদি আমাদের চাকরির ব্যবস্থা করতেন তাহলে আমরা সচ্ছলভাবে জীবনযাপন করতে পারতাম।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

তারেক রহমান সবসময় গ্রামীণ জনপদ ও কৃষকের উন্নয়ন নিয়ে ভাবেন : রিজভী

দুছেলের সরকারি চাকরি চান নিহত আতিকের স্ত্রী

আপডেট সময় ১২:৩২:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ অগাস্ট ২০২২

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার পাঁচআনি গ্রামের আতিকুর রহমানের পরিবার ভালো নেই। তিনি পরিবারে প্রধান ছিলেন। ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় নিহত হন তিনি। চার সন্তান নিয়ে দুঃখে-কষ্টে সংসার চালাচ্ছেন আতিকের স্ত্রী লাইলী বেগম। বড় মেয়ে তানিয়া আক্তারের এইচএসসি পাশের পর চার বছর আগে বিয়ে হয়ে যায়।

বড় ছেলে মিথুন সরকারি তোলারাম কলেজে এইচএসসি পাশের পর প্রাইভেট কোম্পানিতে চাকরি করে সংসার চালাচ্ছেন। মেজো ছেলে মিন্টু ও ছোট ছেলে শাকিব লেখাপড়া করছেন। শনিবার আতিকের স্ত্রী লাইলী বেগম জানান, ২১ আগস্ট এলেই সাংবাদিকরা খোঁজখবর নেন। এছাড়া আর কেউ এই পরিবারের খোঁজখবর রাখেন না। আমার স্বামীর হত্যাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসির দাবি জানাই। আর যেন কোনো স্ত্রীকে অল্প বয়সে তার স্বামী হারাতে না হয়।

নিহত আতিকুর রহমানের বড় ছেলে মিথুন জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রথমে এক লাখ, তারপর সঞ্চয়পত্র ১০ লাখ, এফডিআর-এর জন্য ২০ লাখ এবং নগদ ৫ লাখ টাকা দিয়েছিলেন। আমাদের একটি চাকরির প্রয়োজন। প্রধানমন্ত্রী যদি আমাদের চাকরির ব্যবস্থা করতেন তাহলে আমরা সচ্ছলভাবে জীবনযাপন করতে পারতাম।