অাকাশ নিউজ ডেস্ক:
অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব নিউ সাউথ ওয়েলসের (বিএনএসডব্লিউ) উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে হাউজিং অ্যান্ড রেমিট্যান্স ফেস্টিভ্যাল। সম্প্রতি এই ফেস্টিভ্যালের আয়োজন করা হয়।
প্রবাসী বাংলাদেশিদের ঘরবাড়ি ও ফ্ল্যাট নির্মাণ এবং ক্রয়ের জন্য সহজ শর্তে ঋণ প্রদানের কথা জানান বাংলাদেশ সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব মো. ইউনুসুর রহমান। তিনি এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। প্রবাসীদের সহজ শর্তে ঋণ ও বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময়ে বাংলাদেশ সরকারের অন্যান্য সুবিধা গ্রহণের আহ্বান জানান।
আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফাইনান্স করপোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক দেবাশীষ চক্রবর্তী। তিনি বলেন, বাৎসরিক সাড়ে আট শতাংশ সুদে বাড়ির জন্য সর্বোচ্চ এক কোটি টাকা এবং ফ্ল্যাটের জন্য সর্বোচ্চ ৮০ লাখ টাকা । অনুষ্ঠানের স্থানীয় সমন্বয়কারী ছিলেন রহমত উল্লাহ।
বাড়ি নির্মাণে ৭৫ শতাংশ ঋণ পাবেন প্রবাসীরা
প্রবাসে বসবাসরত বাংলাদেশিরা দেশে বাড়ি নির্মাণ বা কিনতে মোট খরচের ৭৫ শতাংশই ব্যাংক থেকে ঋণ নিতে পারবেন। এতদিন মোট খরচের অর্ধেক ঋণ নেওয়া সুযোগ ছিল। আজ রোববার এ সংক্রান্ত সার্কুলার জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্র জানায়, কোনো প্রবাসী বাংলাদেশে ১ কোটি টাকা মূল্যে বাড়ি কিনতে চাইলে তিনি ২৫ লাখ টাকা রেমিটেন্স পাঠাবেন। বাকি ৭৫ লাখ টাকা ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়ার সুযোগ পাবেন। এতদিন ১ কোটি টাকা মূল্যে বাড়ি কিনতে বা নির্মাণে তার ৫০ লাখ টাকা ঋণ নেওয়ার সুযোগ ছিল।
সূত্র জানায়, গত ২০১৫ সালে ডিসেম্বরে এক সার্কুলারের মাধ্যমে দেশের ব্যাংক থেকে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য গৃহঋণ নেওয়ার সুযোগ করে দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। ওই সময় ভোক্তা ঋণ নীতিমালার আওতায় বাড়ি বা ফ্ল্যাট কেনায় মোট ব্যয়ের ৫০ শতাংশ পর্যন্ত ঋণ নেওয়ার সুযোগ ছিল। ওই সার্কুলারের আগ পর্যন্ত প্রবাসীদের যে কোনো ঋণ নিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পূর্বানুমতি নিতে হতো।
তবে প্রবাসীদেরকে ভোক্তাঋণ নীতিমালার আওতায় ঋণ নিতে হবে। ওই নীতিমালা অনুসারে ঋণ নিজস্ব অর্থায়নের অনুপাত ৭৫ঃ২৫ হলেও ব্যাংক থেকে সর্বোচ্চ ১ কোটি ২০ লাখ টাকা ঋণ নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।
আগের জারি করা নিয়মানুসারে, বিদেশি উৎস থেকে আয়ের বিপরীতে ঋণের অর্থ পরিশোধ করা যাবে। এক্ষেত্রে বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনকারী ব্যাংক শাখায় প্রবাসীর পরিচালিত অ্যাকাউন্টে অর্থ পাঠিয়ে কিস্তি পরিশোধ করতে পারবেন তিনি। আবার কেউ চাইলে বাসা ভাড়া থেকে পাওয়া অর্থের বিপরীতে ঋণ পরিশোধ করতে পারবেন। এডি ব্যাংকগুলো ইচ্ছা করলে অতিরিক্ত মর্টগেজ নেবে। তৃতীয় পক্ষকে গ্যারান্টার হিসাবেও রাখতে পারবে।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 

























