ঢাকা ০১:৩৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ, চোখে গুরুতর আঘাত পেলেন যাত্রী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সীমান্ত হত্যাকে বৈধতা দিয়েছেন: হাসনাত আবদুল্লাহ মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির বর্ষপূতি: শোককে শক্তিতে পরিণত করে এগোতে হবে: ডা. জুবাইদা লুটপাটের জন্য ছাত্রজনতা রক্ত দেয়নি: হাসনাত আবদুল্লাহ যুক্তরাষ্ট্র ইরানে আঘাত না হানলে আজ ইসরাইলের অস্তিত্ব থাকত না: ডোনাল্ড ট্রাম্প রাজধানীতে বিএনপি কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা গণতন্ত্র না থাকায় অনেক এলাকার সমস্যা গুরুত্ব পায়নি: ডেপুটি স্পিকার ছাত্র-জনতার অধিকার রক্ষায় দলীয় প্রভাবমুক্ত রাষ্ট্রকাঠামো গড়ার বিকল্প নেই:নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী স্কুলমুখী করতে সাড়ে তিন লাখ শিশুকে স্কুল ড্রেস দেবে সরকার: শিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ, আটক রাহুল-প্রিয়াঙ্কা

বানিয়াচংয়ে দেড়শ’ বছর ধরে একই মূর্তি দিয়ে দুর্গাপূজা উদযাপন

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বানিয়াচং উপজেলার ইকরাম গ্রামে প্রায় দেড়শ’ বছর ধরে একই মূর্তি দিয়ে শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপন করা হচ্ছে। কাঠের তৈরি মূর্তিটি প্রতি বছর শুধু রং পরিবর্তন করা ও মূর্তি ডিজাইন একই ধরনের থাকছে। প্রায় দেড়শ’ বছর পূর্বে প্রয়াত অর্জুদা চৌধুরী একই গ্রামের কৃষ্ণ সূত্রধর নামে এক কাঠমিস্ত্রিকে দিয়ে এ মূর্তিটি তৈরি করেন।

ইকরাম গ্রামের ঐতিহ্যবাহী এই মন্ডপের পূজারীরা জানান, এরপর অর্জুদা চৌধুরী যতদিন বেঁচে ছিলেন ওই মূর্তি দিয়ে প্রতি বছর শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপন করেছেন।

তিনি মারা যাওয়ার পর তার পুত্র অরুন চৌধুরী ও অরুন চৌধুরীর সন্তানরা এ মূর্তি দিয়ে দুর্গাপূজা উদযাপন করে আসছেন। পরবর্তীতে অরুন চৌধুরীর পরিবারের লোকজন প্রায় ৩০ বছর পূর্বে মূর্তিটি একই গ্রামের হরিমন দাসের পরিবারের কাছে বিক্রি করে দেন।

হরিমন দাসের বাড়ির পূজা আয়োজনকারী মদন মোহন দাস জানান, এ মূর্তিটি দিয়ে আমরা ৩০ বছর ধরে পূজা উদযাপন করছি। এর পূর্বে ১২০ বছর পূজা উদযাপন করেছেন আমাদের গ্রামের অর্জুদা চৌধুরী ও তার বংশধররা।

তিনি বলেন, আমরা প্রতি বছর শুধু কাঠের তৈরি মূর্তিটির রং পরিবর্তন করি। কিন্তু এর ডিজাইন পূর্বের মতো থাকছে। আকর্ষণীয় এ মূর্তি দেখার জন্য প্রতি বছর দর্শনার্থী ও পূজারীদের ভিড় জমে সেখানে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ, চোখে গুরুতর আঘাত পেলেন যাত্রী

বানিয়াচংয়ে দেড়শ’ বছর ধরে একই মূর্তি দিয়ে দুর্গাপূজা উদযাপন

আপডেট সময় ০৬:০৪:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বানিয়াচং উপজেলার ইকরাম গ্রামে প্রায় দেড়শ’ বছর ধরে একই মূর্তি দিয়ে শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপন করা হচ্ছে। কাঠের তৈরি মূর্তিটি প্রতি বছর শুধু রং পরিবর্তন করা ও মূর্তি ডিজাইন একই ধরনের থাকছে। প্রায় দেড়শ’ বছর পূর্বে প্রয়াত অর্জুদা চৌধুরী একই গ্রামের কৃষ্ণ সূত্রধর নামে এক কাঠমিস্ত্রিকে দিয়ে এ মূর্তিটি তৈরি করেন।

ইকরাম গ্রামের ঐতিহ্যবাহী এই মন্ডপের পূজারীরা জানান, এরপর অর্জুদা চৌধুরী যতদিন বেঁচে ছিলেন ওই মূর্তি দিয়ে প্রতি বছর শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপন করেছেন।

তিনি মারা যাওয়ার পর তার পুত্র অরুন চৌধুরী ও অরুন চৌধুরীর সন্তানরা এ মূর্তি দিয়ে দুর্গাপূজা উদযাপন করে আসছেন। পরবর্তীতে অরুন চৌধুরীর পরিবারের লোকজন প্রায় ৩০ বছর পূর্বে মূর্তিটি একই গ্রামের হরিমন দাসের পরিবারের কাছে বিক্রি করে দেন।

হরিমন দাসের বাড়ির পূজা আয়োজনকারী মদন মোহন দাস জানান, এ মূর্তিটি দিয়ে আমরা ৩০ বছর ধরে পূজা উদযাপন করছি। এর পূর্বে ১২০ বছর পূজা উদযাপন করেছেন আমাদের গ্রামের অর্জুদা চৌধুরী ও তার বংশধররা।

তিনি বলেন, আমরা প্রতি বছর শুধু কাঠের তৈরি মূর্তিটির রং পরিবর্তন করি। কিন্তু এর ডিজাইন পূর্বের মতো থাকছে। আকর্ষণীয় এ মূর্তি দেখার জন্য প্রতি বছর দর্শনার্থী ও পূজারীদের ভিড় জমে সেখানে।