ঢাকা ০৬:২৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

‘সবচেয়ে নির্ভুল’ মিথ্যা শনাক্তকরণ যন্ত্র আবিষ্কার ইসরাইলের

আকাশ আইসিটি ডেস্ক :

প্রযুক্তিগত ভাবে প্রায়ই নানা চমক নিয়ে হাজির হয় মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ইসরাইল। এবার ‘সবচেয়ে নির্ভুল’ মিথ্যা শনাক্তকরণ যন্ত্র আবিষ্কার করেছে দেশটির একদল বিজ্ঞানী। এ যাবতকালের সব মিথ্যা শনাক্তকরণ যন্ত্রের চেয়ে নতুন আবিষ্কৃত এই যন্ত্রটি ‘সবচেয়ে নির্ভুল’ বলে শনিবার একটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরাইলের সদ্য আবিষ্কৃত এই যন্ত্র মুখের পেশির নড়াচড়া বিশ্লেষণ করে ৭৩ শতাংশ সঠিক ফলাফল দেয়।

ইসরাইলের তেলআবিব বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল বিজ্ঞানী এই যন্ত্র আবিষ্কার করেছেন। এই গবেষণায় বিজ্ঞানীরা মিথ্যাকে দুইটি ভাগে ভাগ করেছেন। বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, মিথ্যা বলার সময় একদলের মানুষের গালের পেশি সক্রিয় হয়। দ্বিতীয় দলের মিথ্যা বলার সময় চোখের ভ্রুর পেশি সক্রিয় হয়।

এ ব্যাপারে গবেষণা দলের সদস্য অধ্যাপক ডিনো লেভি জানান, অনেক গবেষণায় দেখা যায় যে, কেউ মিথ্যা বললে তা শনাক্ত করা অসম্ভব। তাছাড়া কেউ যদি নিজের নাড়ির গতি নিয়ন্ত্রণ করেতে পারে তারা সহজেই প্রচলিত মিথ্যা শনাক্তকরণ যন্ত্রকে ফাঁকি দিতে পারবে। তবে তাদের গবেষণায় নাড়ির গতি নয়, মুখের পেশীর নড়াচড়ার উপর ভিত্তি করে মিথ্যা শনাক্ত করা হয়। তাই এখানে ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ কম।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘সবচেয়ে নির্ভুল’ মিথ্যা শনাক্তকরণ যন্ত্র আবিষ্কার ইসরাইলের

আপডেট সময় ০৮:২৬:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২১

আকাশ আইসিটি ডেস্ক :

প্রযুক্তিগত ভাবে প্রায়ই নানা চমক নিয়ে হাজির হয় মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ইসরাইল। এবার ‘সবচেয়ে নির্ভুল’ মিথ্যা শনাক্তকরণ যন্ত্র আবিষ্কার করেছে দেশটির একদল বিজ্ঞানী। এ যাবতকালের সব মিথ্যা শনাক্তকরণ যন্ত্রের চেয়ে নতুন আবিষ্কৃত এই যন্ত্রটি ‘সবচেয়ে নির্ভুল’ বলে শনিবার একটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরাইলের সদ্য আবিষ্কৃত এই যন্ত্র মুখের পেশির নড়াচড়া বিশ্লেষণ করে ৭৩ শতাংশ সঠিক ফলাফল দেয়।

ইসরাইলের তেলআবিব বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল বিজ্ঞানী এই যন্ত্র আবিষ্কার করেছেন। এই গবেষণায় বিজ্ঞানীরা মিথ্যাকে দুইটি ভাগে ভাগ করেছেন। বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, মিথ্যা বলার সময় একদলের মানুষের গালের পেশি সক্রিয় হয়। দ্বিতীয় দলের মিথ্যা বলার সময় চোখের ভ্রুর পেশি সক্রিয় হয়।

এ ব্যাপারে গবেষণা দলের সদস্য অধ্যাপক ডিনো লেভি জানান, অনেক গবেষণায় দেখা যায় যে, কেউ মিথ্যা বললে তা শনাক্ত করা অসম্ভব। তাছাড়া কেউ যদি নিজের নাড়ির গতি নিয়ন্ত্রণ করেতে পারে তারা সহজেই প্রচলিত মিথ্যা শনাক্তকরণ যন্ত্রকে ফাঁকি দিতে পারবে। তবে তাদের গবেষণায় নাড়ির গতি নয়, মুখের পেশীর নড়াচড়ার উপর ভিত্তি করে মিথ্যা শনাক্ত করা হয়। তাই এখানে ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ কম।