ঢাকা ০৯:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬, ২৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেশের ভবিষ্যত গড়ার জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয় নিশ্চিত করতে হবে : চরমোনাই পীর ব্যালটবাক্স ভরে কোনো নির্দিষ্ট প্রতীকের জয়ের সুযোগ নেই: রুমিন ফারহানা এইচএসসি পাসে নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ , রোগী দেখেন দুই জেলায় পটুয়াখালীতে দুই বান্ধবীকে ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেফতার ধর্ষকের মা সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে জরুরি নির্দেশনা শিশু পানিতে পড়লেই বাজবে সাইরেন, কল যাবে ফোনে,দাবি ভোলার তরুণ উদ্ভাবকএর আমেরিকার উস্কানিতে ইরানে বিক্ষোভ : মাসুদ পেজেশকিয়ান আমার মনোনয়ন বাতিল করার কোনো কারণ ছিল না: মাহমুদুর রহমান মান্না ব্রিটিশ সরকারকে ‘ফ্যাসিস্ট’ আখ্যা দিলেন ইলন মাস্ক ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েনে বাণিজ্যে প্রভাব পড়বে না : শেখ বশিরউদ্দীন

সম্পত্তি না দেওয়ায় বাবার ৪ আঙুল কেটে দিলো ছেলে

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মাগুরা সদর উপজেলায় সম্পত্তি না দেওয়ায় ছুড়ি দিয়ে বাবা শহীদুল হকের (৭০) চার আঙুল কেটে দিয়েছে ছেলে হানিফ মিয়া (৪৫)।

মঙ্গলবার (২৩ নভেম্বর) সকালে ওই উপজেলার হাজরাপুর ইউনিয়নে উথলি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। শহীদুল হকে ওই গ্রামেই বড় ছেলে গোলাম মোস্তফার সঙ্গে থাকেন।

জানা যায়, শহীদুলের ছোট ছেলে হানিফ বিয়ের পর পরিবার থেকে আলাদা হয়ে বসবাস শুরু করে। সংসার আলাদা হওয়ার পর সম্পত্তি নিয়ে প্রায়ই বাবার সঙ্গে কথাকাটাকাটি করতেন হানিফ। এছাড়া তার নামে সম্পত্তি লিখে দেওয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করতেন।

কিন্তু ছেলে ব্যবহার ভালো না থাকায় সম্পত্তি দিতে অসম্মতি জানায় বাবা। এরপরেই ক্ষুব্ধ হয়ে ধারালো ছুড়ি দিয়ে বাবাকে এলোপাতাড়িভাবে কোপাতে থাকে হানিফ। এসময় শহিদুলের হাতের ৪ আঙুল বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং মাথায় গুরুতর জখম হয়। পরে তাকে উদ্ধার করে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এদিকে এ ঘটনার পর থেকে ছেলে হানিফ পলাতক রয়েছেন।

শহিদুল হকের বড় ছেলে গোলাম মোস্তফা বলেন, সকালে বাড়ির পাশে একটি চায়ের দোকানে চা খাচ্ছিলেন বাবা। এ সময় হঠাৎ আমার ছোট ভাই হানিফ গরু জবাই করা ছুড়ি নিয়ে বাবাকে কোপাতে থাকে। এতে বাবার হাতের চার আঙুল বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এ সময় দোকানের থাকা অন্যান্য লোকজন চিৎকার দিলে হানিফ পালিয়ে যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে মাগুরা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়।

মাগুরা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক বলেন, শফিউর রহমান বলেন, ধারালো অস্ত্রের আঘাতে তালুসহ আঙুল বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। তাছাড়া মাথা থেকে ঘাড় বরাবর ধারালো ছুটির আঘাত রয়েছে। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তবে রোগীর অবস্থা আশঙ্কাজনক।

মাগুরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মঞ্জুর আলম বলেন, গুরুতর জখম শহীদুল হকের চিকিৎসা চলছে। ছেলে হানিফ মিয়াকে আটকের চেষ্টা চলছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কলম্বিয়ায় বিমান বিধ্বস্তে জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী নিহত

সম্পত্তি না দেওয়ায় বাবার ৪ আঙুল কেটে দিলো ছেলে

আপডেট সময় ০৬:২৫:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ নভেম্বর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মাগুরা সদর উপজেলায় সম্পত্তি না দেওয়ায় ছুড়ি দিয়ে বাবা শহীদুল হকের (৭০) চার আঙুল কেটে দিয়েছে ছেলে হানিফ মিয়া (৪৫)।

মঙ্গলবার (২৩ নভেম্বর) সকালে ওই উপজেলার হাজরাপুর ইউনিয়নে উথলি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। শহীদুল হকে ওই গ্রামেই বড় ছেলে গোলাম মোস্তফার সঙ্গে থাকেন।

জানা যায়, শহীদুলের ছোট ছেলে হানিফ বিয়ের পর পরিবার থেকে আলাদা হয়ে বসবাস শুরু করে। সংসার আলাদা হওয়ার পর সম্পত্তি নিয়ে প্রায়ই বাবার সঙ্গে কথাকাটাকাটি করতেন হানিফ। এছাড়া তার নামে সম্পত্তি লিখে দেওয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করতেন।

কিন্তু ছেলে ব্যবহার ভালো না থাকায় সম্পত্তি দিতে অসম্মতি জানায় বাবা। এরপরেই ক্ষুব্ধ হয়ে ধারালো ছুড়ি দিয়ে বাবাকে এলোপাতাড়িভাবে কোপাতে থাকে হানিফ। এসময় শহিদুলের হাতের ৪ আঙুল বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং মাথায় গুরুতর জখম হয়। পরে তাকে উদ্ধার করে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এদিকে এ ঘটনার পর থেকে ছেলে হানিফ পলাতক রয়েছেন।

শহিদুল হকের বড় ছেলে গোলাম মোস্তফা বলেন, সকালে বাড়ির পাশে একটি চায়ের দোকানে চা খাচ্ছিলেন বাবা। এ সময় হঠাৎ আমার ছোট ভাই হানিফ গরু জবাই করা ছুড়ি নিয়ে বাবাকে কোপাতে থাকে। এতে বাবার হাতের চার আঙুল বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এ সময় দোকানের থাকা অন্যান্য লোকজন চিৎকার দিলে হানিফ পালিয়ে যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে মাগুরা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়।

মাগুরা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক বলেন, শফিউর রহমান বলেন, ধারালো অস্ত্রের আঘাতে তালুসহ আঙুল বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। তাছাড়া মাথা থেকে ঘাড় বরাবর ধারালো ছুটির আঘাত রয়েছে। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তবে রোগীর অবস্থা আশঙ্কাজনক।

মাগুরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মঞ্জুর আলম বলেন, গুরুতর জখম শহীদুল হকের চিকিৎসা চলছে। ছেলে হানিফ মিয়াকে আটকের চেষ্টা চলছে।