ঢাকা ০৭:১৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টাকা খেয়ে ভোট দিলে নেতা এসে রাস্তা খেয়ে ফেলবে: আখতার হোসেন সুষ্ঠু নির্বাচনে জার্মানির সহায়তা চাইলেন জামায়াত আমির জাতীয় পতাকা হাতে প্যারাস্যুট জাম্প, গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে বাংলাদেশ বরেণ্য লোকসংগীতশিল্পী ও মুক্তিযুদ্ধের কণ্ঠযোদ্ধা মলয় কুমার মারা গেছেন ভবিষ্যৎ অর্থনীতির শক্ত ভিত্তি গড়ার দায়িত্ব সরকারের : আশিক মাহমুদ গণভোটে ‘হ্যাঁ’র পক্ষে বিএনপি : নজরুল ইসলাম খান অবিলম্বে মার্কিন নাগরিকদের ইরান ত্যাগের নির্দেশ প্রতারণা করে অর্থ আদায়, ৫১ হাজার সিমসহ ৫ চীনা নাগরিক গ্রেপ্তার সংসদে আর নৃত্যগীত হবে না, মানুষের উন্নয়নের কথা বলা হবে: সালাহউদ্দিন আলোচনার মাধ্যমে সমাধান খুঁজতে বাংলাদেশকে অনুরোধ আইসিসির, অনড় বিসিবি

‘আত্মঘাতী গোলে’ জয় বার্সেলোনার

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

স্পোর্টিংয়ের বিপক্ষে বেশ কষ্ট করেই জিতল বার্সেলোনা। লিসবনে পূর্ণশক্তির দল নিয়েও জয়টা এসেছে এক আত্মঘাতী গোলে। লিওনেল মেসির ফ্রিকিক থেকে লুইস সুয়ারেজের একটি হেড ফেরাতে গিয়ে নিজেদের জালেই বল জড়িয়ে দেন স্পোর্টিংয়ের সেবাস্তিয়ান কোয়াতেস। ১-০ গোল এই জয় দিয়ে চ্যাম্পিয়নস জয়ের ধারা অব্যাহত রাখল বার্সা। কিন্তু পর্তুগিজ-রাজধানীতে আজকের এই জয় সমর্থকদের কতটা খুশি করতে পারবে, সে ব্যাপারটা থাকছেই।

প্রথমার্ধটা ছিল বার্সার জন্য প্রচণ্ড হতাশার। দ্বিতীয়ার্ধে কোয়াতাসের আত্মঘাতী গোলটি দিয়ে মেসির ৫৯৩ তম ম্যাচের উপলক্ষ রাঙাতে হয় ভেলভের্দের শিষ্যদের। বার্সার জার্সিতে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলা খেলোয়াড়দের তালিকায় মেসি এখন কার্লোস পুয়োলের সঙ্গে যৌথভাবে তৃতীয়।

মৌসুমটা এমনিতেই দারুণ আত্মবিশ্বাসের সঙ্গেই শুরু করেছে বার্সেলোনা। এখনো পর্যন্ত যতগুলো খেলা হয়েছে, তাতে বার্সাকে ঠেকানোর কোনো পথ খুঁজে পায়নি প্রতিপক্ষ। প্রথম ৬ ম্যাচ জিতে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদের চেয়ে এগিয়ে আছে ৭ পয়েন্টে। চ্যাম্পিয়নস লিগের শুরুটাও করেছে দুর্দান্তই। প্রথম ম্যাচেই জুভেন্টাসকে উড়িয়েছে তারা। কিন্তু আজকের ম্যাচটি কিন্তু একটা বড় খচখচানি তৈরি করছে সমর্থকদের মধ্যে। তবে স্পোর্টিংয়ের বিপক্ষে বার্সার সাধারণ মানের হয়ে থাকার কারণ তো আছেই।

জুভেন্টাসের বিপক্ষে জোড়া গোল করা দলের প্রাণভোমরা মেসি তো আজ ছিলেন একেবারেই নিষ্প্রভ।

বলের দখলটা পায়ে রাখলেও প্রথমার্ধে খুব ভালো কোনো সুযোগ তৈরি করতে পারেনি মেসির দল। ২৮ মিনিটে অবশ্য সার্জি রবার্তোর পাস থেকে লুইস সুয়ারেজের শট ঠেকিয়ে দেন স্পোর্টিং গোলকিপার লুই পাত্রিসিও। এর পরপরই সুয়ারেজের ক্রস থেকে মেসির হেড সহজেই ধরে ফেলেন পাত্রিসিও।
৪৯ তম মিনিটে আত্মঘাতী গোলটির জন্য ভাগ্যকে ধন্যবাদ দিতেই পারে বার্সেলোনা। মেসির ফ্রিকিক থেকে বলটি সুয়ারেজের মাথায় লেগে গোলের দিকে যেতেই তাতে পা লাগিয়ে দিলেন কোয়াতেস। গোল হয়ে গেল তাতেই। কোয়াতেস ভাবতেই পারেননি বল এভাবে যে তাঁর পায়ে লেগে যাবে।
৭০ মিনিটে স্পোর্টিং গোলটা পরিশোধ করে দিতেই পারত। কিন্তু সেটি হয়নি বার্সা গোলকিপার টের-স্টেগেনের দৃঢ়তায়। ডি বক্সের মধ্য থেকে ব্রুনো ফার্নান্দেজের দুর্দান্ত শটটি ঠেকিয়ে দেন তিনি। খেলা শেষ হওয়ার অল্পক্ষণ আগে ভালো একটি সুযোগ নষ্ট করেন পাওলিনহো।
ম্যাচ শেষে বার্সেলোনার পারফরম্যান্স নিয়ে কোনো নেতিবাচক কথা শুনতে চাননি কোচ ভেলভের্দে। সংবাদ সম্মেলনে এসে তিনি সোজা-সাপটাই জানিয়ে দিয়েছেন এই ম্যাচ থেকে পাওয়া ৩ পয়েন্টই তাঁর কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ, ‘কে কি বলল, এসব নিয়ে আমি মাথা ঘামাই না। যে কেউই নিজেদের মত প্রকাশ করতে পারে। জয় পেলেই আমি খুশি।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘আত্মঘাতী গোলে’ জয় বার্সেলোনার

আপডেট সময় ১২:৫৪:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৭

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

স্পোর্টিংয়ের বিপক্ষে বেশ কষ্ট করেই জিতল বার্সেলোনা। লিসবনে পূর্ণশক্তির দল নিয়েও জয়টা এসেছে এক আত্মঘাতী গোলে। লিওনেল মেসির ফ্রিকিক থেকে লুইস সুয়ারেজের একটি হেড ফেরাতে গিয়ে নিজেদের জালেই বল জড়িয়ে দেন স্পোর্টিংয়ের সেবাস্তিয়ান কোয়াতেস। ১-০ গোল এই জয় দিয়ে চ্যাম্পিয়নস জয়ের ধারা অব্যাহত রাখল বার্সা। কিন্তু পর্তুগিজ-রাজধানীতে আজকের এই জয় সমর্থকদের কতটা খুশি করতে পারবে, সে ব্যাপারটা থাকছেই।

প্রথমার্ধটা ছিল বার্সার জন্য প্রচণ্ড হতাশার। দ্বিতীয়ার্ধে কোয়াতাসের আত্মঘাতী গোলটি দিয়ে মেসির ৫৯৩ তম ম্যাচের উপলক্ষ রাঙাতে হয় ভেলভের্দের শিষ্যদের। বার্সার জার্সিতে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলা খেলোয়াড়দের তালিকায় মেসি এখন কার্লোস পুয়োলের সঙ্গে যৌথভাবে তৃতীয়।

মৌসুমটা এমনিতেই দারুণ আত্মবিশ্বাসের সঙ্গেই শুরু করেছে বার্সেলোনা। এখনো পর্যন্ত যতগুলো খেলা হয়েছে, তাতে বার্সাকে ঠেকানোর কোনো পথ খুঁজে পায়নি প্রতিপক্ষ। প্রথম ৬ ম্যাচ জিতে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদের চেয়ে এগিয়ে আছে ৭ পয়েন্টে। চ্যাম্পিয়নস লিগের শুরুটাও করেছে দুর্দান্তই। প্রথম ম্যাচেই জুভেন্টাসকে উড়িয়েছে তারা। কিন্তু আজকের ম্যাচটি কিন্তু একটা বড় খচখচানি তৈরি করছে সমর্থকদের মধ্যে। তবে স্পোর্টিংয়ের বিপক্ষে বার্সার সাধারণ মানের হয়ে থাকার কারণ তো আছেই।

জুভেন্টাসের বিপক্ষে জোড়া গোল করা দলের প্রাণভোমরা মেসি তো আজ ছিলেন একেবারেই নিষ্প্রভ।

বলের দখলটা পায়ে রাখলেও প্রথমার্ধে খুব ভালো কোনো সুযোগ তৈরি করতে পারেনি মেসির দল। ২৮ মিনিটে অবশ্য সার্জি রবার্তোর পাস থেকে লুইস সুয়ারেজের শট ঠেকিয়ে দেন স্পোর্টিং গোলকিপার লুই পাত্রিসিও। এর পরপরই সুয়ারেজের ক্রস থেকে মেসির হেড সহজেই ধরে ফেলেন পাত্রিসিও।
৪৯ তম মিনিটে আত্মঘাতী গোলটির জন্য ভাগ্যকে ধন্যবাদ দিতেই পারে বার্সেলোনা। মেসির ফ্রিকিক থেকে বলটি সুয়ারেজের মাথায় লেগে গোলের দিকে যেতেই তাতে পা লাগিয়ে দিলেন কোয়াতেস। গোল হয়ে গেল তাতেই। কোয়াতেস ভাবতেই পারেননি বল এভাবে যে তাঁর পায়ে লেগে যাবে।
৭০ মিনিটে স্পোর্টিং গোলটা পরিশোধ করে দিতেই পারত। কিন্তু সেটি হয়নি বার্সা গোলকিপার টের-স্টেগেনের দৃঢ়তায়। ডি বক্সের মধ্য থেকে ব্রুনো ফার্নান্দেজের দুর্দান্ত শটটি ঠেকিয়ে দেন তিনি। খেলা শেষ হওয়ার অল্পক্ষণ আগে ভালো একটি সুযোগ নষ্ট করেন পাওলিনহো।
ম্যাচ শেষে বার্সেলোনার পারফরম্যান্স নিয়ে কোনো নেতিবাচক কথা শুনতে চাননি কোচ ভেলভের্দে। সংবাদ সম্মেলনে এসে তিনি সোজা-সাপটাই জানিয়ে দিয়েছেন এই ম্যাচ থেকে পাওয়া ৩ পয়েন্টই তাঁর কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ, ‘কে কি বলল, এসব নিয়ে আমি মাথা ঘামাই না। যে কেউই নিজেদের মত প্রকাশ করতে পারে। জয় পেলেই আমি খুশি।’