আকাশ জাতীয় ডেস্ক:
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় নিখোঁজ ইজিবাইক চালক কিশোর হাফিজের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ইজিবাইকের জন্য পরিকল্পিতভাবে চারজন মিলে গলায় নাইলনের সুতা পেঁচিয়ে হাফিজকে হত্যা করে।
রোববার ভোরে মুন্সীগঞ্জ জেলার সিরাজদিখান উপজেলার জৈনসার গ্রাম থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। এরপর ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ শহরের ভিক্টোরিয়া জেনারেল হাসপাতাল মর্গে লাশটি প্রেরণ করা হয়েছে।
নিহত হাফিজ (১৬) নারায়ণগঞ্জ জেলার আড়াইহাজার থানার মধ্যেরচর এলাকার মাজহারুল ইসলামের ছেলে। সে ফতুল্লার ভুইঘর এলাকায় মিন্টু মিয়ার বাড়িতে ভাড়া থেকে একই এলাকার জামালের ইজিবাইক ভাড়ায় চালাত।
এ ঘটনায় পুলিশ জিসান (২০) নামে একজনকে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারকৃত জিসান ফতুল্লার ভুইঘরের ফরহাদ মিয়ার ছেলে।
এর আগে নিহত হাফিজের বাবা মাজহারুল ইসলাম বাদী হয়ে ১৩ নভেম্বর দুপুরে ফতুল্লা থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। ডায়েরিতে উল্লেখ করেন- ১২ নভেম্বর সকালে হাফিজ ভুইঘর এলাকার জামালের গ্যারেজ থেকে ইজিবাইক ভাড়া নিয়ে রোজগারের উদ্দেশ্যে বের হয়। এরপর থেকে তার কোনো খোঁজ না পেয়ে থানায় ডায়েরি করা হয়।
ফতুল্লা মডেল থানার ওসি রকিবুজ্জামান জানান, নিহত হাফিজের বাবার সাধারণ ডায়েরির সূত্র ধরে পুলিশ তদন্তে নামে। তদন্তের একপর্যায়ে জিসানকে গ্রেফতার করা হয়।
তিনি জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত জিসান জানিয়েছে ইজিবাইক ছিনিয়ে নেওয়ার জন্য পরিকল্পিতভাবে হাফিজকে মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান থানার জৈনসার গ্রামে একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যায় তারা। সেখানে চারজন মিলে গলায় নাইলনের সুতা পেঁচিয়ে হাফিজকে হত্যা করা হয়।
ওসি আরও জানান, হাফিজকে হত্যা শেষে বিলের কাদামাটির ভেতরে মরদেহ পুঁতে রেখে উপরে কচুরিপানা দিয়ে ঢেকে রাখা হয়। পরে তারা হাফিজের ইজিবাইক নিয়ে যায়। জিসানের দেওয়া এ তথ্যের সত্যতা জানতে তাকে নিয়ে মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানের জৈনসার এলাকায় যাওয়া হয়।
এরপর জিসানের দেখিয়ে দেওয়া স্থান থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের গ্রেফতারে চেষ্টা চলছে।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 
























