ঢাকা ০৮:৫৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টাকা খেয়ে ভোট দিলে নেতা এসে রাস্তা খেয়ে ফেলবে: আখতার হোসেন সুষ্ঠু নির্বাচনে জার্মানির সহায়তা চাইলেন জামায়াত আমির জাতীয় পতাকা হাতে প্যারাস্যুট জাম্প, গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে বাংলাদেশ বরেণ্য লোকসংগীতশিল্পী ও মুক্তিযুদ্ধের কণ্ঠযোদ্ধা মলয় কুমার মারা গেছেন ভবিষ্যৎ অর্থনীতির শক্ত ভিত্তি গড়ার দায়িত্ব সরকারের : আশিক মাহমুদ গণভোটে ‘হ্যাঁ’র পক্ষে বিএনপি : নজরুল ইসলাম খান অবিলম্বে মার্কিন নাগরিকদের ইরান ত্যাগের নির্দেশ প্রতারণা করে অর্থ আদায়, ৫১ হাজার সিমসহ ৫ চীনা নাগরিক গ্রেপ্তার সংসদে আর নৃত্যগীত হবে না, মানুষের উন্নয়নের কথা বলা হবে: সালাহউদ্দিন আলোচনার মাধ্যমে সমাধান খুঁজতে বাংলাদেশকে অনুরোধ আইসিসির, অনড় বিসিবি

প্রেমের ফাঁদে ফেলে স্কুলছাত্রীকে অপহরণ, উদ্ধার হয়নি ৪ দিনেও

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রংপুর নগরীর পীরজাবাদে প্রেমের ফাঁদে ফেলে ষষ্ঠ শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে অপহরণের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় মেয়েকে উদ্ধারে মেট্রোপলিটন কোতোয়ালি থানায় অভিযুক্ত আসামি শাহ আমানত আমানের (২৩) নামে একটি মামলা দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী ওই স্কুলছাত্রীর মা।

কিন্তু গত চার দিনেও তাকে উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ। বরং আসামিদের হুমকি-ধামকিতে চরম নিরাপত্তাহীতায় ভুগছেন তারা। তবে পুলিশ বলছে, তাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ভুক্তভোগীর পরিবার ও অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, রংপুর নগরীর পীরজাবাদ প্রাইম গেট এলাকায় অপহরণের শিকার ওই স্কুলছাত্রীর ভাইয়ের একটি মোটরসাইকেল ওয়ার্কশপের কর্মচারী পাভেল মিয়া। তার বন্ধু পরিচয়ের সূত্র ধরে ওই ছাত্রীকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে শাহ আমানত আমান (২৩)।

ওই দোকান কর্মচারী পাভেলের বন্ধু অপহরণকারী শাহ আমানত আমান নগরীর নুরপুর নার্সারি গেট এলাকার আবুল কালামের ছেলে। তার বাবা এলাকায় গাঁজা ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত। শাহ আমানত আমানও মাদকাসক্ত। নগরীর একটি স্কুলের ষষ্ঠ শ্রেণির ওই ছাত্রীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে আমানত। পরে তাকে ব্ল্যাকমেইল করে তার আপত্তিকর ছবি তুলে ভয় দেখিয়ে অপহরণ করেছে বলে অভিযোগে জানা গেছে।

তার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কের ঘটনা জানাজানি হলে স্কুলছাত্রীর মাসহ পরিবারের লোকজন বাধা দেন। এ নিয়ে অপহরণের শিকার ওই ছাত্রীকে অপহরণ করাসহ তাদের দেখে নেওয়ার হুমকি দেয় অভিযুক্ত আসামি। পরে গত ১৫ সেপ্টেম্বর দুপুরে স্কুলছাত্রীকে বাড়ির সামনে একা পেয়ে মাইক্রোবাসে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায় আমান ও তার সঙ্গীরা। পরে মেয়েকে অনেক খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে অপহরণকারী শাহ আমানত আমানের বাড়িতে মেয়ের সন্ধানে যান ওই স্কুলছাত্রীর মাসহ পরিবারের সদস্যরা। সেখানে গেলে আমানের বাবাসহ পরিবারের লোকজন তাদের ভয়ভীতি ও হুমকি-ধামকি প্রদর্শন করে তাড়িয়ে দেয়।

পরে তারা মেট্রোপলিটন কোতোয়ালি থানায় আমান ও তার বাবা আবুল কালামসহ অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে আসামি করে অভিযোগ দায়ের করেন। কিন্তু পুলিশ গত চার দিনেও অপহরণের শিকার ওই স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করতে পারেনি।

এ ব্যাপারে মেট্রোপলিটন কোতোয়ালি থানার ওসি রাজিফুজ্জামান বসুনিয়া জানান, অভিযোগ পাওয়ার পরই ওই স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করতে অভিযান চলছে। আশা করি দ্রুতই উদ্ধার করতে পারব।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রেমের ফাঁদে ফেলে স্কুলছাত্রীকে অপহরণ, উদ্ধার হয়নি ৪ দিনেও

আপডেট সময় ১০:৩৪:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রংপুর নগরীর পীরজাবাদে প্রেমের ফাঁদে ফেলে ষষ্ঠ শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে অপহরণের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় মেয়েকে উদ্ধারে মেট্রোপলিটন কোতোয়ালি থানায় অভিযুক্ত আসামি শাহ আমানত আমানের (২৩) নামে একটি মামলা দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী ওই স্কুলছাত্রীর মা।

কিন্তু গত চার দিনেও তাকে উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ। বরং আসামিদের হুমকি-ধামকিতে চরম নিরাপত্তাহীতায় ভুগছেন তারা। তবে পুলিশ বলছে, তাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ভুক্তভোগীর পরিবার ও অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, রংপুর নগরীর পীরজাবাদ প্রাইম গেট এলাকায় অপহরণের শিকার ওই স্কুলছাত্রীর ভাইয়ের একটি মোটরসাইকেল ওয়ার্কশপের কর্মচারী পাভেল মিয়া। তার বন্ধু পরিচয়ের সূত্র ধরে ওই ছাত্রীকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে শাহ আমানত আমান (২৩)।

ওই দোকান কর্মচারী পাভেলের বন্ধু অপহরণকারী শাহ আমানত আমান নগরীর নুরপুর নার্সারি গেট এলাকার আবুল কালামের ছেলে। তার বাবা এলাকায় গাঁজা ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত। শাহ আমানত আমানও মাদকাসক্ত। নগরীর একটি স্কুলের ষষ্ঠ শ্রেণির ওই ছাত্রীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে আমানত। পরে তাকে ব্ল্যাকমেইল করে তার আপত্তিকর ছবি তুলে ভয় দেখিয়ে অপহরণ করেছে বলে অভিযোগে জানা গেছে।

তার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কের ঘটনা জানাজানি হলে স্কুলছাত্রীর মাসহ পরিবারের লোকজন বাধা দেন। এ নিয়ে অপহরণের শিকার ওই ছাত্রীকে অপহরণ করাসহ তাদের দেখে নেওয়ার হুমকি দেয় অভিযুক্ত আসামি। পরে গত ১৫ সেপ্টেম্বর দুপুরে স্কুলছাত্রীকে বাড়ির সামনে একা পেয়ে মাইক্রোবাসে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায় আমান ও তার সঙ্গীরা। পরে মেয়েকে অনেক খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে অপহরণকারী শাহ আমানত আমানের বাড়িতে মেয়ের সন্ধানে যান ওই স্কুলছাত্রীর মাসহ পরিবারের সদস্যরা। সেখানে গেলে আমানের বাবাসহ পরিবারের লোকজন তাদের ভয়ভীতি ও হুমকি-ধামকি প্রদর্শন করে তাড়িয়ে দেয়।

পরে তারা মেট্রোপলিটন কোতোয়ালি থানায় আমান ও তার বাবা আবুল কালামসহ অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে আসামি করে অভিযোগ দায়ের করেন। কিন্তু পুলিশ গত চার দিনেও অপহরণের শিকার ওই স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করতে পারেনি।

এ ব্যাপারে মেট্রোপলিটন কোতোয়ালি থানার ওসি রাজিফুজ্জামান বসুনিয়া জানান, অভিযোগ পাওয়ার পরই ওই স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করতে অভিযান চলছে। আশা করি দ্রুতই উদ্ধার করতে পারব।