ঢাকা ১০:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

অনন্ত জলিলের যে স্ট্যাটাসে ফেসবুকে তোলপাড়

আকাশ বিনোদন ডেস্ক :

ঢাকাই সিনেমার চিত্রনায়ক ও প্রযোজক অনন্ত জলিল একজন ব্যবসায়ী। তিনি গার্মেন্ট ব্যবসা করেন। তিনি কমার্শিয়াল ইমপর্টটেন্ট পারসন খেতাবপ্রাপ্ত (সিআইপি)।

খ্যাতিমান এই ব্যবসায়ী সম্প্রতি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে গার্মেন্টকর্মীদের উদ্দেশে দিয়েছেন এক জরুরি নোটিশ। সেই নোটিশে শ্রমিকদের দ্রুত কর্মস্থলে ফেরার তাগিদ দিয়েছেন। তার ওই স্ট্যাটাস নিয়ে ফেসবুকে তোলপাড় চলছে।

কী ছিল সেই নোটিশে?

করোনাভাইরাস ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণের মধ্যেই রোববার থেকে রফতানিমুখী শিল্পকারখানা খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছে সরকার। এর প্রেক্ষিতে চিত্রনায়ক তার শিল্প-প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা এবং শ্রমিকদের রোববার থেকে কর্মস্থলে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন।

কিন্তু সর্বাত্মক লকডাউনে গণপরিবহণ বন্ধ। শ্রমিকরা কীভাবে কারখানায় ফিরবে সেই বাস্তবতা বেশ কঠিন। সরকারি নির্দেশ পেয়ে অনেকে গাড়ি না পেয়ে হেঁটেই ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়েছেন।

শ্রমিকদের এমন দুর্ভোগ দেখে অধিকাংশ নেটিজেনের ভাষ্য- গণপরিবহন বন্ধ থাকায় গ্রাম থেকে কীভাবে আসবে শ্রমিকরা?

অনন্তর এই স্ট্যাটাসে মাহবুব নামে একজন লিখেছেন, ‘শিল্পকারখানা খুলবে ১ তারিখে আর লকডাউন ৫ তারিখ পর্যন্ত। তবে গ্রামে আটকা পড়া শ্রমিকরা কি স্পেসশিপে করে ঢাকায় পৌঁছাবে?’

ফাহিম মোর্শেদ ইভান নাম একজন ব্যাঙ্গ করে লিখেছেন, ‘স্যার, কারখানা ‘The Factory’তে আসার জন্য গাড়ি ‘The Car’ দেবেন না?’

ফাতেমা নামের আরেকজনের ভাষ্য, ‘সবসময় বলেন আপনি শ্রমিক বান্ধব- এই তার নমুনা? আপনার সিনেমায় যেমন ক্ষমতা থাকে শ্রমিকদের তো তা নেই, একটাবার চিন্তা করলেন না, গণপরিবহন না চললে কীভাবে তারা ফিরবে? শ্রমিকদের কথা চিন্তা করে সিদ্ধান্ত বদলে ফেলুন, নয়তো গণপরিবহন চালুর ব্যবস্থা করুন।’

গাজী মোমিনা নামে একজন ফেসবুক ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘অনন্ত সাহেব, সারাদেশে লকডাউন আপনার কি জানা নাই? লকডাউন উপেক্ষা করে শ্রমিকগণ কি করে কর্মস্থলে উপস্থিত থাকবে আপনার কি সেই সাধারণ জ্ঞানটুকুও নাই? শ্রমিকদের কি আপনার মানুষ বলে মনে হয় না? তাদের জীবন কি জীবন নয়? একটু বিবেচনাবোধ রাখা উচিত আপনাদের মতো মালিকদের।’

শামীম নামের ক্ষুব্ধ একজন লিখেছেন, স্যার, বেয়াদবি মাফ করবেন। আপনারা ফ্যাক্টরি খোলার জন্য সরকারের বিভিন্ন মহলে দিনের পর দিন দৌড়া-দৌড়ি করেছেন। অথচ শ্রমিকদের যাতায়াত ব্যবস্থার ব্যাপারে কোনো ধরনের সুপারিশ করেননি। আপনারা নোটিশ দিচ্ছেন কেউ যেন অনুপস্থিত না থাকে।’

তবে এমন অসংখ্য প্রতিক্রিয়ার প্রেক্ষিতে অনন্ত জলিলের কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি ফেসবুকে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

অনন্ত জলিলের যে স্ট্যাটাসে ফেসবুকে তোলপাড়

আপডেট সময় ০১:১১:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ অগাস্ট ২০২১

আকাশ বিনোদন ডেস্ক :

ঢাকাই সিনেমার চিত্রনায়ক ও প্রযোজক অনন্ত জলিল একজন ব্যবসায়ী। তিনি গার্মেন্ট ব্যবসা করেন। তিনি কমার্শিয়াল ইমপর্টটেন্ট পারসন খেতাবপ্রাপ্ত (সিআইপি)।

খ্যাতিমান এই ব্যবসায়ী সম্প্রতি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে গার্মেন্টকর্মীদের উদ্দেশে দিয়েছেন এক জরুরি নোটিশ। সেই নোটিশে শ্রমিকদের দ্রুত কর্মস্থলে ফেরার তাগিদ দিয়েছেন। তার ওই স্ট্যাটাস নিয়ে ফেসবুকে তোলপাড় চলছে।

কী ছিল সেই নোটিশে?

করোনাভাইরাস ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণের মধ্যেই রোববার থেকে রফতানিমুখী শিল্পকারখানা খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছে সরকার। এর প্রেক্ষিতে চিত্রনায়ক তার শিল্প-প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা এবং শ্রমিকদের রোববার থেকে কর্মস্থলে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন।

কিন্তু সর্বাত্মক লকডাউনে গণপরিবহণ বন্ধ। শ্রমিকরা কীভাবে কারখানায় ফিরবে সেই বাস্তবতা বেশ কঠিন। সরকারি নির্দেশ পেয়ে অনেকে গাড়ি না পেয়ে হেঁটেই ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়েছেন।

শ্রমিকদের এমন দুর্ভোগ দেখে অধিকাংশ নেটিজেনের ভাষ্য- গণপরিবহন বন্ধ থাকায় গ্রাম থেকে কীভাবে আসবে শ্রমিকরা?

অনন্তর এই স্ট্যাটাসে মাহবুব নামে একজন লিখেছেন, ‘শিল্পকারখানা খুলবে ১ তারিখে আর লকডাউন ৫ তারিখ পর্যন্ত। তবে গ্রামে আটকা পড়া শ্রমিকরা কি স্পেসশিপে করে ঢাকায় পৌঁছাবে?’

ফাহিম মোর্শেদ ইভান নাম একজন ব্যাঙ্গ করে লিখেছেন, ‘স্যার, কারখানা ‘The Factory’তে আসার জন্য গাড়ি ‘The Car’ দেবেন না?’

ফাতেমা নামের আরেকজনের ভাষ্য, ‘সবসময় বলেন আপনি শ্রমিক বান্ধব- এই তার নমুনা? আপনার সিনেমায় যেমন ক্ষমতা থাকে শ্রমিকদের তো তা নেই, একটাবার চিন্তা করলেন না, গণপরিবহন না চললে কীভাবে তারা ফিরবে? শ্রমিকদের কথা চিন্তা করে সিদ্ধান্ত বদলে ফেলুন, নয়তো গণপরিবহন চালুর ব্যবস্থা করুন।’

গাজী মোমিনা নামে একজন ফেসবুক ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘অনন্ত সাহেব, সারাদেশে লকডাউন আপনার কি জানা নাই? লকডাউন উপেক্ষা করে শ্রমিকগণ কি করে কর্মস্থলে উপস্থিত থাকবে আপনার কি সেই সাধারণ জ্ঞানটুকুও নাই? শ্রমিকদের কি আপনার মানুষ বলে মনে হয় না? তাদের জীবন কি জীবন নয়? একটু বিবেচনাবোধ রাখা উচিত আপনাদের মতো মালিকদের।’

শামীম নামের ক্ষুব্ধ একজন লিখেছেন, স্যার, বেয়াদবি মাফ করবেন। আপনারা ফ্যাক্টরি খোলার জন্য সরকারের বিভিন্ন মহলে দিনের পর দিন দৌড়া-দৌড়ি করেছেন। অথচ শ্রমিকদের যাতায়াত ব্যবস্থার ব্যাপারে কোনো ধরনের সুপারিশ করেননি। আপনারা নোটিশ দিচ্ছেন কেউ যেন অনুপস্থিত না থাকে।’

তবে এমন অসংখ্য প্রতিক্রিয়ার প্রেক্ষিতে অনন্ত জলিলের কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি ফেসবুকে।