ঢাকা ১২:১৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির

দুই দিনে পুঁজিবাজারে মূলধন বেড়েছে ১৯ হাজার কোটি

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ঈদুল আজহার ছুটির কারণে গেল সপ্তাহে মাত্র দুই কার্যদিবস লেনদেন চালু ছিল দেশের পুঁজিবাজারে। এই দুই দিনেই (১৮ ও ১৯ জুলাই) দেশের দুই পুঁজিবাজারে মূলধন বেড়েছে প্রায় ১৯ হাজার কোটি টাকা। এসময়ে বেড়েছে লেনদেন হওয়া বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দর।

আলোচ্য সময়ে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) বাজার মূলধন প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা এবং চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) বাজার মূলধন বেড়েছে প্রায় নয় হাজার কোটি টাকা।

গেল সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসের লেনদেন শেষে ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ৩৫ হাজার ১৮৫ কোটি টাকা। আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে যা ছিল ৫ লাখ ২৫ হাজার ২৭১ কোটি টাকা। অর্থাৎ গেল সপ্তাহে ডিএসইর বাজার মূলধন বেড়েছে ৯ হাজার ৯১৪ কোটি টাকা।

গেল সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসের লেনদেন শেষে সিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৪ লাখ ৫৭ হাজার ৮৪০ কোটি টাকা। যা তার আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ছিল ৪ লাখ ৪৮ হাজার ৮৯৪ কোটি টাকা। অর্থাৎ গেল সপ্তাহে সিএসইর বাজার মূলধন বেড়েছে ৮ হাজার ৯৪৬ কোটি টাকা।

দুই পুঁজিবাজারে সপ্তাহের ব্যবধানে মোট মূলধন বেড়েছে ১৮ হাজার ৮৬০ কোটি টাকা।

এদিকে গত সপ্তাহজুড়ে ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স বেড়েছে ৯৭ দশমিক ৬৯ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ৫৫ শতাংশ। আগের সপ্তাহে সূচকটি বাড়ে ৯৪ দশমিক ৫৯ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ৫২ শতাংশ এবং তার আগের সপ্তাহে বাড়ে ৬২ দশমিক ২৯ পয়েন্ট বা ১ দশমিক শূন্য ১ শতাংশ। অর্থাৎ তিন সপ্তাহে ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক বেড়েছে ২৫৫ পয়েন্ট।

তিন সপ্তাহের টানা উত্থানের কারণে ইতিহাসের সর্বোচ্চ অবস্থাতে পৌঁছে গেছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স। মূল্যসূচকের ভুল গণনা বন্ধ করতে ২০১৩ সালের ২৭ জানুয়ারি নতুন সূচক ডিএসইএক্স চালু করে ডিএসই। ৪ হাজার ৫৫ দশমিক ৯০ পয়েন্ট দিয়ে শুরু হওয়া সূচকটি এই প্রথম ৬ হাজার চারশ পয়েন্ট স্পর্শ করেছে। বর্তমানে সূচকটি ৬ হাজার ৪০৫ দশমিক শূন্য ৪ পয়েন্টে অবস্থান করছে। অপরদিকে ইসলামি শরিয়াহ ভিত্তিতে পরিচালিত কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই শরিয়াহ্ সূচকও গত সপ্তাহজুড়ে বেড়েছে। গত সপ্তাহে সূচকটি বেড়েছে ২৮ দশমিক ৪০ পয়েন্ট বা ২ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ। সপ্তাহের প্রতি কার্যদিবসে ডিএসইতে গড়ে লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ৫২৮ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। আগের সপ্তাহে প্রতিদিন গড়ে লেনদেন হয় ১ হাজার ৬৭৬ কোটি ৬২ লাখ টাকা। অর্থাৎ প্রতি কার্যদিবসে গড় লেনদেন কমেছে ১৪৭ কোটি ৮৭ লাখ টাকা বা ৮ দশমিক ৮২ শতাংশ।

অপরদিকে, সপ্তাহটিতে সিএসইর সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ২৫১ পয়েন্ট বা ১.৩৭ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৮ হাজার ৫৬৯ পয়েন্টে। সিএসইর অপর সূচকগুলোর মধ্যে সিএসসিএক্স ১৩৭ পয়েন্ট বা ১.৪৩ শতাংশ, সিএসই-৫০ সূচক ২৪ পয়েন্ট বা ১.৮১ শতাংশ এবং সিএসআই ১৭ পয়েন্ট বা ১.৫২ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে ১১ হাজার ১৪৭ পয়েন্ট, ১ হাজার ৩৪৫ পয়েন্টে এবং সিএসআই ১ হাজর ১৫৯ পয়েন্টে। আর সিএসই-৩০ সূচক ২৪ পয়েন্ট বা ২.৪১ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩ হাজার ৭৫৩ পয়েন্টে।

সপ্তাহজুড়ে সিএসইতে ৩৩০টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট লেনদেনে অংশ নিয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ২০১টির দর বেড়েছে,কমেছে ১০৯টির এবং ২০টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে।

আর গত সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে তিন হাজার ৫৭ কোটি ৫১ লাখ টাকা। আগের সপ্তাহে লেনদেন হয় ছয় হাজার ৭০৬ কোটি ৪৮ লাখ টাকা। সে হিসাবে মোট লেনদেন কমেছে তিন হাজার ৬৪৮ কোটি ৯৭ লাখ টাকা বা ৫৪ দশমিক ৪১ শতাংশ। মোট লেনদেন বেশি কমার কারণ গত সপ্তাহে পুঁজিবাজারে লেনদেন হয়েছে মাত্র দুই কার্যদিবস।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

দুই দিনে পুঁজিবাজারে মূলধন বেড়েছে ১৯ হাজার কোটি

আপডেট সময় ০৪:৪৮:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জুলাই ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ঈদুল আজহার ছুটির কারণে গেল সপ্তাহে মাত্র দুই কার্যদিবস লেনদেন চালু ছিল দেশের পুঁজিবাজারে। এই দুই দিনেই (১৮ ও ১৯ জুলাই) দেশের দুই পুঁজিবাজারে মূলধন বেড়েছে প্রায় ১৯ হাজার কোটি টাকা। এসময়ে বেড়েছে লেনদেন হওয়া বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দর।

আলোচ্য সময়ে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) বাজার মূলধন প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা এবং চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) বাজার মূলধন বেড়েছে প্রায় নয় হাজার কোটি টাকা।

গেল সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসের লেনদেন শেষে ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ৩৫ হাজার ১৮৫ কোটি টাকা। আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে যা ছিল ৫ লাখ ২৫ হাজার ২৭১ কোটি টাকা। অর্থাৎ গেল সপ্তাহে ডিএসইর বাজার মূলধন বেড়েছে ৯ হাজার ৯১৪ কোটি টাকা।

গেল সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসের লেনদেন শেষে সিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৪ লাখ ৫৭ হাজার ৮৪০ কোটি টাকা। যা তার আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ছিল ৪ লাখ ৪৮ হাজার ৮৯৪ কোটি টাকা। অর্থাৎ গেল সপ্তাহে সিএসইর বাজার মূলধন বেড়েছে ৮ হাজার ৯৪৬ কোটি টাকা।

দুই পুঁজিবাজারে সপ্তাহের ব্যবধানে মোট মূলধন বেড়েছে ১৮ হাজার ৮৬০ কোটি টাকা।

এদিকে গত সপ্তাহজুড়ে ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স বেড়েছে ৯৭ দশমিক ৬৯ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ৫৫ শতাংশ। আগের সপ্তাহে সূচকটি বাড়ে ৯৪ দশমিক ৫৯ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ৫২ শতাংশ এবং তার আগের সপ্তাহে বাড়ে ৬২ দশমিক ২৯ পয়েন্ট বা ১ দশমিক শূন্য ১ শতাংশ। অর্থাৎ তিন সপ্তাহে ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক বেড়েছে ২৫৫ পয়েন্ট।

তিন সপ্তাহের টানা উত্থানের কারণে ইতিহাসের সর্বোচ্চ অবস্থাতে পৌঁছে গেছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স। মূল্যসূচকের ভুল গণনা বন্ধ করতে ২০১৩ সালের ২৭ জানুয়ারি নতুন সূচক ডিএসইএক্স চালু করে ডিএসই। ৪ হাজার ৫৫ দশমিক ৯০ পয়েন্ট দিয়ে শুরু হওয়া সূচকটি এই প্রথম ৬ হাজার চারশ পয়েন্ট স্পর্শ করেছে। বর্তমানে সূচকটি ৬ হাজার ৪০৫ দশমিক শূন্য ৪ পয়েন্টে অবস্থান করছে। অপরদিকে ইসলামি শরিয়াহ ভিত্তিতে পরিচালিত কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই শরিয়াহ্ সূচকও গত সপ্তাহজুড়ে বেড়েছে। গত সপ্তাহে সূচকটি বেড়েছে ২৮ দশমিক ৪০ পয়েন্ট বা ২ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ। সপ্তাহের প্রতি কার্যদিবসে ডিএসইতে গড়ে লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ৫২৮ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। আগের সপ্তাহে প্রতিদিন গড়ে লেনদেন হয় ১ হাজার ৬৭৬ কোটি ৬২ লাখ টাকা। অর্থাৎ প্রতি কার্যদিবসে গড় লেনদেন কমেছে ১৪৭ কোটি ৮৭ লাখ টাকা বা ৮ দশমিক ৮২ শতাংশ।

অপরদিকে, সপ্তাহটিতে সিএসইর সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ২৫১ পয়েন্ট বা ১.৩৭ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৮ হাজার ৫৬৯ পয়েন্টে। সিএসইর অপর সূচকগুলোর মধ্যে সিএসসিএক্স ১৩৭ পয়েন্ট বা ১.৪৩ শতাংশ, সিএসই-৫০ সূচক ২৪ পয়েন্ট বা ১.৮১ শতাংশ এবং সিএসআই ১৭ পয়েন্ট বা ১.৫২ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে ১১ হাজার ১৪৭ পয়েন্ট, ১ হাজার ৩৪৫ পয়েন্টে এবং সিএসআই ১ হাজর ১৫৯ পয়েন্টে। আর সিএসই-৩০ সূচক ২৪ পয়েন্ট বা ২.৪১ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩ হাজার ৭৫৩ পয়েন্টে।

সপ্তাহজুড়ে সিএসইতে ৩৩০টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট লেনদেনে অংশ নিয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ২০১টির দর বেড়েছে,কমেছে ১০৯টির এবং ২০টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে।

আর গত সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে তিন হাজার ৫৭ কোটি ৫১ লাখ টাকা। আগের সপ্তাহে লেনদেন হয় ছয় হাজার ৭০৬ কোটি ৪৮ লাখ টাকা। সে হিসাবে মোট লেনদেন কমেছে তিন হাজার ৬৪৮ কোটি ৯৭ লাখ টাকা বা ৫৪ দশমিক ৪১ শতাংশ। মোট লেনদেন বেশি কমার কারণ গত সপ্তাহে পুঁজিবাজারে লেনদেন হয়েছে মাত্র দুই কার্যদিবস।