ঢাকা ০২:৩০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

বৃদ্ধকে ঘুসি দেওয়া নিয়ে যা বললেন কাদের মির্জা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বস্ত্র বিতরণে এক বৃদ্ধকে ঘুসি দিয়ে আবারও আলোচনায় এসেছেন নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা। পৌর ভবনের সামনে ঈদুল আজহা উপলক্ষে গরিব দুস্থদের মাঝে শাড়ি ও লুঙ্গি বিতরণকালে এক বৃদ্ধকে ঘুসি মারার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়।

এ বিষয়ে মেয়র আবদুল কাদের মির্জার দাবি, এক বৃদ্ধ কাপড় পাওয়ার পরও দাঁড়িয়ে থাকায় এবং একাধিকবার বলার পরও তিনি মাস্ক না পরায় তাকে হাত দিয়ে তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাকে কোনো আঘাত করা হয়নি। এ বিষয়ে তিনিও কোনো আক্ষেপ করেনি।

শুক্রবার রাত ৯ টা ৪০ মিনিটে কাদের মির্জা নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক স্ট্যাটাসে এ দাবি করেন।

কাদের মির্জা লেখেন, প্রিয় দেশবাসী, আপনারা জানেন মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে লকডাউনে জনজীবন অবরুদ্ধ হয়ে যাওয়ার পর থেকে আমি আমার পৌরসভা থেকে নিম্নআয়ের অসহায় মানুষদের জন্য বিভিন্ন সহযোগিতা করে আসছি। আমি সর্বদা চেষ্টা করছি অসহায় দুঃখি মানুষের পাশে থাকতে। আমার পৌরসভা ও আমার ব্যক্তিগত তহবিল থেকে শুধু কোম্পানিগঞ্জ নয়, কবিরহাট, দাগনভূঞা, সোনাগাজী, সেনবাগসহ বিভিন্ন এলাকায় সহযোগিতা করে আসছি। কখনো কোনো মানুষ সাহায্য প্রত্যাশা করে আমার কাছ থেকে খালি হাতে ফিরে যাননি।

আজও আমার পৌরসভায় বিভিন্ন অসহায় মানুষদের এক হাজারের বেশি শাড়ি-লুঙ্গি, পাঁচশ জনের বেশি মানুষকে নগদ অর্থ ও প্রায় দুই হাজার জনের মধ্যে চাউল বিতরণ করা হয়েছে। পৌরসভার ছোট্ট আঙিনায় সহস্রাধিক মানুষ একত্রিত হয়ে যাওয়ায় দ্রুততার সহিত কাপড় বিতরণ করতে হয়েছিল। তাই যাদের মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে তাদের দ্রুত চলে যাওয়ার জন্য বলা হচ্ছিল। তখন একটি মানুষ কাপড় পাওয়ার পরও দাঁড়িয়ে থাকায় তাকে হাত দিয়ে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাকে কোনো আঘাত করা হয়নি। এ বিষয়ে তিনি কোনো আক্ষেপও করেনি।

স্ট্যাসাসে তিনি আরও লেখেন, সবার কাছে প্রত্যাশা রাখব, অন্যের সমালোচনা না করে সামর্থ্য অনুযায়ী গরিব মানুষকে সহযোগিতা করুন। একজনের সমালোচনা না করে একটি মানুষকে সহযোগিতা করুন।

প্রসঙ্গত, শুক্রবার সকালে ঈদুল আজহা উপলক্ষে অসহায়দের মাঝে শাড়ি ও লুঙ্গি বিতরণের সময় নোয়াখালীর বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জার এক অসহায় বৃদ্ধকে ঘুষি দেওয়ার একটি ফেসবুকে ভাইরাল হয়। বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন কাদের মির্জা।

মেয়র মির্জার নিজ ফেসবুক আইডি থেকে দেওয়া লাইভের ভিডিওতে দেখা যায়, তিনি সারিবদ্ধ নারী-পুরুষের মাঝে শাড়ি ও লুঙ্গি বিতরণ করছেন। ২০ মিনিট ৫৮ সেকেন্ডের ফেসবুক লাইভ ভিডিওর ১৭ মিনিট ৩০ সেকেন্ডের সময় দেখা যায়- মেয়র মির্জা এক বৃদ্ধের হাতে শাড়ি দিয়েছেন। হাতে নেওয়ার পর ওই বৃদ্ধ শাড়িটি পরিবর্তন করে অন্যটি নিতে চাইলে কাদের মির্জা তার বুকে ঘুসি মেরে সরিয়ে দেন।

একই ভিডিওতে কিছুক্ষণ পর দেখা যায় ওই বৃদ্ধকে উদ্দেশ করে একটি শাড়ি ছুড়ে মারেন মির্জা। ভিডিওতে আরও একাধিক ব্যক্তিকে অপদস্ত করতে দেখা যায়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

বৃদ্ধকে ঘুসি দেওয়া নিয়ে যা বললেন কাদের মির্জা

আপডেট সময় ১২:৩৩:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জুলাই ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বস্ত্র বিতরণে এক বৃদ্ধকে ঘুসি দিয়ে আবারও আলোচনায় এসেছেন নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা। পৌর ভবনের সামনে ঈদুল আজহা উপলক্ষে গরিব দুস্থদের মাঝে শাড়ি ও লুঙ্গি বিতরণকালে এক বৃদ্ধকে ঘুসি মারার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়।

এ বিষয়ে মেয়র আবদুল কাদের মির্জার দাবি, এক বৃদ্ধ কাপড় পাওয়ার পরও দাঁড়িয়ে থাকায় এবং একাধিকবার বলার পরও তিনি মাস্ক না পরায় তাকে হাত দিয়ে তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাকে কোনো আঘাত করা হয়নি। এ বিষয়ে তিনিও কোনো আক্ষেপ করেনি।

শুক্রবার রাত ৯ টা ৪০ মিনিটে কাদের মির্জা নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক স্ট্যাটাসে এ দাবি করেন।

কাদের মির্জা লেখেন, প্রিয় দেশবাসী, আপনারা জানেন মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে লকডাউনে জনজীবন অবরুদ্ধ হয়ে যাওয়ার পর থেকে আমি আমার পৌরসভা থেকে নিম্নআয়ের অসহায় মানুষদের জন্য বিভিন্ন সহযোগিতা করে আসছি। আমি সর্বদা চেষ্টা করছি অসহায় দুঃখি মানুষের পাশে থাকতে। আমার পৌরসভা ও আমার ব্যক্তিগত তহবিল থেকে শুধু কোম্পানিগঞ্জ নয়, কবিরহাট, দাগনভূঞা, সোনাগাজী, সেনবাগসহ বিভিন্ন এলাকায় সহযোগিতা করে আসছি। কখনো কোনো মানুষ সাহায্য প্রত্যাশা করে আমার কাছ থেকে খালি হাতে ফিরে যাননি।

আজও আমার পৌরসভায় বিভিন্ন অসহায় মানুষদের এক হাজারের বেশি শাড়ি-লুঙ্গি, পাঁচশ জনের বেশি মানুষকে নগদ অর্থ ও প্রায় দুই হাজার জনের মধ্যে চাউল বিতরণ করা হয়েছে। পৌরসভার ছোট্ট আঙিনায় সহস্রাধিক মানুষ একত্রিত হয়ে যাওয়ায় দ্রুততার সহিত কাপড় বিতরণ করতে হয়েছিল। তাই যাদের মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে তাদের দ্রুত চলে যাওয়ার জন্য বলা হচ্ছিল। তখন একটি মানুষ কাপড় পাওয়ার পরও দাঁড়িয়ে থাকায় তাকে হাত দিয়ে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাকে কোনো আঘাত করা হয়নি। এ বিষয়ে তিনি কোনো আক্ষেপও করেনি।

স্ট্যাসাসে তিনি আরও লেখেন, সবার কাছে প্রত্যাশা রাখব, অন্যের সমালোচনা না করে সামর্থ্য অনুযায়ী গরিব মানুষকে সহযোগিতা করুন। একজনের সমালোচনা না করে একটি মানুষকে সহযোগিতা করুন।

প্রসঙ্গত, শুক্রবার সকালে ঈদুল আজহা উপলক্ষে অসহায়দের মাঝে শাড়ি ও লুঙ্গি বিতরণের সময় নোয়াখালীর বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জার এক অসহায় বৃদ্ধকে ঘুষি দেওয়ার একটি ফেসবুকে ভাইরাল হয়। বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন কাদের মির্জা।

মেয়র মির্জার নিজ ফেসবুক আইডি থেকে দেওয়া লাইভের ভিডিওতে দেখা যায়, তিনি সারিবদ্ধ নারী-পুরুষের মাঝে শাড়ি ও লুঙ্গি বিতরণ করছেন। ২০ মিনিট ৫৮ সেকেন্ডের ফেসবুক লাইভ ভিডিওর ১৭ মিনিট ৩০ সেকেন্ডের সময় দেখা যায়- মেয়র মির্জা এক বৃদ্ধের হাতে শাড়ি দিয়েছেন। হাতে নেওয়ার পর ওই বৃদ্ধ শাড়িটি পরিবর্তন করে অন্যটি নিতে চাইলে কাদের মির্জা তার বুকে ঘুসি মেরে সরিয়ে দেন।

একই ভিডিওতে কিছুক্ষণ পর দেখা যায় ওই বৃদ্ধকে উদ্দেশ করে একটি শাড়ি ছুড়ে মারেন মির্জা। ভিডিওতে আরও একাধিক ব্যক্তিকে অপদস্ত করতে দেখা যায়।