ঢাকা ১০:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে শুক্রবার থেকে মোবাইল কোর্ট: মন্ত্রী

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সরকারি-বেসরকারি যে প্রতিষ্ঠানই হোক না কেন নির্মাণাধীন, পরিত্যক্ত বা যেকোনো ভবনে পানি জমিয়ে রেখে ডেঙ্গু প্রজননে সহায়ক ভূমিকা রাখলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম।

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে দু-একদিনের মধ্যেই ঢাকা উভয় সিটি করপোরেশনে ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে জোরালোভাবে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে।

এছাড়া আগামী সোমবার এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে জরুরি সভা ডাকা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৮ জুলাই) সরকারি বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে একথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, নির্মাণাধীন ও পরিত্যক্ত ভবন অথবা বাসার ছাদ, আঙিনা, ফুলের টব, ফ্রিজ-এয়ারকন্ডিশনে কোনো অবস্থাতেই যেন জমা পানি না থাকে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। কারণ তিনদিনের বেশি জমানো পানিতে মশা প্রজনন হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

নির্মাণাধীন ও পরিত্যক্ত ভবনই হচ্ছে এডিস মশার প্রধান উর্বর জায়গা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, এসব জায়গায় জমানো পানিতে লার্ভিসাইড অথবা দশ হাজার স্কয়ার ফুট জায়গায় আড়াইশো গ্রাম কেরোসিন ঢেলে দিয়ে মশার প্রজনন ধ্বংস করা সম্ভব।

তাজুল ইসলাম বলেন, মানুষকে বারবার এসব বিয়য়ে সচেতন করার পরেও অনেকে আমলে নিচ্ছেন না। তাই উভয় সিটি করপোরেশনে দশজন করে ম্যাজিস্ট্রেট পদায়ন করা হয়েছে এবং আগামীকাল (শুক্রবার) থেকে তারা অভিযান পরিচালনা করবে। যারা নির্দেশনা অমান্য করবে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেবেন বা জরিমানা করবেন।

সরকারি নির্দেশনা অনেক সরকারি প্রতিষ্ঠানও মানছে না- এমন এক প্রশ্নের উত্তরে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, সরকারি বা বেসরকারি যে প্রতিষ্ঠানই হোক নির্মাণাধীন বা পরিত্যক্ত অথবা ব্যবহার করা ভবন যেখানেই হোক পানি জমিয়ে রেখে এডিস মশা প্রজননে ভূমিকা রাখলে আইন আনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জনগণের জান-মাল ক্ষতিগ্রস্ত করার কোনো অধিকার আমার, আপনার কারোরই নেই।

তিনি জানান, ২০১৯ সালের ডেঙ্গুর মারাত্মক ভয়াবহতার তিক্ত অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ায় ২০২০ সালে ডেঙ্গুর প্রকোপ নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হয়েছিল। এবছরও মন্ত্রণালয় থেকে পর্যাপ্ত লোকবল, কীটনাশক, ফগিং মেশিন ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় ম্যাজিস্ট্রেট পদায়ন করা হয়েছে।

তাজুল ইসলাম আশা প্রকাশ করে বলেন, সবাই মিলে কাজ করলে এডিস মশা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। জনগণকে এ ব্যাপারে সচেতন করার জন্য ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালানো হচ্ছে। উভয় সিটি করপোরেশনের মেয়র অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করছেন।

মন্ত্রী নিজে অনেক নির্মাণাধীন ভবন, বাসা-বাড়ি পরিদর্শন করেছেন উল্লেখ করে জানান, এখন দরকার মানুষের সচেতনতা। সচেতন না হলে প্রতিরোধ করা কঠিন হবে। শুধু অভিযান চালিয়ে মশা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়।

এবছরের জানুয়ারি থেকে ৭ জুলাই পর্যন্ত সর্বমোট ৫৩৬ জন ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। উত্তর সিটি করপোরেশনের তুলনায় দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে এডিস মশার প্রকোপ একটু বেশি বলে তথ্য পাওয়া গেছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে শুক্রবার থেকে মোবাইল কোর্ট: মন্ত্রী

আপডেট সময় ০৯:২৮:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জুলাই ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সরকারি-বেসরকারি যে প্রতিষ্ঠানই হোক না কেন নির্মাণাধীন, পরিত্যক্ত বা যেকোনো ভবনে পানি জমিয়ে রেখে ডেঙ্গু প্রজননে সহায়ক ভূমিকা রাখলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম।

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে দু-একদিনের মধ্যেই ঢাকা উভয় সিটি করপোরেশনে ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে জোরালোভাবে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে।

এছাড়া আগামী সোমবার এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে জরুরি সভা ডাকা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৮ জুলাই) সরকারি বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে একথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, নির্মাণাধীন ও পরিত্যক্ত ভবন অথবা বাসার ছাদ, আঙিনা, ফুলের টব, ফ্রিজ-এয়ারকন্ডিশনে কোনো অবস্থাতেই যেন জমা পানি না থাকে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। কারণ তিনদিনের বেশি জমানো পানিতে মশা প্রজনন হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

নির্মাণাধীন ও পরিত্যক্ত ভবনই হচ্ছে এডিস মশার প্রধান উর্বর জায়গা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, এসব জায়গায় জমানো পানিতে লার্ভিসাইড অথবা দশ হাজার স্কয়ার ফুট জায়গায় আড়াইশো গ্রাম কেরোসিন ঢেলে দিয়ে মশার প্রজনন ধ্বংস করা সম্ভব।

তাজুল ইসলাম বলেন, মানুষকে বারবার এসব বিয়য়ে সচেতন করার পরেও অনেকে আমলে নিচ্ছেন না। তাই উভয় সিটি করপোরেশনে দশজন করে ম্যাজিস্ট্রেট পদায়ন করা হয়েছে এবং আগামীকাল (শুক্রবার) থেকে তারা অভিযান পরিচালনা করবে। যারা নির্দেশনা অমান্য করবে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেবেন বা জরিমানা করবেন।

সরকারি নির্দেশনা অনেক সরকারি প্রতিষ্ঠানও মানছে না- এমন এক প্রশ্নের উত্তরে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, সরকারি বা বেসরকারি যে প্রতিষ্ঠানই হোক নির্মাণাধীন বা পরিত্যক্ত অথবা ব্যবহার করা ভবন যেখানেই হোক পানি জমিয়ে রেখে এডিস মশা প্রজননে ভূমিকা রাখলে আইন আনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জনগণের জান-মাল ক্ষতিগ্রস্ত করার কোনো অধিকার আমার, আপনার কারোরই নেই।

তিনি জানান, ২০১৯ সালের ডেঙ্গুর মারাত্মক ভয়াবহতার তিক্ত অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ায় ২০২০ সালে ডেঙ্গুর প্রকোপ নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হয়েছিল। এবছরও মন্ত্রণালয় থেকে পর্যাপ্ত লোকবল, কীটনাশক, ফগিং মেশিন ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় ম্যাজিস্ট্রেট পদায়ন করা হয়েছে।

তাজুল ইসলাম আশা প্রকাশ করে বলেন, সবাই মিলে কাজ করলে এডিস মশা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। জনগণকে এ ব্যাপারে সচেতন করার জন্য ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালানো হচ্ছে। উভয় সিটি করপোরেশনের মেয়র অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করছেন।

মন্ত্রী নিজে অনেক নির্মাণাধীন ভবন, বাসা-বাড়ি পরিদর্শন করেছেন উল্লেখ করে জানান, এখন দরকার মানুষের সচেতনতা। সচেতন না হলে প্রতিরোধ করা কঠিন হবে। শুধু অভিযান চালিয়ে মশা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়।

এবছরের জানুয়ারি থেকে ৭ জুলাই পর্যন্ত সর্বমোট ৫৩৬ জন ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। উত্তর সিটি করপোরেশনের তুলনায় দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে এডিস মশার প্রকোপ একটু বেশি বলে তথ্য পাওয়া গেছে।