ঢাকা ০৫:৩৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২

বরিশালে দুই মাথা ও তিন পা নিয়ে শিশুর জন্ম,

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বরিশালের একটি বেসরকারি হাসপাতালে দুই মাথা এবং তিন পা নিয়ে জন্ম হওয়া এক নবজাতক দুই ঘণ্টা পরই মারা গেছে।

গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে নগরীর চাঁদমারীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে ভূমিষ্ঠ হওয়ার দুই ঘণ্টা পর শের-ই বাংলা মেডিকেলের শিশু ওয়ার্ডে তার মৃত্যু হয়। ওই রাতেই তার মরদেহ নগরীর মুসলিম গোরস্থানে দাফন করা হয় বলে জানান শিশুটির বাবা আব্দুল জলিল।

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার বকশির ঘটিচোরা গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল জলিল ও শারমিন বেগম (৩৫) দম্পত্তির প্রথম সন্তান ছিল এটি।
আব্দুল জলিল জানান, তার স্ত্রী ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার পর স্থানীয় এক চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন তারা। ডাক্তার পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে তার স্ত্রীর গর্ভে দুটি মাথা থাকার কথা জানান স্বজনদের। পরে পিরোজপুর জেলা সদরে ডাক্তার দেখানো হলে সেখানকার চিকিৎসকরা তার গর্ভে দুটি বাচ্চা আছে বলে জানান। গর্ভকাল পূর্ণ হওয়ার পর তারা বরিশালের গাইনি বিশেষজ্ঞ ডা. তানিয়া আফরোজের শরণাপন্ন হন। গত মঙ্গলবার তিনি পরীক্ষা নিরীক্ষা করে শারমিনের গর্ভে জোড়া লাগানো দুই মাথাওয়ালা একটি বাচ্চা থাকার বিষয়টি তার স্বজনদের নিশ্চিত করেন। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে শারমিনের গর্ভ থেকে দুই মাথা এবং তিন পা ওয়ালা একটি নবজাতক ভূমিষ্ঠ করেন ডা. তানিয়া আফরোজ।

জন্মের পর নবজাতক নড়াচড়া না করলেও মল ত্যাগ করে। পরে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য শের-ই বাংলা মেডিকেলের শিশু ওয়ার্ডে প্রেরণ করেন তিনি। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ৯টার দিকে হাসপাতালের চিকিৎসকরা ওই নবজাতককে মৃত ঘোষণা করেন।

ডা. তানিয়া আফরোজ বলেন, ‘শারীরিক ও গঠনগত ত্রুটির কারণে এ ধরনের নবজাতকের মৃত্যু হতে পারে। ওই নবজাতক জন্মের পর মলত্যাগ করলেও নড়াচড়া করেনি। এ কারণে তাকে শের-ই বাংলা মেডিকেলে পাঠানো হয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত ডাক্তারা তাকে বাঁচাতে পারেননি।

ডা. তানিয়া আরও জানান, ওই নারী পূর্ণাঙ্গ প্রসূতি সময় অতিবাহিত হওয়ার পর বাচ্চা প্রসব করেছেন। সিজারিয়ান অপারেশনের পর তার শরীরে কিছুটা রক্ত শূন্যতা দেখা দিলেও বর্তমানে সে ওই বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। শারীরিকভাবে সে অনেকটাই সুস্থ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মালয়েশিয়ায় ২৬৫ বাংলাদেশি পাসপোর্টসহ ২০ জন আটক

বরিশালে দুই মাথা ও তিন পা নিয়ে শিশুর জন্ম,

আপডেট সময় ১০:০১:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ জুলাই ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বরিশালের একটি বেসরকারি হাসপাতালে দুই মাথা এবং তিন পা নিয়ে জন্ম হওয়া এক নবজাতক দুই ঘণ্টা পরই মারা গেছে।

গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে নগরীর চাঁদমারীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে ভূমিষ্ঠ হওয়ার দুই ঘণ্টা পর শের-ই বাংলা মেডিকেলের শিশু ওয়ার্ডে তার মৃত্যু হয়। ওই রাতেই তার মরদেহ নগরীর মুসলিম গোরস্থানে দাফন করা হয় বলে জানান শিশুটির বাবা আব্দুল জলিল।

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার বকশির ঘটিচোরা গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল জলিল ও শারমিন বেগম (৩৫) দম্পত্তির প্রথম সন্তান ছিল এটি।
আব্দুল জলিল জানান, তার স্ত্রী ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার পর স্থানীয় এক চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন তারা। ডাক্তার পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে তার স্ত্রীর গর্ভে দুটি মাথা থাকার কথা জানান স্বজনদের। পরে পিরোজপুর জেলা সদরে ডাক্তার দেখানো হলে সেখানকার চিকিৎসকরা তার গর্ভে দুটি বাচ্চা আছে বলে জানান। গর্ভকাল পূর্ণ হওয়ার পর তারা বরিশালের গাইনি বিশেষজ্ঞ ডা. তানিয়া আফরোজের শরণাপন্ন হন। গত মঙ্গলবার তিনি পরীক্ষা নিরীক্ষা করে শারমিনের গর্ভে জোড়া লাগানো দুই মাথাওয়ালা একটি বাচ্চা থাকার বিষয়টি তার স্বজনদের নিশ্চিত করেন। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে শারমিনের গর্ভ থেকে দুই মাথা এবং তিন পা ওয়ালা একটি নবজাতক ভূমিষ্ঠ করেন ডা. তানিয়া আফরোজ।

জন্মের পর নবজাতক নড়াচড়া না করলেও মল ত্যাগ করে। পরে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য শের-ই বাংলা মেডিকেলের শিশু ওয়ার্ডে প্রেরণ করেন তিনি। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ৯টার দিকে হাসপাতালের চিকিৎসকরা ওই নবজাতককে মৃত ঘোষণা করেন।

ডা. তানিয়া আফরোজ বলেন, ‘শারীরিক ও গঠনগত ত্রুটির কারণে এ ধরনের নবজাতকের মৃত্যু হতে পারে। ওই নবজাতক জন্মের পর মলত্যাগ করলেও নড়াচড়া করেনি। এ কারণে তাকে শের-ই বাংলা মেডিকেলে পাঠানো হয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত ডাক্তারা তাকে বাঁচাতে পারেননি।

ডা. তানিয়া আরও জানান, ওই নারী পূর্ণাঙ্গ প্রসূতি সময় অতিবাহিত হওয়ার পর বাচ্চা প্রসব করেছেন। সিজারিয়ান অপারেশনের পর তার শরীরে কিছুটা রক্ত শূন্যতা দেখা দিলেও বর্তমানে সে ওই বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। শারীরিকভাবে সে অনেকটাই সুস্থ।