ঢাকা ১০:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

বরিশালে দুই মাথা ও তিন পা নিয়ে শিশুর জন্ম,

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বরিশালের একটি বেসরকারি হাসপাতালে দুই মাথা এবং তিন পা নিয়ে জন্ম হওয়া এক নবজাতক দুই ঘণ্টা পরই মারা গেছে।

গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে নগরীর চাঁদমারীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে ভূমিষ্ঠ হওয়ার দুই ঘণ্টা পর শের-ই বাংলা মেডিকেলের শিশু ওয়ার্ডে তার মৃত্যু হয়। ওই রাতেই তার মরদেহ নগরীর মুসলিম গোরস্থানে দাফন করা হয় বলে জানান শিশুটির বাবা আব্দুল জলিল।

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার বকশির ঘটিচোরা গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল জলিল ও শারমিন বেগম (৩৫) দম্পত্তির প্রথম সন্তান ছিল এটি।
আব্দুল জলিল জানান, তার স্ত্রী ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার পর স্থানীয় এক চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন তারা। ডাক্তার পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে তার স্ত্রীর গর্ভে দুটি মাথা থাকার কথা জানান স্বজনদের। পরে পিরোজপুর জেলা সদরে ডাক্তার দেখানো হলে সেখানকার চিকিৎসকরা তার গর্ভে দুটি বাচ্চা আছে বলে জানান। গর্ভকাল পূর্ণ হওয়ার পর তারা বরিশালের গাইনি বিশেষজ্ঞ ডা. তানিয়া আফরোজের শরণাপন্ন হন। গত মঙ্গলবার তিনি পরীক্ষা নিরীক্ষা করে শারমিনের গর্ভে জোড়া লাগানো দুই মাথাওয়ালা একটি বাচ্চা থাকার বিষয়টি তার স্বজনদের নিশ্চিত করেন। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে শারমিনের গর্ভ থেকে দুই মাথা এবং তিন পা ওয়ালা একটি নবজাতক ভূমিষ্ঠ করেন ডা. তানিয়া আফরোজ।

জন্মের পর নবজাতক নড়াচড়া না করলেও মল ত্যাগ করে। পরে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য শের-ই বাংলা মেডিকেলের শিশু ওয়ার্ডে প্রেরণ করেন তিনি। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ৯টার দিকে হাসপাতালের চিকিৎসকরা ওই নবজাতককে মৃত ঘোষণা করেন।

ডা. তানিয়া আফরোজ বলেন, ‘শারীরিক ও গঠনগত ত্রুটির কারণে এ ধরনের নবজাতকের মৃত্যু হতে পারে। ওই নবজাতক জন্মের পর মলত্যাগ করলেও নড়াচড়া করেনি। এ কারণে তাকে শের-ই বাংলা মেডিকেলে পাঠানো হয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত ডাক্তারা তাকে বাঁচাতে পারেননি।

ডা. তানিয়া আরও জানান, ওই নারী পূর্ণাঙ্গ প্রসূতি সময় অতিবাহিত হওয়ার পর বাচ্চা প্রসব করেছেন। সিজারিয়ান অপারেশনের পর তার শরীরে কিছুটা রক্ত শূন্যতা দেখা দিলেও বর্তমানে সে ওই বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। শারীরিকভাবে সে অনেকটাই সুস্থ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

বরিশালে দুই মাথা ও তিন পা নিয়ে শিশুর জন্ম,

আপডেট সময় ১০:০১:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ জুলাই ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বরিশালের একটি বেসরকারি হাসপাতালে দুই মাথা এবং তিন পা নিয়ে জন্ম হওয়া এক নবজাতক দুই ঘণ্টা পরই মারা গেছে।

গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে নগরীর চাঁদমারীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে ভূমিষ্ঠ হওয়ার দুই ঘণ্টা পর শের-ই বাংলা মেডিকেলের শিশু ওয়ার্ডে তার মৃত্যু হয়। ওই রাতেই তার মরদেহ নগরীর মুসলিম গোরস্থানে দাফন করা হয় বলে জানান শিশুটির বাবা আব্দুল জলিল।

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার বকশির ঘটিচোরা গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল জলিল ও শারমিন বেগম (৩৫) দম্পত্তির প্রথম সন্তান ছিল এটি।
আব্দুল জলিল জানান, তার স্ত্রী ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার পর স্থানীয় এক চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন তারা। ডাক্তার পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে তার স্ত্রীর গর্ভে দুটি মাথা থাকার কথা জানান স্বজনদের। পরে পিরোজপুর জেলা সদরে ডাক্তার দেখানো হলে সেখানকার চিকিৎসকরা তার গর্ভে দুটি বাচ্চা আছে বলে জানান। গর্ভকাল পূর্ণ হওয়ার পর তারা বরিশালের গাইনি বিশেষজ্ঞ ডা. তানিয়া আফরোজের শরণাপন্ন হন। গত মঙ্গলবার তিনি পরীক্ষা নিরীক্ষা করে শারমিনের গর্ভে জোড়া লাগানো দুই মাথাওয়ালা একটি বাচ্চা থাকার বিষয়টি তার স্বজনদের নিশ্চিত করেন। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে শারমিনের গর্ভ থেকে দুই মাথা এবং তিন পা ওয়ালা একটি নবজাতক ভূমিষ্ঠ করেন ডা. তানিয়া আফরোজ।

জন্মের পর নবজাতক নড়াচড়া না করলেও মল ত্যাগ করে। পরে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য শের-ই বাংলা মেডিকেলের শিশু ওয়ার্ডে প্রেরণ করেন তিনি। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ৯টার দিকে হাসপাতালের চিকিৎসকরা ওই নবজাতককে মৃত ঘোষণা করেন।

ডা. তানিয়া আফরোজ বলেন, ‘শারীরিক ও গঠনগত ত্রুটির কারণে এ ধরনের নবজাতকের মৃত্যু হতে পারে। ওই নবজাতক জন্মের পর মলত্যাগ করলেও নড়াচড়া করেনি। এ কারণে তাকে শের-ই বাংলা মেডিকেলে পাঠানো হয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত ডাক্তারা তাকে বাঁচাতে পারেননি।

ডা. তানিয়া আরও জানান, ওই নারী পূর্ণাঙ্গ প্রসূতি সময় অতিবাহিত হওয়ার পর বাচ্চা প্রসব করেছেন। সিজারিয়ান অপারেশনের পর তার শরীরে কিছুটা রক্ত শূন্যতা দেখা দিলেও বর্তমানে সে ওই বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। শারীরিকভাবে সে অনেকটাই সুস্থ।