ঢাকা ১২:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

অটোরিকশা ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যেই চালককে গলা কেটে হত্যা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা চালক আসিফকে গলা কেটে হত্যার ঘটনার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এই ঘটনায় গ্রেফতার দুই আসামি সোহেল মিয়া (২০) ও ইয়াছিন আরাফাত (৪২) আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

আসামি সোহেল মিয়া আখাউড়া উপজেলার খরমপুর গ্রামের মুরশিদ মিয়ার ছেলে। আর ইয়াছিন আরাফাত একই উপজেলার মৃত হীরা মিয়ার ছেলে।

বুধবার দুপুরে পিবিআই-এর ব্রাহ্মণবাড়িয়া কার্যালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেন পিবিআই ব্রাহ্মণবাড়িয়া কার্যালয়ের পুলিশ সুপার মো. শাখাওয়াত হোসেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত বছরের ৩০ নভেম্বর ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের পুনিয়াউটের মৃত বাবুল মিয়ার ছেলে মো. আসিফ (২০) ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা নিয়ে বের হয়। রাতে বাড়ি না ফেরায় তার মা রাশিদা বেগম অনেক খোঁজাখুঁজি করেন। পরদিন ১ ডিসেম্বর রাশিদা বেগম জানতে পারেন সদর উপজেলার বাসুদেব ইউনিয়নের দুবলা গ্রামে রেললাইনের উপর গলা কাটা অবস্থায় আসিফের লাশ পড়ে আছে। এ ঘটনায় রেলওয়ে থানায় অজ্ঞাত ২/৩ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়। পরে মামলাটি পিবিআইকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পিবিআইয়ের পরিদর্শক মিজানুর রহমান গত ২৭ জুন হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত আখাউড়া থেকে সোহেল মিয়াকে গ্রেফতার করে। পরের দিন সোহেল মিয়ার তথ্য অনুযায়ী অপর পলাতক আসামি ইয়াছিন আরাফাতকে গ্রেফতার করা হয়। ছিনতাইকৃত অটোরিকশাটি ইয়াছিনের গ্যারেজ থেকে উদ্ধার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতার ব্যক্তিরা জানায়, অটোরিকশা ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে আসিফকে ধারালো ছুরি দিয়ে গলা কেটে হত্যা করা হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অটোরিকশা ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যেই চালককে গলা কেটে হত্যা

আপডেট সময় ০৯:২৮:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ জুন ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা চালক আসিফকে গলা কেটে হত্যার ঘটনার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এই ঘটনায় গ্রেফতার দুই আসামি সোহেল মিয়া (২০) ও ইয়াছিন আরাফাত (৪২) আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

আসামি সোহেল মিয়া আখাউড়া উপজেলার খরমপুর গ্রামের মুরশিদ মিয়ার ছেলে। আর ইয়াছিন আরাফাত একই উপজেলার মৃত হীরা মিয়ার ছেলে।

বুধবার দুপুরে পিবিআই-এর ব্রাহ্মণবাড়িয়া কার্যালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেন পিবিআই ব্রাহ্মণবাড়িয়া কার্যালয়ের পুলিশ সুপার মো. শাখাওয়াত হোসেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত বছরের ৩০ নভেম্বর ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের পুনিয়াউটের মৃত বাবুল মিয়ার ছেলে মো. আসিফ (২০) ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা নিয়ে বের হয়। রাতে বাড়ি না ফেরায় তার মা রাশিদা বেগম অনেক খোঁজাখুঁজি করেন। পরদিন ১ ডিসেম্বর রাশিদা বেগম জানতে পারেন সদর উপজেলার বাসুদেব ইউনিয়নের দুবলা গ্রামে রেললাইনের উপর গলা কাটা অবস্থায় আসিফের লাশ পড়ে আছে। এ ঘটনায় রেলওয়ে থানায় অজ্ঞাত ২/৩ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়। পরে মামলাটি পিবিআইকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পিবিআইয়ের পরিদর্শক মিজানুর রহমান গত ২৭ জুন হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত আখাউড়া থেকে সোহেল মিয়াকে গ্রেফতার করে। পরের দিন সোহেল মিয়ার তথ্য অনুযায়ী অপর পলাতক আসামি ইয়াছিন আরাফাতকে গ্রেফতার করা হয়। ছিনতাইকৃত অটোরিকশাটি ইয়াছিনের গ্যারেজ থেকে উদ্ধার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতার ব্যক্তিরা জানায়, অটোরিকশা ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে আসিফকে ধারালো ছুরি দিয়ে গলা কেটে হত্যা করা হয়।