ঢাকা ০৩:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ২৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শ্বশুরবাড়ি থেকে মৌসুমী ফল কম দেয়ায় স্ত্রীকে নির্মম নির্যাতন

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

শ্বশুরবাড়ি থেকে মৌসুমী ফল আম-কাঁঠাল কম দেয়ায় স্ত্রীকে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করেছেন স্বামী ইয়াকুব আলী। এ সময় তিনি ইট দিয়ে স্ত্রী ফারজানার মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে থেঁতলে দিয়েছেন। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা গৃহবধূকে উদ্ধার করে পরশুরাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।

অভিযুক্ত এয়াকুব আলী ফেনীর পরশুরামের বক্সমাহমুদ ইউনিয়নের সাতকুচিয়া গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে।

আহত ফারজানা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন, তার স্বামী একজন নেশাগ্রস্ত, চার লাখ টাকা যৌতুকসহ তুচ্ছ কারণে এর আগেও বহুবার তাঁকে মারধর করেছেন।

রবিবার রাতে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় ঘরে ঢুকে তার বাপের বাড়ি থেকে আম-কাঁঠাল কম পাঠানোর অভিযোগে লোহার রড দিয়ে হাত-পা এবং মাথায় আঘাত করে। এরপর একটি ইট দিয়ে মাথা ও পিঠ থেঁতলে দেয়।

সাতকুচিয়া গ্রামের আবুল কাশেম বেন্ডরের ছেলে এয়াকুবের (৩৫) সঙ্গে উত্তর চন্দনার ফারজানা আক্তার সুমির বিয়ে হয়। তাদের সংসারে একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। এর আগেও ফারজানাকে মারধরের অভিযোগে পরশুরাম থানা মামলা হলে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সালিশ বৈঠকের মাধ্যমে মীমাংসা করে পূনরায় সংসার শুরু করেন। ফারজানা অভিযোগ করেন ইয়াকুব আলী নেশা করে বিভিন্ন অজুহাতে প্রতিনিয়ত তাকে মারধর করেন।

পরশুরাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার রোকসানা সুরাইয়া জানান, ফারজানার শরীরে একাধিক স্থানে পিটিয়ে মারাত্মক জখম করেছে। মাথা হাত-পাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

অভিযুক্ত এয়াকুব আলী ও তার বাবা আবুল কাশেম ভেন্ডরের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও অভিযোগের বিষয়ে তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

পরশুরাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, বিষয়টি আমরা শুনেছি। অভিযুক্ত এয়াকুব আলী পলাতক, তাকে ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

শ্বশুরবাড়ি থেকে মৌসুমী ফল কম দেয়ায় স্ত্রীকে নির্মম নির্যাতন

আপডেট সময় ১০:১৯:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ জুন ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

শ্বশুরবাড়ি থেকে মৌসুমী ফল আম-কাঁঠাল কম দেয়ায় স্ত্রীকে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করেছেন স্বামী ইয়াকুব আলী। এ সময় তিনি ইট দিয়ে স্ত্রী ফারজানার মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে থেঁতলে দিয়েছেন। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা গৃহবধূকে উদ্ধার করে পরশুরাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।

অভিযুক্ত এয়াকুব আলী ফেনীর পরশুরামের বক্সমাহমুদ ইউনিয়নের সাতকুচিয়া গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে।

আহত ফারজানা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন, তার স্বামী একজন নেশাগ্রস্ত, চার লাখ টাকা যৌতুকসহ তুচ্ছ কারণে এর আগেও বহুবার তাঁকে মারধর করেছেন।

রবিবার রাতে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় ঘরে ঢুকে তার বাপের বাড়ি থেকে আম-কাঁঠাল কম পাঠানোর অভিযোগে লোহার রড দিয়ে হাত-পা এবং মাথায় আঘাত করে। এরপর একটি ইট দিয়ে মাথা ও পিঠ থেঁতলে দেয়।

সাতকুচিয়া গ্রামের আবুল কাশেম বেন্ডরের ছেলে এয়াকুবের (৩৫) সঙ্গে উত্তর চন্দনার ফারজানা আক্তার সুমির বিয়ে হয়। তাদের সংসারে একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। এর আগেও ফারজানাকে মারধরের অভিযোগে পরশুরাম থানা মামলা হলে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সালিশ বৈঠকের মাধ্যমে মীমাংসা করে পূনরায় সংসার শুরু করেন। ফারজানা অভিযোগ করেন ইয়াকুব আলী নেশা করে বিভিন্ন অজুহাতে প্রতিনিয়ত তাকে মারধর করেন।

পরশুরাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার রোকসানা সুরাইয়া জানান, ফারজানার শরীরে একাধিক স্থানে পিটিয়ে মারাত্মক জখম করেছে। মাথা হাত-পাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

অভিযুক্ত এয়াকুব আলী ও তার বাবা আবুল কাশেম ভেন্ডরের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও অভিযোগের বিষয়ে তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

পরশুরাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, বিষয়টি আমরা শুনেছি। অভিযুক্ত এয়াকুব আলী পলাতক, তাকে ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে।