ঢাকা ০৯:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬, ২৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেশের ভবিষ্যত গড়ার জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয় নিশ্চিত করতে হবে : চরমোনাই পীর ব্যালটবাক্স ভরে কোনো নির্দিষ্ট প্রতীকের জয়ের সুযোগ নেই: রুমিন ফারহানা এইচএসসি পাসে নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ , রোগী দেখেন দুই জেলায় পটুয়াখালীতে দুই বান্ধবীকে ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেফতার ধর্ষকের মা সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে জরুরি নির্দেশনা শিশু পানিতে পড়লেই বাজবে সাইরেন, কল যাবে ফোনে,দাবি ভোলার তরুণ উদ্ভাবকএর আমেরিকার উস্কানিতে ইরানে বিক্ষোভ : মাসুদ পেজেশকিয়ান আমার মনোনয়ন বাতিল করার কোনো কারণ ছিল না: মাহমুদুর রহমান মান্না ব্রিটিশ সরকারকে ‘ফ্যাসিস্ট’ আখ্যা দিলেন ইলন মাস্ক ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েনে বাণিজ্যে প্রভাব পড়বে না : শেখ বশিরউদ্দীন

যৌতুকের দাবিতে দ্বিতীয় স্ত্রীকে মারধর, শিক্ষক স্বামী ও প্রথম স্ত্রী আটক

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

যৌতুকের দাবিতে দ্বিতীয় স্ত্রীকে মারধর ও নির্যাতনের মামলায় শিক্ষক স্বামী ও প্রথম স্ত্রীকে আটক করেছে পুলিশ। গতকাল সোমবার (২১ জুন) রাতে উল্লাপাড়া পৌর শহরের শ্যামলীপাড়া পুকুরপাড় বাসা থেকে তাদেরকে আটক করা হয়। আটককৃতরা হলেন- উপজেলার পূর্ব বংকিরাট গ্রামের আমির হোসেনের ছেলে এবং দাদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ইকবাল হোসেন শাহ (৪০) ও তার প্রথম স্ত্রী সোনিয়া পারভীন মিনা (৩০)।

উল্লাপাড়া থানার উপ-পরিদর্শক আসাদুজ্জামান মামলার বরাত দিয়ে জানান, উল্লাপাড়ার বেতকান্দি গ্রামের সাইফুল ইসলামের মেয়ে পাপিয়া সুলতানার সাথে স্কুল শিক্ষ ইকবাল হোসেনের ২০২০ সালের আগস্টে বিয়ে হয়। এর আগে একই গ্রামের সোনিয়া পারভীন মিনার সঙ্গে ইকবালের বিয়ে হয়েছিল। তবে বিয়ের কিছুদিন পর তাদের বিচ্ছেদ হয়েছিল। পাপিয়া সুলতানের সাথে বিয়ের সময় ইকবালকে যৌতুক হিসেবে ৫ ভরি সোনার গহনা ও নগদ আড়াই লাখ টাকা দেওয়া হয়। কিন্তু এরপরও ইকবাল পাপিয়ার কাছে দশ লাখ টাকার যৌতুক দাবি করে। এতে অসম্মতি জানালে পাপিয়াকে ইকবাল প্রায়শই মারধর করতেন।

তিনি আরও জানান, কয়েকদিন আগে ইকবাল প্রথম স্ত্রী সোনিয়া পারভীন মিনাকে তার শ্যামলীপাড়ার বাড়িতে নিয়ে আসলে সংসারে অশান্তি সৃষ্টি হয়। গতকাল সোমবার ইকবাল ফের পাপিয়ার কাছে আবারো দশ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। পাপিয়া অপারগতা প্রকাশ করলে ইকবাল এবং তার প্রথম স্ত্রী মিনা দুইজনে মিলে পাপিয়াকে বেধড়ক মারধর করে। পরে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে পাপিয়াকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। এ ঘটনায় পাপিয়া সুলতানা বাদী হয়ে স্বামী ইকবাল ও প্রথম স্ত্রী মিনার বিরুদ্ধে উল্লাপাড়া মডেল থানায় যৌতুক ও নারী নির্যাতনের মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর অভিযুক্তদের আটক করা হয়েছে। দুইজনকেই আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণের প্রক্রিয়া চলছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কলম্বিয়ায় বিমান বিধ্বস্তে জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী নিহত

যৌতুকের দাবিতে দ্বিতীয় স্ত্রীকে মারধর, শিক্ষক স্বামী ও প্রথম স্ত্রী আটক

আপডেট সময় ০৭:০৪:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ জুন ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

যৌতুকের দাবিতে দ্বিতীয় স্ত্রীকে মারধর ও নির্যাতনের মামলায় শিক্ষক স্বামী ও প্রথম স্ত্রীকে আটক করেছে পুলিশ। গতকাল সোমবার (২১ জুন) রাতে উল্লাপাড়া পৌর শহরের শ্যামলীপাড়া পুকুরপাড় বাসা থেকে তাদেরকে আটক করা হয়। আটককৃতরা হলেন- উপজেলার পূর্ব বংকিরাট গ্রামের আমির হোসেনের ছেলে এবং দাদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ইকবাল হোসেন শাহ (৪০) ও তার প্রথম স্ত্রী সোনিয়া পারভীন মিনা (৩০)।

উল্লাপাড়া থানার উপ-পরিদর্শক আসাদুজ্জামান মামলার বরাত দিয়ে জানান, উল্লাপাড়ার বেতকান্দি গ্রামের সাইফুল ইসলামের মেয়ে পাপিয়া সুলতানার সাথে স্কুল শিক্ষ ইকবাল হোসেনের ২০২০ সালের আগস্টে বিয়ে হয়। এর আগে একই গ্রামের সোনিয়া পারভীন মিনার সঙ্গে ইকবালের বিয়ে হয়েছিল। তবে বিয়ের কিছুদিন পর তাদের বিচ্ছেদ হয়েছিল। পাপিয়া সুলতানের সাথে বিয়ের সময় ইকবালকে যৌতুক হিসেবে ৫ ভরি সোনার গহনা ও নগদ আড়াই লাখ টাকা দেওয়া হয়। কিন্তু এরপরও ইকবাল পাপিয়ার কাছে দশ লাখ টাকার যৌতুক দাবি করে। এতে অসম্মতি জানালে পাপিয়াকে ইকবাল প্রায়শই মারধর করতেন।

তিনি আরও জানান, কয়েকদিন আগে ইকবাল প্রথম স্ত্রী সোনিয়া পারভীন মিনাকে তার শ্যামলীপাড়ার বাড়িতে নিয়ে আসলে সংসারে অশান্তি সৃষ্টি হয়। গতকাল সোমবার ইকবাল ফের পাপিয়ার কাছে আবারো দশ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। পাপিয়া অপারগতা প্রকাশ করলে ইকবাল এবং তার প্রথম স্ত্রী মিনা দুইজনে মিলে পাপিয়াকে বেধড়ক মারধর করে। পরে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে পাপিয়াকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। এ ঘটনায় পাপিয়া সুলতানা বাদী হয়ে স্বামী ইকবাল ও প্রথম স্ত্রী মিনার বিরুদ্ধে উল্লাপাড়া মডেল থানায় যৌতুক ও নারী নির্যাতনের মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর অভিযুক্তদের আটক করা হয়েছে। দুইজনকেই আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণের প্রক্রিয়া চলছে।