ঢাকা ০৭:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তারুণ্যের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা হবে: মাহ্দী আমিন আমরা বৈষম্যহীন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখি: হাসনাত আবদুল্লাহ চাঁদপুরে শিশু ধর্ষণ মামলায় একজনের যাবজ্জীবন এমপি গাজী নজরুলের বিষয়ে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে ইসি ধর্মের নামে বিভাজনের রাজনীতির সুযোগ নেই : মির্জা ফখরুল প্রতিটি নাগরিকের স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার অধিকার রয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী হরমুজে প্রতিটি হামলার জন্য একটি করে ইরানি সেতু বা বিদ্যুৎ কেন্দ্র গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে: ট্রাম্প ২১ দিনে রেমিট্যান্স এলো প্রায় ২৫ হাজার ৭৬৮ কোটি ৫০ লাখ টাকা গত ১৭ বছর দেশে জনগণের নির্বাচিত সরকার ছিল না: খায়রুল কবির খোকন পোশাক শিল্পের বিকাশে প্রতিবন্ধকতা দ্রুত দূর করার নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর

যৌতুকের দাবিতে দ্বিতীয় স্ত্রীকে মারধর, শিক্ষক স্বামী ও প্রথম স্ত্রী আটক

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

যৌতুকের দাবিতে দ্বিতীয় স্ত্রীকে মারধর ও নির্যাতনের মামলায় শিক্ষক স্বামী ও প্রথম স্ত্রীকে আটক করেছে পুলিশ। গতকাল সোমবার (২১ জুন) রাতে উল্লাপাড়া পৌর শহরের শ্যামলীপাড়া পুকুরপাড় বাসা থেকে তাদেরকে আটক করা হয়। আটককৃতরা হলেন- উপজেলার পূর্ব বংকিরাট গ্রামের আমির হোসেনের ছেলে এবং দাদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ইকবাল হোসেন শাহ (৪০) ও তার প্রথম স্ত্রী সোনিয়া পারভীন মিনা (৩০)।

উল্লাপাড়া থানার উপ-পরিদর্শক আসাদুজ্জামান মামলার বরাত দিয়ে জানান, উল্লাপাড়ার বেতকান্দি গ্রামের সাইফুল ইসলামের মেয়ে পাপিয়া সুলতানার সাথে স্কুল শিক্ষ ইকবাল হোসেনের ২০২০ সালের আগস্টে বিয়ে হয়। এর আগে একই গ্রামের সোনিয়া পারভীন মিনার সঙ্গে ইকবালের বিয়ে হয়েছিল। তবে বিয়ের কিছুদিন পর তাদের বিচ্ছেদ হয়েছিল। পাপিয়া সুলতানের সাথে বিয়ের সময় ইকবালকে যৌতুক হিসেবে ৫ ভরি সোনার গহনা ও নগদ আড়াই লাখ টাকা দেওয়া হয়। কিন্তু এরপরও ইকবাল পাপিয়ার কাছে দশ লাখ টাকার যৌতুক দাবি করে। এতে অসম্মতি জানালে পাপিয়াকে ইকবাল প্রায়শই মারধর করতেন।

তিনি আরও জানান, কয়েকদিন আগে ইকবাল প্রথম স্ত্রী সোনিয়া পারভীন মিনাকে তার শ্যামলীপাড়ার বাড়িতে নিয়ে আসলে সংসারে অশান্তি সৃষ্টি হয়। গতকাল সোমবার ইকবাল ফের পাপিয়ার কাছে আবারো দশ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। পাপিয়া অপারগতা প্রকাশ করলে ইকবাল এবং তার প্রথম স্ত্রী মিনা দুইজনে মিলে পাপিয়াকে বেধড়ক মারধর করে। পরে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে পাপিয়াকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। এ ঘটনায় পাপিয়া সুলতানা বাদী হয়ে স্বামী ইকবাল ও প্রথম স্ত্রী মিনার বিরুদ্ধে উল্লাপাড়া মডেল থানায় যৌতুক ও নারী নির্যাতনের মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর অভিযুক্তদের আটক করা হয়েছে। দুইজনকেই আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণের প্রক্রিয়া চলছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তারুণ্যের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা হবে: মাহ্দী আমিন

যৌতুকের দাবিতে দ্বিতীয় স্ত্রীকে মারধর, শিক্ষক স্বামী ও প্রথম স্ত্রী আটক

আপডেট সময় ০৭:০৪:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ জুন ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

যৌতুকের দাবিতে দ্বিতীয় স্ত্রীকে মারধর ও নির্যাতনের মামলায় শিক্ষক স্বামী ও প্রথম স্ত্রীকে আটক করেছে পুলিশ। গতকাল সোমবার (২১ জুন) রাতে উল্লাপাড়া পৌর শহরের শ্যামলীপাড়া পুকুরপাড় বাসা থেকে তাদেরকে আটক করা হয়। আটককৃতরা হলেন- উপজেলার পূর্ব বংকিরাট গ্রামের আমির হোসেনের ছেলে এবং দাদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ইকবাল হোসেন শাহ (৪০) ও তার প্রথম স্ত্রী সোনিয়া পারভীন মিনা (৩০)।

উল্লাপাড়া থানার উপ-পরিদর্শক আসাদুজ্জামান মামলার বরাত দিয়ে জানান, উল্লাপাড়ার বেতকান্দি গ্রামের সাইফুল ইসলামের মেয়ে পাপিয়া সুলতানার সাথে স্কুল শিক্ষ ইকবাল হোসেনের ২০২০ সালের আগস্টে বিয়ে হয়। এর আগে একই গ্রামের সোনিয়া পারভীন মিনার সঙ্গে ইকবালের বিয়ে হয়েছিল। তবে বিয়ের কিছুদিন পর তাদের বিচ্ছেদ হয়েছিল। পাপিয়া সুলতানের সাথে বিয়ের সময় ইকবালকে যৌতুক হিসেবে ৫ ভরি সোনার গহনা ও নগদ আড়াই লাখ টাকা দেওয়া হয়। কিন্তু এরপরও ইকবাল পাপিয়ার কাছে দশ লাখ টাকার যৌতুক দাবি করে। এতে অসম্মতি জানালে পাপিয়াকে ইকবাল প্রায়শই মারধর করতেন।

তিনি আরও জানান, কয়েকদিন আগে ইকবাল প্রথম স্ত্রী সোনিয়া পারভীন মিনাকে তার শ্যামলীপাড়ার বাড়িতে নিয়ে আসলে সংসারে অশান্তি সৃষ্টি হয়। গতকাল সোমবার ইকবাল ফের পাপিয়ার কাছে আবারো দশ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। পাপিয়া অপারগতা প্রকাশ করলে ইকবাল এবং তার প্রথম স্ত্রী মিনা দুইজনে মিলে পাপিয়াকে বেধড়ক মারধর করে। পরে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে পাপিয়াকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। এ ঘটনায় পাপিয়া সুলতানা বাদী হয়ে স্বামী ইকবাল ও প্রথম স্ত্রী মিনার বিরুদ্ধে উল্লাপাড়া মডেল থানায় যৌতুক ও নারী নির্যাতনের মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর অভিযুক্তদের আটক করা হয়েছে। দুইজনকেই আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণের প্রক্রিয়া চলছে।