ঢাকা ০৪:১৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বাংলাদেশ চুপ থাকবে না: শামা ওবায়েদ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে সফল পারমাণবিক বিক্রিয়া সম্পন্ন চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

ঝড় তুলে ‘অবস্ট্রাক্টিং দা ফিল্ড’আউট সোহান, দোলেশ্বরের সহজ জয়

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

ডিপিএলের সুপার লিগ পর্বের ম্যাচে সোমবার মুখোমুখি হয়েছে শেখ জামাল ধানমণ্ডি ক্লাব ও প্রাইম দোলেশ্বর। মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সকালে শুরু হওয়া ম্যাচে ব্যাট হাতে ঝড় তুলেছেন শেখ জামালের অধিনায়ক নুরুল হাসান সোহান।

তবে ‘অবস্ট্রাক্টিং দা ফিল্ড’ আউট হয়ে বিদায় নেন তিনি।
তবে সাইফ হাসানের ঝড়ো ফিফটিতে শেখ জামাল ধানমণ্ডি ক্লাবকে ৬ উইকেটে হারায় প্রাইম দোলেশ্বর স্পোর্টিং ক্লাব।

টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে মাত্র ১২৩ রান তোলে শেখ জামাল। শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়া শেখ জামাল এই পর্যন্ত আসতে পেরেছে তাদের দলপতি সোহানের কল্যাণেই।

প্রাইম দোলেশ্বরের বোলিং তোপে ১৩ দশমিক ৪ ওভারে ৬ উইকেটে ৬৬ রান ছিল শেখ জামালের। ২৪ বলে ৪২ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে দলকে ১২৩ রানে নিয়ে আসেন সোহান। এই ইনিংস খেলার পথে তিনি মেরেছেন ৪টি চার ও ২টি ছক্কা।

ইনিংসে কামরুল ইসলাম রাব্বির অফ স্টাম্পের বাইরের শর্ট বল পুল করার চেষ্টা করেন এনামুল হক। তার ব্যাটের নিচের দিকে লেগে পা স্পর্শ করে বল থাকে উইকেটের কাছেই। রান নেওয়ার সময় দৌড়ের গতিপথ একটু সরিয়ে সোহান পা দিয়ে ঠেকিয়ে দেন বল। ফিল্ডিং করতে ছুটে যাওয়া বোলার কামরুল ধরতে পারেননি বল। দোলেশ্বরের ফিল্ডাররা আবেদন জানান তখনই। থার্ড আম্পায়ার বারবার রিপ্লে দেখে আউট দেন সোহানকে।

২৮ বলে ২৭ রান করেছে ইমরুল কায়েস। আর কেউই বলার মতো কোনো স্কোর করতে পারেননি। প্রাইম দোলেশ্বরের রেজাউর রহমান রাজা ৩টি উইকেট নেন। এছাড়া শফিকুল ইসলাম শিকার করেছেন দুটি উইকেট।

১২৪ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ৭ চার ও ৩ ছক্কায় সাইফ খেলেন ৩৩ বলে ৬০ রানের ইনিংস। সাইফ ফিফটি স্পর্শ করেন ৩০ বলে। পরে সোহরাওয়ার্দী শুভকে ছক্কা মারেন মাথার ওপর দিয়ে। পরের বলে ইনসাইড আউট শটে ছক্কার চেষ্টায় ধরা পড়েন সীমানায়।

জয় তখন দোলেশ্বরের নাগালে। বাকি পথটুকু পেরোতে অবশ্য বেশ ভোগান্তি হয় তাদের। কোনো চাপ না থাকলেও মোহাম্মদ আশরাফুলকে ফিরতি ক্যাচ দেন ফজলে রাব্বি, আলগা শটে বোল্ড হন মার্শাল আইয়ুব। শেষ পর্যন্ত শরিফউল্লাহর বাউন্ডারিতে জয় ধরা দেয় ১৪ বল আগে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যামিলি কার্ডে অনিয়ম করলে ব্যবস্থা নেবেন ডিএনসিসি প্রশাসক

ঝড় তুলে ‘অবস্ট্রাক্টিং দা ফিল্ড’আউট সোহান, দোলেশ্বরের সহজ জয়

আপডেট সময় ০৬:৩২:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ জুন ২০২১

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

ডিপিএলের সুপার লিগ পর্বের ম্যাচে সোমবার মুখোমুখি হয়েছে শেখ জামাল ধানমণ্ডি ক্লাব ও প্রাইম দোলেশ্বর। মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সকালে শুরু হওয়া ম্যাচে ব্যাট হাতে ঝড় তুলেছেন শেখ জামালের অধিনায়ক নুরুল হাসান সোহান।

তবে ‘অবস্ট্রাক্টিং দা ফিল্ড’ আউট হয়ে বিদায় নেন তিনি।
তবে সাইফ হাসানের ঝড়ো ফিফটিতে শেখ জামাল ধানমণ্ডি ক্লাবকে ৬ উইকেটে হারায় প্রাইম দোলেশ্বর স্পোর্টিং ক্লাব।

টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে মাত্র ১২৩ রান তোলে শেখ জামাল। শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়া শেখ জামাল এই পর্যন্ত আসতে পেরেছে তাদের দলপতি সোহানের কল্যাণেই।

প্রাইম দোলেশ্বরের বোলিং তোপে ১৩ দশমিক ৪ ওভারে ৬ উইকেটে ৬৬ রান ছিল শেখ জামালের। ২৪ বলে ৪২ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে দলকে ১২৩ রানে নিয়ে আসেন সোহান। এই ইনিংস খেলার পথে তিনি মেরেছেন ৪টি চার ও ২টি ছক্কা।

ইনিংসে কামরুল ইসলাম রাব্বির অফ স্টাম্পের বাইরের শর্ট বল পুল করার চেষ্টা করেন এনামুল হক। তার ব্যাটের নিচের দিকে লেগে পা স্পর্শ করে বল থাকে উইকেটের কাছেই। রান নেওয়ার সময় দৌড়ের গতিপথ একটু সরিয়ে সোহান পা দিয়ে ঠেকিয়ে দেন বল। ফিল্ডিং করতে ছুটে যাওয়া বোলার কামরুল ধরতে পারেননি বল। দোলেশ্বরের ফিল্ডাররা আবেদন জানান তখনই। থার্ড আম্পায়ার বারবার রিপ্লে দেখে আউট দেন সোহানকে।

২৮ বলে ২৭ রান করেছে ইমরুল কায়েস। আর কেউই বলার মতো কোনো স্কোর করতে পারেননি। প্রাইম দোলেশ্বরের রেজাউর রহমান রাজা ৩টি উইকেট নেন। এছাড়া শফিকুল ইসলাম শিকার করেছেন দুটি উইকেট।

১২৪ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ৭ চার ও ৩ ছক্কায় সাইফ খেলেন ৩৩ বলে ৬০ রানের ইনিংস। সাইফ ফিফটি স্পর্শ করেন ৩০ বলে। পরে সোহরাওয়ার্দী শুভকে ছক্কা মারেন মাথার ওপর দিয়ে। পরের বলে ইনসাইড আউট শটে ছক্কার চেষ্টায় ধরা পড়েন সীমানায়।

জয় তখন দোলেশ্বরের নাগালে। বাকি পথটুকু পেরোতে অবশ্য বেশ ভোগান্তি হয় তাদের। কোনো চাপ না থাকলেও মোহাম্মদ আশরাফুলকে ফিরতি ক্যাচ দেন ফজলে রাব্বি, আলগা শটে বোল্ড হন মার্শাল আইয়ুব। শেষ পর্যন্ত শরিফউল্লাহর বাউন্ডারিতে জয় ধরা দেয় ১৪ বল আগে।