ঢাকা ০৬:৩৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকদের শান্তিতে নির্বাচন করতে দেব না: আসিফ মাহমুদ ‘আমি রুমিন ফারহানা, আমার কোনো দল লাগে না’ গুম হওয়া পরিবারের আর্তনাদ শুনে কাঁদলেন তারেক রহমান কালি নয়, জুলাই জাতীয় সনদ ‘রক্ত ও প্রাণের বিনিময়ে’ লেখা হয়েছে : আলী রীয়াজ প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন লুৎফুজ্জামান বাবরের স্ত্রী ওসমানী মেডিকেলে ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলা, চলছে কর্মবিরতি নির্বাচন ব্যর্থ হলে শুধু সরকার নয়, পুরো দেশবাসীকেই এর ভয়াবহ খেসারত দিতে হবে : দুদু আন্দোলনের সুফল একটি দলের ঘরে নেওয়ার চেষ্টা বিফলে যাবে : ডা. জাহিদ ঢাকাকে হারিয়ে প্লে-অফ নিশ্চিত করল রংপুর রাইডার্স খালেদা জিয়ার আদর্শই হবে আগামীর চালিকাশক্তি : খন্দকার মোশাররফ

কাতারের রেডিওতে বাংলাদেশের প্রথম কারি হাফেজ মুহাম্মাদুল্লাহ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিভিন্ন রেওয়ায়েতে কোরআন পড়ে একাধিকবার আন্তর্জাতিক পুরস্কার পেয়েছেন বাংলাদেশি কারি মুহাম্মাদুল্লাহ বিন হাফিজ।

বিশ্বের লাখ লাখ দর্শক-শ্রোতার হৃদয়কাড়া সুরে কোরআন তিলাওয়াত করে মন জয় করা বাংলাদেশের কারি মুহাম্মাদুল্লাহ বিন হাফিজ। তিনি কাতারের আন্তর্জাতিক হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতায় পাঁচবার পুরস্কার পেয়েছেন।

পবিত্র কোরআনুল কারিমের প্রসিদ্ধ ১০ কেরাতের বিভিন্ন রেওয়ায়েতের ওপর একাধিকবার পুরস্কার পেয়েছেন মোহাম্মদুল্লাহ বিন হাফিজ, যা বাংলাদেশি হাফেজদের মধ্যে তার একক অর্জন।

এ ছাড়া হাফেজ আব্দুল হকের তত্ত্বাবধানে তার তিলাওয়াত টেপরেকর্ডের মাধ্যমে সর্বপ্রথম দেশের বিভিন্ন হিফজ বিভাগে মশক করানো শুরু হয়। এভাবে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে তার কোরআন তিলাওয়াত ছড়িয়ে পড়ে।

২০০৪ সালে ইরানের আন্তর্জাতিক হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতায় সারাবিশ্বে চতুর্থ হয়েছিলেন হাফেজ মোহাম্মদুল্লাহ বিন হাফিজ। বর্তমানে তিনি কাতার ধর্ম মন্ত্রণালয়ের ইমাম ও খতিব হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

পাশাপাশি কাতারে রেডিওতে নিয়মিত পবিত্র কোরআনে কারিম তিলাওয়াত করে সুনাম ও সুখ্যাতি অর্জন করছেন। এমনকি বাংলাদেশি কারিদের মধ্যে তিনিই প্রথম কাতারের রেডিওতে কোরআন তিলাওয়াত করার সুযোগ পেয়েছেন।

নরসিংদীর শিবপুরের চৈতন্য গ্রামের হাফেজ মাওলানা হাফিজুল্লাহর সন্তান কারি মুহাম্মাদুল্লাহ। বিশ্বজয়ী এ হাফেজ অল্প বয়সে মায়ের কাছেই এক-দুই পারা কোরআন মুখস্ত করেন। পরে বাবার প্রতিষ্ঠান জামিয়া ইসলামিয়া আরাবিয়া দক্ষিণ মির্জানগর মাদ্রাসায় ভর্তি হয়ে বাবার কাছেই মাত্র ১১ বছর বয়সে পূর্ণ কোরআন মুখস্ত করে ফেলেন।

২০০৪ সালে কাতার ধর্ম মন্ত্রণালয়ে ইন্টারভিউয়ের মাধ্যমে ইমাম ও খতিব হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হন এবং ২০০৮ ও ২০০৯, ২০১০, ২০১২ সালে কাতার হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতায় পঞ্চম, চতুর্থ, তৃতীয় ও দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেন।

এ ছাড়া ২০১৭-১৮ সালে আর টিভিতে হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতায় তিনি বিচারক ছিলেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকদের শান্তিতে নির্বাচন করতে দেব না: আসিফ মাহমুদ

কাতারের রেডিওতে বাংলাদেশের প্রথম কারি হাফেজ মুহাম্মাদুল্লাহ

আপডেট সময় ১০:৫৩:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ জুন ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিভিন্ন রেওয়ায়েতে কোরআন পড়ে একাধিকবার আন্তর্জাতিক পুরস্কার পেয়েছেন বাংলাদেশি কারি মুহাম্মাদুল্লাহ বিন হাফিজ।

বিশ্বের লাখ লাখ দর্শক-শ্রোতার হৃদয়কাড়া সুরে কোরআন তিলাওয়াত করে মন জয় করা বাংলাদেশের কারি মুহাম্মাদুল্লাহ বিন হাফিজ। তিনি কাতারের আন্তর্জাতিক হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতায় পাঁচবার পুরস্কার পেয়েছেন।

পবিত্র কোরআনুল কারিমের প্রসিদ্ধ ১০ কেরাতের বিভিন্ন রেওয়ায়েতের ওপর একাধিকবার পুরস্কার পেয়েছেন মোহাম্মদুল্লাহ বিন হাফিজ, যা বাংলাদেশি হাফেজদের মধ্যে তার একক অর্জন।

এ ছাড়া হাফেজ আব্দুল হকের তত্ত্বাবধানে তার তিলাওয়াত টেপরেকর্ডের মাধ্যমে সর্বপ্রথম দেশের বিভিন্ন হিফজ বিভাগে মশক করানো শুরু হয়। এভাবে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে তার কোরআন তিলাওয়াত ছড়িয়ে পড়ে।

২০০৪ সালে ইরানের আন্তর্জাতিক হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতায় সারাবিশ্বে চতুর্থ হয়েছিলেন হাফেজ মোহাম্মদুল্লাহ বিন হাফিজ। বর্তমানে তিনি কাতার ধর্ম মন্ত্রণালয়ের ইমাম ও খতিব হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

পাশাপাশি কাতারে রেডিওতে নিয়মিত পবিত্র কোরআনে কারিম তিলাওয়াত করে সুনাম ও সুখ্যাতি অর্জন করছেন। এমনকি বাংলাদেশি কারিদের মধ্যে তিনিই প্রথম কাতারের রেডিওতে কোরআন তিলাওয়াত করার সুযোগ পেয়েছেন।

নরসিংদীর শিবপুরের চৈতন্য গ্রামের হাফেজ মাওলানা হাফিজুল্লাহর সন্তান কারি মুহাম্মাদুল্লাহ। বিশ্বজয়ী এ হাফেজ অল্প বয়সে মায়ের কাছেই এক-দুই পারা কোরআন মুখস্ত করেন। পরে বাবার প্রতিষ্ঠান জামিয়া ইসলামিয়া আরাবিয়া দক্ষিণ মির্জানগর মাদ্রাসায় ভর্তি হয়ে বাবার কাছেই মাত্র ১১ বছর বয়সে পূর্ণ কোরআন মুখস্ত করে ফেলেন।

২০০৪ সালে কাতার ধর্ম মন্ত্রণালয়ে ইন্টারভিউয়ের মাধ্যমে ইমাম ও খতিব হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হন এবং ২০০৮ ও ২০০৯, ২০১০, ২০১২ সালে কাতার হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতায় পঞ্চম, চতুর্থ, তৃতীয় ও দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেন।

এ ছাড়া ২০১৭-১৮ সালে আর টিভিতে হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতায় তিনি বিচারক ছিলেন।