ঢাকা ০৬:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

কাতারের রেডিওতে বাংলাদেশের প্রথম কারি হাফেজ মুহাম্মাদুল্লাহ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিভিন্ন রেওয়ায়েতে কোরআন পড়ে একাধিকবার আন্তর্জাতিক পুরস্কার পেয়েছেন বাংলাদেশি কারি মুহাম্মাদুল্লাহ বিন হাফিজ।

বিশ্বের লাখ লাখ দর্শক-শ্রোতার হৃদয়কাড়া সুরে কোরআন তিলাওয়াত করে মন জয় করা বাংলাদেশের কারি মুহাম্মাদুল্লাহ বিন হাফিজ। তিনি কাতারের আন্তর্জাতিক হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতায় পাঁচবার পুরস্কার পেয়েছেন।

পবিত্র কোরআনুল কারিমের প্রসিদ্ধ ১০ কেরাতের বিভিন্ন রেওয়ায়েতের ওপর একাধিকবার পুরস্কার পেয়েছেন মোহাম্মদুল্লাহ বিন হাফিজ, যা বাংলাদেশি হাফেজদের মধ্যে তার একক অর্জন।

এ ছাড়া হাফেজ আব্দুল হকের তত্ত্বাবধানে তার তিলাওয়াত টেপরেকর্ডের মাধ্যমে সর্বপ্রথম দেশের বিভিন্ন হিফজ বিভাগে মশক করানো শুরু হয়। এভাবে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে তার কোরআন তিলাওয়াত ছড়িয়ে পড়ে।

২০০৪ সালে ইরানের আন্তর্জাতিক হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতায় সারাবিশ্বে চতুর্থ হয়েছিলেন হাফেজ মোহাম্মদুল্লাহ বিন হাফিজ। বর্তমানে তিনি কাতার ধর্ম মন্ত্রণালয়ের ইমাম ও খতিব হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

পাশাপাশি কাতারে রেডিওতে নিয়মিত পবিত্র কোরআনে কারিম তিলাওয়াত করে সুনাম ও সুখ্যাতি অর্জন করছেন। এমনকি বাংলাদেশি কারিদের মধ্যে তিনিই প্রথম কাতারের রেডিওতে কোরআন তিলাওয়াত করার সুযোগ পেয়েছেন।

নরসিংদীর শিবপুরের চৈতন্য গ্রামের হাফেজ মাওলানা হাফিজুল্লাহর সন্তান কারি মুহাম্মাদুল্লাহ। বিশ্বজয়ী এ হাফেজ অল্প বয়সে মায়ের কাছেই এক-দুই পারা কোরআন মুখস্ত করেন। পরে বাবার প্রতিষ্ঠান জামিয়া ইসলামিয়া আরাবিয়া দক্ষিণ মির্জানগর মাদ্রাসায় ভর্তি হয়ে বাবার কাছেই মাত্র ১১ বছর বয়সে পূর্ণ কোরআন মুখস্ত করে ফেলেন।

২০০৪ সালে কাতার ধর্ম মন্ত্রণালয়ে ইন্টারভিউয়ের মাধ্যমে ইমাম ও খতিব হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হন এবং ২০০৮ ও ২০০৯, ২০১০, ২০১২ সালে কাতার হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতায় পঞ্চম, চতুর্থ, তৃতীয় ও দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেন।

এ ছাড়া ২০১৭-১৮ সালে আর টিভিতে হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতায় তিনি বিচারক ছিলেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

কাতারের রেডিওতে বাংলাদেশের প্রথম কারি হাফেজ মুহাম্মাদুল্লাহ

আপডেট সময় ১০:৫৩:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ জুন ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিভিন্ন রেওয়ায়েতে কোরআন পড়ে একাধিকবার আন্তর্জাতিক পুরস্কার পেয়েছেন বাংলাদেশি কারি মুহাম্মাদুল্লাহ বিন হাফিজ।

বিশ্বের লাখ লাখ দর্শক-শ্রোতার হৃদয়কাড়া সুরে কোরআন তিলাওয়াত করে মন জয় করা বাংলাদেশের কারি মুহাম্মাদুল্লাহ বিন হাফিজ। তিনি কাতারের আন্তর্জাতিক হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতায় পাঁচবার পুরস্কার পেয়েছেন।

পবিত্র কোরআনুল কারিমের প্রসিদ্ধ ১০ কেরাতের বিভিন্ন রেওয়ায়েতের ওপর একাধিকবার পুরস্কার পেয়েছেন মোহাম্মদুল্লাহ বিন হাফিজ, যা বাংলাদেশি হাফেজদের মধ্যে তার একক অর্জন।

এ ছাড়া হাফেজ আব্দুল হকের তত্ত্বাবধানে তার তিলাওয়াত টেপরেকর্ডের মাধ্যমে সর্বপ্রথম দেশের বিভিন্ন হিফজ বিভাগে মশক করানো শুরু হয়। এভাবে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে তার কোরআন তিলাওয়াত ছড়িয়ে পড়ে।

২০০৪ সালে ইরানের আন্তর্জাতিক হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতায় সারাবিশ্বে চতুর্থ হয়েছিলেন হাফেজ মোহাম্মদুল্লাহ বিন হাফিজ। বর্তমানে তিনি কাতার ধর্ম মন্ত্রণালয়ের ইমাম ও খতিব হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

পাশাপাশি কাতারে রেডিওতে নিয়মিত পবিত্র কোরআনে কারিম তিলাওয়াত করে সুনাম ও সুখ্যাতি অর্জন করছেন। এমনকি বাংলাদেশি কারিদের মধ্যে তিনিই প্রথম কাতারের রেডিওতে কোরআন তিলাওয়াত করার সুযোগ পেয়েছেন।

নরসিংদীর শিবপুরের চৈতন্য গ্রামের হাফেজ মাওলানা হাফিজুল্লাহর সন্তান কারি মুহাম্মাদুল্লাহ। বিশ্বজয়ী এ হাফেজ অল্প বয়সে মায়ের কাছেই এক-দুই পারা কোরআন মুখস্ত করেন। পরে বাবার প্রতিষ্ঠান জামিয়া ইসলামিয়া আরাবিয়া দক্ষিণ মির্জানগর মাদ্রাসায় ভর্তি হয়ে বাবার কাছেই মাত্র ১১ বছর বয়সে পূর্ণ কোরআন মুখস্ত করে ফেলেন।

২০০৪ সালে কাতার ধর্ম মন্ত্রণালয়ে ইন্টারভিউয়ের মাধ্যমে ইমাম ও খতিব হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হন এবং ২০০৮ ও ২০০৯, ২০১০, ২০১২ সালে কাতার হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতায় পঞ্চম, চতুর্থ, তৃতীয় ও দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেন।

এ ছাড়া ২০১৭-১৮ সালে আর টিভিতে হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতায় তিনি বিচারক ছিলেন।