ঢাকা ০৯:২২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আপিল শুনানিতে কোনো ধরনের পক্ষপাত করিনি : সিইসি নির্বাচনে অংশ নেবে কিনা ভাববে এনসিপি : আসিফ মাহমুদ প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে : আব্দুল্লাহ মো. তাহের একটি রাজনৈতিক দল বিভিন্ন এলাকা থেকে ভোটারদের ঢাকায় স্থানান্তর করে আনছে: ফখরুলের অভিযোগ নরসিংদীতে দুই ব্যবসায়ীর ঝগড়ায় একজনের মৃত্যু, অভিযুক্তর বাড়িতে ভাঙচুর-আগুন ৭ কলেজ নিয়ে ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’ অধ্যাদেশ চূড়ান্ত আমি এসেছি শুধু শুনতে, শিখতে এবং একসঙ্গে কাজ করার মনোভাব নিয়ে এগিয়ে যেতে: জাইমা রহমান চাকরির ক্ষেত্রে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি হয়েছে কিনা তা দেখা উচিত : আমীর খসরু ওসমানী হাসপাতাল ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার যুক্তরাষ্ট্রেকেও খেসারত দিতে হবে, ফরাসি কৃষিমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি

দুদকে সফটওয়্যার কিনতে এডিবির বাড়তি অর্থায়ন

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দুর্নীতি দমন কমিশনের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে নেওয়া কারিগরি সহায়তা প্রকল্পের আওতায় বাড়তি অনুদান দিচ্ছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। প্রকল্প বাস্তবায়নে ১ কোটি ৭০ লাখ টাকা বাড়তি অর্থায়ন করছে সংস্থাটি।

‘দুর্নীতি দমন কমিশনের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধিকরণ (২য় সংশোধনী)’ শীর্ষক প্রকল্পের ওপর অনুষ্ঠিত বিশেষ প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির (এসপিইসি) সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আর্থ-সামাজিক অবকাঠামো বিভাগের সদস্য (সচিব) মোসাম্মৎ নাসিমা বেগম সভায় সভাপতিত্ব করেন।

প্রকল্পের মোট ব্যয় ৭ কোটি ৩৭ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারি অর্থায়ন ৫৭ লাখ টাকা। বাকি ৬ কোটি ৮০ লাখ টাকা দেবে এডিবি। এপ্রিল ২০১৭ থেকে মার্চ ২০২১ মেয়াদে বাস্তবায়নের জন্য দুর্নীতি দমন কমিশনের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধিকরণ (১ম সংশোধনী) শীর্ষক কারিগরি সহায়তা প্রকল্পটি দুর্নীতি দমন কমিশন কর্তৃক বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রকল্পটির মোট প্রাক্কলিত ব্যয় বেড়ে ৯ কোটি ৭ লাখ টাকা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। বাস্তবায়নকাল ডিসেম্বর ২০২২ অর্থাৎ মেয়াদ ১ বছর ৩ মাস বৃদ্ধিসহ দ্বিতীয় সংশোধনীর প্রস্তাব করা হয়েছে।

প্রকল্পটি সংশোধনের কারণ পরিকল্পনা কমিশনকে জানিয়েছে দুদক। প্রকল্পটির প্রধান খাত ইনভেস্টিং অ্যান্ড প্রসিকিউশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (আইপিএমএস) সফটওয়্যারের মডিউলগুলো প্রস্তুত করা হয়েছে।

আইপিএমএস সফটওয়্যার বাস্তবায়নের জন্য এডিবি এবং পরামর্শক প্রতিষ্ঠান হার্ডওয়্যারের তালিকা ও স্পেসিফিকেশন প্রস্তুত করেছে। আইপিএমএস সফটওয়্যারে ব্যবহৃত ডাটাবেজ ও আনুষঙ্গিক হার্ডওয়্যার, সার্ভার ক্রয় খাতের প্রাক্কলিত ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ায় ০ দশমিক ২ মিলিয়ন ডলার বা ১ কোটি ৭০ লাখ টাকা ব্যয় বৃদ্ধি করা হয়েছে। দ্বিতীয় সংশোধনীতে হায়ারিং চার্জ খাতে ১০ লাখ টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। এ বিষয়টি প্রকল্প সংশোধনের একটি কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দুদকে সফটওয়্যার কিনতে এডিবির বাড়তি অর্থায়ন

আপডেট সময় ০৬:৪২:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ জুন ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দুর্নীতি দমন কমিশনের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে নেওয়া কারিগরি সহায়তা প্রকল্পের আওতায় বাড়তি অনুদান দিচ্ছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। প্রকল্প বাস্তবায়নে ১ কোটি ৭০ লাখ টাকা বাড়তি অর্থায়ন করছে সংস্থাটি।

‘দুর্নীতি দমন কমিশনের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধিকরণ (২য় সংশোধনী)’ শীর্ষক প্রকল্পের ওপর অনুষ্ঠিত বিশেষ প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির (এসপিইসি) সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আর্থ-সামাজিক অবকাঠামো বিভাগের সদস্য (সচিব) মোসাম্মৎ নাসিমা বেগম সভায় সভাপতিত্ব করেন।

প্রকল্পের মোট ব্যয় ৭ কোটি ৩৭ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারি অর্থায়ন ৫৭ লাখ টাকা। বাকি ৬ কোটি ৮০ লাখ টাকা দেবে এডিবি। এপ্রিল ২০১৭ থেকে মার্চ ২০২১ মেয়াদে বাস্তবায়নের জন্য দুর্নীতি দমন কমিশনের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধিকরণ (১ম সংশোধনী) শীর্ষক কারিগরি সহায়তা প্রকল্পটি দুর্নীতি দমন কমিশন কর্তৃক বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রকল্পটির মোট প্রাক্কলিত ব্যয় বেড়ে ৯ কোটি ৭ লাখ টাকা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। বাস্তবায়নকাল ডিসেম্বর ২০২২ অর্থাৎ মেয়াদ ১ বছর ৩ মাস বৃদ্ধিসহ দ্বিতীয় সংশোধনীর প্রস্তাব করা হয়েছে।

প্রকল্পটি সংশোধনের কারণ পরিকল্পনা কমিশনকে জানিয়েছে দুদক। প্রকল্পটির প্রধান খাত ইনভেস্টিং অ্যান্ড প্রসিকিউশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (আইপিএমএস) সফটওয়্যারের মডিউলগুলো প্রস্তুত করা হয়েছে।

আইপিএমএস সফটওয়্যার বাস্তবায়নের জন্য এডিবি এবং পরামর্শক প্রতিষ্ঠান হার্ডওয়্যারের তালিকা ও স্পেসিফিকেশন প্রস্তুত করেছে। আইপিএমএস সফটওয়্যারে ব্যবহৃত ডাটাবেজ ও আনুষঙ্গিক হার্ডওয়্যার, সার্ভার ক্রয় খাতের প্রাক্কলিত ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ায় ০ দশমিক ২ মিলিয়ন ডলার বা ১ কোটি ৭০ লাখ টাকা ব্যয় বৃদ্ধি করা হয়েছে। দ্বিতীয় সংশোধনীতে হায়ারিং চার্জ খাতে ১০ লাখ টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। এ বিষয়টি প্রকল্প সংশোধনের একটি কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।