ঢাকা ০২:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঢাকা দক্ষিণ সিটির মেয়রপ্রার্থী সাদিক কায়েম ভরাট খাল উদ্ধার না হলে মুক্তি নেই জলাবদ্ধতায়: ডিএসসিসি প্রশাসক ‘রাতে বাসায় ঢোকার সময় দেখি দুইজন মোটরসাইকেল নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে’:মিতু ইতালিতে ছোট ভাইকে হত্যা করে ভিডিও কলে পরিবারকে দেখাল বড় ভাই জ্যামে থাকা মাইক্রোবাসে ছিনতাইয়ের চেষ্টা, বাধা দেওয়ায় চালককে ছুরিকাঘাত ইরানে আবারও হামলা চালাতে পারে যুক্তরাষ্ট্র: পেজেশকিয়ান ‘ইরানকে আলোচনার টেবিলে আসতেই হবে’ সংস্কারের নামে’ নির্বাচন ঠেকানোর আশঙ্কা থেকেই আমাদের এই অবস্থান নিতে হয়েছে: সালাহউদ্দিন ‘ভোটের সম্মান পাকিস্তানি সরকার না দেখানোর কারণেই মুক্তিযুদ্ধ’: শফিকুর রহমান এই সংবিধান আমাদের অস্তিত্ব, আমাদের আবেগ : মির্জা ফখরুল

দুদকে সফটওয়্যার কিনতে এডিবির বাড়তি অর্থায়ন

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দুর্নীতি দমন কমিশনের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে নেওয়া কারিগরি সহায়তা প্রকল্পের আওতায় বাড়তি অনুদান দিচ্ছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। প্রকল্প বাস্তবায়নে ১ কোটি ৭০ লাখ টাকা বাড়তি অর্থায়ন করছে সংস্থাটি।

‘দুর্নীতি দমন কমিশনের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধিকরণ (২য় সংশোধনী)’ শীর্ষক প্রকল্পের ওপর অনুষ্ঠিত বিশেষ প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির (এসপিইসি) সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আর্থ-সামাজিক অবকাঠামো বিভাগের সদস্য (সচিব) মোসাম্মৎ নাসিমা বেগম সভায় সভাপতিত্ব করেন।

প্রকল্পের মোট ব্যয় ৭ কোটি ৩৭ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারি অর্থায়ন ৫৭ লাখ টাকা। বাকি ৬ কোটি ৮০ লাখ টাকা দেবে এডিবি। এপ্রিল ২০১৭ থেকে মার্চ ২০২১ মেয়াদে বাস্তবায়নের জন্য দুর্নীতি দমন কমিশনের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধিকরণ (১ম সংশোধনী) শীর্ষক কারিগরি সহায়তা প্রকল্পটি দুর্নীতি দমন কমিশন কর্তৃক বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রকল্পটির মোট প্রাক্কলিত ব্যয় বেড়ে ৯ কোটি ৭ লাখ টাকা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। বাস্তবায়নকাল ডিসেম্বর ২০২২ অর্থাৎ মেয়াদ ১ বছর ৩ মাস বৃদ্ধিসহ দ্বিতীয় সংশোধনীর প্রস্তাব করা হয়েছে।

প্রকল্পটি সংশোধনের কারণ পরিকল্পনা কমিশনকে জানিয়েছে দুদক। প্রকল্পটির প্রধান খাত ইনভেস্টিং অ্যান্ড প্রসিকিউশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (আইপিএমএস) সফটওয়্যারের মডিউলগুলো প্রস্তুত করা হয়েছে।

আইপিএমএস সফটওয়্যার বাস্তবায়নের জন্য এডিবি এবং পরামর্শক প্রতিষ্ঠান হার্ডওয়্যারের তালিকা ও স্পেসিফিকেশন প্রস্তুত করেছে। আইপিএমএস সফটওয়্যারে ব্যবহৃত ডাটাবেজ ও আনুষঙ্গিক হার্ডওয়্যার, সার্ভার ক্রয় খাতের প্রাক্কলিত ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ায় ০ দশমিক ২ মিলিয়ন ডলার বা ১ কোটি ৭০ লাখ টাকা ব্যয় বৃদ্ধি করা হয়েছে। দ্বিতীয় সংশোধনীতে হায়ারিং চার্জ খাতে ১০ লাখ টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। এ বিষয়টি প্রকল্প সংশোধনের একটি কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

ফিফা কংগ্রেসে ইসরাইলির পাশে দাঁড়াতে অস্বীকৃতি ফিলিস্তিনি ফুটবল প্রধানের

দুদকে সফটওয়্যার কিনতে এডিবির বাড়তি অর্থায়ন

আপডেট সময় ০৬:৪২:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ জুন ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দুর্নীতি দমন কমিশনের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে নেওয়া কারিগরি সহায়তা প্রকল্পের আওতায় বাড়তি অনুদান দিচ্ছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। প্রকল্প বাস্তবায়নে ১ কোটি ৭০ লাখ টাকা বাড়তি অর্থায়ন করছে সংস্থাটি।

‘দুর্নীতি দমন কমিশনের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধিকরণ (২য় সংশোধনী)’ শীর্ষক প্রকল্পের ওপর অনুষ্ঠিত বিশেষ প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির (এসপিইসি) সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আর্থ-সামাজিক অবকাঠামো বিভাগের সদস্য (সচিব) মোসাম্মৎ নাসিমা বেগম সভায় সভাপতিত্ব করেন।

প্রকল্পের মোট ব্যয় ৭ কোটি ৩৭ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারি অর্থায়ন ৫৭ লাখ টাকা। বাকি ৬ কোটি ৮০ লাখ টাকা দেবে এডিবি। এপ্রিল ২০১৭ থেকে মার্চ ২০২১ মেয়াদে বাস্তবায়নের জন্য দুর্নীতি দমন কমিশনের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধিকরণ (১ম সংশোধনী) শীর্ষক কারিগরি সহায়তা প্রকল্পটি দুর্নীতি দমন কমিশন কর্তৃক বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রকল্পটির মোট প্রাক্কলিত ব্যয় বেড়ে ৯ কোটি ৭ লাখ টাকা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। বাস্তবায়নকাল ডিসেম্বর ২০২২ অর্থাৎ মেয়াদ ১ বছর ৩ মাস বৃদ্ধিসহ দ্বিতীয় সংশোধনীর প্রস্তাব করা হয়েছে।

প্রকল্পটি সংশোধনের কারণ পরিকল্পনা কমিশনকে জানিয়েছে দুদক। প্রকল্পটির প্রধান খাত ইনভেস্টিং অ্যান্ড প্রসিকিউশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (আইপিএমএস) সফটওয়্যারের মডিউলগুলো প্রস্তুত করা হয়েছে।

আইপিএমএস সফটওয়্যার বাস্তবায়নের জন্য এডিবি এবং পরামর্শক প্রতিষ্ঠান হার্ডওয়্যারের তালিকা ও স্পেসিফিকেশন প্রস্তুত করেছে। আইপিএমএস সফটওয়্যারে ব্যবহৃত ডাটাবেজ ও আনুষঙ্গিক হার্ডওয়্যার, সার্ভার ক্রয় খাতের প্রাক্কলিত ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ায় ০ দশমিক ২ মিলিয়ন ডলার বা ১ কোটি ৭০ লাখ টাকা ব্যয় বৃদ্ধি করা হয়েছে। দ্বিতীয় সংশোধনীতে হায়ারিং চার্জ খাতে ১০ লাখ টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। এ বিষয়টি প্রকল্প সংশোধনের একটি কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।